নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলাবাগান১

বাংলাদেশ হোক রাজাকার মুক্ত

কলাবাগান১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গনস্বাস্হ্য এর করোনা কিট (২য় পর্ব)

২০ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৩১



কেউ কি জানেন গনস্বাস্হ্য কি কোন করোনা কিট এখনও টেস্টের জন্য সরকারকে দিয়েছেন?? একবার বলল যে ইলেক্ট্রেসিটি এর জন্য কাজ বন্ধ (এখানেও সরকার কে দোষ???) ..উনারা যা চেয়েছেন একে একে সব দিয়েছে সরকার...তারপর ও আর কত এক্সকিউজ দিবেন দেরীর জন্য....

উনাদের টেস্ট কিট ও কোন নুতনত্ত্ব নাই...চীনের কোম্পানী রা সারা বিশ্বের মার্কেট সয়লাব করে দিচ্ছে সেইম কিট বানিয়ে...আর দেরী করলে গন স্বাস্হ্য এর কিট ব্যবহার করার লোক ও পাওয়া যাবে না..।কেননা পাবলিক যদি চীনা কিট ব্যবহার করা আরম্ভ করে, পরে আর কেউ নতুন কিট ইউজ করতে চাইবে না অথচ দেশে তৈরী এই কিটের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম....যারা অলরেডী করোনাতে এক্সপোজড হয়েছেন তাদের কে যত তাড়াতাড়ি শনাক্ত করা যাবে, তত তাড়াতাড়ি লকডাউন উঠানো যাবে

কোন ভাবেই এই কিট করোনাতে বর্তমানে আক্রান্ত কিনা, তার জন্য ব্যবহার করা যাবে না। বর্তমানে আক্রান্ত কিনা, তার জন্য রিয়েল টাইম পিসিআর যেটা দিয়ে বর্তমানে করোনা রোগী সনাক্ত হচ্ছে সেটাই চালিয়ে যেতে হবে....

প্রথম পর্ব এখানে
Gonoshasto corona kit 1st part

মন্তব্য ১৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৩৬

রাফা বলেছেন: এখনও মনে হয় দিতে পারে নাই।

২০ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৪৯

কলাবাগান১ বলেছেন: উনারা যত সহজ ভেবেছিলেন তত সহজ নয় এই ভাইরাস এর জিনোম এর কার্যক্রম...চীনের কিট গুলিও খুবই নিন্মমানের ....কোন সরকার ই ভরসা পাচ্ছেন না এরকম সেরোলজিক্যাল কিট যেটা দিয়ে ১০০% একুরেইট রেজাল্ট পাওয়া যাচ্ছে না।
এরকম কমপ্লেস্ক ভাইরাস বায়োলজি খুবই কম দেখা যায়....
প্রথমে সে তার RNA inject (+) করে যেটা কে বলে প্লাস strand.....from the plus strand, they make a minus RNA strand and then again from the minus strand makes a lot of plus strands from where they use the host cell proteins to make their own proteins to replicate.

Making the proteins are as complex as anybody can think.....(though beyond the comprehension of non-biology persons).....Frameshifting to make one gene into producing 16 different proteins, sub-genomic mRNA, 5' end leader copy to the 3' end mRNAs, poly/bicistronic ORFs, are extremely rare types of biology seen in an organism.

I worry that scientists will take a long time to tackle this beast.

২| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫৫

রাফা বলেছেন: হুমমমম এটার ভ্যাকসিন বা ১০০% ওয়ার্ক করে এমন কিছু আসতে আরো সময় লাগবে।গণসাস্থ কেন্দ্রের কিটস দিয়ে সেকেন্ড টাইম টেস্ট করা যাবে মনে হয়।কনফার্ম হওয়ার জন্য ।কিউর হইছে নাকি এখনও ভাইরাস এ্যাক্টিভ ।

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:১১

কলাবাগান১ বলেছেন: এন্টিবডি টেস্ট বলতে পারবে আগে কখনও আক্রান্ত হয়েছিল কিনা...মিনিমাম ৭ দিনের আগে (আক্রান্ত হওয়ার দিন থেকে) বলা কঠিন হবে শরীরে করোনার এন্টিবদি তৈরী হয়েছে কিনা
এক্টিভ ভাইরাস বলা কঠিন হবে

৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:০৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সঠিক খবরটা জানা দরকার । কিট দিলো কিনা।

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:০৩

কলাবাগান১ বলেছেন: Not yet

৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:১৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: কেউ কেউতো বলছে ১ লাখ কিট সরকারকে দিয়েছে, এবং জাফরুল্লাহকে একের পর এক স্যালুট মেরে যাচ্ছেন।

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:০৪

কলাবাগান১ বলেছেন: উনাদের কথা কম বলে কাজ বেশী করা উচিত

৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৩১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ২১ বা ২২ এপ্রিল দিবেন।

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:০৪

কলাবাগান১ বলেছেন: ওকে

৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৩৪

ক্ষুদ্র খাদেম বলেছেন: এখনো দেয়নি, গতকাল রাতের পাওয়া খবর :(

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:০৫

কলাবাগান১ বলেছেন: ওকে

৭| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: না জানি না।
মিডিয়াতে যতটুকু আসে ততটূকুই জানি।

