| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভাবের কবি
কবিতা লিখতে ভালোবাসি, আমাকে ব্লগিং করার সুযোগ দিন ভাইয়্যারা আমি পিচ্চি
ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে “গান-বাজনা” হারাম ও কবীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। তা যে কোনো গানই হোক না কেন। যেমন নবীতত্ত্ব, মুর্শিদী, জারী, কাওয়ালী, পল্লীগীতি, নজরুলগীতি, রবীন্দ্রসঙ্গীত, লালনগীতি, ভাওয়ালী, ভক্তিমূলক, আধুনিক গান, ছায়াছবির গান, ব্যান্ডসঙ্গীত ইত্যাদি যে কোনো প্রকার গানই হোক না কেন। তবে বাজনা বা বাদ্যযন্ত্র ব্যতীত হামদ, নাত, ক্বাছীদা, গজল ইত্যাদি পাঠ করা ও শোনা জায়িয রয়েছে।
তাই কিতাবে উল্লেখ আছে, ইলম দু’প্রকার। (১) “ইলমে আরুজী” অর্থাৎ ছন্দ প্রকরণ যেমন- বালাগাল উলা বি কামালিহী ......... ও মীলাদ শরীফ-এ পাঠকৃত ক্বাছীদাসমূহ, যা গানের সুরে পাঠ করা হয় না। (২) “ইলমে মুসীক্বী” অর্থাৎ রাগ-রাগিণী বা গানের সুর। কাজেই বাদ্যযন্ত্র বা বাজনা তো শরীয়তে সম্পূর্ণই নাজায়িয। সাথে সাথে বাদ্যবিহীন ইলমে মুসীক্বীও নাজায়িয।
মূলত “গান-বাজনা” বা সঙ্গীত কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াসের অকাট্য ও কেৎয়ী দলীল দ্বারা সুস্পষ্টভাবে হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক-এর অসংখ্য স্থানে “গান-বাজনা” বা সঙ্গীত নিষেধ করেছেন। যেমন “সূরা লোকমান”-এর ৬ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ ফরমান, “মানুষের মধ্যে কিছু লোক রয়েছে। যারা ‘লাহওয়াল হাদীছ’ খরিদ করে থাকে। যেনো বিনা ইলমে মানুষদেরকে আল্লাহ পাক উনার পথ থেকে বিভ্রান্ত করে এবং হাসি-ঠাট্টা রূপে ব্যবহার করে, তাদের জন্যে অপমানজনক শাস্তি রয়েছে।”
অনুসরণীয় মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এ আয়াত শরীফ-এ বর্ণিত “লাহওয়াল হাদীছ” দ্বারা “গান-বাজনা বা সঙ্গীতকে” সাব্যস্ত করেছেন।
যেমন, বিখ্যাত মুফাসসির আল্লামা হযরত ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “তাফসীরে ইবনে কাছীর”-এর ৮ম খণ্ড, ৩-৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন, বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি এর ব্যাখ্যায় বলেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! ‘লাহওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- ‘গান-বাজনা’ বা সঙ্গীত।” ...... হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস, হযরত জাবের, হযরত ইকরামাহ, হযরত সাঈদ বিন জুবাইর, হযরত মুজাহিদ, হযরত মাকহুল, হযরত আমর ইবনে শোয়াইব ও হযরত আলী ইবনে বোযায়মা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এ ব্যাখ্যাই করেছেন। আর বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত হাসান বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উক্ত আয়াত শরীফ গান ও বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কে নাযিল হয়েছে।
