| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কান চলচ্চিত্র উৎসব পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন এবং প্রভাবশালী চলচ্চিত্র উৎসব। ফ্রান্সের কান চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজকদের পক্ষ থেকে অভিনেত্রী জয়া আহসানের কাছে চিঠি এসেছে। এ প্রসঙ্গে জয়া বললেন, ‘কানের মতো মর্যাদাপূর্ণ উৎসব থেকে আমন্ত্রণ পাব ভাবিনি। এটা আমার অভিনয়জীবনের একটা বড় প্রাপ্তি।’ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল তিনি বলেন, ‘জয়াকে অভিনন্দন। কান বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব। আমি আশা করব, বিশ্বের প্রথম সারির নির্মাতা-কলাকুশলীদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এ সুযোগ জয়া কাজে লাগাবেন। ’নির্মাতা অমিতাভ রেজা বললেন, ‘আমি ২০১১ সালে কান উৎসবে গিয়েছিলাম; তবে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে নয়। বাংলাদেশের একজন অভিনেত্রী সেখানে আমন্ত্রণ পেয়েছেন, এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।’
৬৬তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে ফ্রান্সের কানে পৌঁছেছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। কান থেকে মুঠোফোনে জয়া জানান, ২১ মে তিনি কান শহরে পৌঁছেছেন।‘খুব ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটছে। ২২ মে অল ইজ লস্ট ছবির প্রিমিয়ারে গিয়েছি। ছবির অভিনেতা রবার্ট রেডফোর্ডের সঙ্গে দেখা হয়েছে। অস্কার বিজয়ী এই অভিনেতার ছবিটিও ভালো লেগেছে। আশপাশে চলচ্চিত্রজগতের বিখ্যাত সব মানুষের ভিড় দেখছি। অনেকেই আমাকে ভারতীয় বলে ভুল করছেন। তাঁদের বারবার বলতে হচ্ছে, আমার দেশ বাংলাদেশ।’গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মুঠোফোনে কান থেকে সরাসরি বললেন জয়া আহসান।গোলাপী শাড়ি আর জিমি-চু ক্লাচ ব্যাগ হাতে জয়াকে অপূর্ব লাগছিল। কান চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজকদের পক্ষ থেকে একজন ‘বহুমাত্রিক অভিনেত্রী’ হিসেবে জয়া আহসানকে এবারের উৎসবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামবে ২৬ মে।
এদিকে সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ‘গুগল'-এ বাংলাদেশী অভিনেত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে কাক্ষিত নারী হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন জয়া আহসান। গত ছয় মাসে এ সার্চ ইঞ্জিনে বাংলাদেশী অভিনেত্রীদের মধ্যে এক নম্বরে চলে এসেছেন তিনি। বাংলাদেশ ও দেশের বাইরের গুগল ব্যবহারকারীরা গত ছয় মাসে সবার চেয়ে তার ছবিই বেশি দেখেছেন এবং ডাউনলোড করেছেন। শুধু তাই নয়, এ সময়ের মধ্যে তার আরও বেশ কিছু ছবি গুগল সার্চ তাদের ইঞ্জিনে অ্যাড করেছে। উল্লেখ্য, মডেলিং ও নাটকের পাশাপাশি ঢালিউড ও টলিউডের বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন জয়া। ২০০৩ সালে তার প্রথম ছবি ‘ব্যাচেলর' মুক্তির পর থেকেই চলচ্চিত্রে কাজ করার অফার পেতে শুরু করেন তিনি। অনেকেই তাকে তখন এখানে নিয়মিত হতে বলতেন। তিনিও ভাবতেন। এরপর তিনি বেশ কয়েকটি ছবিতে কাজ করেছেন। যেমন ২০১০ সালে ‘ডুব সাঁতার', আর তারপর ২০১১ সালে ‘গেরিলা'। ‘গেরিলা' ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এরপর ‘চোরাবালি' ছবিতেও দারুণ অভিনয় করেছেন তিনি। প্রায় একই সময়ে টলিউডে মুক্তি পায় সেখানে তার অভিনীত প্রথম ছবি ‘আবর্ত'