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:০৫

কলাবাগান১ বলেছেন: হুম

৮| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:২৯

মা.হাসান বলেছেন: ওনারা পাঁচ জন পেশেন্টের রক্তের নমুনা চেয়েছিলেন, দেয়া হয়েছিলো। এর পর গত ১১ এপ্রিলে ওনাদের টেস্ট কিটের কিছু নমুনা সরকারকে পরীক্ষার জন্য দেয়ার কথা ছিলো। দিয়েছেন এরকম কোন তথ্য ওনাদের ওয়েব সাইট বা কোনো পত্রিকায় আসেনি। কজেই অনুমান করি এটা এখনো সরকারকে দেয়া হয় নি।

আপনার প্রথম পর্ব দেখছিলাম, সময়াভাবে মন্তব্য করা হয় নি। ওখানে না যেয়ে এখানেই মন্তব্য করছি।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই ব্লাড টেস্ট কিট তৈরি টিমের নেতৃত্বে আছেন ডক্টর বিজন কুমার শীল । উনি একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী , চৌদ্দটা পেটেন্ট আছে। এর আগে ৯৯ সালে ছাগল/ ভেড়ার পিপিআর ভ্যাকসিন তৈরি করার টিমে উনি ছিলেন। ২০০৩ সালে সার্স ভাইরাসের টেস্ট কিট ডেভেলপ করার টিমে উনি ছিলেন। বয়স বেশি হবার কারণে যদিও ডক্টর জাফরুল্লাহ মাঝে মাঝে একটু অন্য রকম কথা বলেন, ওনাদের টিমের ডেডিকেশন বা যোগ্যতা নিয়ে আমার কোন প্রশ্ন নেই । তবে সমস্যা হল এই কিট নিয়ে একটু বেশি আশাবাদী প্রচারণা চালানো হয়েছে ।

এক বাক্যে বলা যায় এই কিট স্পেসিফিক ভাবে করনা ডিটেক্ট করতে পারে না। বাজারের এই রকমের যত কিট আছে সেগুলো IgG /IgM ডিটেক্ট করে। সাধারণ সর্দি কাশি হলেও তার পর রক্তে IgG /IgM তৈরি হয়। কাজেই এই কিটের সাহায্যে সাধারণ সর্দি কাশি বা অন্যান্য জ্বরের সাথে করোনা ভাইরাসের আক্রমণের পার্থক্য করা সম্ভব না বলেই জানি। জানায় ভুল থাকলে ধরিয়ে দেবেন । আপনার পোস্টেও সম্ভবত এমনই ব্যাখ্যা করা হয়েছিলো ।

বাজার IgG /IgM এর পরীক্ষা আগেও ছিল। এখন কিট আসায় কিট এর সুবিধা হল ঘরে বসেই যে কেউ পরীক্ষা করতে পারবে। অনেকটা প্রেগনেন্সি কিট এর মতো, ইউরিন এর বদলে একটু ব্লাড দিতে হবে । ডায়াবেটিক পেশেন্টের কলমের মতো নিডল দিয়ে সহজেই ব্লাড স্যাম্পল নেয়া যাবে। কয়েক মিনিটে রেজাল্ট । কিন্তু করোনা ডিটেকশনের জন্য পিসিআরের বিপল্প এখনো নেই। যদি কেউ কোনো ভাবে কোনো কিট দিয়ে করোনার অ্যান্টিবডির স্পেসিফিক প্রোটিনটাকে ডিটেক্ট করতে পারে তা হলে আলাদা কথা । এমনটা কি সম্ভব? আমার কোনো ধারণা নেই। তবে ব্যবসায়ি কোম্পানি গুলো বিভ্রান্তিমূলক প্রচারনা সব সময়ই চালায়। আমেরিকান কোম্পানি বায়ো মেডোমিক্স এর প্রচারণা দেখেনঃ



ডট ব্লটের রেজাল্ট কি IgG /IgM নির্নয়ের জন্য নির্ভুল? যদি ভালো মানের রি এজেন্ট ব্যব হার করে তবে রেজাল্ট ভালো পাবার কথা।

গণস্বাস্থ্য মাসে এক লাখ কিট তৈরি করতে পারবে বলেছে। এই কীটগুলো কি কোনো কাজেই লাগবে না ? আমার মনে হয় কাজে লাগানো সম্ভব। কিছুদিন পরে ডেঙ্গুর আক্রমন শুরু হবে । তখন এই কীটগুলো কাজে লাগবে । আপাতত, যারা করোনার লক্ষণের কথা বলছেন ২-৩ দিন পর তাদের এই কিট দিয়ে টেস্ট করা যেতে পারে, পজিটিভ আসলে পি সি আর এ টেস্ট করা যায়, কিন্তু এরপরেও বলব এই টেস্টের টাকাটাই জলে যাবে।