এছাড়াও তাফসীরে কুরতুবী, তাবারী, দুররে মানছুর, রুহুল মায়ানী, মাদারেক, কাশশাফ, মায়ালিম, ছায়লবী ও ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “আদাবুল মুফরাদ” কিতাবে “লাহওয়াল হাদীছ” অর্থ: “গান-বাজনা”, “বাদ্যযন্ত্র” বলে উল্লেখ করেছেন। অনুরূপ সূরা নজম ও বণী ইসরাঈল-এও “গান-বাজনা” হারাম হওয়ার ব্যাপারে আয়াত শরীফ রয়েছে। অতএব, কুরআন শরীফ-এর আয়াত শরীফ যা কিৎয়ী দলীল, তাদ্বারা সুস্পষ্টভাবেই প্রমাণিত হয়েছে যে, “গান-বাজনা” বা সঙ্গীত ও “বাদ্যযন্ত্র” ইত্যাদি সম্পূর্ণই হারাম ও আযাবের কারণ।
“গান-বাজনা” ও “বাদ্যযন্ত্র” নিষেধ হওয়া সম্পর্কে অসংখ্য হাদীছ শরীফ-এও বর্ণিত রয়েছে। যেমন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “গান শোনা গুনাহর কাজ, গানের মজলিসে বসা ফাসিকী এবং গানের স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী।”
অন্য হাদীস শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “পানি যেরূপ যমীনে ঘাস উৎপন্ন করে “গান-বাজনা” তদ্রূপ অন্তরে মুনাফিকী পয়দা করে।” (বায়হাক্বী ফী শুয়াবিল ঈমান)।
আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ করেন, “আমি ‘বাদ্যযন্ত্র’ ও ‘মূর্তি’ ধ্বংস করার জন্যে প্রেরিত হয়েছি।”
কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর আলোকে ইমাম-মুজতাহিদ তথা ফুক্বাহায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা ফতওয়া দেন যে, “গান-বাজনা” সঙ্গীত বা “বাদ্যযন্ত্র” সম্পূর্ণই হারাম। এটাকে হালাল বলা কুফরী।
যেমন আল্লামা হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “তাফসীরে আযীযী”-এর ১ম খণ্ডের ৬৫ পৃষ্ঠায় লিখেন, “মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে, “লাহওয়াল হাদীছ” হচ্ছে- “গান-বাজনা”, সঙ্গীত। সূরা লোকমান-এর ৬ নম্বর আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফির হবে।
“জামিউল ফতওয়াত” কিতাবে উল্লেখ আছে, “গান-বাজনা” শ্রবণ করা, “গান-বাজনার” মজলিসে বসা, “বাদ্যযন্ত্র” বাজানো, “নর্তন-কুর্দন” করা সবই হারাম, যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফির।” অনুরূপ প্রায় সকল ফিক্বাহর কিতাবেই “গান-বাজনা”, “বাদ্যযন্ত্র” ইত্যাদিকে হারাম ফতওয়া দেয়া হয়েছে।
কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর দলীল দ্বারা অকাট্যভাবেই প্রমাণিত হলো যে, “গান-বাজনা”, “বাদ্যযন্ত্র” ইত্যাদি সব নাজায়িয ও হারাম। এগুলোকে হালাল মনে করা কুফরী। কাজেই কোনো অবস্থাতেই “গান-বাজনা” করার অনুমতি শরীয়তে নেই তা যে কোনো প্রকার গানই হোক না কেন।
যারা বলে বুখারী শরীফ-এর ৫ম খণ্ডে “গান-বাজনা” জায়িয লেখা আছে তারা চরম জাহিল ও গুমরাহ। আর জাহিল বলেই বুখারী শরীফ-এর ৫ম খণ্ড দলীল হিসেবে পেশ করে থাকে। অথচ মূল বুখারী শরীফ-এর কোন ৫ম খণ্ডই নেই। মূলত বুখারী শরীফ-এর কোথাও যদি “গান-বাজনা” জায়িয লিখা থাকতো তবে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “আদাবুল মুফরাদ” কিতাবে “গান-বাজনা” হারাম বললেন কেন? কাজেই যারা এ ব্যাপারে বুখারী শরীফ-এর দলীল দেয় তারা চরম জাহিল, গুমরাহ, বিদয়াতী ও প্রতারক।
