| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
খারেজি
এইপথে আলো জ্বেলে এ পথেই পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে, সে অনেক শতাব্দীর মনীষির কাজ.....
চীনপন্থী, পিকিংপন্থী (পিকিং-এর নামটা বেইজিং রূপে বহুল প্রচার হবার আগেই এই টার্মটাই অপ্রচার হয়ে যাওয়ায় হয়তোবা পিকিং এর নামেই এই পন্থীরা স্মরিত হন!), মাওবাদী বা মাওপন্থী বলে একদল দুঃখী লোক এই ধরায় বাস করে, অধুনা তাদের সংখ্যা বিলুপ্তির পথে বলে কেউ তাদের দুঃখ বুঝে না। নিজেদের মাথায় ছাতা ধরিবারও তাদের কেহ নাই বলেই হয়তো অন্য প্রজাতির ভাবাদর্শধারীদেরও তাহাদের নামে ট্যাগিং করে মাওবাদী বেচারাদের হেনস্থা করা হয়। অন্য কিছু না, স্রেফ পথচারী হিসেবেই এই গণধোলাই মর্মান্তিক মনে হওয়াতে দু'চার কথা কই।
প্রথমেই বলে নেয়া ভাল যে এই মস্কোপন্থী-পিকিংপন্থী নামের মহা বিতর্ক সম্পর্কে আমি কোন বিশেষজ্ঞ নই, (আমার আগ্রহের জায়গা এটি না একদমই) স্রেফ কৌতুহলবশতঃ কিছু পড়েছিলাম, তাও বহু আগে। ফলে ভুল করার সম্ভাবনা আছে কিছু, তাই একেববারে (কাণ্ডজ্ঞানের বাইরে) সিদ্ধান্তসূচক বক্তব্য সাধারণত পরিহার করাই আমার পক্ষে উত্তম হবে। আর খোদার কিরা, আমি যাদের এ বিষয়ে ভাল জানেন বলে জানি, তারা কেউ এগিয়ে এলে এ গুরুভার কিছতেই নিতাম না, কেননা তারা হেসেখেলে এ কাজটি কর্তে পারতেন।
প্রথমে বলা দর্কার, মস্কো-পিকিং বিতর্কের শুরু ১৯৬০ দশকের একেবারে শুরুতে। স্তালিনের মৃত্যুর পর নিকিতা ক্রুশ্চেভ ক্ষমতায় এসে আন্তর্জাতিকক কম্যুনিস্ট রাজনীতিতে অনেকগূলো বিতর্কের সূচনা করেন। তার একটা বড় প্রসঙ্গ ছিল তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে সশস্ত্র বিপ্লব বা বলপ্রয়োগের আর তেমন প্রয়োজন নেই, অধনবাদী সমাজতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ উত্তরণ সম্ভব; এবং তা ঘটবে পুঁজিবাদের তুলনায় সোভিয়েত অর্থনীতির শেষ্ঠত্বের কারণে।
মাও সে তুং এর নেতৃত্বে চিন এর প্রতিবাদ করে। চিনা নেতৃবৃন্দ মনে করেন যে, পুঁজিবাদ যতই সংকটের মধ্যে থাকুক না কেন, তাতে তার পতন হবে না,বরং শ্রমিকশ্রেণীর পক্ষ থেকে বলপ্রয়োগ করে তাকে উচ্ছেদ করতে হবে।
যতদূর মনে পড়ে এটাই ছিল এই বিতর্কের প্রধান বিন্দু। মূল বির্তকের আরো অনেক ডালপালা ছিল। চিন অভিযোগ করে যে সোভিয়েত ইউনিয়নে আসলে সামরিক-সিভিল মধ্যবিত্ত তৈরি হয়েছে, সোভিয়েত রাষ্ট্রটি তারই দখলে চলে গিয়েছে। এদের স্বার্থ দেখার জন্যই সোভিয়েতরা বিশ্ববিপ্লবের বদলে শান্তির পথে বিপ্লবের কথা বলছে।