এদিকে জয়া-র আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ নিয়ে কিছু বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কান কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের কোনো অভিনয়শিল্পীকে অফিসিয়াললি আমন্ত্রণ জানায়নি। কানের ডিরেক্টর অব কমিউনিকেশন মেরি পিয়ার হাভিলের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সোজা বলে দেন, ‘না আমরা বাংলাদেশের কোনো শিল্পীকে আমন্ত্রণ করিনি’।
কান কর্তৃপক্ষ কোনো দেশের শিল্পীকে আমন্ত্রণ করলে সে দেশের স্থানীয় ফরাসি দূতাবাস থেকে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের ফরাসি দূতাবাস এ ব্যাপারে কিছুই জানে না বলে জানায়।দূতাবাসের সংস্কৃতি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বিভাগীয় প্রধান আর্নাউদ লাইডুর পক্ষে তার সেক্রেটারি দিলরুবা আজমীন বলেন, ‘আমাদের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই।’ সব মিলিয়ে খবরটি নিয়ে তথ্যবিভ্রাট দেখা গেছে।এ ব্যাপারে জয়াকে ফোন করে এবং এসএমএস পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে আমন্ত্রণ না পেয়েও জয়া কান উৎসবে যেতে পারেন। দর্শক হিসেবে প্রতি বছর বিভিন্ন দেশের শিল্পী-সাংবাদিকরা অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নিয়ে উৎসব উপভোগ করার সুযোগ পান। জয়া আহসানও হয়তো এভাবেই যাচ্ছেন।
এদিকে আনুষ্ঠানিক ভাবে আমন্ত্রিত না হলেও হাল ছাড়ার মানুষ নন অনন্ত এবং বর্ষা। ৬৬তম কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে প্রযোজক ও চিত্রনায়ক অনন্ত ও চিত্রনায়িকা বর্ষা ১৫ই মে সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কাতার এয়ারওয়েজে যাত্রা করেছেন।এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবারের মতো আমাদের বাংলা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে। এই অর্জন আর গৌরব বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য নিয়ে এসেছেন জনপ্রিয় মুখ সুপারস্টার অ্যাকশন হিরো অনন্ত।এমএ জলিল অনন্ত প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত চলচ্চিত্র ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ যা আগামী রোজার ঈদে বাংলাদেশে মুক্তির প্রতীক্ষায়। কান চলচ্চিত্র উৎসবের ডিস্ট্রিবিউটরগণ ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং তারা মনসুন ফিল্মের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।পরবর্তীকালে কান উৎসবের ডিস্ট্রিবিউটরগণ ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য নেন, যা আগামী ১৭ই মে কান চলচ্চিত্র উৎসবের সবচেয়ে বড় স্ক্রিন অলিম্পিয়া ১ (ডলবি এ/এস আর, এসআরডি, টিএইচএক্স) এ প্রদর্শিত হবে। পরে পুনরায় ছবিটি স্টারুথ্রিতে ২১শে মে প্রদর্শিত হবে
তথ্যসূত্র: গুগুল সার্চ
২|
২৬ শে মে, ২০১৩ রাত ৯:০১
ভাবান্নিত বলেছেন:
৩|
২৬ শে মে, ২০১৩ রাত ৯:৩২
আমি শুধুই পাঠক বলেছেন: আইচ্চা টিকাচে।
৪|
২৬ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:৫৪
নির্লিপ্ত স্বপ্নবাজ বলেছেন: বেশ বেশ
৫|
২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১২:০২
মাসুম আহমদ ১৪ বলেছেন: কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবারের মতো আমাদের বাংলা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে। তাও আবার এমএ জলিল অনন্ত প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত চলচ্চিত্র ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা'!