মূলকথা হচ্ছে- কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর দৃষ্টিতে সর্বপ্রকার সঙ্গীত যেমন, কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর দৃষ্টিতে সর্বপ্রকার সঙ্গীত যেমন, নবীতত্ত্ব, মুর্শিদী, জারী, কাওয়ালী, পল্লীগীতি, নজরুলগীতি, রবীন্দ্রসঙ্গীত, লালনগীতি, ভাওয়ালী, ভক্তিমূলক, আধুনিক গান, ছায়াছবির গান, ব্যান্ডসঙ্গীত ইত্যাদি সর্বপ্রকার গানই লেখা, গাওয়া ও শোনা হারাম এবং কবীরা গুনাহ। জায়িয বলা বা মনে করা কুফরী। যারা বুখারী শরীফ-এর দোহাই দিয়ে গান-বাজনা বা সঙ্গীতকে জায়িয বলে তারা গুমরাহ ও চরম মিথ্যাবাদী। যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে তাহলে প্রকাশ্য বাহাছে এসে দলীল পেশ করুক। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো তবে দলীল পেশ করো।”
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৩৮
ভাবের কবি বলেছেন: একমাত্র কাফির রাই এর বিরধিতা করবে ।
২|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৪৬
চঞ্চল ছেলে বলেছেন: بعثت لكسر المز امير والاصنام অর্থ: আমি বাদ্য যন্ত্র ও মূর্তি ধ্বংস করার জন্য প্রেরিত হয়েছি। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ করেন, استماع الملاهى معصية جلوس عليها فسق و تلذذ بها من الكفر অর্থ: গান শোনা গুনাহর কাজ, গানের মজলিসে বসা ফাসিকী এবং গানের স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী। ইসলামের দৃর্ষ্টিতে গান- বাজনা হারাম ও নাযায়িজ। আর গান-বাজনার বিপরীতে হামদ শরীফ, না’ত শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ শ্রবন করা, পাঠ করা খাছ সুন্নতের অন্তর্ভক্ত।
৩|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৪৭
চঞ্চল ছেলে বলেছেন: রোমান সৈনিক :ভাষা ভালো করেন অভদ্র এর মত কথা বলেন ক্যান???
৪|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৪৭
আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: আপনি তো ভাই আসলেই একটা আইটেম।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৪০
ভাবের কবি বলেছেন: মানুশ আইটেম হয় নাকি ? তাহলে সবাই তাই ।
৫|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৪৮
shfikul বলেছেন: ধুর মিয়া,আপনার কি আর কোনো কাম নাই?
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৪৩
ভাবের কবি বলেছেন: "সৎ কাজের আদেশ দান আর অসৎ কাজের নিসেধ প্রদান" করা মুমিনের দায়িত্ত ।
৬|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫০
হাসান মাহবুব বলেছেন: কি শুরু কর্চচ?
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৪৫
ভাবের কবি বলেছেন: কেন ভাই ? কি করলাম ?
৭|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫২
শফিকুর রহমান শাহজাহান বলেছেন: আপনি পিচ্চি কবি। কবিতা লেখা কি জায়েজ? আপনি জেনে শুনে এই হারাম কাজ করছেন কি করে।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫৭
ভাবের কবি বলেছেন: কবিতা লেখা সুন্নত...
সর্বপ্রকার গানই লেখা, গাওয়া ও শোনা হারাম
উলামা ছু কাট মোল্লারা গান শুনে পায় আরাম।
বিশিষ্টি সাহাবি হযরত হাসান বিন সাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু অসংখ্য কবিতা রচনা করেছিলেন।
৮|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫৩
shfikul বলেছেন: আইচ্চা ভাবের কবি,ভাবের কবিতা লেখা বুঝি হালাল,না?
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫৮
ভাবের কবি বলেছেন: ভাব না থাকলে কি কবিতা লিখা যায়??
