নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি স্বপ্ন দেখি এক যুবকের, যে নরকের কীটদের বিশাল বাহিনীর সামনে যুদ্ধের ময়দানে হাজির হবে। যুদ্ধে জিতে বিজয়ী হবার জন্য নয়, শুধু ন্যায়ের পক্ষে দাড়াবার জন্যেই যুদ্ধে যাবে সেই যুবক। মহাভারতের সেই চরিত্র "সংশপ্তক" এর মত, যে পরাজয় নিশ্চিত জেনেও যুদ্ধের ময়দানে হা

গুম হইয়েন না প্লিজ

কালা পাহাড় ২০০০

([email protected]) B.Sc. in EEE from BUET আমার নামে ২০০০ আছে, কারণ, আমার জীবনের সেই সময়টাতেই আমার সর্বশেষ ভার্সন মুক্তি পায়। এরপরে আমার আর কোনো উন্নতি দেখি নাই। তবে চেষ্টা করতেছি।

কালা পাহাড় ২০০০ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ ছয় তাকবীরের সাথে পড়ার নিয়মঃ

২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৫১

ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ ছয় তাকবীরের সাথে পড়ার নিয়মঃ প্রথম রাকাতে নিয়্যত ও তাকবিরে-তাহরীমা পড়ে ছুবহানাকা, আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পাঠ করে ফাতেহার পূর্বে ইমাম উচ্চস্বরে তিনবার তাকবীর বলে প্রত্যেকবার কর্ণমূল স্পর্শ করে হাত ঝুলাবে ও তৃতীয়বার পুনরায় যথাবিধি তাহরীমা বেধে আলহামদু ও অন্য সুরা পড়বে। পরবর্তী রাকাতে আলহামদু ও অন্য সুরা পড়ার পর এরূপ তিনবার তাকবীর বলবে ও রুকুর তাকবীর বলে রুকুতে যাবে। তারপর নামাজের বাকি রোকনগুলি আদায় করে নামাজ শেষ করবে। নামাজ শেষে ইমাম দুইটি খুতবা পড়বেন।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৫৩

মেংগো পিপোল বলেছেন:

২| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১১

জিনিয়ো বলেছেন: সহমত ম্যাঙ্গ পিপ্ল

৩| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১২

রেজা রাজকুমার বলেছেন: আপনি শিউর তো?
আমি তো আজকে ঈদের নামাজ ১২ তাকবীরের সাথে পড়লাম।(এবং এটা সাউথ-ইষ্ট এশিয়ার বৃহত্তম মসজিদ ... ইস্তেকলাল মসজিদ, যার মুসল্লী ধারণ ক্ষমতা ১ লক্ষ বিশ হাজারের মত।)
অবশ্য বাংলাদেশে থাকতে জেনে এসেছি ঈদের নামাজ ছয় তকবীরেরই হয়।

৪| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১৪

ওবায়দুল হক মাহমুদ বলেছেন: ঈদ মোবারক

৫| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১৫

অঝর বর্ষণ বলেছেন: যারা মুক্তাদি তারা শুদু ছানা পড়বে। তার পর শুদু ইমাম কে অনুসরণ করতে হবে। আপনি যেটা বলেছেন সেটা ইমাম এর নামায (মানে ইমাম হলে এই ভাবে নামায পড়াবেন। ইমাম এর পিছনে কি ভাবে ঈদ এর নামায পড়বেন।http://www.somewhereinblog.net/blog/ahmedkamal0077/29660290

৬| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১৬

জিনিয়ো বলেছেন: ভাল পোস্ট
আমি প্রতিবার ভুইলা যাই

২০ শে আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৩৫

কালা পাহাড় ২০০০ বলেছেন: আমিও :)

৭| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১৮

অঝর বর্ষণ বলেছেন: হানাফি মাযহাব োনুশারি রা ৬ তাকবীর এর সাতে নামায পড়তে হবে

৮| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:২৩

অঝর বর্ষণ বলেছেন: ঈদের নামায বছরে পড়তে হয় মাত্র দুইবার, ফলে অনেকেই এর নিয়মকানুন একটু গুলিয়ে ফেলেন।

