| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাউসার রুশো
আমার হবে না,আমি বুঝে গেছি, আমি সত্য মূর্খ, আকাঠ! সচ্চরিত্র ফুল আমি যত বাগানের মোড়ে লিখতে যাই, দেখি আমার কলম খুলে পড়ে যায় বিষ পিঁপড়ে, বিষের পুতুল!© আমার নিজের লেখা ও তোলা ছবি, যা এই ব্লগে পোস্ট করেছি, তার সর্ব সত্ত্ব সংরক্ষিত। আমার লিখিত অনুমতি ছাড়া এসবের কিছুই কোনো মাধ্যমে পুনঃপ্রকাশ করা যাবে না। ©আমার মেইল এড্রেস [email protected]
আবুল মনসুর আহমদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা বিদ্রূপাত্মক রচয়িতা, রাজনীতিক, আইনজ্ঞ ও সাংবাদিক। সাহিত্যের সবচেয়ে কঠিন দিকটিকে তিনি বেছে নিয়েছিলেন। আর তা হলো ব্যঙ্গ সাহিত্য।
সাংবাদিকতা জীবনে তিনি কৃষক ও নবযুগ পত্রিকায় কাজ করেছেন। ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত পত্রিকা ইত্তেহাদ-এর সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। আবুল মনসুর আহমদে ছিলেন আধুনিক ও প্রগতিশীল সাংবাদিকতার অগ্রপথিক।
রাজনীতিক আবুল মনসুর আহমদ শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের যুক্তফ্রন্ট সরকারে প্রাদেশিক শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯৫৭ সালে প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর আওয়ামী লীগ সরকারে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী।
বিশাল ও বিস্তৃত কর্মজীবনে মহাত্মা গান্ধি, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি, নেতাজী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, খাজা নাজিমুদ্দিন, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাষানী, মাওলানা আকরম খাঁ প্রমুখ সহ ব্রিটিশ ভারতের ও ও পরবর্তী পাকিস্তানের প্রখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে ছিলো তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। নেতাজীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিলো ‘তুমি তুমি’ পর্যায়ের। জাতীয় কবি কাজী নজরুলের সঙ্গে ছিলো খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। বঙ্গবন্ধু তাঁর কলকাতার কলেজ জীবন থেকেই তাঁকে সগৌরবে লীডার বলতেন ও নিজেকে তাঁর শিষ্য মানতেন। এসবের ফলশ্রুতিতে তিনি লিখেছিলেন আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর। তাঁর দীর্ঘ জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার ফসল এ গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের এক অমর কীর্তি।
(সূত্র: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর : ভূমিকা: মাহবুব আনাম)
তাঁর রচনাসম্ভারের মধ্যে রয়েছে—আয়না, আসমানী পর্দা, গালিভারের সফরনামা ও ফুড কনফরেন্স। আরও রয়েছে বাংলা সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের ওপর বিখ্যাত রচনাবলি। তাঁর আত্মজীবনীমূলক দুটি গ্রন্থ হচ্ছে—'আত্মকথা' ও 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর'। এ দু'টি গ্রন্ত্রের একত্রে মিশ্রণ ঘটেছে End of a Betrayal নামক তাঁর লেখা বিশালকার ইংরেজী গ্রন্থে। উপন্যাস সাহিত্যে তাঁর অমর দুইট কীর্তি 'জীবন ক্ষুধা' ও 'আবেহায়াত'।
আজ ৩ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক ও রাজনীতিক আবুল মনসুর আহমদের ১১২তম জন্মবার্ষিকী। এ মহান ব্যক্তিকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৬
কাউসার রুশো বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
২|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: উনাকে জানাই শ্রদ্ধা। বাংলাদেশে মানুষ গুণী মানুষকে শ্রদ্ধা করে না। এটা ধান্দাবাজদের দেশ।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৭
কাউসার রুশো বলেছেন:
![]()
৩|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: জন্মবার্ষিকীতে এই মহান ব্যক্তিকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৭
কাউসার রুশো বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা
৪|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১১
প্রভাষক বলেছেন: ভাই... লেখা-টার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ...