এখন এই বিতর্কের ফলশ্রুতিতে দুনিয়ার বহু দেশে কমুনিস্ট পার্টিতে বিভক্তি দেখা দেয়। সোভিয়েত পার্টি ক্ষমতাবান এবং তার সাথে সম্পর্ক লাভজনক হলেও বহু দেশেই আদর্শিক কারণেই পার্টির উল্লেখযোগ্য অংশ বিরুদ্ধ পক্ষে চলে যান। এই তত্ত্বের আরেকটা উল্লেখযোগ্য দিক ছিল সোভিয়েত নির্দেশে স্থানীয় জাতিয়তাবাদী দলগুলোতে কর্মীদের ডেপুটেশনে (!) প্রেরণ এবং তাদের গড়ে উঠতে সহায়তা দান, তাদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন; আরেকটি ছিল তাদেরকেই প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক মদদ দান। বাংলাদেশে মস্কোপন্থী কম্যুনিস্ট পার্টির সাথে আওয়ামী লীগের সম্পর্কের সূচনা তখন থেকেই, আর সামাদ আজাদ কিংবা আরও অনেক নেতাই আসলে কম্যুনিস্ট পার্টির দায়িত্ব পেয়েই সেখানে অংশ নিয়েছিলেন। সোভিয়েত পার্টির এই নির্দেশমত চলার আরেকটা উদাহরণ হল ইরানের কম্যুনিস্ট পার্টি শাহবিরোধী প্রত্যক্ষ সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েও 'জাতিয়তাবাদী শক্তি' হিসাবে মোল্লাতন্ত্র এবং তার চূড়ামনি খোমেনিকে প্রায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্ষমতায় তুলে ধরা (আমি একটা রিপোর্টে দেখেছিলাম, পুরো গণঅভ্যুত্থানে অল্প কয়েকজন ডানপন্থী গ্রেফতার বা হতাহত হয়েছিলেন, তেমন অধিকাংশ ই ছিলেন ছাত্র বা ট্রেড ইউনিয়ন কর্মি, ফেদাইন, যারা প্রায় সকলেই সাধারণ মানুষ বা কম্যুনিস্ট পার্টির সাথে সম্পর্কিত।) কিন্তু ক্ষমতায় পোক্ত করেই খামেনির প্রথম কাজটি হল কম্যুনিস্টদের শেকড় ধরে উচ্ছেদ। বাংলাদেশ নিয়ে মন্তুব্য আজ এড়িয়ে গেলাম মস্কো-পিকিং বিষয়ক বিতর্কে গূরুত্ব দেয়ার জন্য।
এই বিতর্কের আরেকটা ফলাফল হল টিকে থাকার জন্যই চিনকে দ্রুত শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিনত হওয়ার দর্কার পড়ল। এ নিয়ে শুরু হল আরেকটা নতুন বিতর্ক। পরবর্তীকালে ক্ষমতাসিন দেংশিয়াওপিং একটা তত্ত্ব দিলেন, বেড়াল সাদা না কালো তা দেখার দর্কার নাই, দেখতে হবে বেড়াল ইঁদুর মারে কি না ।(চিনাদের এই এক মজার বিষয়, তারা সব কিছুকে এমন প্রবাদ-প্রবচনের আকারে প্রকাশ কর্তে পারে, চিনা রাজনৈতিক ইতিহাস পড়তে গেলেও তাদের প্রজ্ঞার পরিচয় পাবেন এক একটা গল্পের শিরোনামে, যা থেকে এক একটা পুরো রাজনৈতিক অবস্থান বা দর্শন বা বক্তব্য বা ইতিহাস উঠে আসবে, যেমন বোকা বুড়ো পাহাড় সরালো, ড্রাগনপুজারীর মৃত্যু! )। এখন এই ইদুরের সারমর্ম হল এই যে, দ্রুত ক্ষমতাবান হতে হলে শিল্পায়নের ধরন সমাজতান্ত্রিক না অসমাজতান্ত্রিক না নিয়ে ভাবলে চলবে না, দেখতে হবে উৎপাদন বাড়ে কিনা। বিরোধীরা, খাটি মাওবাদীরা আবার বললেন, না, শিল্পায়নটা এমন ভাবে করতে হবে, যাতে তার গতি একটু ধীর হলেও সেখানে যেন আমলাতান্ত্রিকতা তৈরি না হয়, সেখানে যেন নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণী জন্ম না নেয়। (তাদের প্রজ্ঞাগল্পটা হল এই: সংক্ষিপ্ত পথে দয়িতের কাছে পৌছাতে এত নোংরা রাস্তা বেছে নিলে যে পৌছে গিয়ে দেখলে তোমাকেই আর চেনা যাচ্ছে না।)
