| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ধর্মকে অবলম্বন করে রাজনীতি করা মানুষদের ভাল লাগেনা। চরম অপছন্দ করি। ধর্মের দোহায় দিয়ে তারা যা খুশী করার চেষ্টা চালিয়ে যায়। তারপরও ভারতের হিন্দু জাতিয়তাবাদী দল বিজেপির মোদির বিজয়কে স্বাগত জানাতে ইচ্ছে করলো। তারমানে এই নয় যে সাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমর্থন জানাচ্ছি বা উস্কে দিচ্ছি। মূলত প্রতিবেশী হিসাবে পাশের রাষ্ট্রের ক্ষমতা পরিবর্তন হওয়াকে স্বাগত জানানো । এর বেশি কিছু নয়।
বাস্তবতা হলো নাানা কারণেই কংগ্রেসের ওপর ক্ষুব্দ বাংলাদেশের মানুষ। আমরা এই দশ বছরে কিছুই পাইনি ভারতের কাছ থেকে। বরং দিয়ে গেছি একের পর এক নানা সুবিধা। জ্যান্ত নদী তিতাস ভরাট করে রাস্তা করে দিয়েছি তাদের ভারী যন্ত্রাংশ যাওয়ার কথা বিবেচনা করে, হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছি আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য সুন্দরবন, দিয়েছি বিদুৎ ট্রানজিড ও পোর্ট ব্যবহারের সুযোগ।
বিনিময়ে তিস্তাসহ যৌথ নদীগুলোর ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে পারিনি। এমন কি সীমান্তে বিএসএফর নৃশংসতার কাছেও থেকেছি নতজানু।
বিশাল রাষ্ট্র ভারতের এই ক্ষমতা পরিবর্তন আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনুক, এমন প্রত্যাশা থেকেই মোদির প্রতি এই শুভেচ্ছা বার্তা। আমরা প্রত্যাশা করি, তিনি বাংলাদেশের মানুষের স্পন্দন বুঝতে যথেষ্ঠ আন্তরিক হবেন।
একজন মুসলিম হিসাবে নিজেকে চিন্তা করলে বলতে হয়, কোন মুসলিম মোদিকে অভিনন্দন জানাতে পারে না। কারন ২০০২ সালে গুজরাতে গণহত্যায় মুসলমান নিধনে প্ররোচনার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে । বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে তার রাজনৈতিক দলের। তাছাড়া একজন বাংলাদেশী হিসাবেও তাকে অভিনন্দোন জানানো যায়না। কেননা নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে মোদির বিজেপির এক নেতা হুমকি দিয়েছিলেন যে, বাংলাদেশ থেকে খুলনা ও সিলেট ভারতের অংশ করে নেয়ার প্রস্তাব রাখবে ঢাকার কাছে। কারণ হিসাবে তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রচুর অনুপ্রবেশকারী যাচ্ছে। তাই খুলনা ও সিলেট তারা নিয়ে নিতে চায়। আবার সেখানে অবৈধ ভাবে বসবাসরত বাঙালি মুসলমানদের মে মাসেই ভারত থেকে বের করে দেয়া হবে। ইত্যাদি, ইত্যাদি নানা কথায় আমরা মোদি ও তার রাজনৈতিক দলটির ওপর ক্ষুব্দ এবং হতাশ।
তারপরও ক্ষিণ আশা, মোদি বাংলাদেশের মানুষ ও দেশের প্রকৃতির অন্তর অনুধাবনের চেষ্টা করবেন। ভারত যেন তার প্রতিবেশী দুই মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সাথে সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বজায় রাখতে পারে।
ছবি: ভারতের আনন্দবাজর পত্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন পত্রিকা থেকে নেয়া।
২|
১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ১২:৫৭
শামীম সুজায়েত বলেছেন: বাংলাদেশের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্রনীতিতে কোন পরিবর্তন আসবে বলে মনে হয়না। বরং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উস্কানি দেয়ার প্রমানযোগ্য অভিযোগ আছে বিজেপির বিরুদ্ধে।
৩|
১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ১:০৭
মিতক্ষরা বলেছেন: কংগ্রেসের ভরাডুবিতে আমি খুশী। ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেস সরকার খুব বাড়াবাড়ি করেছে। মোদির কথাবার্তা ঠিক মুসলিম বিদ্বেষী নয়। এছাড়া এটা তো সত্য যে মুসলিমরা কংগ্রেস আমলেই সবচেয়ে বেশী হামলার শিকার হয়েছে। মোদি ভারতের জনগনের কাছেই দায়বদ্ধ, বাংলাদেশের কাছে নয়। তবু এটা অন্ততপক্ষে আশা করি একজন বিবেক সম্পন্ন মানুষ হিসেবে মোদি বাংলাদেশের মানুষের নির্বাচনের অধিকারটুকু অন্তত মেনে নেবেন। অন্তত এই ইস্যুতে মোদির উচিত হবে না আওয়ামী সরকারের গন বিরোধী অবস্থানকে কোন রকম সমর্থন দেয়া।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ১২:৪৭
পংবাড়ী বলেছেন: ভারত উন্নয়নের সোপান পার হচ্ছে, মোদী সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে নাম করবে।
তবে, সে নিজে ক্রিমিনাল।