| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি খুব একটা অর্থোডক্স মানুষ না। আন অর্থোডক্স থাকতেই ভালা লাগে
মুক্তান্ধ (মানে যারা তথাকথিত মুক্তচিন্তার প্রবল টানে অন্ধ)-রা হয়তো বলবেন, আরে ধুর, হাসি একটা বিশেষ কোন ব্যাপার নাকি? ওটাতো কংকালের গায়ে যে মাংশপেশী আছে, সেগুলোর খিচুনি। ব্রেইন থেকে বয়ে আসা কিছু ইমপালস, অত:পর মুখের দুইদিকে মাংশপেশীর সরে যাওয়া, ঠোটের দুই দিকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া, কংকালের অংশবিশেষ যে দাত তা বেরিয়ে পড়া .. এমন একটা নিতান্ত যান্ত্রিক ব্যাপার।
আবেগী কেউ বলতেই পারে, আরে না। হাসিতে [গাঢ়]কি যেন একটা আছে[/গাঢ়]। এমন একটা কিছু যেটা ব্যাখ্যা করা যায় না। প্রতিবাদে, মুক্তান্ধরা বলতেই পারে, যার গাণিতিক প্রমাণ নেই, যার কেমিক্যাল রিয়্যাকশনে অস্তিত্ব নেই, যার প্রমাণ এখনও কোন বিজ্ঞানীদের খাতায় রেজিস্ট্রি হয় নি; তার কোন ভিত্তি নেই। ওই "কিছু একটা" পুরো ফালতু প্যাচাল, অন্ধ কুসংস্কার, গেঁয়ো লোকের অতি কল্পনা ইত্যাদি ইত্যাদি।
আবেগী মন সেই যুক্তি মানে না। যখনই মায়ের খুব মায়া কাড়া হাসি মুখটা দেখি-এমনকি পুরনো ফটোতে, অথবা পিতার কোলে পরম নিশ্চিন্ত যে শিশুটা অসম্ভব সুন্দর একটা হাসি দেয়, অথবা এই ছবির কথাই ধরুন না।
মায়ের কোলে, এই বাচ্চাটার হাসিটা। পৃথিবীতে ও এসেছেই বা কয়দিন হলো? এর মধ্যে সে শিখে গেছে মানুষের যে কয়টা অমূল্য সম্পদ আছে তার ভিতরে হাসি নামের অপূর্ব সুন্দর একটা সম্পদকে। কঠিন ভাবের একটা ব্যাপার!
একটা অপরিচিত মানুষকে মুহুর্তে আপন করে নেওয়ার জন্য হাসির কোন বিকল্প নেই। হাসি কিভাবে যে একবার পরম নির্ভরতা, কখনো মায়ের তীব্র ভালোবাসা, সন্তানের নিস্পাপতা, হৃদয়ের উচ্ছলতা, বিশ্বাস করা যায়, সব এখনও শেষ হয়ে যায় নি, বন্ধুর সাথে তীব্র অভিমানের পরে -[ইটালিক] দোস্ত সব ঠিক আছে[/ইটালিক] ... এরকম আরো কত কী অনুভূতি নিয়ে আসে!
এখন আপনি কি বুঝিয়ে বলতে পারেন, [গাঢ়]হাসিতে কি থাকে? [/গাঢ়]
হাসির এক্সপ্রেশন এর সাথে যে ব্যাখ্যাতিত অনুভূতিটা বয়ে নিয়ে আসে, সেটা কি লৌকিক নাকি সম্পূর্ণ অলৌকিক একটা ব্যাপার?
-------------------------------------
In the name of the Beloved One
And that He it is Who makes (men) laugh and makes (them) weep;
The Quran - 053.043
২|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:৫৭
সাদিক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফজলে এলাহি।
পোস্টের কোন চাহিদা নেই এলাহি ভাই। যে যেভাবে এটা গ্রহন করবে সেটাই লেখকের প্রাপ্তি। আমি কিছু ভাবনা থেকে লিখেছি, কিন্তু শব্দ সব সময় সব চেতনাকে ধারন করতে ব্যর্থ হয়।
তারপরেও যতটুকু একটা লেখার ভিতরে বহন করে সেটাই একেকজনের কাছে একেক ভাবে ধরা দেয়।
আপনার বিশ্লেষণটিও খুব ভালো। শিশুদের হাসি সবচেয়ে নির্মল, কোন সন্দেহ নাই।
৩|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:০৭
অতিথি বলেছেন: হাসি-কান্না মানুষের চেহারার ভাষা । যা কথায় প্রকাশ করা যেতো তা যেনো নিঃশব্দে চেহারায় প্রকাশ করা।নবজাতক বাচ্চারা এই ফেস ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়েই তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে।
৪|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:১২
সারিয়া তাসনিম বলেছেন: হাসি একটা অস্ত্র যা দিয়ে সকল যুদ্ধ জয় করা যায়
৫|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ১১:১৫
সাদিক বলেছেন: কথা সইত্য - মুক্তধারা এবং সারিয়া।
৬|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১২:১১
অতিথি বলেছেন: আমার ধারণা, পিচ্চির হাসিটা ফটোশপের কেরামতি।
তয় হাসিতে কি থাকে, তা নির্ভর করে যে হাসছে তার ওপর। হাসিনা, খালেদা, নিজামীর হাসিতে মিশে থাকে ভোদাই জংণের প্রতি বিদ্্রুপ। মওদুদীর হাসিতে ব্যবসায়ীর তৃপ্তি, পীরের হাসিতে কচি মাইয়ার স্বপ্ন আর বাংলাছবির ভিলেনের খা খা অট্টহাসিতে থাকে থুথু।
আমার হাসিতে থাকে শুধুই দুঃখবিলাস।
৭|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১২:১২
অতিথি বলেছেন: জংগণ = জনগণ
৮|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৩
অতিথি বলেছেন: হাসি নিয়ে চিন্তাভাবনা ভালো লেগেছে।
তবে এর সাথে মুক্তচিন্তাধারীদের যেভাবে মেলালেন, তা কিলিয়ে কাঠাল পাকানোর মতো হয়ে গেল ভাই...।
৯|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:০০
কালপুরুষ বলেছেন: হাসি মানুষের জীবনী শক্তি। হাসলে মানুষসহজে বুড়ো হয় না। গালের মাংশপেশী সতেজ থাকে, বয়সের ভাঁজ পরা রোধ করে।
১০|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:৩৯
অতিথি বলেছেন: প্রায় সব হাসিই কিন্তু আরেকটি হাসির দ্্বারাই শুরু হয় । বাচ্চারা অবশ্য কারন ছাড়াই হাসতে পারে, এটা খুবই সুন্দর একটা একস্প্রেশন ।
হাসির ভাষা সারা বিশ্বের লোকেই বুঝতে পারে ।
হাসতে 26টি পেশীর ব্যবহার হয় । আর ভ্যাঙাতে 62টি । কম কষ্ট করাই ভাল ।
১১|
২২ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৯:১৫
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান ভাই,
আমি আরেকটা জিনিষ খেয়াল করলাম সেদিন, কান্নার ভাষাটাও যেনো এক সারা পৃথিবীর মানুষের।
কঁদতে গেলেও কিন্ত অনেকগুলো পেশীর ব্যবহার নিশ্চিৎ করতে হয়। মজা না?
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:৪৩
অতিথি বলেছেন: প্রথম প্যারাটা বেশ সুন্দর লেগেছে, বাকীগুলো বিশ্লেষণী।
হাসিটাকে আমার কাছে মনে হয় আত্মার স্ফূরণ, কান্নাটাকেও বাদ দেয়া যায় না। তবে এসবেরও আবার বিভিন্ন প্রকার রয়েছে, সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ।
নির্মল হাসি কিন্তু সবাই হাসতে পারে না, কেউ হাসির উপর প্রেসার সৃষ্টি করে নিজের মত করে বানিয়ে নেয়, সেসব দেখলে গা জ্বলে উঠে। ভালবাসি মন থেকে উঠে আসা মুচকি হাসি বা গাল টেপা হাসিকে। অট্টহাসি বিরক্তি আর মাথা ব্যাথা আনে। শুনছি স্বাভাবিক প্রাণখোলা হাসিও নাকি স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।
তবে শিশুদের হাসির সাথে তুলনা করার মত কিছু আমি আজো খুঁজে পাইনি, যেন সম্পূর্ণ স্বর্গীয়। হৃদয়ে নাড়া দেয় সেই হাসিটি, অনেক ঘরে ঘুরেফিরে যখন একটু খাবারের আশ্বাস পেয়ে ফুটে উঠে মলিন মুখে. . . .।
আম্মু-আব্বুর হাসি আর বন্ধুর হাসিতে আপনার ব্যাখ্যা চমৎকার।
[হয়তো আপনার পোষ্টের চাহিদামত এগুতে পারিনি, নিজস্ব কথাগুলো শুনালাম, যেহেতু হাসির পোষ্ট তাই রাগের চিন্তা করতে পারছি না]