নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কিশোরকন্ঠ

জুলাই সংখ্যা'06

কিশোরকনঠ

কিশোরকনঠ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সামপ্রতিককালের টুকরো খবর

১০ ই আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:১১

পৃথিবীর দীর্ঘতম মানুষ হোসেন বিশার

হোসেনের পৌনে আট ফুট দেহটি লন্ডনের পথচারীদের চোখে যেন একটি ভয়ঙ্কর দানব। ফোনবুথের চেয়েও উঁচু হোসেন বিশার। তাকে ঘরে ঢুকতে হয় অনেকটা ঘাড় নুইয়ে। 800 ডলার দিয়ে 26 ইঞ্চি মাপের জুতা তাকে থাইল্যান্ড থেকে আনতে হয়। গত বছর আফ্রিকার গৃহযুদ্ধবিধ্বসত্দ দেশ সোমালিয়া থেকে ব্রিটেনে পালানোর পথে বিমানে তার আসন লেগেছিল দুটো। 210 কেজি ওজনের বপুর জন্য খোরাক তো আছেই। পানিশূন্যতা এড়াতে তাকে প্রতি দিন প্রায় 15 লিটার পানি পান করতে হয়। গিনেস বুক অব রেকর্ডস চারবার করে দু'দিন মাপ নেবে। এতে 7 ফুট 9 ইঞ্চি উচ্চতা প্রমাণিত হলেই হোসেন বিশার চলতি বিশ্বের দীর্ঘতম মানুষ হিসাবে স্বীকৃতি পাবে। তিনি নিজের উচ্চতা নিয়ে গর্বিত। 27 বছর বয়সী হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এখনো বাড়নত্দ।

হাতের পাঞ্জা আকৃতির মেটে আলু

মেটে বা পেসত্দা আলু আমরা সবাই চিনি। অনেকে গজ আলুও বলে থাকে। সাধারণ এর আকৃতি গোলাকার বা এবড়ো-থেবড়ো। কিন্তু মানুষের হাতে পাঞ্জার আকৃতির। এও কি সম্ভব! হঁ্যা সম্ভব। মহান আলস্নাহ যা চান তাই হয়। আলুটির পাঁচটি মাথা ঠিক যেন হাতের পাঁচটি আঙুল আর নিচের অংশটি হাতের তালুর মতো। বিস্ময়কর এ আলুটি উৎপাদিত হয়েছে বাংলাদেশ বেতারের প্রযোজনা সহকারী আমিরম্নল ইসলামের বাড়ির ছাদের বাগানের টবে। মাত্র দু' মাস বয়সের একটি গাছে জন্মেছে এ পেসত্দা আলুটি।

একের ভেতর দশ

সমপ্রতি টেকনাফ উপজেলার সদর ইউপির হাবিরাছাড়া গ্রামের তাজুল মুলস্নুকের বাড়িতে একটি কলা গাছে একই বৃনত্দে 10টি কলার থোড় গজিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কলা গাছটি দেখার জন্য মানুষ ছুটে আসছে। বাড়ির মালিক জানান, একটি কলাগাছে একটি থোড় হয়, কিন্তু একই বৃনত্দে কিভাবে 10টি কলার থোড় হয় তা এর আগে আর কেউ দেখেনি। ঘটনাস্থলে কোন কৃষিবিদ, গবেষক বা জীব বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ না থাকায় কোনো মতামত নেয়া যায়নি।

আলস্নাহর কুদরত

মহান আলস্নাহর অপূর্ব কুদরত। তিনি ছাড়া সেটা কারও বোঝার সাধ্য নেই। সমপ্রতি নাটোরের বড়াই গ্রামে এক কৃষকের লাউ গাছের একটি ডগায় 41 লাউ ধরেছে। এ সম্পর্কে বিসত্দারিত জানা যায়নি।

মেছো বাঘ

শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে সাদা রঙের মেছো বাঘটি এলাকার মৎস্যজীবীদের জালে আটকা পড়ে। প্রথমে মৎস্যজীবীরা চিনতে না পেরে এটিকে বন্যপশু বিশেষজ্ঞ সীতেশ রঞ্জন দেবের কাছে নিয়ে আসেন। তিনি এটিকে সাদা রঙের মেছো বাঘ বলে চিহ্নিত করেন। পরে বাঘটিকে সীতেশ রঞ্জনের মিনি চিড়িয়াখানায় রাখা হয়।

সংগ্রহে : মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.