৯|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫৭
আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: ভাবের কবি ভাই, কালী পুজোর রাতে শ্মশানে চলেন আমার সাথে। ভরপুর গাজা খাওয়াই দিব পাগলামী সেরে যাবে।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০১
ভাবের কবি বলেছেন: পাগলামীর কি পাইলেন এখানে?? আপনার মাথা মনে হয় ঠিক নাই , আপনি মনে হয় আজকে একটু গাঁজা বেশি খাইছেন।
১০|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০০
শফিকুর রহমান শাহজাহান বলেছেন: ভাবের কবি, চঞ্চল ছেলে, রাসেল- ভিন্ন ভিন্ন নামে ব্লগিং করেন কেনো ভাই। এক নামে করতে পারেন না।
১১|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০৯
নয়ামুখ বলেছেন: রাসেল ভাই, আপনো আবার । এতো সময় পান কেমনে ।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৪৭
ভাবের কবি বলেছেন: কিছু সময় না দিলে আল্লাহ পাকের কাছে কি জবাব দিব ? যে হারে হারাম কাজ শুরু হইছে । কাফির গুলা তো ঠিকই তাদের ধর্মের জন্য সময় দেয়। আমরা কেন দিবনা ?
১২|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৫২
টিনের চশমা বলেছেন: কিরে গাঁঞ্জা কবি তুই আবার নিজেকে রাসুল ভাবা শুরু করলি কবে থেকে !!
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৫৯
ভাবের কবি বলেছেন: আচশ তো টিনের চশ্মা পইরা ।মানুশের চোখ দিয়ে দেখ । তাইলে বুঝবি এখানে কি লিখা ।
১৩|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৫৫
চ।ন্দু বলেছেন: সর্বপ্রকার গানই লেখা, গাওয়া ও শোনা হারাম এবং কবীরা গুনাহ।-----------আপনি মনে করেন আপনি একা কোরআন হাদিস জেনে বসে আছেন? আর অন্যেরা ঘুমুচ্ছে? এত বেশী জানেন তাহলে বলেন তো বাসিল যে সিনেমা বানিয়েছে তার মধ্যে তথ্যের ভুলটা কোন কোন জায়গায়? এত হাদিস মানেন তাহলে মুহম্মদ ষ: ৬ বৎসরের মেয়েকে বিবাহ করেছেন, আপনি করেন নি কেন? কেন ঐ হাদিস পালন করেন না? হাদিস বেশি না পড়ে কোরআন পড়েন, আর কোরআন বুঝতে না পারলে তখন হাদিসের সাহায্য নিন।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:০১
ভাবের কবি বলেছেন: মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক-এর অসংখ্য স্থানে “গান-বাজনা” বা সঙ্গীত নিষেধ করেছেন। যেমন “সূরা লোকমান”-এর ৬ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ ফরমান, “মানুষের মধ্যে কিছু লোক রয়েছে। যারা ‘লাহওয়াল হাদীছ’ খরিদ করে থাকে। যেনো বিনা ইলমে মানুষদেরকে আল্লাহ পাক উনার পথ থেকে বিভ্রান্ত করে এবং হাসি-ঠাট্টা রূপে ব্যবহার করে, তাদের জন্যে অপমানজনক শাস্তি রয়েছে।”
অনুসরণীয় মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এ আয়াত শরীফ-এ বর্ণিত “লাহওয়াল হাদীছ” দ্বারা “গান-বাজনা বা সঙ্গীতকে” সাব্যস্ত করেছেন।
পুরাটা পড়ে তারপর মন্তব্য করুন ।
১৪|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:০৭
টিনের চশমা বলেছেন: চান্দু ভাই থাক, উনাকে কিছু বলার দরকার নাই !! বোকচুদে নিজেকে নতুন রাসুল ভাবতাছে !! আর নিজের ভাবের হাদিস মাইরা কোরআন ব্যাখ্যা করতাছে !! আজকে ভাবটা বেশি তোলার জন্য গাঁঞ্জার বীচি খাইছে, সেজন্য এরকম অবস্থা !! কাল সকাল হইলে ঠিক হইয়া যাইবো !!