এই বিতর্কে জয়ী হলেন দেং। পোস্ট লম্বা হয়ে যাচ্ছে, তাই এবার সংক্ষেপ করি, কেননা আধুনিক মাও বাদীদের নিয়াও দুই চারি কথা বলিতে আকাঙ্খা করি। দু/তিনটে সিদ্ধান্ত টানা যায় এখান থেকে:
১. পিকিংপন্থী বা মাওবাদীরা তারাই, যারা চূড়ান্ত দ্বন্দ্বের মিমাংসা শান্তুপূর্ণ হবে না, এই মত গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীতে নানা হঠকারীতায় ডুবলেও তাদেরই তাই দেখা যাবে পাকিস্তান প্রশ্নে চূড়ান্ত অবস্থান সবার আগে নিতে।
২.ক্ষমতা প্রশ্নে এই তত্ত্বটি চিনের নিজের কোন উদ্ভাবন নয়, মার্কসবাদীদের নিজেদের মাঝেই এই বিতর্ক ছিল আগেও; আর মার্কসের জন্মের আগেও এই বিতর্ক ছিল। (লেখার পর মনে হল এই প্যারাটা আজকের প্রসঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক)
৩. এখন আর চিন নিজেই পিকিংপন্থী বা মাওবাদী নেই। ফলে আজ চিনের স্বার্থের সাথে জড়িত কাউকে মাওবাদী বা চিনপন্থী বলাটা অর্থহীন। এই পরিভাষাটা একটা ঐতিহাসিক বিতর্কের সাথে যুক্ত হয়ে আছে। আর সেই চিন বহু আগে নিজেই সোভিয়েত ইউনিয়নের লাইন গ্রহণ করেছে।
৪. শেষত: মাওবাদী বা মস্কোপন্থা কোন স্থাননামের সাথে খুব বেশি যুক্ত নয়। (কে জানে, বাক্যটা শুদ্ধ হল তো!) এটা একটা আদর্শিক বিতর্ক, ওই আদর্শে যুক্ত না থাকলে দেশ বা ব্যক্তি কাউকে ওই নামে ডাকা অসঙ্গত।
এবার আসি ভারতসহ নানান স্থানে মাওবাদীদের নিয়ে আলোচনায়। একটা সহজ বিষয় খেয়াল করলে দেখা যাবে, নকশাল বাড়ী পরবর্তী এই প্রায় সবগুলো স্থানের একটা সাধারণ সাদৃশ্য হচ্ছে এগুলো গ্রাম প্রধান বা জঙ্গলাকীণী এলাকা। যাতায়াত দুর্গম। আরেকটা বড় বৈশিষ্ট্য হল এসব স্থানে এমন সব আদিবাসীদের বাস যাদের ভাষা, সংস্কৃতির পার্থক্য রয়েছে। সাধারণত দেখা যায়, এদের নৃতাত্ত্বিক ভিন্নতার সুযোগ নিয়ে এদের ওপর বর্বর নিপীড়ন চলে, এদের জন্য মূল জাতির সুশীল অংশের মায়া কান্না থাকে কমকম, আর এসব স্থানের বনজ বা খনিজ সম্পদ এখরনও পুঁজি পুরোপুরু হজম করতে পারে নাই। এছাড়া আছেন জাতীয় বা বহুজাতিক কর্পরেট পুঁজির ধাক্কায় ক্রশশঃ খাঁচাবন্দী হতে থাকা কৃষককূল।
এবার দেখুন, নিজেদের জীবন ও জীবীকা এবং সন্মান ও সংস্কৃতি রক্ষায় লড়াই করে নাই, এমন জাতি মাও আর মার্কসের আগেও ছিল না,পড়েও নাই। বিষয় শুধু এই যে, কালে কালে এই লড়াই নতুন নতুন চেহারায় হয়েছে, মার্কস দেখিয়েছেন উত্তর আফ্রিকায় ফরাসী-বৃটিশদের বিরুদ্ধে নানান ধর্মীয় সংস্কারা আন্দোলনের ছলে উপনিবেশবিরোধী লড়াই-ই চলেছে, এবং তারা নিজেদের অধিকার যতদূর রক্ষা করতে পেরেছে, তা ওই বলপ্রয়োগের হুমকি দেখিয়েই। সিদু-কানহুর বিদ্রোহের চেহারাও একদিকে ধর্মীয় হলেও আদতে তো তা মহাজন আর শোষকদের থেকে নিজেদের জনগোষ্ঠিকে রক্ষারই চেষ্টা!
