নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কিশোরকন্ঠ

জুলাই সংখ্যা'06

কিশোরকনঠ

কিশোরকনঠ › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাসির বাকসো নভেম্বর'06

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:১৫





একজন শিক্ষক ক্রিয়ার কাল শেখাতে একজন ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন-

শিক্ষক : বলোতো, লোকটি সোমবার মারা গেছেন। এটা কোন কাল?

ছাত্র : স্যার, এটা হল গতকাল। কারণ আজ মঙ্গলবার।

সংগ্রহে : দিপক কুমার কুণ্ডু

ঝাউদিয়া, ইবি, কুষ্টিয়া।



শিক্ষক : Translation কর, আবীর। সে ডুব দিল কিন্তু আর উঠিল না।

আবীর : He has died.

শিক্ষক : What?

আবীর : স্যার, ওতো আর ওঠেনি। তাহলে নিশ্চয়ই মারা গেছে।

শিক্ষক : আবীদ, তুমি বল।

আবীদ : স্যার, পারি না।

শিক্ষক : কে পারবে?

(আরিফ হাত উঠিয়ে)

আরিফ : আমি একটু একটু পারবো, স্যার।

শিক্ষক : শাবাশ, বল।

আরিফ : He ডুব দিল But উঠিল Not|

সংগ্রহে : মো: মনিরম্নজ্জামান

তালা, সাতৰীরা।



দুই বন্ধু বসে গল্প করছে।

1ম বন্ধু : জানিস! আমার এক আত্মীয় তিন তলা থেকে নিচে পড়েছিল অথচ সে আহত হয়নি।

2য় বন্ধু : বলিস কি! তিন তলা থেকে পড়েও সে আহত হয়নি?

1ম বন্ধু : আরে সেতো আহত হওয়ার আগেই নিহত হয়েছে।

পুলিশ আসামিকে ধরে 'জেলখানায়' নিয়ে যাচ্ছিল। পথের আসামির পানির তৃষ্ণা পেলে সে পুলিশকে বলল-

আসামি : ভাই আমার পানির তৃষ্ণা পেয়েছে। আপনি এখানে দাঁড়ান আমি পানি খেয়ে আসছি।

পুলিশ : ইস! আমি তোমাকে এত কষ্টে ধরলাম, তুমি তো পানি খাইতে গেলে পালিয়ে যাবে। বরং তুমি এখানে থাক, আমি তোমার জন্য পানি নিয়ে আসছি।

সংগ্রহে : লিজা সুলতানা সায়মা

দিঘলী বাজার, লক্ষ্মীপুর।



একটা লোক খোঁড়াতে খোঁড়াতে এসে ডাক্তারের চেম্বারে প্রবেশ করে।

রোগী : (কাতর স্বরে বলল) : ডাক্তার সাহেব আমাকে বাঁচান। পায়ের অবস্থা খুবই খারাপ।

ডাক্তার : আপনার পা কি করে ভাঙলো?

রোগী : (অস্থির হয়ে) খেলার মাঠে।

ডাক্তার : আচ্ছা আপনি কোন পেস্নসে খেলেন?

রোগী : জি না। খেলি নাই, গ্যালারি থেকে পড়ে গিয়েছিলাম।

সংগ্রহে : মুহাম্মদ সেলিম রেজা

বড়গাছি, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।



এক ভদ্রলোকের খুব ইচ্ছে মোটরসাইকেল চালানোর কিন্তু আর্থিক অসুবিধার কারণে মোটরসাইকেল কিনতে পারে না। তিনি একদিন স্বপ্নে দেখছেন মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। তিনি মনের মত অজানত্দেই ইচ্ছেমত ড্রাইভিং করছেন। সকালে উঠে তিনি দেখলেন ছেঁড়া কাথার দুই ছিদ্র দিয়ে তার দুপা দিয়ে ঢুকে রয়েছে।

সংগ্রহে : কামরম্নজ্জামান বাপ্পি

আগরদাড়ি কামিল মাদ্রাসা, সাতৰীরা।



মামা ও ভাগ্নের মধ্যে কথা হচ্ছে_

মামা বলল : ভাগ্নে এবারও কিন্তু আগের বারের মত কাসে ফাস্ট হতে হবে।

ভাগ্নে বলল : তাইতো ভাবছি মামা! আগের বারের মত যদি বাবার প্রেসে প্রশ্ন ছাপা হয় তাহলে তো কোন চিনত্দা নেই, নিশ্চয় ফার্স্ট হবো।

সংগ্রহে : মো: মনিরম্নজ্জামান মণি

বামনালী, ঝিকরগাছা, যশোর।



দুই বন্ধু গল্প করেছে- 2য় বন্ধু একটু বোকা টাইপের।

1ম বন্ধু : জানিস, আজ সকালে না রহিম মিয়া ইনত্দেকাল করেছেন।

2য় বন্ধু : হায় আলস্নাহ! একি কথা বলছিস! কাল না শুনলাম ওনার জ্বর হয়েছে, আজ শুনেছি ইনত্দেকাল করেছেন। তাহলে জ্বর, ইনত্দেকাল এতো কিছুর পর লোকটা তো আগামীকাল মরেই যাবেন।

সংগ্রহে : সোহানুর রহমান সোহেল

সেনবাগ, নোয়াখালী।



ঢাকার বন্ধু ও নোয়াখালীর বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছিল

ঢাকার বন্ধু : আচ্ছা বন্ধু তোদের নোয়াখালীর লোকরা পানিকে হানি বলে কেন?