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:১৮
ভাবের কবি বলেছেন: হনুরা ইহা মানবেনা ।
১৫|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:১২
চ।ন্দু বলেছেন: @ লেখক:
বুখারী, মুসলিম তিরমিযি বা দাউদ নবী বা রসূল ছিলেন না, সুতরাং তাদের হাদিস সব সত্য বলে ধরা মুসলমানদের কাজ না। হাদিস সঠিক কিনা তা প্রথমে যাচাই করতে হবে। কেন কখন, কি উদ্দেশ্যে এবং কার কার উপস্থিতিতে হাদিসটি বলা হয়েছে তা বিবেচনায় আনতে হবে। চার জন ভিন্ন ভিন্ন উৎস ছাড়া হাদিস সঠিক ধরা যাবে না।
কিভাবে ধর্মীয় আর্টিকেল লিখতে হয় তা জানতে আমার ব্লগ- pytheya.blogspot.com অথবা faruquez.blogspot.com দেখুন।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২০
ভাবের কবি বলেছেন: কোরান শরিফ ও আপনি মানেন না ????
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক-এর অসংখ্য স্থানে “গান-বাজনা” বা সঙ্গীত নিষেধ করেছেন। যেমন “সূরা লোকমান”-এর ৬ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ ফরমান, “মানুষের মধ্যে কিছু লোক রয়েছে। যারা ‘লাহওয়াল হাদীছ’ খরিদ করে থাকে। যেনো বিনা ইলমে মানুষদেরকে আল্লাহ পাক উনার পথ থেকে বিভ্রান্ত করে এবং হাসি-ঠাট্টা রূপে ব্যবহার করে, তাদের জন্যে অপমানজনক শাস্তি রয়েছে।”
অনুসরণীয় মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এ আয়াত শরীফ-এ বর্ণিত “লাহওয়াল হাদীছ” দ্বারা “গান-বাজনা বা সঙ্গীতকে” সাব্যস্ত করেছেন।
১৬|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:১৫
টিনের চশমা বলেছেন: আজকালকার সস্তা গাঁঞ্জা দেখি মাঠে ঘাটে বহু রাসুলের জন্ম দিচ্ছে !!
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২২
ভাবের কবি বলেছেন: কিরে হনু ? তোর এত লাগল কেন ? হারাম হইলে তর সমস্যা কি ? তোদের তো হারাম-হালাল নাই ।
১৭|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:২৬
পাতিকাক বলেছেন: পাছার কাপড় খুলে কাঁচা ছিপ্নি দিয়ে মেরে আপনার পাছা লাল করে দেয়া হউক।
চঞ্চল ছেলে এই বলদ তোমাকেও একই ভাবে কাঁচা সিপ্নি দিয়ে পিটিয়ে পাছা লাল করে দিতে হবে। সোজা সৌদি আরব যেয়ে খেজুর খাও আর উট চরাও। বাংলাদেশে তোমাদের কোন কাম নাই।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২২
ভাবের কবি বলেছেন: কিরে হনু ? তোর এত লাগল কেন ? হারাম হইলে তর সমস্যা কি ? তোদের তো হারাম-হালাল নাই ।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৩৩
ভাবের কবি বলেছেন: কি রে হনু ? তোর এত লাগল কেন ? ভারতে যাও আর গো-চনা খাও ।
১৮|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:২৮
কালীদাস বলেছেন:
সময়োপযোগী ও জরুরী একটি লেখা। পড়ে ভালো লাগলো। না বললে অবিচার হবে যে, প্রকৃত মুমিন ও বিদ্ব্যান মুসলমান ছাড়া এই রকম একটি মূল্যবান পোস্ট লেখা আসলেই সম্ভব নয়। যদিও জানি নাস্তিকরা অনেক কথাই বলবে (আল্লাহ তাদের হেদায়েত করুন), কিন্তু আপনি সত্য ও আলোর পথে আছেন এটাই সবচেয়ে বড় কথা। আপনার লেখার মাধ্যমে একজন মানুষকেও যদি প্রকৃত আলোর পথে আনতে পারেন, সেটাও কম কি?
আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।
১৯|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:৪৩
রাফসান রাফী বলেছেন: পোস্টের সাথে শতভাগ সহমত---
আসলে সমস্যা হল আমরা চারপাশে এমন সব কালচার তৈরি করে ফেলেছি, যে অনেক না-জায়েজ কাজকেও বৈধতার কাতারে ফেলে দিচ্ছি।
এই যেমন গান বাজনা--- এটি সমাজে এমনভাবে প্রচলিত হয়ে গেছে যে এর বিরুদ্ধে কথা বলাটাই একটা পাগলামি বলে ধরে নেয়া হচ্ছে---
আবার ধরুন সুদের কথা--- এটিও এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত যে ব্যবসা করতে গিয়ে বা ব্যাঙ্কে এফডিআর করে সুদ খাওয়াকে হারাম বলে মনে করতে চায়ই না--- অথচ অনেক সুদ খোর নামাজ পরে, হজ করে, কোরবানিও করে এই সুদের টাকা দিয়ে, তবে যত সওয়াবের কাজই করুক না কেন, রুজি হারাম হলে তা কোনভাবেই কবুল হবেনা।
এবার চিন্তা করুন পর্দার কথা, অনেক মেয়ে হিজাব পরে কিন্তু সেই মেয়ে আবার সহপাঠী ছেলের সাথে চুটিয়ে আড্ডা দেয়। দুলাভাইয়ের সামনে যায়, দেবরের সামনেও যায়। আর এসব এখন এতটাই কমন হয়ে গেছে যে, এসব না করাটাকেই এক ধরনের অসামাজিকতা হিশাবে ধরা হচ্ছে।
তবে আমাদের চার পাশে যত অনইস্লামিক কালচার থাকুক না কেন, একটা অংশ সবসময়ই সত্যিকার ইসলামি জীবনধারা চালিয়ে যাবেই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২৪
ভাবের কবি বলেছেন: ধন্যবাদ । যতার্থ বলেছেন । আমরা হারাম কে এখন হারাম ই ভাবিনা ।
২০|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:৫১
স্বপনচাষী বলেছেন: Allah apnar mongol karuk. Aro informative lekha chai.
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২৪
ভাবের কবি বলেছেন: শুকরিয়া ।
২১|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:৪৫
নাটক বলেছেন: গানের কথাগুলো যদি ভাল হয় এবং অশ্লীল ও বাজনাসহ না হয় তাহলে, হারাম হবে কেন?????????????????
মিয়া ভাই্,
এত মুখস্ত ফতোয়া দেন কেন? নিজের মাথা একটু খাটান। নিজেই নিজের ভুল ধরতে পারবেন।
আপনি বলেছেন:
"তাই কিতাবে উল্লেখ আছে, ইলম দু’প্রকার। (১) “ইলমে আরুজী” অর্থাৎ ছন্দ প্রকরণ যেমন- বালাগাল উলা বি কামালিহী ......... ও মীলাদ শরীফ-এ পাঠকৃত ক্বাছীদাসমূহ, যা গানের সুরে পাঠ করা হয় না। (২) “ইলমে মুসীক্বী” অর্থাৎ রাগ-রাগিণী বা গানের সুর। "
কিতাবে আছে মানে কি? সেই কিতাবের নাম বলেন!!!
আর আপনি উপরে বিভিন্ন কমেন্টারকে কাফির সাব্যস্ত করছেন, এটা কি ঠিক করেছেন?
ধন্যবাদ!!