আজ আর সেই ধর্মীয় সংস্কারের দুনিয়া নাই (খারেজি একা খালি আছে, হা হা হা); আধুনিক স্কুল-কলেজে যাওয়া আদিবাসী সন্তানরা নিজেদের গালে যখনই বৃহৎ রাষ্ট্রের চড়টা আবিষ্কার করেন, বাপকে জীবিকা থেকে উচ্ছেদ হতে দেখেন কিংবা নিজেদের সংস্কৃতিকে হীন বলে শোনেন, তার যে প্রতিক্রিয়া, প্রকাশের ভাষা, তা আজকের জমানায় কমরেড মাওয়ের নামে হয়। মাওয়ের কৃষকবাহিনীর অসম সাহসী বিজয়ের কল্যাণে সারা দুনিয়ার বহু জঙ্গলবাসি, পাহাড়ী আদিবাসী তাদের লড়াইকে মাওয়ের নামে উৎসর্গ করেন এই ভাবে।
কথা সত্য, এই সব লড়াই গুড়িয়ে দেয়া হয়, নারীরা শতে শতে ধর্ষিত হন, সন্মানিত ব্যক্তিদের গাছে ঝুলিয়ে পেটান হয়, শিশুদের বুটে মাড়িয়ে যাওয়া হয় (বিএসএফ কর্তৃক মনিপুরে নারীদের ধর্ষণের প্রতিবাদে একটা সেখানকার নারীদের একটা আত্মঅবমাননা কর প্রতিবাদের পন্থা দেখে তাদের অপমানের তীব্রতাটা বুঝতে পেরেছিলাম।); আর এ কথাও সত্য যে, মাও নিজে হলেও বুঝতেন যে চিনে যে লড়াই মূলজাতিগোষ্ঠী লড়ছে, সেই লড়াই সংখ্যালঘুরা জিততে পারবে না... কিন্তু সেই লড়াইকে শ্রদ্ধা না করে উপায় কি, তাদের স্যালুট না জানিয়ে কি করে পারি! কখনো কখনো আত্মহননই প্রতিবাদের একমাত্র ভাষা হতে পারে, হয়তো লাখে লাখে স্তুপ জমলে সাজোয়া যানের গতি একটু ধীর হয়!
আমি যদি আদিবাসী হতাম, নিশ্চয়ই আমি মাওবাদী হতাম, নিশ্চিত পরাজয় জেনেও তা হতাম। হয়তো কেন, নিশ্চয়ই অহসায় কান্নাকাটির মৃত্যুর চেয়ে হাতে বানানো স্ললমাইন শত্রুর জন্য পুঁতে রাখায় কম অপমান থাকে।
....
সংযোজন:
হুড়মুড় করে লেখা এই নিবন্ধটায় একটা কথা যুক্ত করা যায়, সেটা হল আদিবাসী সংস্কৃতির সাথে সমাজতান্ত্রিক যৌথ-কৃষির সাদৃশ্য সম্ভবত তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণ করে। এছাড়া আছে খনিজ ও বনজ সম্পদ উত্তোলনের নামে তাদের অস্তিত্ব ধ্বংসের রাষ্ট্রীয় ও বহুজাতিক আয়োজন। অন্যদিকে অ-আদিবাসী কৃষক এলাকাতেও জমির মালিকানার একচেটিয়াকরণ ও মূল্য-না-পাওয়া, বহুজাতিকের বিনিয়োগে উচ্ছেদকৃত কিংবা বীজ-সার-কীটনাশক এর ফাদে আটকা পড়া কৃষকরা রাজনৈতিক দাবি হিসেবে ভূমি সংস্কারকে রাজনৈতিক দাবি হিসাবে উত্তাপন করে। আর ভূমির ইস্যুটাকে মস্কোপন্থীদের তুলনায় মাওবাদীরা ঐতিহাসিকভাবেই বেশি সামনে এনেছে, এটা সব মিলে অ-শহর অঞ্চলগুলোতে মাওবাদীদের প্রাধান্যের কারণ হতে পারে। ভারত, ফিলিপাইন, ল্যাতিন আমেরিকান বহু অঞ্চলে মাওবাদীদের বিকাশকে হয়তো এভাবেই ব্যাখ্যা করা সম্ভব।
...