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৮
কাউসার রুশো বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ![]()
৫|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
আহমদ বসির বলেছেন: 'বাংলাদেশের কালচার' আমার প্রিয় বই। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪২
কাউসার রুশো বলেছেন: আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন
৬|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩
বিবর্তনবাদী বলেছেন: স্কুলে কুইজ প্রতিযোগিতায় তার আয়না বইটা উপহার পেয়েছিলাম। অসাধারন এক লেখা। তার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২০
কাউসার রুশো বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি
৭|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪৮
শ।মসীর বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫১
কাউসার রুশো বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা
৮|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৪
শমর করিম বলেছেন: বাংলার রাজনীতিতে আমি কয়েকজন তথাকথিত নেতাকে চরম শ্রদ্ধা করতাম। আবুল মনসুর আহমেদ আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন আসলে তারা কেমন ছিলেন।
প্রথম থেকেই তিনি প্রতিবাদী, সামাজিক সঙ্কট গুলো তুলে ধরেছেন তাঁর বিভিন্ন লেখায়।তার আসমানি পর্দা, ফুড কনফারেন্স না পড়লে মিস করা হবে। আর নির্মোহ ইতিহাসের জন্য আমার দেখা রাজনীতি ৫০ বছর (বাংলা একাডেমিতে তার সংকোলন রয়েছে)। একই সাথে তিনি তৈরী করেছেন তার সন্তান তিতুকে। যিনি বর্তমানে মাহফুজ আনাম।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৫
কাউসার রুশো বলেছেন: জানি ভাই ।
ধন্যবাদ
৯|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৫৫
শেলী বেলী বলেছেন: ভাল লিখছেন । বিনম্র শ্রদ্ধা।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
কাউসার রুশো বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
১০|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৩
আসাদ ১০০ বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮
কাউসার রুশো বলেছেন: ![]()
১১|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
পি মুন্সী বলেছেন: আপনার শিরোনাম দেখে একটা শঙ্কা হচ্ছে, পাঠকের কাছে আবুল মনসুর আহমেদ না আবার কেবল ব্যঙ্গ-সাহিত্যেরই একজন পরিচিত হয়ে উঠেন।
তাঁর মুল পরিচয় তিনি রাজনীতিবিদ, বাকি পরিচয় এর একটা হলো তিনি ব্যঙ্গ-সাহিত্যিক।
আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের ১৯৪৭ সালের আগে ও পরের কালকে খুবই অবজ্ঞার নেতি চোখে দেখার চল আছে। বিশেষত যারা মনে করেন বাংলাদেশের ইতিহাস ভুইফোড়ের মত বাহান্ন সাল থেকে শুরু হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ।
এর বাইরে বের হয়ে কেউ যদি সত্যি ধারাবাহিক ভাবে ইতিহাসের চড়াই উতরাই ভাল মন্দসহ ইতিহাস জানতে বুঝতে চান বিশেষত আমাদের ভুভাগের "কৃষি প্রশ্ন", রূপান্তর সম্পর্কে ধারণা রাখতে চান তবে আবুল মনসুর আহমেদকে পাশ কাটিয়ে তা এককথায় অসম্ভব। আমরা সৌভাগ্যবান যে তিনি "আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর" বলে একটা বই আমাদের জন্য লিখে যেতে পেরেছেন।
একজন পাঠক শমর করিম মন্তব্য করেছেন "একই সাথে তিনি তৈরী করেছেন তার সন্তান তিতুকে। যিনি বর্তমানে মাহফুজ আনাম"। আবুল মনসুর আহমেদ সম্পর্কে যথেষ্ট না জেনে, অন্তত, "আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর" বইটা না পড়ে এই মন্তব্য করা হয়েছে।