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৩৬
ভাবের কবি বলেছেন: এখানে আমার কোন মতামত নাই । ইসলাম ব্যক্তি মতামতের কোন ভ্যালু নাই । মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ইরশাদ করেন, “যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো তবে দলীল পেশ করো।”
২২|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৫
লিউনেল মেসি বলেছেন: সূরা লোকমান, আয়াত নং ৬ এর তাফসিরে সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ হুম) অনেকেই বলেছেন যে, এতে গান বাজনাকেই বোঝানো হয়েছে। আর এই কারনে গান বাজনা সরাসরি হারাম।
রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
-মুহাম্মাদ তাওয়াব
ছোট বনগ্রাম, রাজশাহী।
উত্তর : সম্মানিত লেখক হয়তবা ইবনু ওমর (রাঃ) বর্ণিত উক্ত হাদীছটি সঠিকভাবে বুঝতে সক্ষম হননি। কেননা হাদীছের শেষে বলা হয়েছে, ইবনু ওমর (রাঃ) বলছেন যে, আমি তখন ছোট ছিলাম’ (আহমাদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৮১১ ‘শিষ্টাচার’ অধ্যায় ‘বক্তৃতা ও কবিতা’ অনুচ্ছেদ-৯)। অর্থাৎ তখন তাঁর উপর শরী‘আত বর্তিত হয়নি। এছাড়া ইমাম ত্বাবারী (রহঃ)-এর নামে যে উদ্ধৃতি পেশ করে করা হয়েছে, সেটা ঠিক নয়। কেননা তিনি গানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মন্তব্য করে গেছেন এই বলে যে, قد أجمع علماء الأمصار على كراهة الغناء والمنع منه ‘সমস্ত দেশের আলেমগণ গান অপসন্দনীয় হওয়া ও নিষিদ্ধ হওয়ার প্রতি ঐক্যমত পোষণ করেছেন’ (তাফসীরে ফাৎহুল ক্বাদীর সূরা লোকমান ৬ নং আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রঃ)।
মূলকথা ইসলামে গান ও সবধরনের বাদ্যযন্ত্র হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বাদ্যযন্ত্রকে مِزْمَارُ الشَّيْطَانِ ‘শয়তানের বাদ্য’ বলেছেন (আবুদাঊদ হা/২৫৫৬)। নষ্ট গায়কদের সম্পর্কে তিনি বলেন, خذوا الشيطان او أمسكوا الشيطان ‘শয়তানকে ধরো বা শয়তানকে রুখো’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৮০৯)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যারা অজ্ঞতাবশে لَهْوَ الْحَدِيْثِ অর্থাৎ গান ক্রয় করে মানুষকে আল্লাহ্র পথ হ’তে বিভ্রান্ত করার জন্য এবং আল্লাহ্র পথকে বিদ্রূপ করে, তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি’ (লোকমান ৬)।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ, ইবনু আববাস, জাবের, ইকরিমা, সাঈদ ইবনু জুবায়ের, মুজাহিদ, মাকহূল এবং আমর বিন শু‘আইব সকলে উক্ত আয়াতের অর্থ ‘গান’ নিয়েছেন (ফাতাওয়া ইবনু বায, ৩/৩৯৩ পৃঃ)। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি আনুগত্যের দিকে এবং কল্যাণের দিকে আহবান করা ও শত্রুদের হাত থেকে স্বদেশ রক্ষা করার জন্য যে সমস্ত বাজনা বিহীন গান রয়েছে, সেগুলো বৈধ (ফাতাওয়া ইবনু বায, ৩/৪৩৭ পৃঃ)। তাছাড়া ছোট ছোট মেয়েরা দফ বাজিয়ে বিবাহ অনুষ্ঠান ও ঈদের দিন সহ বিশেষ দিনে আনন্দ করাও জায়েয (আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৩১৫৩)। অতএব কুরআন ও ছহীহ হাদীছের স্পষ্ট বক্তব্য মওজুদ থাকতে অন্য কারু কথার প্রতি দৃকপাত করা কোন মুসলমানের জন্য বৈধ নয়। ‘সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো নির্ভরযোগ্য নয়। এগুলো পড়া থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
