| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজনীতি ও আমার ভাবনা
লাবন্য,ঢাকা
প্রথমেই বলতে চাই যে, আমি যদিও রাজনীতিবিদ নই তবুও রাজনীতি সম্পর্কে আমি শৈশব থেকে যা পড়ে এসছি আর যা জানি তা হয়ত অনেক রাজনীতিবিদই জানেন কিনা সন্দেহ আছে । যাক সে তর্কে বিতর্কে যেতে চাই না । সংক্ষেপে আমি যদি বলতে চাই তার সারমর্ম এরকম দাড়ায় যে, রাজনীতি হল একটা গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বাধীন দেশের জন্য, দশের জন্য, জনগনের জন্য মঙ্গল করা। কারণ আমার দেশের প্রায় ৮০% লোক দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করে। অধাহারে অনাহারে তাদের দিনগুলো পার করতে হয় কোনদিন আবার না খেয়ে দিনানিপাত করতে হয়। আর আমি এও বিশ্বাস করি যে, এরকম জনগনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে কোন দেশের উন্নতি করা কোন পক্ষেই সম্ভব না / দেশের সার্বিক কল্যাণ সাধন করা তো আশা করা যায় না। কারণ কথায় আছে যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নতির চরম শিখরে পৌছায় । তাই সর্বপ্রথম তাদের কথা চিন্তা করতে হবে। তবেই না দেশ উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে। কিন্তু অত্যন্ত দুংখের বিষয় এই যে, আমাদের দেশে বর্তমানে যে রাজনীতি চলছে এটাকে এক কথায় রাজনীতি বলা চলে না এটা হচ্ছে এক ধরনের জোর যার মুল্লক তার দেশটা গোল্লায় যাক আমার ক্ষমতা আমি চাই সেটা জনগন মানুক আর না মানুক এ রকম একটা পরিস্থিতিতে দাড়িয়েছে যেমন:- প্রতিনিয়ত খুন, হত্যা, রাহাজানি, লুন্ঠন, যে হারে বেড়ে চলেছে এগুলো অচিরে বা আশু বন্ধ হওয়া প্রয়োজন । আর এ ঘটনা গুলো যারা ঘটাচ্ছে তারা আমি বলব শিক্ষিত,অশিক্ষিত মুর্খ শ্রেণী এর জন্য দায়ী। শিক্ষিত লোকরা তাদের অকাজে ব্যবহার করছে বলেই তারা এসব খারাপ কাজ করতে এত সাহস পাচ্ছে। অথচ এ শ্রেনী যদি একটু শিক্ষিত হতো তবে এ রকম খারাপ কাজে লাগাতে পারত না বা সে কাজ করতে অন্তত দশবার ভাবত আবার তারাই যদি দেশের কথাও ভাবতো তবে এ কাজ কোনদিনই করতে সাহস করতো না। সবাই যার যার আখির গোছানোতে ব্যস্ত। যা হওয়া মোটেও উচিৎ নয়। এক শ্রেনীর মুষ্ঠিমেয় লোক ১৯৭১সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এ দেশকে মুক্ত করতে চায়নি পরাধীন রাখতে চেয়েছে বিরোধিতা করেছে ঠিক তেমনি ৪২ বছর তারাই আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। আমাদের দেশকে সামনে আগানোর চেয়ে পিছিয়ে দিতে বেশী উঠে পড়ে লেগেছে । তারা চায় না যে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাক তারা চায় জঙ্গীবাদ তালেবান একটি রাষ্ট্র । অন্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে তারা নিজের দেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করছে। অথচ অন্যান্য রাষ্ট্রের, বা দেশের দিকে তাকালে দেখতে পাই যে, তারা কি সুন্দর সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের মধ্যে কোন জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মত ভেদাভেদ নাই, আর এগুলো নাই বলেই তারা আজ উন্নতির চরম শিখরে পৌছাতে পেরেছে। শিশুকালে মা জননী একটা কথা বলতো সেটা আজ আবার মনে পড়ে গেল সেটা হলো দেখ ঐ বাড়ির ছেলেটা বা মেয়েটা কি সুন্দর ফাষ্ট হয় তুই কি তাদের মতো হতে পারিস না। তেমনি আমাদের দেশকেও আমরা অন্য দেশের মতো উন্নত করতে, ও স্বনির্ভর, দেখতে চাই । মানুষের মুল্যবোধ আজ শূন্য কোঠায় পৌছিয়েছে যা হওয়া বাঞ্চনীয় এতে মানবাধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে । এ ব্যাপারে আমাদের দেশের আইনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে যেটা অন্যায় করবে সেটা অন্যায়ই এর কোন ক্ষমা নাই সে যেই পক্ষ হোক না কেন কাউকে প্রাণভিক্ষা দেওয়া যাবে না। তাহলে দেশে আর কেউ এরকম জঘন্য কাজ করতে সাহস করবে না। রাজনীতিকে রাজনীতি জায়গায় থাকতে দিতে হবে একে নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলা করতে পারবে না। কেউ যদি এটা করতে না চায় তবে তাকে রাজনীতিতে আসারই দরকার নাই। কারণ রাজনীতি হলো মানুষের কল্যানের জন্য নিজের আখের খোচানোর জন্য নয়,ও প্রতারনা করার জায়গা নয়। প্রথমে ভাবতে হবে আমার দেশের জনগণ কি চায় কিসে তার উন্নতি হবে। তবেই না তার রাজনীতি পরিপূর্ণ ভাবে সফল হবে। সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা দেশকে আমরা আবার ফিরে পাব। যেখানে সকলের মত প্রকাশের সমান অধিকার থাকবে অন্যায় দেখলেও মুখ বুজে থাকবে না প্রতিবাদ জানবে। আমার দেশকে কোন দেশের খেলার পুতুল হতে দেওয়া যাবে না। স্স্থু, সুন্দর শুদ্ধ সাবলীল রাজনীতির চর্চা করতে হবে। যেখানে কেউ কাউকে হিংসা বিদ্বেষ মারামারি, কাটাকাটি করবে না। আর দেশকে ভালবাসতে হবে। যার মধ্যে এ চেতনাটি নাই সে কোনদিনও দেশের কল্যাণ বা মঙ্গল চাবে না। বাস্তবে এর যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। যা আমাদের আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে আর বলছে যে, যে এ দেশেরই নয় সে কি করে বাংলাদেশের মতো একটি সুন্দর দেশের জনগনের কথা চিন্তা করবে কিন্তু আমরা যারা এ দেশকে ৯মাস যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছি তাদের মনে দেশ বাচানোর একটা তাগিদ থাকবেই এটাকে কোনদিনও দমন করা যাবে না। এটা শুধু আমাদের মধ্যেই থাকবে পরদেশীর মধ্যে নয় আর তাই আমরা জেনে শুনে বুঝে পরবাসীর হাতে আমাদের রাজনীতি তুলে দিতে পারি না এ ব্যাপরে আমাদের আরও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে যেন কেউ অহেতুক রাজনীতিকে অবহেলা না করে রাজনীতির অপব্যবহার না করে। আমরা সুন্দর একটি রাজনীতি চাই যেখানে সবাই যোগদান করতে পারবে, সকলের সমান অধিকার থাকবে। রাজনীতিতে বুন্দক রাইফেল, ছোরা কাচি এসব ব্যবহার করা যাবে না এটা অবিলম্বে নিষিদ্ধ ঘোষনা করতে হবে। যা কথা হবে তা মুখে মুখে হবে,জাতীয় সংসদে হবে। কথায় বলে না দশে মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ এ কথাটা একেবারে অন্তরে গেঁথে নিতে হবে। যেমন -উদাহরণস্বরুপ বলতে পারি ম্যান্ডেলাকে সারা বিশ্বের রাজনীতিবিদরা সম্মান করে কেন জানেন করে কারন তিনি নিজের আখের ঘোচানো নয় তিনি তার দেশের জনগনের কথা চিন্তা করতেন তাদের বিপদে আপদে পাশে দাড়াতেন তাদেরকে অবহেলার চোখে কখনোই দেখতেন না বরং সম্মান করতেন,যতদিন বেচে ছিলেন সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন আমরা কি সে রকম রাজনীতিবিদ হতে পারি না যাতে করে আগামী প্রজন্ম স্মরণ, মনে রাখতে পারে। সবাই ভাল থাকুন সর্বদা সত্যের সন্ধানে থাকুন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৮
না প্রেমিক না বিপ্লবী বলেছেন: লাবণী আপু আমি জানি না আপনার বয়স কত হবে সেটা আমি জানি না। তবে দেশকে নিয়ে দেশের রাজনীতি নিয়ে চিন্তা করেন এটা বুঝতে পারি। শুধু একটা কথা বলতে চাই "আমাদের রাজনীতির ভাগ্য এখন আর আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের হাতে নাই, সেটা চলে গেছে এমন এক বিশ্ব কোচদের হাতে যেখানে আমাদের আবেগের কোন মূল্য নেই"॥