নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কয়িসক আরিবন

কয়িসক আরিবন › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাতিটি প্রাণ দিয়ে জানান দিলো বনবিভাগের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা

১৭ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ৮:৪২

একটি হাতি প্রাণ দিয়ে জানান দিয়ে গেলো বনবিভাগের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা। এ ধরণের ঘটনা মোকাবেলায় দক্ষ জনবল ও উন্নত সরঞ্জাম না থাকার কথা অকপটেই স্বীকার করছে বনবিভাগও।
প্রাণীবিদরাও তাই মনে করেন। তবে, পুরো ঘটনাটিতে সমন্বয়হীনতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা না নেয়াকে বড় ভুল হিসেবে দেখছেন তারা। পাশাপাশি তারা সমালোচনা করেছেন কোনো সুরাহা না করেই ভারতের বনবিভাগের প্রতিনিধিদলের ফিরে যাওয়ার।

আসাম থেকে আসা বন্য হাতিটি গত দেড় মাসের বেশিরভাগ সময় যমুনার নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলেই অবস্থান করছিলো। সে কারণে, ৫ টন ওজনের এই প্রাণীটিকে উদ্ধার করা সহজ ছিলো না। কারণ, চেতনানাশক প্রয়োগের পর সাধারণত মাত্র দু ঘন্টার মধ্যেই হাতির জ্ঞান ফিরে আসে।

কিন্তু, ওই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে ক্রেন, ট্রাক ও পর্যাপ্ত জনবল প্রস্তুত না রেখেই কাঁদাপানিযুক্ত মাঠে হাতিটিকে চেতনানাশক প্রয়োগ করা হয়। চার পা শেকলে বেঁধে ফেলে রেখে, ওইরাতে কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থল ছেড়ে যাওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে?
প্রাণীবিদরা মনে করেন, যেহেতু বনবিভাগ জানতো যে, এ ধরণের ধটনা মোকাবেলা করার মতো দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা তাদের নেই, তাই শুরু থেকেই বন্যপ্রাণী সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা চাওয়া উচিত ছিলো।

তারা বলছেন, এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে বনবিভাগের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। কারণ, এমন ঘটনা আবারো হতেই পারে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.