| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইদানীং/ আবছা রোগে মরে যায় বইয়ের পাতা/ ক্যালেন্ডারে নকশা আঁকে প্রাক্তন প্রেমের দাগ/ বাগানের ফুল চুরি করে যায় আবেগহীন গুবরে...
জানালাটার অল্পদূরেই বেশ অন্ধকার। তারাদের আলোয় বাতাসে হেলতে হেলতে ছোয়াঁছুঁয়ি খেলছে দুটো সবুজ পাতা। নীল রঙের আকাশটা অনেকদিন আয়না দেখেনি, তার ফুসফুসটার ভেতরে এক চিলতে ছিদ্র।
নপুংসক হয়ে জন্ম নেওয়া তিন কোনা ঘুড়িটার খুব ঘুম পায় ইদানীং, ঘুমের ঘোরে পলকে পলকে গোত্তা খায়; আর তার পাশ দিয়ে সপরিবারে উড়ে যায় ঘাড় চাঁছা শকুন। এ পল্লীতে তার বসবাস নিষিদ্ধ করেছে রঙচঙা টিয়েদের দল। আর তা দেখে ঘুড়িটা ভাবে "ইস! এরকম স্বাধীন হয়ে উড়তে পারা কতই মজার! "
কিন্তু নাটাই বাঁধা ঘুড়িটা হয়তো জানে না, ওর এই বন্দীত্বই ওর সমস্ত সুখ।
ভো-কাট্টা ঘুড়ির ঠিকানা কি সে নিজে জানে? উড়তে উড়তে কোথায় গিয়ে পড়বে? কোন বিদেশ-বিভুঁইয়ে?
তার চেয়ে নাটাইটার সাথেই প্রেম জমাক,সুতোর টানে হোক জমাট আলাপন।
ওদিকে অল্প বাতাসে থেমে গেছে পাতাদুটোর ছোঁয়াছুঁয়ি খেলা। কবে হবে আবার?
কে জানে, কে-ই বা জানে!
©somewhere in net ltd.