কারও এ নিয়ে কোন সন্দেহ থাকলে তার ঈমানী সমস্যা আছে, মানে অন্তরের রোগ। আপনার সমস্যা থাকলে আপনি রোগী।
লেখককে ধন্যবাদ।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৩৯
ভাবের কবি বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ তথ্যবহুল মন্তব্যের জন্য ।
২৩|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২৮
লিউনেল মেসি বলেছেন: কেউ মুসলমান না হলে অযথা তর্ক করবেন না, আর মুসলমান হলে আপনাকে এটা মানতেই হবে।
হারামকে হারাম বলা এটাও একটা ঈমান থাকার লক্ষন যদিও আপনি হারাম কাজে লিপ্ত।
কিন্তু হারাম কে হালাল বলে এটা আরেকটা হারাম।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৪০
ভাবের কবি বলেছেন: যে হারাম কে হারাম যেনে করে সে ফাসিক আর যে জায়েয মনে করে করে সে কাফির ।
২৪|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৩২
গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: গান লিখা হারাম হওয়ার কথা নয় ,গান আর কবিতা প্রায় একই ,একটা ছন্দে আরেকটা সুরে পরিবেশন করা হয় । সংগীত লিখা হারাম।
সংগীত শব্দের অর্থ - নৃত্য বাদ্য গীতি । ( যা নৃত্য বাদ্য সহযোগে পরিবেশন করা হয় । দুঃখের বিষয় আমাদের দেশে ইসলামী গানকেও সংগীত বলা হয় ।( পূর্বে নজরুলের গান কে নজরুল গীতি আর রবীন্দ্রের গান কে রবীন্দ্র সঙ্গিত বলা হত। এখন দুটোকেই সঙ্গীত বলা হয় ।
কেউ একটা কবিতা লিখল, পরবর্তীতে ঐ কবিতাকে কেউ সংগীতে রূপ দিল ।এটা রচয়িতার দোষ নয়,
আমাদের দেশে কিছু উন্মাদকে মিলাদ শরীফও বাদ্য সহকারে গাইতে দেখছি ।
ভাল কথা শুনলে শয়তানের গায়ে আগুন লাগে বলে শুনেছি ।
উপরে অনেকের মন্তব্য দেখে কথাটি আবার মনে হল ।
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৪১
ভাবের কবি বলেছেন: ধন্যবাদ।
এরা সব হনু শয়তান ।
২৫|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৫
গানচিল বলেছেন: ধর্মগ্রন্হ আপনি একাই পড়েছেন এবং বুঝেছেন, আর কেউ পড়ে আপনার মত করে বুঝে নাই।এমনটা ভেবে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর আপনি গিলতেই পারেন।তবে নীচের কথাগুলোর একটা শানে নুযুল কি ব্লগিকুনের খেদমতে ফরমাইবার আবেদন করতে পারি?
কোন কিতাবে লিখা আছে গো
হারাম বাজনা গান
দাউদ নবীর বাঁশির সুরে
চমকে পাখীর প্রান!!
সুর যদি হারাম হত
বিলালে কি আজান দিত
পড়ত কি কেউ মধুর তানে
পবিত্র কুরআন !!
সাদী হাফিজ আখতার রুমি
পাগলা করলো আসমান জমি
মিলাদে মাহফিলে শুনি
দুরুদেরই তান !!
মা ফাতেমার ফরিয়াদে
আল্লাজীর ঐ আরশ কাঁপে
কারবালার ঐ মাতম শুনে
কান্দেরে জাহান !!
কোন কিতাবে লিখা আছে গো
হারাম বাজনা গান
দাউদ নবীর বাঁশির সুরে
চমকে পাখীর প্রান!!
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৪২
ভাবের কবি বলেছেন: লিখাটি ভাল করে আবার পরুন ।
২৬|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩১
নয়ামুখ বলেছেন: উপরের একটি কমেন্টে আপনি লিখেছেন কবিতা লেখা সুন্নত । বলুনতো সুন্নত বলতে আপনি কি বুঝেন ।
২৭|
২১ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪২
ভাবের কবি বলেছেন: @নয়ামুখ View this link
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৪৫
রোমান সৈনিক বলেছেন: তুই একটা গাধা