| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লোকালহোস্ট
আমি অনেক খারাপ। কিন্তু আমার ভিতরের আমিটা অনেক ভালো।
একদল শিল্পী জ্যামে আটকে, কী করি বলেন, এজন্যই অনুষ্ঠান আধঘণ্টা বন্ধ রেখেছি। অঞ্জন গাঙ্গুলী এমন করে কথাগুলো বললেন যেন কিছুই হয়নি। বিপিএল দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে আসা দর্শকরা যেন তাদের খেয়ালের পাত্র। তারা যা দেখাবে দর্শক তা দেখতে বাধ্য।
এই অঞ্জন গাঙ্গুলী হচ্ছেন বিপিএল আয়োজনের দায়িত্বে থাকা গেম অন স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাদের ওপরই দায়িত্ব ছিল দর্শকদের জাঁকালো একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার। বুধবার সন্ধ্যায় যে সূচি দেওয়া হয়েছিল সেখানে জাঁকালো অনুষ্ঠানের একটা চিত্রও পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠান শুরুর পর মোহ ভেঙ্গে যায়। দর্শকদের উপহার দেওয়া হয় ম্যাড়ম্যাড়ে একটি অনুষ্ঠান। লোকে যাকে বলছে দর্শক ঠকানো অনুষ্ঠান!
প্রি শো দিয়ে বিকেল পাঁচটায় বিপিএল অনুষ্ঠান শুরুর কথা থাকলেও শেষপর্যন্ত প্রি শো রাখা হয়নি। দেরি করে খোলা হয় গেট। রাষ্টপতি জিল্লুর রহমান এসে সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় উদ্বোধন ঘোষণা করেন। আনুষ্ঠানিক পর্দা উঠে বিপিএল দ্বিতীয় আসরের। এরপর শুরু মূল অনুষ্ঠান। দেশবরেণ্য দুই কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা এবং মমতাজ দুটি করে গান পরিবেশন করে চলে যান।
ভাবা হয়েছিল কত শিল্পীই না পারফর্ম করার জন্য লাইন দিয়ে আছেন। কিন্তু আয়োজক কমিটি দর্শকদের বোকা বানালেন। শিল্পী কলাকুশলীর উপস্থিত না থাকায়, অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হলো একঘণ্টা পাঁচ মিনিট। ওই যে জ্যামের দোহাই দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা, সেটা শেষপর্যন্ত করে গেল গেম অন স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট।
বিসিবির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিলম্বের কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বললেন,‘এ সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। এখানে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই।’ ওই কর্মকর্তার কথায় মনে হচ্ছে বিপিএল বিসিবির না।
যাই হোক, অঞ্জন গাঙ্গুলীর ভাষ্যমতে জ্যাম ঠেলে মূল শিল্পীরা মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আসেন রাত ৯টার কিছু আগে। ৯টায় ফের শুরু হয় অনুষ্ঠান। জনপ্রিয় ব্যান্ড সঙ্গীত গায়ক জেমস ৫০ মিনিট গাইলেন তার বেশ কিছু জনপ্রিয় গান। এরপরে এলেন শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত মুম্বাই অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেস। একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে সাজঘরে ঢুকে পড়লেন। দর্শকরা তাকে আর দেখতেই পেলেন না।
রাত ১০টা ১০ এ শুরু হয় ম্যাজিক শো। দুই পরদেশি সল্পবসনা ম্যাজিক শো দেখালেন লম্বা সময় ধরে। দর্শকরা তাদের উদ্ভট কান্ড দেখে হাত তালি দিতেও ভুলে যান।
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত গায়ক আতিফ আসলাম এসে বসে থাকলেন সাজঘরে। কোন এক অজানা কারণে তিনি মঞ্চে উঠছিলেন না। প্রায় আধঘণ্টা আবারও অনুষ্ঠান বন্ধ থাকে! পৌনে ১১টায় মঞ্চে উঠেন আতিফ আসলাম। ঠান্ডায় জমে যাওয়া দর্শকদের তিনি কিছুটা চাঙ্গা করেন, অনেকগুলো গান গেয়ে। যারমধ্যে দূরি এবং লামহের মতো জনপ্রিয় গানও ছিল। তবুও শেষটায় কিছুটা প্রাণ ছিল আতিফের গানে।
ভারতের আরেক জন জনপ্রীয় কণ্ঠশিল্পী সুনিধী চৌহানের আসার কথা থাকলেও তিনি আসেননি।
ওহ, অনুষ্ঠান শুরুর আগে গ্যালারি খাঁ খাঁ করছিল। পরে গেট উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় গ্যালারি ভরার জন্য। বিনা টিকিটে অনুষ্ঠান দেখার সুযোগটা নিলেন দর্শকরা।
তথ্য সূত্রঃ http://www.shomoyerchithi.com/archives/133
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৪
লোকালহোস্ট বলেছেন: আমারও সেরকম ইচ্ছা করছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৩৮
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহা উহু কি আয়োজন!!!
আবার শ্লারা বলে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই!!!!
ওরে টম বানাইয়া জেরির মতো একখান চিরে চেপ্টা ঢলা দেওয়া দরকার