কি আর কমু
৬|
২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১:৪৫
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন: জোস লাগছে মাইরি
৭|
২৭ শে মে, ২০১৩ ভোর ৪:৩৭
ভাবান্নিত বলেছেন:
update:
http://www.dailynayadiganta.com/?p=189895
কান নিয়ে কানাকানি…
সোহেল অটল
তারিখ: 23 May, 2013
কান উৎসব থেকে জয়া আহসান নাকি আমন্ত্রণ পেয়েছেন। প্রায় একই ধরনের দাবি করছেন প্রযোজক, অভিনেতা অনন্ত জলিল। বাজারে চালু হয়েছে অন্য গুজব। এ সবই নাকি তাদের স্ট্যান্টবাজি! সেসব জানাচ্ছেন সোহেল অটল
আগের দিনের চলচ্চিত্রে দেখা যেত ছেলে গ্রাম থেকে পড়াশোনার কথা বলা বাপের ভিটে বন্ধক দেয়া টাকা এনে শহরে বসে উড়াতো, ফূর্তি করত কিংবা অমুক রিকশাওয়ালার ছেলে দীর্ঘ দিন পর শুট-টাই, গাড়ি নিয়ে গ্রামে ফিরে গেলে সবাই অবাক হতো। এদের কারোরই শহরের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারত না গ্রামের মানুষ। কারণ যোগাযোগব্যবস্থা, তথ্যপ্রযুক্তি এখানের মতো হাতের মুঠোয় ছিল না। সুতরাং গ্রাম থেকে শহরে আসা সুবোধ ছেলেটি আসলে কী করছে, অভিভাবকের তা জানা সম্ভব ছিল না।
চিত্রটা এখন আমূল পাল্টে গেছে। ইচ্ছে করলেই বাপের টাকা এনে শহরে বসে এখন আর উড়ানো যায় না। ফার্স্ট কাস ফার্স্টের গল্প ফাঁদা যায় না, কেরানিগিরি করে ‘বড় অফিসার’ এর ভাবও নেয়া যায় না। কারণ তথ্যপ্রযুক্তি গ্রাম-শহর-দেশ-বিশ্বকে একাকার করে ফেলেছে। উত্তর মেরুতে বসেও তাই দক্ষিণ মেরুর প্রতি সেকেন্ডের চিত্র পাওয়া যায়।
কয়েক মাস ধরেই বলিউড তারকাদের এবারের কান উৎসবে দলে দলে যোগ দেয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। বলিউড এবার পালন করছে তাদের বিগত ১০০ বছরের সাফল্য। এ কারণে এবারের কানে তাদের বেশ জায়গা দেয়া হয়েছে। বলিউডের মতো বিশাল, সুপ্রতিষ্ঠিত একটি ইন্ডাস্ট্রি থেকে কানে দলে দলে তারকারা যেতেই পারেন। ১০০ বছরের সাফল্য না থাকলেও তারা যেতে পারেন। সেই অবস্থান তাদের রয়েছে। বলিউড শিল্পীরা বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। কান উৎসবে তাদের অংশগ্রহণ বরং কানকেই মহিমান্বিত করে তুলবে। কিন্তু আমাদের কী অবস্থা? আমাদের ইন্ডাস্ট্রি, শিল্পীদের কি আদৌ সেই গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে?
সত্তর বা আশির দশকের অবস্থা থাকলে আমরাও বাজি ধরতে পারতাম কিংবা ববিতার মতো কোনো শিল্পী থাকলেও আশার বাতি জ্বলত। আমাদের তো কোনোটাই নেই। তাহলে কান-ওয়ালারা কেন আমাদের খাতির করবে?
খাতির করুক না করুক, আমাদের শিল্পীদের বাগাড়ম্বর কিন্তু থেমে নেই। অভিনেত্রী জয়া আহসান মাসখানেক আগেই ঘোষণা দেন, কান থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। প্রায় একই সময়ে প্রযোজক, অভিনেতা অনন্ত জলিলও ঘোষণা দেনÑ কান উৎসবে তার চলচ্চিত্র ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ প্রদর্শিত হবে। ছবিটি প্রদর্শিত হলে অবধারিতভাবেই তার পরিচালক, মূল হিরো হিসেবে অনন্তেরও কান উৎসবে আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা।
প্রায় একই সময়ে জয়া আহসান ও অনন্ত জলিলের এমন ঘোষণায় চমকে ওঠে এই ইন্ডাস্ট্রির লোকজন। এতটা ভালো খবর আমরা প্রত্যাশা করি না। কারণ, এতটা ভালো খবর পাওয়ার মতো কোনো কাজ তো আমরা করিনি! তবুও জয়া ও অনন্তের সাফল্যে স্বপ্ন দেখা শুরু হয় আমাদের। আমাদের দিন বুঝি ফিরতে শুরু করেছে।