সংযোজন দুই:
বাড়িতে ফিরা আরেকটা কথা মনে পড়লো, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চিনের সর্বদা নিজ স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়াটাও তার নিজের মাওবাদী অবস্থান থেকে সরে আসার ফল। '৭১ সালে মাও নিজেও বৃদ্ধ হলও জীবিতই ছিলেন। ফলে মাওবাদাকে ব্যক্তির সাথে না মিলিয়ে তত্ত্বের গূরুত্বটাকে দেখতে হবে, যা থেকে হয়তো ঐ নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দেশ সরে এসেছে। আর এখন তো চিন আফ্রিকার বহু এলাকায় যা তৎপরতা শুরু করেছে, তাকে আর সব বহুজাতিক কোম্পানির কারবার থেকে কিছুতেই আলাদা করা যাবে না।
কৈফিয়ত:
রচনাটি ১৭ জুলাই (শুক্রবার), ২০০৯ ২:৫৪ অপরাহ্নে আমু ব্লগে চিনপন্থীরা কী চিজ! প্রকাশিত হৈছিল। সামুতে তখন লগইন ব্যান ছিলাম বৈলা পরম শুভাকাঙ্খী জাতেমাতাল মাওবাদীদের নিয়ে কিছু কথাঃ সাথে খারেজির একটি পোষ্ট প্রকাশ করেছিলেন। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সেইখানে পি মুন্সী, মনজু ভাই, নুরুজ্জামান মানিকসমেত অনেকেই গূরুত্বপূর্ণ আলোচনাও করেছেন। কাজেই সেই লিংকটিও দিয়ে রাখলাম
সামুতে পরের পোস্টে কমেন্ট অখনো ব্যান, আর্কাইভ করার বাসনায় এইটা জমা রাখলাম।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৩
খারেজি বলেছেন: কেম্নে?
আছেন্নি ভালা।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৭
খারেজি বলেছেন: রীতিমত গেরিলা কায়দা!!
অনেক শুকরিয়া, রামু।
২|
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৯
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: রামুরে ঝাঝা!
না হইলে মিস![]()
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৪
খারেজি বলেছেন:
রামু> রাত মজুর?
কঠিন সংক্ষিপ্তকরন!
সামু আমু রামু
পোস্ট নিয়া মন্তব্য নাই?
৩|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১১
রাতমজুর বলেছেন:
৪৩বার পঠিত, দুইডা ফাউল কমেন্ট!
পাব্লিকে আমার মত তৃনভোজী হৈল নাকি ইদানিং ![]()
আপনে পুষ্টান, আরো ঠেলা হৈব ![]()
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৭
খারেজি বলেছেন: আপনে কমেন্ট গ্রহণ বন্ধ কর্লেন ক্যান?
পোস্ট দ্বিতীয় পাতায় গেলেই তো হাপিস!
৪|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪০
রাতমজুর বলেছেন:
পোষ্ট আপনের, আমি কমেন্ট নিয়া কি করুম!
