| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পার্সপোর্ট, লাইসেন্স, বীমা, ব্যাংক সহ বিভিন্ন নাগরিক প্রয়োজনে রমনীদের যে সমস্ত ফর্ম পূরণ করতে হয় সেসব জায়গায় পেশা বা অকুপেশনের ঘরে বেকার গৃহবধুরা বেশ সগর্বে লিখে দেন হাউস ওয়াইফ বা গৃহিনী। ভাবটা এমন যে কারো স্ত্রী হওয়াটা তার পেশা। কারো স্ত্রী হওয়া বা কারো স্বামী হওয়াটা পেশা বলে উল্লেখ করাটা দেহব্যবসার মত মনে হয়। হাউস-ওয়াইফকে পেশা হিসাবে না লিখে বেকার গৃহবধুদের পেশা "বেকার" লেখাই কি অধিক সংগত নয়?
২|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১২
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সংগত
হাউসওয়াইফ কোন পেশা হতে পারেনা। হাউসওয়াইফ হবার জন্য কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষারও প্রয়োজন নেই, ডিগ্রীরও প্রয়োজন নেই।
৩|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
আসিফ আহমেদ বলেছেন: দারুণ জিনিস বের করেছেন তো...
মাথায় হেলমেট পরলে দেখছি বেশ উপকার... ![]()
ভালো পোষ্ট +
৪|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: না
৫|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬
ঘনাদা বলেছেন: কৌশিকদা, মোহরানা দিয়া একজন মুস্লিম কিন্তু তার ওয়াইফের 'সব কিছু' কিনা নেয়।
সেই দিক দিয়া আপনার মনে হওয়াটা বাস্তব।
তবে পেশার ঘরটা ফাঁকা রাখা যায় না বলেই হয়তো 'গৃহবধু' লেখা হয়।
২৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭
কৌশিক বলেছেন: একজন মুসলমানের কথা এখানে বলা হয়নি। এটা দেখবেন এটা অনেক বেশী সংস্কৃতিক।
৬|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮
মুহিব বলেছেন: মনে হয় না তবুও ভেবে দেখি
৭|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭
িলমন বলেছেন: পেশা বা অকুপেশনের ঘরে বেকার গৃহবধুরা বেশ সগর্বে!!!! লিখে দেন হাউস ওয়াইফ বা গৃহিনী। কথাটা পুরো ঠিক না।
''তবে হাউসওয়াইফ কোন পেশা হতে পারেনা। হাউসওয়াইফ হবার জন্য কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষারও প্রয়োজন নেই, ডিগ্রীরও প্রয়োজন নেই।'' একমত@ সামী
৮|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: তার মানে গৃহীনিরা দিনে যে ১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করেন তার পুরোটাই মুল্যহীন? সব বাদ দেন, আমার দেড় বছরের বাচ্চাটাকে তিন বার খাওয়াতে যে পরিশ্রম হয়, আমি তো মনে করি আমার অফিসের সবচেয়ে ঝামেলা কাজটাও তার চেয়ে অনেক সহজ।
আসলে আমরা গৃহিনীদের কাজের মুল্যায়ন করতে চাই না বলেই এটা মনে হচ্ছে। তার কি স্বামী গৃহে শুধুই স্বামীকে সঙ্গ দেয়? মোটেই না। বরং তারা হচ্ছে Future Nation Builder। তারা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে গড়ে তোলে যা একটি সমাজের টেকসই উন্নতির জন্য খুবই জরুরী। সুতরাং গৃহিনী একটি সম্মানজনক পেশা। তাদের সেই সম্মান দেয়া উচিৎ।
২৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
কৌশিক বলেছেন: প্রিমিটিভ আইডোলজি। এই বক্তব্য শুরু হয়েছে ঐ প্রিমিটিভ যুগকে খুন করেই। নতুন কিছু বলেন।
৯|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
জামাল ভাস্কর বলেছেন: হাউসওয়াইফ থাকা না থাকার অধিকার নিয়া প্রশ্ন তুলতে পারেন...কিন্তু হাউসওয়াইফ পেশা লিখলে তারে দেহব্যবসা'র লগে তুলনা করন যায় না...
২৮ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
কৌশিক বলেছেন: হাউসওয়াইফকে পেশা বলা যায় কিনা সেটা হচ্ছে আমার প্রশ্ন। সেটা দেহব্যবসা কিনা সেটা বক্তব্যের মেরিট নয়। যদি হাউসওয়াইফ পেশা হয় তাহলে - তার ইনপুট এবং আউটপুট বিচার করতে হবে। প্রফেশনালী। সে তার স্বামীকে যৌনতা+আরো কিছু সার্ভিস দেয়ার বিনিময়ে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য সহ আরো নানাবিধ প্রয়োজনীয়তা পরিপূরণ করে। এখানে ইহা পেশা। পেশা মানে গিভ এন্ড টেক। বেতন দাও, প্রফিট দাও, সার্ভিস নাও। কাজের বেশ্যায়ন, পুঁজির বেশ্যায়ন, ব্যবসার বেশ্যায়ন এমনই। তেমন গৃহধর্মের বেশ্যায়ন বললে খুব বেশি অপ্রাসাঙ্গিক মনে করি না।
১০|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
মামু বলেছেন: আর একটা কতা, এইডা সবাই ই জানে যে "হাউস ওয়াইফ বা গৃহিনী " এমন একজন ব্যক্তি যারকুনু প্রতিষ্টানিক ডিগ্রী বা শিক্ষা ছাড়াই গৃহের কাজ কর্ম করছেন।
যেমুন বেকার কইলে আমার কি বুঝি?
তেমুন গৃহিনী কইলে কি কারু বুঝতে অসুবিধা হয়? ওই মহিলা কি কাম করে?
অচুবিদা কোতায়?
যে মাটি কাটে হের কি প্রতিষ্টানিক ডিগ্রী বা শিক্ষা লাগে ? হের জন্য ক্যান "দিনমজুর " কইতে হইব।?
১১|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: পুরোপুরি একমত হওয়া গেল না...................
১২|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০০
মহাজাগতিক বলেছেন:
হাউসওয়াইফ বললে আপনার মনে বেশ্যাবৃত্তির একটা অনুষঙ্গ যে জেগে ওঠে তার অবশ্য কারণ আছে। সেক্ষেত্রে আপনাকে 'হাউসওয়াইফ' কথাটার পোস্টমর্টেম করে দেখতে হবে। এ কথাটা এসেছে অতিপ্রগতিশীল পশ্চিমা দেশ থেকে যেখানে ব্যাক্তিস্বাতন্ত্রের পরকাষ্ঠায় পুরুষেরা 'হাউস' বা গৃহে পালিত স্ত্রী ছাড়াও আরও দু দশটি 'আউটডোর' ওয়াইফকে সঙ্গ দেয়। এবং আউটডোর ওয়াইফদেরকে সঙ্গ দেয়াটা তাদের দেশে সামাজিকভাবে কেউ কিছু মনে করে না। ফলে, আউটডোর স্ত্রী থেকে গৃহপালিত স্ত্রী কে আলাদা করে বোঝানোর উদ্দেশ্য্্ই 'ওয়াইফ' এর সামনে 'হাউস' বসিয়ে 'হাউসওয়াইফ' বলা হয়। আমি তো ভেবে আর্শ্চয হই এখনও কেন পশ্চিমা দেশগুলিতে 'হাউসহাসব্যান্ড' কথাটি চালু হয় নাই।
যাহোক, আপনি যদি ভাষার সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটটা বিবেচনা করেন তবে 'হাউসওয়াইফকে' আপনি গৃহপালিত বেশ্যা বললে কেউ আপনার মুখ আটকাতে পারবে না। তবে আপনি যে অর্থে বলেছেন, আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে 'গৃহিণী' কথাটির সাথে তার সামান্য সম্পর্কও নেই। গৃহীনি' অর্থ 'গৃহে বাস করেন যিনি', তেমনি 'গৃহস্থ' অর্থ 'গৃহে বাস করেন যিনি। গৃহীনী আর গৃহস্থ এ উভয় শব্দ দ্বারা এতটুকুই বোঝা যায় যে, এমন ব্যক্তি যিনি বাজারে বা জঙ্গলে থাকেন না এবং তিনি অবিবাহিত নন। গৃহীনি ও গৃহস্থরা বিবাহিত সংসার যাপনকারী মানুষ যারা গৃহে বসবাস করে সংসার যাাপন করে।
ফলে গৃহিনী আর গৃহস্থের সাথে বেশ্যাবৃত্তির কোনো অনুষঙ্গ নাই। তাছাড়া গৃহীনিকে যদি সাংসারিক কাজকর্ম আর পুরুষলোকটিকে সঙ্গ দেয়ার কারণে বেশ্যা বলা হয় তবে সংসারের যে ঘানি পুরূষলোকটি টানে তাকে 'বলদ' কিম্বা 'মধ্যযুগীয় কৃতদাস' বললে ভুল বলা হবে কি? তাই পম্চিমা কায়দাকেতা অনুসরণ করতে যেয়ে একেবারে ঘটিলোটা সহ মাথার মগজ সব ঊৎসর্গ করে দিলে বোধ হয় পশুত্ব ছাড়া আর কিছুই বাকী থাকে না।
তাই 'হাউসওয়াইফ' কথাটির সাংস্কৃতিক ইঙ্গিতটি বাদ দিয়েই গ্রহণ করতে পারি
১৩|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "হাউসওয়াইফ হবার জন্য কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষারও প্রয়োজন নেই, ডিগ্রীরও প্রয়োজন নেই। "
লেখক বিবাহিত কি না জানতে ইচ্ছে করছে।
যদি বিবাহিত হন তাহলে বিয়ের সময় কনের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনায় ছিল কি না তাও জানা দরকার।
১৪|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭
মহাজাগতিক বলেছেন:
'গৃহীন' পেশাটিকে, আমার জানামতে, স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে ইসলামে। যেখানে বলা আছে, একজন স্ত্রী হিসেবে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কতর্ব্য ২ টি
১। স্বামীর সম্পদ হেফাজত করা (দাম্পত্য সততা ও পবিত্রতা রক্ষা করাও সম্পদ বলে গণ্য হয়)
২। শিশু সন্তানকে (ছেলে সন্তান হলে ২ বৎসর, মেয়ে সন্তান হলে আড়াই বৎসর পর্যন্ত দুধ পান করানো)
এ দায়িত্বের বাইরে কোনো স্ত্রী যদি কোনো কাজ করে তাহলে সে কাজের জন্য তাকে মাইনে দিতে হবে। এটাই ইসলাম সম্মত। আর মাইনে না দিলে দৈনন্দিন গৃহস্থালী কাজের জন্য কাজের লোক রেখে দিতে হবে। এভাবে ইসলামে নারীর কাজের মূল্যায়ন করার বিধান চালু আছে। এমনকি কোোন স্ত্রী তার সন্তানকে পড়ালেখা শিখানোর জন্য যে সময় ব্যায় করে তার জন্যও তাকে একজন প্রাইভেট টিউটর হিসেবে বেতন দিতে হবে। এসবই ইসলামের বিধান। অর্থ সম্পন্ন স্বামীর পক্ষে এসব মেনে চলা অবশ্যকর্তব্য। আর কেউ যদি অপারগ হয় সেক্ষেত্রে বলা হয়, স্বামী ও স্ত্রী পরস্পরকে 'এহসান' করবে কথাবার্তায় ও আচার ব্যাবহারে সবসময়। যেমন, হযরত আলী (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে প্রায়ই বলতেন যে, 'তোমার কাছে তো আমার অনেক ঋণ হয়ে গেল।" জবাবে তাঁর স্ত্রী বলতেন, 'আমি আপনাকে ভালবাসি আর আল্লাহর কাছে প্রতিদান চাই।"
মানবিক বিবেচনায় দেখলে, গৃহিনীর কাজ উচুমানের পেশা বটে। যে পেশা চালু না থাকলে সুস্থ্য স্বাভাবিক প্রজন্মের বিকাশ সম্ভব নয়। একজন 'স্ত্রী' কে কেন শুধুই শয্যাসঙ্গী মনে করা হবে? অথবা কেন শুধুই মনে করা হবে যে, তিনি বাধ্যতামূলকভাবে সংসারের রান্নাবান্না আর ধোয়ামোছার কাজে নিযুক্ত। আধুনিক 'গৃহস্থবিদ্যা' অনুসারে একজন 'স্ত্রী' র কাজকে বলা হয় 'হাউজ ম্যানেজমেন্টের' কাজ। একজন স্ত্রী আধুনিক ভাষায় একজন 'হাউস ম্যানেজার'। আমার তো মনে হয় এ কাজ একজন কর্পোরাল ম্যানেজারের কাজের চাইতে বেশী মর্যাদাপূর্ণ। পেশা হিসেবেও মর্যাদাপূণ। তবে কি আমাদের সচেতনতা তৈরী করতে হবে যে, 'হাউজ ম্যানেজমেন্টের' কাজের জন্য স্ত্রীরা স্বামীদের কাছ থেকে বেতন পাওয়ার অধিকারী। যে অধিকার ইসলাম তাদেরকে অনেক আগেই দিয়ে রেখেছে।
১৫|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: হেবো বিদায় নেবার পর থেরাপিস্ট ব্লগ মাতায় রাখতো । তারা না থাকলেও ম্যাঙ্গো পিপলের হতাশ হবার কিছু নাই । মহাজাগতিক ভাইসাহেব একাই তাদের অভাব ভুলায় দিতে পারবে বৈলা আমার বিশ্বাস ।
১৬|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২
র্যাভেন বলেছেন:
হাউজ ওয়াইফ শব্দটি পশ্চিমা বিশ্বে এখন তেমনভাবে আর ব্যবহৃত হয়না,
HOUSEWIFE এর বদলে HOMEMAKER শব্দটা ইউজ হয়।
http://en.wikipedia.org/wiki/Homemaker
১৭|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
সবুজ সাথী বলেছেন:
কাঙ্গাল মুরশিদ আর মহাজাগতিক ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ তাদের মন্তব্যের জন্য।
আমার বিবেচনায় দৈনন্দিন গৃহস্থালীর বা সন্তান দেখাশোনার কাজই সবচাইতে বেশি মর্যাদার কাজ।
পোষ্টে - - - - -।
কাঙ্গাল মুরশিদ আর মহাজাগতিক ভাইয়ের মন্তব্যের জন্য পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম।
১৮|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
ঘনাদা বলেছেন: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: হেবো বিদায় নেবার পর থেরাপিস্ট ব্লগ মাতায় রাখতো । তারা না থাকলেও ম্যাঙ্গো পিপলের হতাশ হবার কিছু নাই । মহাজাগতিক ভাইসাহেব একাই তাদের অভাব ভুলায় দিতে পারবে বৈলা আমার বিশ্বাস ।
১৯|
২৮ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৩৫
রাতমজুর বলেছেন: ১০০+
২০|
২৮ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন: মহাছাগুআশিক এবং খাইশিটের বুড্ডি বড় বেসী
২১|
২৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭
দ্বীপবালক বলেছেন: আইজকাইল আর "হাউসওয়াইফ" কয়না পশ্চিমারা, কয় "হোমমেকার"। পলিটিক্যাল করেক্টনেস!!!!!!!!!!!!
২২|
২৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০০
হ্যারি সেলডন বলেছেন: হাউজওয়াইফ আমার মতে একটা পেশা। জাতীয় আয় হিসেব করার ক্ষেত্রে এখানে একটা শুভংকরের ফাকি কাজ করে। হাউজওয়াইফের কাজকে কোয়ান্টিফাই করা যায়না বলেই সমস্যা।
২৩|
২৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: বাহ অনেকে দেখি অনেক মত দিলেন।
...মহাজাগতিক সাহেবের কমেন্টগুলা দেখি মহাবেগতিক

২৪|
২৯ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮
নাঈম বলেছেন: 
২৫|
০৩ রা জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
যীশূ বলেছেন: সংগত
২৬|
০৩ রা জুন, ২০০৮ দুপুর ২:২৬
রুখসানা তাজীন বলেছেন: আপনার কাছে তবে পেশার সংজ্ঞা কী? ছাত্রত্ব যদি পেশা হতে পারে, তবে গৃহিনী হতে দোষ কোথায়? একজন ছাত্র পয়সা দিয়ে বা না দিয়ে জ্ঞান নিচ্ছেন, গৃহিনী নিচ্ছেন ভালোবাসা।
'বেকার' যদি পেশার তালিকায় আসে, তবে আরো অনেককেই সেটা ব্যবহার করতে হবে, শুধু গৃহিনীদের নয়।
০৩ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
কৌশিক বলেছেন: অকুপেশন বা পেশা হিসাবে স্টুডেন্ট আসতে পারে। এটা যেকোন অকুপেশনের প্রিস্টেট। কিন্তু গৃহিনীদের অকুপেশন লেখাটা পরিবারে নারী-পুরুষের অর্পিত দায়িত্বের সমতা প্রশ্নে পুরুষকে ছাড় দেয় বলে আমার মনে হয়। বেকার শব্দটা অর্থনৈতিক উপার্জন বিবর্জিত সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়াই সংগত।
২৭|
০৩ রা জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
মদন বলেছেন: একমত হে হেলমেটধারী...
২৮|
০৩ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "প্রিমিটিভ আইডোলজি। এই বক্তব্য শুরু হয়েছে ঐ প্রিমিটিভ যুগকে খুন করেই। নতুন কিছু বলেন।"
প্রিমিটিভ আইডোলজি খুন করার পরে যে আধুনিক আইডোলজি এসেছে তার মুল কথা হচ্ছে পারিবারিক অর্থনৈতিক দ্বায়িত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহনের কর্তৃত্বের দিক থেকে নারী এবং পুরুষ উভয়ে সমান অংশিদার - এই তো? আসুন নতুন অবস্থাটা একটু গভীর ভাবে বিবেচনা করে দেখি-
দ্বায়িত্বের ক্ষেত্রে সমান অংশিদারের কথা বলা হলেও বাস্তবে তা কখনই সম্ভব নয় -কারন মাতৃত্বের দ্বায়িত্বে পুরুষ কখনই অংশিদার হতে পারে না। তাহলে অর্থনৈতিক দ্বায়িত্বে নারিকে অর্ধেক অংশিদ্বারিত্ব দেয়া হল কিন্তু মাতৃত্বের দ্বায়িত্ব পুরোটাই থাকল নারীর উপর - অর্থাৎ নারীর দ্বায়িত্ব দ্বিগুন বাড়ল আর পুরুষের দ্বায়িত্ব অর্ধেকে নেমে গেল। এই ধারনায় আসলে নারীর মাতৃত্বের দ্বায়িত্বকে মুল্যহীন করা হয়েছে - যেন এটা কোন কাজই না। পুজিবাদী চেতনা থেকে আগত এই ধারনা অর্থনৈতিক মুনাফা ছাড়া কোন কিছুকেই গুরুত্বপুর্ণ মনে করে না।
আর কর্তৃত্বের ব্যাপারে কথা হচ্ছে - এক প্রতিস্ঠানের দুজন ব্যাক্তির পজিশন কখনই সমান হতে পারে না। এক দেশে দুজন প্রধানমন্ত্রী, এক প্রতিস্ঠানে দুজন সি.ই.ও বা এক দলে দুজন সভাপতি যেমন অসম্ভব তেমনি এক পরিবারে দুজনের সমান সমান কর্তৃত্বও অসম্ভব। যেসব পরিবারে নারীরা দ্বিগুন দ্বায়িত্ব পালন করেও পুরুষের কর্তৃত্ব মুখবুজে মেনে নেয় সেই পরিবারই টিকে থাকে - আর যেখানে তা হয় না সেখানেই দেখাযায় পারিবারিক ভাঙ্গন। সুতরাং তথাকথিত আধুনিক পরিবার ব্যাবস্থা নারী বা সমাজ কারো জন্যই কল্যানকর হচ্ছে না - এটা বরং সমাজের প্রাচীনতম প্রতিস্ঠান পরিবারকেই শেষ করে দিচ্ছে। আমি মনে করি এ'ব্যাপারে আমাদের নতুন করে চিন্তা করা উচিৎ। পাশ্চাত্যের অনুকরণ করতে গিয়ে আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য নস্টকরা বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১১
আমি ও আমরা বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট।