![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
ড. ইউনূসকে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান....
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে। শনিবার (২৯ মার্চ) এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্রঋণ ও দারিদ্র্য বিমোচনে বৈশ্বিক নেতৃত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার হাতে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি তুলে দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক গং কিয়ান বলেন, ‘অধ্যাপক ইউনূস শুধু একজন অর্থনীতিবিদ নন, তিনি বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অগ্রপথিক।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গর্বিত যে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই সম্মান প্রদান করতে পারছে। তার কাজ চীনের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে। অধ্যাপক ইউনূস তার ভাষণে আলোচিত ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব' থিউরি সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন। পুরস্কার গ্রহণ করে তিনি বলেন, ‘এই সম্মান শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি বিশ্বের সেইসব মানুষের জন্য যারা দারিদ্র্য ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে।’
ড. ইউনূসের আলোচিত ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তাঁর থ্রি-জিরো তত্ত্বের জন্য। ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সেগুলো হচ্ছে - জিরো দারিদ্র্য (Zero Poverty), জিরো বেকারত্ব (Zero Unemployment) ,ও জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ (Zero Net Carbon Emission)। আর তা অর্জনে লাগবে তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা। টেকসই উন্নয়নের এই তত্ত্বের প্রয়োগের মাধ্যমেই তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এগিয়ে নিতে চাইবেন বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াও গোটা বিশ্বেরই চোখ টেকসই উন্নয়নে। আর এই লক্ষ্য অর্জনে সামনে থাকছে তাঁর নিজের তত্ত্ব থ্রি-জিরো। এক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।
ড. ইউনূসের মতে, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়। মানুষ এককভাবে দারিদ্র্য তৈরি করে না, আমাদের অর্থনৈতিক কাঠামোর ভেতরেই তৈরি হয় দারিদ্র্য।’
এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তাঁর মতে, চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা জন্মেছি সমস্যা সমাধানের জন্য। কারও অধীনে চাকুরি করার জন্য নয়। তাই তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হতে হবে। কারও অধীনে নয়, বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে হবে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েই।’
যেখানে পৃথিবীর প্রতিটি তরুণ-তরুণী চাকরিপ্রার্থী না হয়ে বরং উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পাবে।
এই তত্ত্বের মাধ্যমে ড. ইউনূস একটি সমতাভিত্তিক ও স্থিতিশীল পৃথিবীর ধারণা তুলে ধরেছেন, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশগত সুরক্ষা একসঙ্গে চলবে।
'এসডিজি কার্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে ড. ইউনূসের ‘থ্রি জিরো তত্ত্ব’
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে সরকার গৃহীত কার্যক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্ব যুক্ত করার চিন্তা করছে সরকার।
সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যায়ে এই তত্ত্বের কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করা সহজ হবে বলে মনে করছেন সরকারের নীতি-নির্ধারকরা।
‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল। এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সেগুলো হচ্ছে- জিরো দারিদ্র্য, জিরো বেকারত্ব ও জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ। আর তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।
এসডিজির লক্ষ্যগুলোর মূল পরিকল্পনায় রয়েছে- সবার জন্য কল্যাণকর পৃথিবী এবং টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণ।
থ্রি জিরো তত্ত্বের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব বলেন, ‘আমরা এজডিজির সঙ্গে থ্রি জিরো তত্ত্ব যুক্ত করার চেষ্টা করছি। এসডিজির ওপর সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে আমাদের একটি কর্মশালা চলছে, সেখানে এই তত্ত্বের বিষয়ে আলোচনা করছি। আমরা চাই টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে সব পর্যায়ে থ্রি জিরো তত্ত্বের ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি হোক।’
এসডিজির লক্ষ্য পূরণের কার্যক্রমের মধ্যে থ্রি জিরো তত্ত্ব রাখা হয়েছে, তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস কারোর ওপর এই তত্ত্বের প্রয়োগ চাপিয়ে দিতে চান না। আমাদের উদ্দেশ্য হলো- যার ভালো লাগবে তিনি এটি গ্রহণ করবেন এবং কাজে লাগাবেন। এ কারণে এসডিজির বাইরে সরকারের কোনো বড় পর্যায়ে থ্রি জিরো তত্ত্ব নিয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
থ্রি জিরো তত্ত্বের মূল ভিত্তি হলো- দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা। এই তত্ত্বের ব্যাপারে অধ্যাপক ইউনূসের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়। মানুষ এককভাবে দারিদ্র্যতা তৈরি করে না, আমাদের অর্থনৈতিক কাঠামোর ভেতরেই তৈরি হয় দারিদ্র্য।’
২০২৪ সালে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী ও নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্বকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস।
তিনি সম্মেলনে নিজের এই তত্ত্ব উপস্থাপন করে বলেছেন, এটি এক নতুন সভ্যতার জন্ম দেবে। গড়ে তুলবে এক নতুন পৃথিবী, যা সবার জন্য বাসযোগ্য হবে।
তিনি এও বলেছেন, এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে জীবনশৈলী পাল্টানো সম্ভব। পরিবেশের নিরাপত্তার জন্যই দরকার এই নতুন জীবনধারা বা ‘লাইফস্টাইল’। সেই যাপন চাপিয়ে দেওয়া হবে না। তা পছন্দ করতে হবে। যুব সম্প্রদায় তা আনন্দের সঙ্গে ভালবেসে গ্রহণ করবে। এভাবে যুবসমাজের প্রত্যেকে নিজেদের ‘থ্রি জিরো পারসন’ হিসেবে গড়ে তুলবে।
‘থ্রি জিরো পারসন’ কেমন, তার ব্যাখ্যায় শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, সেই ব্যক্তি কার্বন নিঃসরণ করবে না। অর্থাৎ সে হবে ‘জিরো কার্বন’। সে সম্পদের একক মজুতদার হবে না। তার সম্পদ হবে সামাজিক ব্যবসাভিত্তিক। অর্থাৎ সে হবে ‘জিরো দরিদ্র' এবং এভাবেই তারা প্রত্যেকে উদ্যোগী হয়ে পূরণ করবে ‘জিরো বেকারত্বের’ তৃতীয় শর্ত। অর্থাৎ মুহাম্মদ ইউনূসের মতে, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামাতে পারলে দুশ্চিন্তামুক্ত ও বাসযোগ্য এক নতুন পৃথিবী গড়ে উঠবে।
সারা পৃথিবীজুড়ে বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ৬০০টি থ্রি জিরো ক্লাব রয়েছে, যার প্রতিটি অধ্যাপক ইউনূসের নতুন সভ্যতার স্বপ্নে অনুপ্রাণিত। এসব ক্লাবের বেশিরভাগই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গড়ে উঠেছে।
বিশ্বের অসংখ্য বিভিন্ন নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ে থ্রি জিরো ক্লাব গড়ে উঠলেও বাংলাদেশে এই ক্লাব সমানভাবে গড়ে উঠেনি। ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী বা অন্য কোনো ব্যক্তির পক্ষে এই থ্রি জিরো ক্লাব তৈরির আগ্রহ দেখানোটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। অধ্যাপক ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেও প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করতে হয়েছে।
থ্রি জিরো ক্লাব ইচ্ছে করলেই কেউ রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় দেখা হয়। তারা যে কাজগুলো করছে সেগুলো গুরুত্ব সহকারে করছে কি-না এবং সেটি টেকসই কি-না, এসব দেখার পরেই রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়। ৪ থেকে ৫ জন মিলে এই ক্লাব করা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, মাইক্রোক্রেডিট ও মাইক্রো ফাইন্যান্সের পর ড. ইউনূসের নবীন প্রোগ্রাম হলো সামাজিক ব্যবসা। এই ধারণার মূল বিষয় হলো একজন তার নিজের চাকরির ব্যবস্থা করবে পাশাপাশি অন্যদের চাকরির সুযোগ করে দেবে। অর্থাৎ আমি একটি ঋণ নিয়ে একটি কাজ শুরু করলাম যেখানে আরও তিন-পাঁচজন লোক কাজ করবে তাদের কর্মসংস্থান হবে। এই ব্যবসা থেকে যে মুনাফা আসবে তা জনকল্যাণে ব্যয় হবে। মুনাফার অর্থ স্বাস্থ্য, শিক্ষা কিংবা পরিবেশের উন্নয়নে ব্যয় হতে পারে। এভাবে আমরা টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অধ্যাপক ইউনূস দারিদ্র বিমোচন, উদ্যোক্তা তৈরি ও পরিবেশ দূষণ কমানোর ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘ যদি একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য না থাকে তাহলে আমরা সামনে এগিয়ে যাবো কীভাবে। তাই প্রতিটি কাজের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকতে হবে। তার যে উন্নয়ন তত্ত্ব তা কেবল বাংলাদেশকে ঘিরে নিয়ে নয়, সেটি সারা বিশ্বের কল্যাণ এবং ভবিষ্যতকে কেন্দ্র করে।’
অধ্যাপক ইউনূসের সামাজিক ব্যবসার মূল থিম হচ্ছে- এখান থেকে আমি কোন লাভ করব না তবে আমার মূল টাকা ফেরত আসতে হবে। যাতে করে ওই অর্থ আবার অন্য আরেকটি সামাজিক কার্যক্রমে ব্যবহার করা যায়। মাইক্রোক্রেডিটের সঙ্গে সামাজিক কার্যক্রম চালু রাখতে হবে। সামাজিক কার্যক্রম মনকে অনেক তৃপ্তি দেয়, কারণ এতে মানুষ অনেক উপকৃত হয়।
বিশ্বের ৩৯টি দেশের ১১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস সেন্টার রয়েছে। যেখানে মাইক্রোক্রেডিটের বিজনেস গুলো শিখানো হয়। তাদের আগ্রহে থ্রি জিরো ক্লাব তৈরি হচ্ছে। এ ক্লাবের মূল লক্ষ্য হলো শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণ অর্জন করা।
Copied from SATT ACADEMY.
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১:৩৮
জুল ভার্ন বলেছেন: আমাদের দুর্ভাগ্য, শেখ হাসিনার মতো কিছু টাউট বাটপার ছাড়া ডক্টর ইউনুস স্যারের কোনো সমালোচক নাই। আমার আশংকা তাকে ইন্ডিয়ান র বাঁচতে দিবে কি না!
২| ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১:৪৩
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমাদের দুর্ভাগ্য, শেখ হাসিনার মতো কিছু টাউট বাটপার ছাড়া ডক্টর ইউনুস স্যারের কোনো সমালোচক নাই। আমার আশংকা তাকে ইন্ডিয়ান র বাঁচতে দিবে কি না!
সত্যি বলতে কি, আমি তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে আমি শঙ্কিত নই। আমার ধারনা স্যার যথেষ্ট সুরক্ষিত আছেন তদুপরি সতর্ক থাকতে হবে। তার কিছু হলে বেশ উপর মহল থেকে চাপ আসবে, বেদনাদায়ক ডলাও খেতে হতে পারে
।
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৫৭
জুল ভার্ন বলেছেন: ভাইয়া, চিন্তাটা মাথায় আসলো কারণ, বাংলাদেশের জনপ্রিয় কোন নেতাকে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করতে দেয়নি ইন্ডিয়া।
কারণ , বাংলাদেশ স্বনির্ভর হলে ইন্ডিয়ার রাজ্যগুলি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। অতএব যেকোন মূল্যে বাংলাদেশের অগ্রগতি ঠেকাতেই হবে।
ফুটবলে ডিফেন্ডারদের শেষ একটি নিয়ম শেখানো হয়, 'যদি দেখো গোল হয়ে যাচ্ছে তবে যেকোন মূল্যে ম্যান ঠেকাও, ফাউল করে হলেও ম্যান ঠেকাও'।
তেমনি প্রেসিডেন্ট জিয়াকেও ঠেকানো হয়েছিল, যেন তিনি এই উপমহাদেশে বাংলাদেশের হয়ে কোন গোল দিতে না পারে।
ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সহযোগিতা যেভাবে পাচ্ছে তার উপর চীন সফর থেকে যে পরিমান সহযোগিতার আশ্বাস নিয়ে আসছেন ডঃ ইউনুস, তাতে বলার অপেক্ষা রাখেনা কে হবে ইন্ডিয়ার প্রধান শত্রু।
আমার ধারণা ডঃ ইউনূসকেও প্রেসিডেন্ট জিয়ার মতো ঠেকিয়ে দিতে পারে। রিসেন্টলি কানাডায় খালিস্তানের নেতাকে সরিয়ে দিয়ে হাত পাকা করে ফেলেছে তো অজিত দোভাল গং !
অতএব ডঃ ইউনুসকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট স্টাইলে সিকুরিটির ব্যবস্থা করা উচিত।
৩| ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ২:২৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ড. ইউনূসের সুস্থতা কামনা করি।
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৫৭
জুল ভার্ন বলেছেন: ফি আমানিল্লাহ।
৪| ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ২:৫৪
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: যে ভাবেই হোক অন্তবর্তী সরকারকে কয়েক বছর ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে হবে।
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৩:৫৯
জুল ভার্ন বলেছেন: বেশী সময় ক্ষমতায় থাকলে পচে যাত.... কাজেই মান ইজ্জত থাকতেই ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য একটা ভালো নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫| ২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ২:৫৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: অথচ কলিকাতা বিশ্ববিদ্যায় তাঁকে ডক্টরেট ডিগ্রি দিল না।
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ বিকাল ৪:০১
জুল ভার্ন বলেছেন: খুবই ভালো হয়েছে। কলিকাত্তার মাল আর জিঞ্জিরার মালের মানে পার্থক্য নাই।
৬| ৩০ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ২:০০
এইচ এন নার্গিস বলেছেন: ভালো হলেই ভালো ।
৩০ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ১০:৩৮
জুল ভার্ন বলেছেন: ব্যক্তি ইউনুস ভালোইতো।
৭| ৩১ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১২:৩৮
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় ৩১ তম (সূত্র)। বেশ সম্মানজনক বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ১১:৪৬
জুল ভার্ন বলেছেন: জ্বি।
৮| ৩১ শে মার্চ, ২০২৫ রাত ১:০৪
নতুন নকিব বলেছেন:
বিশ্বমঞ্চে তিনি সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।
৩১ শে মার্চ, ২০২৫ সকাল ১১:৪৬
জুল ভার্ন বলেছেন: নিঃসন্দেহে!
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে মার্চ, ২০২৫ দুপুর ১:০৯
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: মাননীয় প্রধান উপষ্টো অধ্যাপক ইঊনূস স্যার একজন জ্ঞাণী ও গুণী ব্যক্তি। উপমহাদেশের মানুষগুলোর কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে মিশ্র বক্তব্য পাওয়া গেলেও তিনি প্রায় সমগ্র বিশ্বেই বেশ জনপ্রিয় ও সম্মানিত ব্যক্তি। স্যারকে খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিলো ২০০৯ সালে। ভীষণ রকমের সাধারণ ও অমায়িক ব্যক্তি বলেই তাকে জানি। তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। লিখার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।