নোয়াখালীর বন্ধু : আরে বুঝলি না, হানি ইংরেজি শব্দ, অর্থ মধু, আমাদের নোয়াখালীর পানি মধুর মত মিষ্টি তাই একে হানি বলে।

সংগ্রহে : শাহরিয়ার হাফিজ রিয়াজ

চাপরাশিরহাট মাদ্রাসা, সদর, নোয়াখালী।



এক গ্রাম থেকে দুই ব্যক্তি শহরে চাকরির খোঁজে গেছে?

তাদের মধ্যে একজন চাকরি পেয়েছে অপর জন চাকরি না পেয়ে গ্রামে চলে যাচ্ছে?

যাওয়ার সময় প্রথম ব্যক্তি 2য় ব্যক্তিকে বলল, কাল গিয়ে মাকে বলিস আমি কমপানিতে চাকরি পেয়েছি।

গ্রামে গিয়ে 2য় ব্যক্তি 1ম ব্যক্তির মাকে বলল আপনার ছেলে কমপানিতে চাকরি পেয়েছে।

মা বলল, ভালই হল আমার ছেলে তো সাঁতার জানে না। কমপানিতে থাকতে পারবে।

সংগ্রহে : মো: আব্দুর রহমান

বড়াইগ্রাম, নাটোর।



এক ভদ্রলোক রিকশা ওয়ালার রিকশা ভাড়া মিটিয়ে চলে যাচ্ছেন। এমন সময় রিকশাওয়ালা পেছন দিক থেকে তাকে ডাক দিল।

রিকশাওয়ালা : স্যার আরো দুই টাকা দেন।

ভদ্রলোক : কেন?

রিকশাওয়ালা : তেলের দাম বাড়ছে।

ভদ্রলোক : তেলের সঙ্গে রিকশা ভাড়ার কি সম্পর্ক?

রিকশাওয়ালা : রাতের বেলা রিকশা চালাইতে হারিকেনে তেলের দরকার হয় তাই স্যার।

সংগ্রহে : এইচ এম রবিউল আলম হামাদানী

টুমচর, লক্ষ্মীপুর।



দু'জন লোক আইসক্রিম খেতে গেল।

1ম লোকটি আইসক্রিমে ধোঁয়া উড়তে দেখে ফু দিচ্ছে। তা দেখে 2য় লোকটি বললো- ফু দিচ্ছ কেন?

1ম লোকটি বললো গরম, তাই ঠাণ্ডা করছি।

2য় লোক বললো আইসক্রিম গরম না ঠাণ্ডা। খেয়ে দেখ! খেয়ে দেখল সত্যি ঠাণ্ডা, তারপর অন্য একদিন চা খেতে গিয়ে দেখল ধোঁয়া উড়ছে। 1ম লোক ভাবলো আইসক্রিমের মত ধোঁয়া উড়ছে, কিন্তু ঠাণ্ডা তাই ভেবে চায়ের কাপ একেবারেই মুখের ভেতর ঢেলে দিল আর অমনি গাল পুড়ে শেষ।

সংগ্রহে : আব্দুলস্নাহ আল মুজাহিদ

জগদল মাদ্রাসা, পঞ্চগড়।



বিচারক : হাতেম আলীকে বাঁদর বলার জন্য আপনাকে পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করা হলো।

আসামি : ঠিক আছে হুজুর। হাতেম আলীকে আর না হয় বাঁদর বলব না। কিন্তু কোনও বাঁদরকে হাতেম আলী বলে ডাকতে পারবো তো?

সংগ্রহে : ইয়াছিন আরাফাত

বুড়িরচর এম.এ.এ.এম উচ্চবিদ্যালয়।



দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে

প্রথম বন্ধু : জানিস এই মাত্র আমি বিশ্ব রেকর্ডের চেয়ে কম সময়ে 400 মিটার দৌড় শেষ করেছি ব্যাপারটা আগে কাকে জানাব বল দেখি?

দ্বিতীয় বন্ধু : মনে হয় ঘড়ি নষ্ট ছিল এজন্য ঘড়ির মেকানিককে বলবি আগে।

সংগ্রহে : আব্দুলস্নাহ আল লাবিব

কুটুরিয়া, সাভার, ঢাকা।



জেলার : এক কয়েদিকে একদিন জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি আপন বলতে কেউ নেই?

কয়েদি : কেন স্যার?

জেলার : সব কয়েদিরই চিঠি আসে, তোমাকে তো কেউ কোন দিন চিঠি লিখলো না।

কয়েদি : তার কোন দরকার নেই স্যার।

জেলার : কেন বল তো?

কয়েদি : তারা তো সবাই এই জেলেই রয়েছে।

সংগ্রহে : মো: জহির উদ্দিন

সেনবাগ, নোয়াখালী।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.