হ, সামুর এইডা ব্যাপক খারাপ, বেশিরভাগ ইউজার ফার্স পেজের বাইরে যায় না ![]()
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭
খারেজি বলেছেন: সে কারণেই কমেন্ট অপশনটা খোলারাখা এই গেরিলা কায়দার জন্য ভাল হতো।
যা হোক শেখা হৈল, ভবিষ্যতে কাজে লাগাব আপনার কায়দাটা।
৫|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪
সাম্যবাদী বলেছেন: আমি যদি আদিবাসী হতাম, নিশ্চয়ই আমি মাওবাদী হতাম, নিশ্চিত পরাজয় জেনেও তা হতাম। হয়তো কেন, নিশ্চয়ই অহসায় কান্নাকাটির মৃত্যুর চেয়ে হাতে বানানো স্ললমাইন শত্রুর জন্য পুঁতে রাখায় কম অপমান থাকে।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৭
খারেজি বলেছেন:
ধন্যবাদ বন্ধু।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৮
খারেজি বলেছেন:
ধন্যবাদ বন্ধু।
৬|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১১
শুভ রহমান বলেছেন: পোস্টটা খুবই ভালো লাগলো। আমি রাজনৈতিক লেখাটেখা বেশি পড়িনা - বুঝিনা তো তাই। কঠিন লাগে। কিন্তু এই লেখাটা টানা পড়ে গেলাম। মোটা দাগে মাওবাদীদের বিষয়টা নিয়ে প্রঞ্জল ভাষায় লেখেছেন।
আচ্ছা, নেপালের মাওবাদীদের আপনি কিভাবে দেখেন?
রাতমজুরকে ধন্যবাদ, নইলে হয়তো লেখাটা মিস হয়ে যেত। আমি প্রথমে তো ভাবছিলাম লেখাটা তারই! দেখলাম কমেন্ট নিচ্ছেন না, তাই আলাদা একটা পোস্ট দিয়েছিলাম প্রথম পাতায়, লেখাটার উপর আমার ভালোলাগা নিয়ে। এখন ড্রাফট করে ফেলেছি।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৬
খারেজি বলেছেন:
ধন্যবাদ শুভ।
নেপালের মাওবাদীদের ইতিবাচকভাবেই দেখি.... দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী এখন পর্যন্ত যথাসম্ভব বিবেচকের ভূমিকারই পরিচয় দিয়েছে তারা।
বিপ্লবীদের নিয়ে জনপ্রিয় একটা কথা কোট করেছিলেন মার্কস, সেইটাই এ প্রসঙ্গে বলতে পারি:
মরার আগ পর্যন্ত রাজনীতিবিদকে দেশপ্রেমিক বলা যায় না!
৭|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৫
অরণ্যদেব বলেছেন: নো চিন্তা বস। এট্টু পরে আসতেছি। এখন এক্টু বিজি আছি। মূল আলুচনায় যোগ্দিব নিশ্চিত। কিছু খামতি আচে বস(এট্টু উনিশ-বিশ আর কি)। আইস্যা কমুনে।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৭
খারেজি বলেছেন:
শিওর শিওর।
বহুদিন বাদে আপনারে দেখলাম!
৮|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৫
শয়তান বলেছেন:
ঘটনা কি ?
ঐপাড়ায় কি একহাতে ব্যাকরক্ষা সম্ভব হৈতেছে না ??
খালি ইধারকা মাল উধার কৈরা আর কতো ?
লেখায় তো ভারতে আইসা খানিকটা লেজেগোবরভাব হৈলো ।
কারন কি ?
নেপালের মাওবাদীদের নিয়া আরেকটু ডিটেইল ব্রীফ করেন ।
ইতিহাসটা যতদুর জানি ব্যপক ।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৫
খারেজি বলেছেন:
কি কর্মু কন! পাড়াছাড়া কর্লেন, ফলে শেষমেষ পাড়া দুইটা হৈল। আগে এক পাড়াতে দিল্ই চলত, অহন দুই পাড়াতেই দেই।
আর আগের পোস্টটাও তো দুই পাড়াতে গেছে,তখন তো আপত্তি করেন নাই। অখন কেন করতেছেন?
বিশেষ কোন কারণে না, জাস্ট বহুদিন পোস্টাই না, তাই জমা একটা পোস্ট ছাইড়া দিলাম এই আর কী।
নেপালের মাওবাদীরা এই পুস্টের বিষয় না, কাজেই তাদের নিয়া কিছু লেখা হয় নাই। মাওবাদীদের উদ্ভব আর ভারতে তাদের এই সময়ে বিস্তারের চেষ্টা আছে সামান্য। সম্প্রতি অরুন্ধতী রায়ের একটা লেখা পইড়া পুরানা এই লেখাটার জইন্য মায়া জাগলো, মনে হৈল আয় হায়, আমিতো হ্যার আগে লেখছি। তাই নিজের পাল্লায় একটু .... বুঝেই তো!