আজ ঈদ উল ফিতির এর নামায পড়ার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করব। (ঈদ উল আযহা ও একি নিয়মে পড়তে হয়)

অনেকেই কখন হাত বাঁধবেন, কখন হাত না বেঁধে ছেড়ে দেবেন এটা নিয়ে খুব চিন্...
তিত থাকেন, এমনকি অনেকে একবার ডানপাশের লোকেরটা অনুসরণ করেন আরেকবার বামপাশের লোকেরটা অনুসরণ করেন। অথচ বিষয়টা খুবই সহজ।
নিয়তঃ শুরুতে নিয়ত করুন যে আমি আল্লাহর ওয়াস্তে ৬ তাকবিরের সাতে ঈদ উল ফিতির এর ২ রাকাত অওাজিব নামায পড়তেসি। নিয়ত আরাবিতে করতে হবে এমন কুনো নিয়ম নাই। যে যেই ভাষার লোক সেই ভাষাতে নিয়ত করলে ঈ হবে। এমন কি নিয়ত মুখ দিয়ে উচ্চারণ করতে হবে এমন কুনো দরাবাদা নিয়ম নাই।মনে মনে নিয়ত করলেই হবে, (সব নামায এর ক্ষেত্রে)
প্রথম রাকাতে অতিরিক্ত ৩ তাকবির (ছানা পড়ার পর) আল্লাহু আকবার বলে হাত বেধে নামাযে দাঁড়ালেন এখন আপনাকে শুদু ছানা (সুবহানাকা) পড়তে হবে। তখন থেকে আপনাকে আর কিছু পড়তে হবেনা। ইমাম সাহেব ৩ টি তাকবীর বলবেন আপনি ও ইমাম এর সাথে নিম্নস্বরে তাকবীর বলবেন (হাত তুলে তাকবীর বলবেন কিন্তু হাত বাধবে্ন না ) ৩ তাকবীর শেষ হলে হাত বাধবেন।এবার ইমাম সুরা পড়বেন, রুকু করবেন সিজদা করবেন আপনি শুদু রুকু সিজদার তাসবিহ পড়বেন।
দ্বিতীয় রাকাতে অতিরিক্ত ৩ তাকবির (সূরা ফাতিহা + অন্য সূরা পড়ার পর) ইমাম সাহেব তাকবীর বলবেন আপনি ও নিম্নস্বরে তাকবীর বলুন। এই বার ৩ তাকবীর বলা হয়ে গেলে ইমাম রুকুতে চলে যাবেন আপনি ও আর হাত না বেধে সরাসরি ইমাম এর সাতে রুকুতে চলে যান।

রুকুর ৩ তাসবিহ পড়ুন সিজদা টে গেলে সিজদার ৩ তাসবিহ পড়ুন । সিজদা তেকে উঠার পর আত্তাহিয়াতু/ সাল্লি আলা /বারিক আলা/ দুয়া মাসুরা(আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসি দুয়া পড়ুন এবং অপেক্কা করুন ইমাম সাহেব সালাম ফিরালে আপ্নিও সালাম ফিরান। ঈদ এর পর অবশ্যই খুতবা শুনবেন। খুতবা শুনা অওাজিব। আল্লাহ পাক আমাদের কে সটীক নিয়মে নামায পড়ার তাওফিক দিন ।আমীন

৯| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:২৪

আসিফ করিম বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:২৯

সক্রিয় বলেছেন: রেজা রাজকুমার vai apnar tai shoteek. Eid ar salaha twelve takbir a porta hoyi.world ar shob jaigai twelve takbir a pora,only indian subcontinant bada. Jara hazz koracha tader shatha alap korta paran arafar moydana o baro takbir a porano hoyi..............allaha knows the best......amiiiin

১১| ২০ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:১৫

আলতামাশ বলেছেন: Sokrio vai@ doi prokarer hadis e sohih hadise bornito ace. Tai jara hanafi mazhaber onosari tara choy takbirer sathe eider namaj pore thaken. Apni chaile agami kal ay bishoye sohi hadishes proman soho post dite parbo insaallah

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.