| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দিনের বেলাতে তেমন একটা কাজ থাকেনা বলেই চলে।রাস্তার এখানে ওখানে দাড়িয়ে থাকা আর মানুষের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি মিষ্টি হাসি।যদি কেউ আসে খারাপ তো হবেই না বরং কিছু বারতিই যোগ হবে।পরনের জামা কাপড় সুন্দর না হোলেও গালে কিন্তু ভারি মেকাপ।চুল কখনো টিপটপ বা্ঁধা নয়তো খোলা।আর ঠোট যুগল সবসময় উজ্জ্বল রং এ যেন রাঙ্গা।চেহারার খুব বেশি প্রাধান্য না পেলেও কাজের উপর দরকষাকষি চলে এখানে।হ্যা এরা হয়তো নিশাচর আপনি কি এখনো আ্ঁচ করতে পারেননি আমি কাদের কথা বলছি?আরে ওই যে তারা যাদের দিনের বেলাতে দেখলে আমাদের সভ্য সমাজের গা ঘিন ঘিন করতে থাকে ।কি যেন শুদ্ধ ভাষায় আবার তাদের ব্যবসায়ী বলা হয় দেহ ব্যবসায়ী।আমি আপনি খাটি বাংলায় বলি বেশ্যা।লাজ নেই লজ্জা নেই টাকার বিনিময়ে তুলে দিচ্ছে তার দেহটি টাকা দাতার হাতে।যার হাতে দেহ সে এখন মন জুরিয়ে তৃপ্তি নিবে।বরাবরের মতই এখনো তাদের জীবন নিয়ে আমার আগ্রহের সীমা নেই।তাদের জীবন যেন পরতে পরতে না বলা অজানা এক রহস্যের গল্প কথা।সে কি আসলেই চেয়েছিল এই হাহাকারময় জীবন?কে জানে হয়ত তার জীবনের শুরুই হয়েছে ওখানে।আমাদের মত তাদের হয়ত বড় বড় স্বপ্ন নেই।দিন পোহালে রাত আর জমজমা কারবার।স্বপ্নের দৌড় হয়ত এইটুকুই।আমি তখন তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ি।মার সাথে একদিন বেড়াতে বেরিয়েছি। একই রকম দুই রাস্তা ছিল আর আমরা ভুলবশতই ওই রাস্তা ধরে আগাতে থাকি।কিছু দূর যেতেই অস্বাভাবিক না অদ্ভুত কি যেন এক অদেখা বিষয় দেখতে পেলাম।এক পাশ দিয়ে হেটে যাচ্ছিলাম আর অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলাম।মা বারবার তাকাতে নিষেধ করছিল তবে যত দূর দেখা যাচ্ছিল আমি তাকিয়েই ছিলাম।কেমন যেন অদ্ভুত আচরণ। মানুষজনকে ডাকছে টেনে ধরছে হাসছে আর নোংরা পোষাকে অনেক সাজগোজ।বাসায় ফিরতেই মা কে প্রশ্ন করতে শুরু করলাম।মহিলা গুলো ওই ভাবে দাড়িয়ে আছে কেনো?ওই রকম করছে কেনো?এত এত প্রশ্নের অবশেষে কেবল একটাই উত্তর পেলাম যে তারা ভাল না পচাঁ কাজ করে।তবে কি পচাঁ কাজ তা বুঝতে অনেকটা বছর কেটে গেছে।এখন জানি বুঝি পচাঁ কাজটা কি।তবুও তাদের জীবন আজও এক রহস্যই আছে।
©somewhere in net ltd.