আমার মনে হয় কোন বাবার "তৈরী করা" সন্তান বাবার চিন্তার মৌলিক দিকগুলো লালন করবেন, ব্যবহারে শানিত করবেন, আগিয়ে নিবেন - এটা সন্তান করবেনই এমন বাধ্যবাধকতা জরুরী নয়, আমরা আরোপ করতেও পারি না। বাবার সন্তান বলে, সন্তান বাবার দাস এমন কথা বেকুবি হবে, এটা আমরা দাবী করতে পারি না।
ফ্যাক্টস হলো, মাহফুজ আনাম তাঁর বাবার রাজনীতির একদম উল্টা রাজনীতি করছেন। ফলে, মাহফুজ আনামকে দেখে বাবা আবুল মনসুর আহমেদের রাজনীতি সম্পর্কে কাউকে বুঝতে বলা হবে মারাত্মক বিভ্রান্তিকর।
আবার যদি অন্য সন্তান মাহবুব আনামকে দেখি, তবে সেটা হলো, আবুল মনসুর আহমেদ যেন একজন "ইসলামী রাজনীতিবিদ" এই খন্ড দিকটা তিনি নিয়েছেন।
সার কথায়, আবুল মনসুর আহমেদের রাজনৌতিক মৌলিক চিন্তা বা বৈশিষ্ট সন্তানেরা কেউই প্রতিফলিত করেন না।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১
কাউসার রুশো বলেছেন: যেহেতু আপনার কমেন্টটা আমার পোস্টের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত না সে বিষয়ে তাই কোন মন্তব্য করছিনা। সেটা শমর করিম আপার উপরই ছেড়ে দিচ্ছি।
আর শিরোনাম নিয়ে যেহেতু কথা বললেন সেহেতু বলছি.. পোস্টটি পড়ার পর নিশ্চয়ই আর কোন আপত্তি থাকার কথা না। উনার পরিচয়গুলো সব প্রথম লাইনেই দেওয়া আছে। সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এক সময় কম প্রচলিত ধারা ছিলো ব্যঙ্গ সাহিত্য।এটাকে সম্পূর্ণ শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যেতে আবুল মনসুর আহমদ অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করেছেন বলেই মনে করি।তাই এ শিরোনাম।
আপনাকে ধন্যবাদ
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩
কাউসার রুশো বলেছেন: আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের ১৯৪৭ সালের আগে ও পরের কালকে খুবই অবজ্ঞার নেতি চোখে দেখার চল আছে। বিশেষত যারা মনে করেন বাংলাদেশের ইতিহাস ভুইফোড়ের মত বাহান্ন সাল থেকে শুরু হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ।
এর বাইরে বের হয়ে কেউ যদি সত্যি ধারাবাহিক ভাবে ইতিহাসের চড়াই উতরাই ভাল মন্দসহ ইতিহাস জানতে বুঝতে চান বিশেষত আমাদের ভুভাগের "কৃষি প্রশ্ন", রূপান্তর সম্পর্কে ধারণা রাখতে চান তবে আবুল মনসুর আহমেদকে পাশ কাটিয়ে তা এককথায় অসম্ভব। আমরা সৌভাগ্যবান যে তিনি "আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর" বলে একটা বই আমাদের জন্য লিখে যেতে পেরেছেন।
কঠিনভাবে সহমত ![]()
১২|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫৫
সা-কি-ব বলেছেন: সুন্দর লেখা।পড়ে ভালো লাগল।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৯
কাউসার রুশো বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
১৩|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪৩
আহাদিল বলেছেন: তোমার এই প্রয়াসগুলো চমৎকার।
চালিয়ে যাও।
ছোটবেলায় বাবার মুখে এসব মহান রাজনীতিবিদদের গল্প শুনে আমার রাজনীতি করার স্বপ্ন ছিল।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৪
কাউসার রুশো বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
হুম আপনার একটা পোস্টে রাজনীতিবিদ হতে চাওয়ার গল্প পড়েছিলাম।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৭
সত্তা বলেছেন: ++++