আর এট্টু রাগ রাগ ভাব মনে হৈতাসে! কারণ বুঝ্লাম না। ফাসি দিলেও তো লূকে কারন বলে। আপ্নে তো দেখি তারেক জিয়ার বাপের মত কর্তেছেন।
(প্রফাইল পিকডা পছন্দ হয় নাই। যদিও ফিলিমডা ভালা পাই। আগের পিকটা আপ্নের সাথে একাত্ম হয়া গেছিল।)
৯|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৬
মনির হাসান বলেছেন: কাইল পড়ুম ... এত্ত লম্বা করছেন ... আমার মাত্র ১৭ ইঞ্চি মনিটর ...
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৭
খারেজি বলেছেন:
ওক্কে ।
নিশ্চিন্তে ওয়েট কর্লাম্।
১০|
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১১
শয়তান বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
কি কর্মু কন! পাড়াছাড়া কর্লেন
---
ঠিক বলেচেন । দুনিয়ার তাবৎ খারাপ জিণিষগুলার যইন্য একমাত্র ফ্রী ডাষ্টবিন আর কৈ !!!! আপনার ব্যাকেন্ড নরম ক্যান সেজন্যও ফ্রী ডাষ্টবিনই দায়ী ।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯
খারেজি বলেছেন:
আপনেরে ইগনর কর্তে খারাপ লাগে। কিন্তু মাঝে মাঝে মনে হয় সেইটাও করা দর্কার।
খুবই শিশু সুলভ আতঙ্ক, ধারণা এবং বিশ্বাস নিয়া আপনের বসবাস।
একই অর্থহীন ভুল বক্তব্য দয়া কৈরা রিপিট কৈরেন না।
কৈফিয়ত দেই না। আশ্রয়ও চাই নাই।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫
খারেজি বলেছেন:
সবচে বড় মুশকিল হল আপনার অপ্রয়োজনীয় বাক্যরাশি পোস্টটার বিষয়ই পাল্টে দিয়েছে।
১১|
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৩
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: কি অবস্থা এখনো ব্যান্ড? আশ্চর্য!
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৪
খারেজি বলেছেন:
ভাল যে আশ্চর্য হতে আম্রা এখনো ভুলি নাই!!
১২|
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
শয়তান বলেছেন: ইগনর করেন । মানা কর্ছে কেডা
১৩|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৬
শয়তান বলেছেন: খাঁচার থিকা ছাড়লো তাইলে
। ওয়েলকামব্যাক
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৭
খারেজি বলেছেন: আছেন্নি ভালা?
১৪|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪১
শয়তান বলেছেন: তোমার হলো শুরু,আমার হলো সারা ..........।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৬
খারেজি বলেছেন: ক্যন ভাই!
১৫|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৪
শয়তান বলেছেন: এইখানে তো বলবো না
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৯
খারেজি বলেছেন: মেইল করেন!
১৬|
১৩ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৪৩
রোবোট বলেছেন: ইরানে কমিউনিস্ট পার্টিকে খোমেনীওয়ালারা কচুকাটা করার ব্যাপারটা খুব কম লোকই জানে। কমিউনিস্ট পার্টির নাম তুদেহ না?
এই পোস্টের পরের পর্ব দেন।
১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৪
খারেজি বলেছেন: কমুনিস্ট পার্টি ইরানে তুদেহ ছাড়াও ছিল। কিন্তু নানা, ওইটা নিয়া লিখার উপায় নাই এখন। আপনার ভবিষ্যতবাণীই সঠিক হৈল, আবারও ক্যাচালে জড়াইলাম, এইবার রীতিমত গভীর মনোসংযোগ দাবি করে এমন ক্যাচাল।
দোয়া কইরেন, যেন ফিরা আইতে পারি।্আর এইরাম করুম না, এর পর থাইকা কথা কমু, কিন্তু যে শব্দটা (য়াপনার ভাষায় গালিও হৈতে পারে!) সারমর্ম দিতে সাহায্য করে, সেইটা উহ্য রাখুম। প্রমিজ।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫
রাতমজুর বলেছেন: ফ্রন্ট পেজে দিতেছি, খাড়ান।