পৃথিবীর মোট টিবি পেশেন্টের ২৫% ভারতের। ভারত সরকার টিবি টেস্টের জন্য শত শত ল্যাবরটরি তৈরি করেছে। আগে স্পুটাম টেস্ট করা হতো , এখন বেশ কিছুদিন থেকে পিসিআর টেস্ট করা হয়। টেস্টের জন্য GeneXpert এর মেশিন গুলো ভালো, কিন্তু অনেক দামি। আবার ভারতের অনেক জায়গাতেই বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই। এজন্য ভারতীয় বিজ্ঞানীরা GeneXpert এর সুলভ পোর্টেবল সংস্করণ তৈরি করেছে, এটার নাম ট্রুন্যাট (TruNat) টেস্ট মেশিন । আপনি ইন্টারনেটে চেক করে দেখতে পারেন। এগুলো ব্যাটারিতে চলে । ভারত সরকার এখন পরিকল্পনা করছে এই ট্রুন্যাট টেস্ট মেশিন গুলো দিয়ে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার ।

আমাদের আমলাদের ধান্দা কমিশন খাওয়ার আর দেশের বাইরে যাওয়ার। সময় থাকতে কিছু ট্রুন্যাট টে্স্ট মেশিন আনলে ইউনিয়ন লেভেলেও পরীক্ষা করা যেতো। স্যাম্পল কালেকশনের সময়ে বা আরএনএ ইন অ্যাকটিভ করার সময় কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এটা ইউ টিউব ভিডিওর মাধ্যমেও ট্রেনিঙ দেয়া সম্ভব ছিলো।

পত্রিকাতে দেখেছি ডানো নাকি চায়না থেকে ২ কোটি ডলারের ডট ব্লট কিট কিনে এনেছে, এখন দেখা যাচ্ছে প্রচুর ভুল রেজাল্ট, ডানো নাকি পয়সা ফেরৎ চাচ্ছে। এত বড় পার্চেজ বিশেষজ্ঞদের অনুমোদন ছাড়া কি ভাবে হলো?

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:০৩

কলাবাগান১ বলেছেন: আজ আবার শুনলাম যে উনি বলছেন যে রক্ত নাকি দেয় নাই???

এভাবে পিছাতে পিছাতে চায়নিজ কিট দিয়েই বাজার ভরে যাবে
IgM/IgG দুটাই ভাইরাস স্পেসিফিক করা যায়..আরেক টা আছে IgA
Antibodies are produced by immune system after the minimum 7 days after infection and remain positive long after the infection. This is why antibody test can be used to detect a past infection with coronavirus.

৯| ২২ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:৪৪

কলাবাগান১ বলেছেন: কিছুদিন আগেই আসিফ নজরুল সাহেব কলাম লিখলেন যে সুখবর আসছে.... ড: জাফরুল্লাহ সাহেব এর সাথে উনার কথা হয়েছে যে ৫ জনের রক্ত উনারা পেয়েছেন তাতে উনারা শতভাগ কনফার্ম যে কিট কাজ করছে আজ বলছেন যে ৭দিন ধরে রোগীর রক্তের জন্য উনারা ঘুরছেন!!!!

১০| ২৩ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:২০

মা.হাসান বলেছেন: IgM/IgG দুটাই ভাইরাস স্পেসিফিক করা যায়..আরেক টা আছে IgA

আমার জানার মধ্যে অনেক গ্যাপ ছিলো। ধরিয়ে দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

ভাইরাস স্পেসিফিক করা গেলে এটা অনেক বড় ব্যাপার। এই মুহূর্তে বাজারে আসলে কাজে লাগানো যেতো। চাইনিজ কিটের দামের তুলনায় গনস্বাস্থ্যের কিটের দাম অনেক কম পড়বে, দেশেই কিছু ভ্যালু অ্যাড হতো। এই ভাইরাস আরো অনেক দিন থাকবে। ওনাদের কিট কাজ করলে বাইরে রপ্তানীও করা সম্ভব হবে, যদিও ওনারা মাসে এক লাখ পিসের বেশি এই মুহূর্তে তৈরি করতে পারবেন না।

Ig A থুথু -লালায় থাকে শুনেছি , রক্তে থাকলেও টেস্ট করার মতো যথেষ্ট পরিমানে থাকে কি না জানা নেই।

ভারতে খরচ বাচানোর জন্য পুল টেস্ট করা হচ্ছে। পাঁচ জনের পুলের একটা টেস্ট , নেগেটিভ আসলে সবাই ক্লিয়ার, রেজাল্ট পজিটিভ হলে পাঁচ জনের ২য় দফায় আলাদা আলাদা টেস্ট। আমাদের দেশে যেহেতু প্রতি ১০০ টেস্টে আনুমানিক ১৫ জনের মতো পজিটিভ হচ্ছে, এরকম করলে হয়তো খরচ কমতো, যদিও সময় কিছুটা বেশি লাগতো।

২৩ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৪৪

কলাবাগান১ বলেছেন: ৩ সপ্তাহ আগেই এই স্যাম্পল পুল করে টেস্ট এর পরিধি বাড়ানোর জন্য পোস্ট দিয়েছিলাম...রাফা ফেসবুকে শেয়ার ও করেছিল
Test pooling

https://www.somewhereinblog.net/blog/kalabagan1/30294462

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.