নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই। ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি-ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুল্গুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

Ever heard of \'INFIBULATION\'....

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:১১

Ever heard of 'INFIBULATION'...

কখনো ইনফেবুলেশন এর নাম শুনেছেন? এটি এমনএক প্রক্রিয়া যেখানে মেয়েদের যৌনাঙ্গ সেলাই করে দেওয়া হয়, শুধু মাত্র প্রস্রাব করার অংশ টুকু ছাড়া। পড়ে অবাক লাগলেও আফ্রিকার কিছু কিছু অঞ্চলে এখনো এই অনুশীলনের প্রচলন আছে। এটি করার কারন হল বিয়ের আগে মেয়েটি যাতে কারো সঙ্গে সেক্স করতে না পারে।
সেলাই করার দিন থেকে পনেরো কুড়ি দিন হাত পা বেঁধে রাখা হয় যাতে সেলাই সম্পূর্ণ ভাবে শুকিয়ে আসে এবং মেয়েটি সেলাই কাঁচা অবস্থায় নড়াচড়া করতে না পারে। তাকে হাটাহাটি করতেও দেওয়া হয় না, যাতে সেলাই ছিঁড়ে না যায়। প্রায় চল্লিশ দিন লাগে সেলাই সম্পুর্ন ঠিক হতে। সেলাই করা হয় শুধু উপরের চামড়া টুকু যাতে যৌনাঙ্গের গভীরতা ঢেকে দেওয়া যায়। তারপর সেই সেলাই খোলা হয় মেয়েটির বাসর রাতে। যাতে সে তার সঙ্গীর সাথে অ্যাটাচ হতে সক্ষম হয়। এতে মেয়েটি সম্পূর্ণ ভাবে ভার্জিন আছে এটাই প্রমান করার চেষ্টা করা হয়।

একবার ভাবুন বাসর রাতে যৌনাঙ্গের সেলাই কেটে সেই রাতেই সেক্স করা, মানে ঠিক কতখানি যন্ত্রণা কতখানি কষ্ট, কতটা চোখের জল, শুধু একটা মেয়ের ভার্জিনিটি ঠিক রাখার জন্য তার প্রতি এতটা অন্যায়! কতখানি নিষ্ঠুর হলে মানুষ এমনটা করতে পারে!!
অবাক বিস্ময়, এই অপকর্মটি মেয়েদের দ্বারাই করা হয়ে থাকে!!!
নারীবাদীতা বলে যদি কিছু থাকেই তাহলে এখান থেকেই নারীবাদীতা শুরু হ‌ওয়া উচিৎ। আপনাদের পড়তে যতটা অবাক এবং হতভম্ব লাগছে আমিও প্রথম পড়ার সময় সেরকমই অবাক হয়েছি, আর হতাশ হয়েছি- এখোনো কিছু দেশে এই ইনফেবুলেশন প্রথার প্রচলন আছে! শুধু আফ্রিকাতেই নয়, উত্তর আমেরিকার কয়েকটি দেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এর মতো দেশেও এই প্রক্রিয়া চলে আসছে অনেক আগে থেকেই!
Say No To INFIBULATION!
(মূল লেখাটা ইংরেজিতে ছিল, আমি শুধু বাংলায় লিখেছি)।

*******************************************
Ever heard of 'INFIBULATION'....
This is the practice of excising the clitoris and labia of a girl or woman and stitching together the edges of the vulva to prevent sexual intercourse. It is the complete scraping of vagina and stitching it together to prevent the girl from having sex.
The vagina is sealed leaving a small hole for the girl to menstruate or urinate.
The girl's legs are tied with rope for days so that the wound can heal. It usually take 15 to 40 days for the wound to heal. During this period the girl's legs remain tied and she is prevented from moving.
Basically, the stitches are meant to be reopen by her husband on the wedding night so he can have intimate with her.
Imagine someone opening stitches and immediately having sex with her.
Just imagine the pains, I mean serious pains!!
Imagine the traumatic experience, the pains the girl will pass through.
Is it not better to allow her decide if she will marry as a virgin or not than to do this?
At birth many women have to be cut again because the vagina opening is too small for the passage of the baby.
It also cause urinary tract infections in women, fistulae and infertility etc.
FYI, this is still practiced in some part of Africa till date.
According to research, it was also practiced in North America, Australia and New Zealand.
It's disheartening
Say No To INFIBULATION!
Girls do not deserve this ill treatment for being girls.
It's not a crime to be a girl child.
Via: Vocabulary And Dawn News' Informative Articles.

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫২

নীল আকাশ বলেছেন: জঘন্য একটা প্রথা। আমার মতে যারা এটা করায় বা প্রশয় দেয় তাদের সবাইকেই শাস্তি দেয়া উচিত।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৫৫

জুল ভার্ন বলেছেন: একমত।

২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫৭

নতুন নকিব বলেছেন:



বলা যায় না, এই জঘন্য কুপ্রথাটির সাথেও কিছু লোক ইসলাম ধর্মের যোগসূত্র খুঁজে হয়রান হতে পারেন। তাদের মনোঃকষ্ট দূর করার জন্য কোনো সূত্র যদি পাওয়া যেত!

দয়া করে একটু খুঁজে দেখুন না, দিতে পারেন কি না। মানুষের কষ্ট দূর করা নিঃসন্দেহে বড় পূণ্যের কাজ।

তথাকথিত নারীবাদীরা এসব দেখেও না দেখার ভান করবেন। এটাই তাদের বাঁচার পদ্ধতি।

এমন অমানবিক এবং নষ্ট প্রথা যে দেশ কিংবা যে সমাজেই থাকুক না কেন, তীব্র ঘৃণা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আপনি নিয়মিত লিখছেন দেখে ভালো লাগছে। অনেক শুভকামনা।

৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৩

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: ধিক্কার ঐসব জাতির প্রতি।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৫৭

জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে সহমত।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৫৮

জুল ভার্ন বলেছেন: ্ধন্যবাদ।

৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: ভয়াবহ।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৫৯

জুল ভার্ন বলেছেন: ্কিন্তু এভাবেই চলছে।

৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৫০

এমেরিকা বলেছেন: তাহলে ঋতুস্রাব কিভাবে হবে?

কুমারিত্ব কি এতই মূল্যবান জিনিস?

৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:০৩

এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো বলেছেন: হ্যাঁ শুনেছি। খুবই জঘন্য প্রথা।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৪৪

জুল ভার্ন বলেছেন: তাও এই আধুনিক যুগে।

৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৫৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: কী ভয়ানক প্রথা । যেন জালিমের ঘর বাড়ির নারীরা

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:২২

জুল ভার্ন বলেছেন: :((

৮| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ্কিন্তু এভাবেই চলছে।

আমার দম বন্ধ হয়ে আসে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.