নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানবতার কান্না

সমাজকর্মী

কনক বর্মন

সমাজকর্মী

কনক বর্মন › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ শংকু'র মাতা

০৬ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৩:৩০

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ রংপুরের ১২ বছরের কিশোর শংকু সমাজদার। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ সারা দেশের মধ্যে রংপুরে প্রথম শহীদ হয় ১২ বছরের কিশোর শংকু সমাজদার। ৩ মার্চ সারা দেশের মতো রংপুরেও হরতাল পালিত হয়। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই হরতাল পালন করে। মিছিলে মিছিল ছিল গগনবিদারী শেস্নাগান "তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা", 'তোমার নেতা আমার নেতা শেখ মুজিব-শেখ মুজিব'। মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন সিদ্দিক হোসেন এমপিএ, ডঃ সোলায়মান মন্ডল, এমএনএ রফিকুল ইসলাম গোলাপ, অলক সরকার, মাহবুবুল বারি, খন্দকার গোলাম মোস্তফা বাটুল, অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম (প্রয়াত) প্রমুখ। মিছিলটি স্টেশন রোড অভিমুখে তেঁতুল তলায় (শাপলা চত্বর) যাচ্ছিল। মিছিলের অগ্রভাগ যখন খাদ্য গুদামের কাছে পেঁৗছেছে ঠিক সে সময় অবাঙ্গালি সরফরাজ খানের বাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে আহত হয় গুপ্তপাড়া এলাকার ১২ বছর বয়সের শংকু সমাজদার নামের সেই কিশোর। শংকুর মারা যাওয়ার খবরে উত্তেজিত হয়ে উঠে জনতা। এক পযর্ায়ে তারা গোটা শহরে অবাঙ্গালিদের দোকানে ভাংচুর ও অগি্নসংযোগের ঘটনা ঘটায়। ইতিমধ্যে অবাঙ্গালিদের গুলিতে আরও দু'জন প্রাণ হারান। কিশোর শংকুসহ অপর দু'জনের প্রাণ দানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় রংপুরের মুক্তিযুদ্ধ।



মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ কিশোর শংকুর বাসায় কয়েকদিন আগে গিয়েছিলাম। কথা হলো শহীদ মাতা দিপালী সমাজদারের সাথে। সাথে ক্যামেরা না থাকায় মোবাইলেই তুলে এনেছিলাম কয়েকটি ছবি। ছবিগুলো তুলে এনেছি আমেরিকায় ‘অংঙ্কুর ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটা প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানোর জন্য। অংঙ্কুর ইন্টারন্যাশনাল এই শহীদ মাতাকে আজীবন প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবং গত মার্চ ২০১১ থেকে সেই টাকা নিয়মিতভাবে শহীদ মাতার নিকট পাঠাচ্ছেন। শ্রদ্ধা ও সন্মান জানাই শহীদ শংকু, শহীদ মাতা এবং অংঙ্কুর ইন্টারন্যাশনালকে।মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ রংপুরের ১২ বছরের কিশোর শংকু সমাজদার। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ সারা দেশের মধ্যে রংপুরে প্রথম শহীদ হয় ১২ বছরের কিশোর শংকু সমাজদার। ৩ মার্চ সারা দেশের মতো রংপুরেও হরতাল পালিত হয়। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই হরতাল পালন করে। মিছিলে মিছিল ছিল গগনবিদারী শেস্নাগান "তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা", 'তোমার নেতা আমার নেতা শেখ মুজিব-শেখ মুজিব'। মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন সিদ্দিক হোসেন এমপিএ, ডঃ সোলায়মান মন্ডল, এমএনএ রফিকুল ইসলাম গোলাপ, অলক সরকার, মাহবুবুল বারি, খন্দকার গোলাম মোস্তফা বাটুল, অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম (প্রয়াত) প্রমুখ। মিছিলটি স্টেশন রোড অভিমুখে তেঁতুল তলায় (শাপলা চত্বর) যাচ্ছিল। মিছিলের অগ্রভাগ যখন খাদ্য গুদামের কাছে পেঁৗছেছে ঠিক সে সময় অবাঙ্গালি সরফরাজ খানের বাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে আহত হয় গুপ্তপাড়া এলাকার ১২ বছর বয়সের শংকু সমাজদার নামের সেই কিশোর। শংকুর মারা যাওয়ার খবরে উত্তেজিত হয়ে উঠে জনতা। এক পযর্ায়ে তারা গোটা শহরে অবাঙ্গালিদের দোকানে ভাংচুর ও অগি্নসংযোগের ঘটনা ঘটায়। ইতিমধ্যে অবাঙ্গালিদের গুলিতে আরও দু'জন প্রাণ হারান। কিশোর শংকুসহ অপর দু'জনের প্রাণ দানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় রংপুরের মুক্তিযুদ্ধ।



মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ কিশোর শংকুর বাসায় কয়েকদিন আগে গিয়েছিলাম। কথা হলো শহীদ মাতা দিপালী সমাজদারের সাথে। সাথে ক্যামেরা না থাকায় মোবাইলেই তুলে এনেছিলাম কয়েকটি ছবি। ছবিগুলো তুলে এনেছি আমেরিকায় ‘অংঙ্কুর ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটা প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানোর জন্য। অংঙ্কুর ইন্টারন্যাশনাল এই শহীদ মাতাকে আজীবন প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবং গত মার্চ ২০১১ থেকে সেই টাকা নিয়মিতভাবে শহীদ মাতার নিকট পাঠাচ্ছেন। শ্রদ্ধা ও সন্মান জানাই শহীদ শংকু, শহীদ মাতা এবং অংঙ্কুর ইন্টারন্যাশনালকে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.