দিন যত গড়ায়, জয়া ও অনন্তের এই আমন্ত্রণ নিয়ে গুজব ছড়াতে থাকে তত। জয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদমাধ্যমকে এ ব্যাপারে কিছু বলেন না। জয়া আহসান অত্যন্ত ভালো অভিনেত্রী। কান থেকে আমন্ত্রণ পাওয়ার যোগ্যতা তার থাকতেই পারে। কিন্তু ঠিক কী কারণে তাকে আমন্ত্রণ করা হলো কানের মতো একটি মর্যাদাশীল আসর থেকে, তা তিনি খোলাসা করেন না। সম্প্রতি কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় ম্যাগাজিনে প্রকাশ পায়Ñ তাদের ফোন করে নাকি জয়া আহসান কানের খবরটি জানান। কলকাতার পত্রিকায় ফোন করে জয়া জানাচ্ছেন তার কানযাত্রার খবর, অথচ দেশীয় মিডিয়ার সামনে ব্যাপারটা খোলাসা করছেন না। এবার নিন্দুকেরা আবিষ্কার করেন নতুন সূত্র। সমালোচকদের মতে, কানে যাওয়ার টিকিট জয়া পেয়েছেন বটে, তবে সেটা কান কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে নয়। প্রভাবশালী এক চলচ্চিত্র প্রযোজক নাকি তাকে কানের একটি টিকিট ম্যানেজ করে দিয়েছেন! ব্যাপারটার সত্যাসত্য এখনো প্রমাণাধীন।
অন্য দিকে টানা মাসখানেক ধরে অনন্ত জলিল প্রচারণা চালাচ্ছেন কানে তার ছবি প্রদর্শনের খবর। অনন্ত জলিল বিগত সময়ে অনেক হাস্যকর কর্মকাণ্ড করে নিজের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে ফেলেছেন মানুষের কাছে। এবার তার কানযাত্রার খবর শুরু থেকেই সন্দেহের চোখে দেখেছেন সমালোচকেরা। কানের ওয়েবসাইটে অনন্তের দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি নিজেও মিইয়ে এসেছেন এই কান-সংক্রান্ত প্রচারণা থেকে। আসলে, ফ্রান্সের কোনো এক প্রেক্ষাগৃহে ছবি চালালেই যদি সেটা কানে প্রদর্শন বলে চালিয়ে দেয়া যেত, তাহলে কান উৎসবে যে-কেউই তার ছবি প্রদর্শন করতে পারত।
১৫ মে থেকে শুরু হয়েছে ৬৬তম কান উৎসব। চলবে ২৬ মে পর্যন্ত। ফ্রান্সের কানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ উৎসব। এখানে প্রদর্শন হওয়া, প্রতিযোগিতা করা সব দেশের চলচ্চিত্রের লিস্ট পাওয়া যাচ্ছে কানসহ আরো নানান ওয়েবসাইটে। অনন্ত জলিল এর ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’র নামগন্ধ নেই কোথাও। তাহলে আগ বাড়িয়ে এই বাগাড়ম্বর করার মানেটা কী?
অন্য দিকে জয়া আহসান কেন কান উৎসবে আমন্ত্রিত হলেন, তার নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা নেই। জয়া বা বাংলাদেশী কোনো শিল্পী কানে আমন্ত্রিত হলে সেটি অবশ্যই আমাদের জন্য গর্বের। কিন্তু সেই গর্ব ধূলিসাৎ করার জন্য কেউ যদি প্রতারণার আশ্রয় নেয়, তবে তার মতো কলঙ্কেরও কিছু থাকবে না।
সবশেষে সেই তথ্যপ্রযুক্তির দিকে ফিরতে হয়। গ্রাম থেকে শহরে আসা যুবকের মতো অবস্থা নেই বিশ্বের কোথাও। এ জন্যই প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কানে কে যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, কোন ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে, কেন হচ্ছেÑ তা জানতে এখন আর খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় না। প্রযুক্তি এখন সহজেই বিশ্বের সব তথ্যকে মুহূর্তে হাতের মুঠোয় এনে দিচ্ছে। যারা কান নিয়ে কানাকানির সুযোগ করে দিয়েছেন, তাদেরও এটি জানা থাকা উচিত। অর্ধসত্য যদি কিছু থেকে থাকে, খুব তাড়াতাড়িই সেগুলো পূর্ণসত্য কিংবা মিথ্যায় রূপান্তর হবে বলে আশা করা যায়।
৮|
২৭ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৮
অস্হির বলেছেন: সহমত।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে মে, ২০১৩ রাত ৮:৩৪
মাহমুদুল হাসান (সুমন)। বলেছেন: