| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নেই স্বর্গলোভ কিংবা কল্প-নরকের ভয়,/অলীক সাফল্যমুক্ত কর্মময় পৃথিবী আমার৷ চর্মচোখে যা যা দেখি, শারীরিক ইন্দ্রিয় যা ধরে,/তাকেই গ্রহন করি৷ জানি, নিরাকার অপ্রত্যক্ষ/শুধুই ছলনা, বিশ্বাস করি না ভাগ্যে, দেবতার বরে৷ আমার জগৎ মুগ্ধ বাস্তবের বস্তুপুঞ্জে ঠাসা,/তাই সে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য, অতীন্দ্রিয় নয়৷/অন্ধতার বধ্যভূমি আমার হদৃয়৷ সেই শ্রেষ্ঠ মানব-সন্তান, যার মন মুক্ত ভগবান৷/আমার মস্তক নিত্য নত সেই নাস্তিকের তরে৷ নাস্তিক - নির্মলেন্দু গুণ
ইউএফও হল Unidentified Flying Object (UFO), অর্থ্যাৎ আকাশে দৃশ্যমান যে কোন অচেনা অজানা বস্তু বা আলোকেই ইউএফও বলা হয়। প্রাচীনকাল হতেই আকাশে অদ্ভুত অদ্ভুত সব বস্তু দেখার খবর শোনা গেলেও ১৯৪৭ সালে যখন আমেরিকাতে প্রথম ইউএফও দেখা যাবার খবর ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়, তারপর থেকে এটিই হয়ে ওঠে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। এর পর আরো কয়েক হাজার বার ইউএফও দেখা যাবার খবর পাওয়া যায় এবং এর মধ্যে প্রায় শতকরা ৯০ ভাগই ভুয়া। সাধারন মানুষ প্রায়ই উজ্জ্বল কোন গ্রহ কিংবা তারা, বিমান, পাখি, বেলুন, ঘুড়ি, কিম্ভুতকিমাকার মেঘ দেখে তা ইউএফও ভেবে ভুল করে। তবে এর জন্য প্রয়োজন সময়সাপেক্ষ তদন্ত।
জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকী বিবেচনা করে মার্কিন বিমানবাহিনী ১৯৪৭ সালে ইউএফও তদন্তে নামে। তদন্তকাজ শেষ হয় ১৯৬৯ সালে। এ সময়ে প্রাপ্ত সর্বমোট ১২,৬১৮ টি ঘটনার মধ্যে ৭০১ টি ঘটনার কোন ব্যাখ্যা তারা দিতে পারে নি। মার্কিন বিমানবাহিনী তাদের তদন্ত শেষ করে এই বলে যে “no UFO reported, investigated, and evaluated by the Air Force has ever given any indication of threat to our national security”। ১৯৬৯ সালের পর আর কোন মার্কিন সংস্থা ইউএফও তদন্ত কাজে সরাসরি হাত দেয়নি। এরপর ১৯৯৭ সালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ মার্কিন সামরিক বাহিনীর উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গোয়েন্দা বিমান ব্যবহারের কথা ফাঁস করে দেয়। ১৯৫০ হতে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত যতগুলো ইউএফও দেখা গেছে তার মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ ঘটনার জন্য দায়ী Lockheed U-2A এবং Lockheed SR-71 নামের এই বিমান দুটি।
যদিও কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায় নি, তারপরও অনেকেই এটিকে ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের আকাশযান বলে মনে করেন। আর এটিকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেবার উপায় নেই। অধিকাংশ বিজ্ঞানীই এই মহাশূণ্যে কোথাও না কোথায় অতিমানবীয় বুদ্ধিমান প্রানীর অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।
ইউএফও এর আরো ছবি দেখতে চাইলে
Click This Link
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৭
লাইটহাউজ বলেছেন: ইউএফও এর পরিস্কার কোন ছবি আজো পর্যন্ত তোলা যায়নি।
২|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০০
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: তথ্যমূলক লেখায় রেফারেন্স থাকলে ভাল হয়।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩০
লাইটহাউজ বলেছেন: ইউএফও সম্পর্কে আরো জানতে উইকিপিডিয়া, মাইক্রোসফট এনকারটাতে খোঁজ করুন।
৩|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৪
দুরন্ত পিথক বলেছেন: আপনি কি কোন পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত আছেন?
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৯
লাইটহাউজ বলেছেন: কেন? আমাকে কি সাংবাদিক মনে হয়?
সাংবাদিকতার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ছি।
"অজানাকে জানতে চাই"
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩০
লাইটহাউজ বলেছেন: ইউএফও সম্পর্কে আরো জানতে উইকিপিডিয়া, মাইক্রোসফট এনকারটাতে খোঁজ করুন।
৪|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৩
মদনবাবু বলেছেন: হায়রে উরন্ত তশতরি!!!
৫|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৯
রাগিব বলেছেন: ভাই, একটু কষ্ট করে বাংলা উইকিপিডিয়াতে এরকম তথ্যাবলী যোগ করুন।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৪
লাইটহাউজ বলেছেন: রাগিব ভাই, আমি এরইমধ্যে কয়েকটি লেখা বাংলা উইকিতে জমা দিয়েছি। আরো দেবার ইচ্ছা আছে।
৬|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৭
মানচুমাহারা বলেছেন: ধন্যবাদ। লাইট হাউজ। আপনার লেখার ভক্ত হয়ে যাচ্ছি ভাই। চালিয়ে যান। যীশু আর সক্রেটিস নিয়ে লেখাটা পড়ে বেশ ভালো লেগেছে।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩
লাইটহাউজ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
৭|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০৫
যুদ্ধবাজ বলেছেন: ইউ.এফ.ও নিয়ে বেশ পরাশুনা করেছিলাম এককালে। তবে এখন যা মনে হয় এগুলো মার্কিন স্পাই প্লেন ছাড়া আর কিছুই না। সে.টি তো অনেক গবেষনাই করল অতিমানবিক এলিয়েন খুজার জন্য, লাভটা কচু হয়েছে। বিশ্বের লাখ-লাখ মানুষ না খেয়ে আছে, আর ওখানে তেনারা (আমেরিকানরা) আজাইরা কামে টেকা ঢালতাছে। এইতো নিয়ম।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৭
লাইটহাউজ বলেছেন: গবেষনার দরকার আছে।
মানুষ যদি মহাকাশ নিয়ে গবেষনা না করতো তাহলে কি এতকিছু জানা যেত?
৮|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৬
মানুষ বলেছেন: আমার মনে হয় u.f.o. আর ভুত একই জিনিস। মানুষের কল্পনা মাত্র।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৯
লাইটহাউজ বলেছেন: হতে পারে। অনেকগুলো ঘটনার কোন ব্যাখ্যা কিন্তু পাওয়া যায় নি।
বিজ্ঞানীরা ভিন্ন গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব এখনো খুঁজে বেড়াচ্ছেন।
৯|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৪
মানুষ বলেছেন: ব্যাখ্যা না পাওয়াটা কি u.f.0.-এর অস্তিত্বের সত্যতা প্রমান করে? যথেষ্ট পরিমান তথ্যের অভাবে হয়তো সব ঘটনার ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া আমাদের বিজ্ঞান এখনো অসম্পুর্ন। তবে আমিও আপনার মতোই , বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের দোলায় দ্যোদুল্যমান।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৭
মদন বলেছেন: ছবির লিংকের জন্য ধন্যবাদ