| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অঅ-অ+
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্বার্থের কথা বিবেচনায় নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সুস্পষ্ট দূরত্ব তৈরি করতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পার্লামেন্ট। এ ছাড়া সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করার কথাও বলেছে গণতন্ত্রের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত ইউরোপের ২৭ দেশের ওই সংস্থা। অন্যদিকে প্রতিপক্ষের আটক নেতাদের মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনের আগে ও পরে সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচার করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইইউ পার্লামেন্ট।
গত বুধবার ইইউ পার্লামেন্টে বাংলাদেশ বিষয়ে পাস হওয়া প্রস্তাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের জন্য জামায়াতকে দায়ী করা হয়েছে। জামায়াত ও হেফাজতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বিএনপির প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ইইউ পার্লামেন্ট বলেছে, ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যতের স্বার্থেই গণতান্ত্রিক সুনাম অর্জন করতে হবে। এ জন্য পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধার সংস্কৃতি আরো বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে বিএনপির সুস্পষ্ট দূরত্ব সৃষ্টি করতে হবে।’
সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে জামায়াত-শিবির বা অন্য কোনো সংগঠনের নাম উল্লেখ না করে তাদের নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে ইইউ পার্লামেন্ট।
যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবির সারা দেশে সহিংসতা, হত্যা, খুন, যানবাহনে পেট্রল বোমা মেরে বহু প্রাণহানি ঘটিয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের পর্যবেক্ষণে জামায়াতকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট মামলাও বিচারাধীন।
ইইউ পার্লামেন্টের এই আহ্বানকে বিএনপির পক্ষ থেকেও যেন ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ হলে আমরা (বিএনপি) বাঁচি। তখন সবাই বিএনপি হয়ে যাবে। সরকার একটি আদেশের মাধ্যমেই জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে পারে।’
এর আগে সোমবার কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলোচনায় বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে জামায়াত রয়েছে। এটা আমি খুব ভালোভাবে দেখছি না। দেশের মানুষও এটা ভালোভাবে গ্রহণ করেনি। আওয়ামী লীগ তো জামায়াতকে মেনেই নেবে না। বিএনপির যত সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, তার মূলে হলো জামায়াত। সরকার বলেছে, সমঝোতা করতে হলে বিএনপিকে জামায়াত ছেড়ে আসতে হবে। আমার দৃষ্টিতে এটাই বাস্তব। বিএনপি যদি জামায়াতকে ছাড়তে পারে, তাহলে তাদের অবস্থান আরো ভালো হবে। কারণ বিএনপি আওয়ামী লীগের মতো সমান জনপ্রিয় দল। আজ হোক, কাল হোক জামায়াতকে বিএনপির ছাড়তেই হবে।’
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা বিশ্লেষণ করে ইইউ পার্লামেন্ট বলেছে, হত্যা ও দেশজুড়ে সহিংসতা এখনই বন্ধ করা জরুরি। বিশেষ করে, প্রতিপক্ষ দুই রাজনৈতিক জোটের পরস্পরবিরোধী অবস্থান, হরতাল-অবরোধে বাংলাদেশকে দিনের পর দিন ‘অবশ’ করে রাখা, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ এখনই বন্ধ করতে হবে।
তারা আরো বলেছে, সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অবদমনমূলক কর্মকাণ্ডও বন্ধ করতে হবে। নির্বিচারে গুলি এবং জেলখানায় নির্যাতনও থামাতে হবে। বিচারের অপেক্ষায় গ্রেপ্তার থাকা বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদেরও মুক্তি দিতে হবে। নির্বাচনের আগে ও পরে সহিংসতায় মৃত্যুর ঘটনাগুলোর স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ধর্মনিরপেক্ষ ও উদার সমাজব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশের সুনাম রয়েছে উল্লেখ করে ইইউ পার্লামেন্ট বলেছে, এ সুনাম ধরে রাখতে কর্তৃপক্ষকে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সংঘটিত অপরাধগুলোর তদন্ত ও বিচার করতে হবে।
ইইউ পার্লামেন্টে পাস হওয়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংসদ ও রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করতে কোনো পদ্ধতিতে একমত হতে পারেনি। প্রথমত, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্বার্থের কথা বিবেচনা করে সমঝোতার ভিত্তিতে প্রতিনিধিত্বমূলক উপায়ে বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার অনুযায়ী প্রার্থী বাছাইয়ের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আইনগতভাবে বৈধ রাজনৈতিক দলগুলোর ইচ্ছায় আগাম নির্বাচনসহ ভোটারদের পছন্দ জানতে সম্ভাব্য সব ধরনের বিকল্পই বিবেচনায় নিতে হবে। বাংলাদেশে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের স্বার্থে সব উপায় ব্যবহারের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে আহ্বান জানিয়েছে ইইউ পার্লামেন্ট। বিশেষ করে ইউরোপিয়ান ইনস্ট্রুমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড দ্য ইনস্ট্রুমেন্ট ফর স্ট্যাবিলিটি, ডিরেক্টরেট ফর ডেমোক্রেসি সাপোর্ট ও অফিস ফর প্রমোশন অব পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসিকে ব্যবহারের কথা বলেছে পার্লামেন্ট।
যুদ্ধাপরাধের বিচার বিষয়ে ইইউ পার্লামেন্ট বলেছে, যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে নির্যাতন ও অন্যান্যভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিকারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে ইইউ পার্লামেন্ট তাদের প্রস্তাবে সব ধরনের মৃত্যুদণ্ড রহিত করতে সংসদে আইন পাসের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্যও দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
গত সরকারের মেয়াদে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন আরো কঠোর করা হয়েছে উল্লেখ করে তারা বলেছে, ‘সরকারকে এ দুটি আইন সংশোধনের আহ্বান জানাচ্ছি।’
এসব আহ্বান গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে ইইউ পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে পাস হওয়া প্রস্তাবমালা ইউরোপীয় কাউন্সিল, ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিস, পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতিবিষয়ক ইউনিয়নের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট, মানবাধিকারবিষয়ক ইইউয়ের বিশেষ প্রতিনিধি, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সরকার ও সংসদ, জাতিসংঘের মহাসচিব, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ সরকার ও সংসদে পাঠানো হবে।
ইইউ পার্লামেন্টের আলোচনায় বাংলাদেশে কয়েক মাস ধরে চলা সহিংসতা ও নির্বাচন ঘিরে সমঝোতার নানা উদ্যোগের বিষয়ও উঠে এসেছে। নির্বাচন বিষয়ে গত ৯ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি কেথেরিন অ্যাস্টনের ঘোষণা এবং ৩০ নভেম্বর দেওয়া বিবৃতি, জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর পাঁচ দিন ধরে সমঝোতার চেষ্টার কথাও উঠে এসেছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ২০১৩ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়েছে উল্লেখ করে তাঁরা বলেছেন, গত বছরের শুরু থেকে হরতাল, সহিংসতায় তিন শরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির বয়কটের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেছে। অর্ধেকেরও বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন না। তা সত্ত্বেও সহিংসতার কারণে নির্বাচন কমিশন তিন শরও বেশি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখে। নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম। নির্বাচন কমিশন ৪০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির কথা বললেও ঢাকাভিত্তিক কূটনীতিকদের হিসাবে এ হার ২০ শতাংশ। বিরোধী দলের হিসাবে ভোটার উপস্থিতি ছিল আরো কম। বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল দীর্ঘদিন ধরেই সমঝোতা না করার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এদের পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে গত এক দশকে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে।
হাউস অব কমন্সের বিতর্কেও জামায়াতকে এড়িয়ে চলার আহ্বান : গত বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টার বিতর্কে অংশ নেন ব্রিটিশ এমপিরা। ওই বিতর্কে বাংলাদেশের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে এমপিরা বলেন, বাংলাদেশ ক্রমেই গণতন্ত্রের পথ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। চলমান অবস্থা থেকে বের হতে আলোচনার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সমঝোতায় পৌঁছাতে সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিতর্কে ১২ জন এমপি অংশ নেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেভিড লিডিংটন বাংলাদেশের নির্বাচন ও রাজনৈতিক সংকটের বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।
লিডিংটন বলেন, যুক্তরাজ্য বিশ্বাস করে, প্রকৃত গণতন্ত্রের নিদর্শন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, যেখানে ভোটারদের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটে। সব রাজনৈতিক দলকে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে একযোগে কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্য, অবরোধ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত এবং আলোচনার আহ্বানকে স্বাগত জানান।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একমাত্র বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি রুশনারা আলী রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতদের পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।
বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হলে তা দেশটিতে গোপন উগ্রপন্থার উত্থান ঘটাবে কি না- এমন প্রশ্ন তোলেন রেহমান চিশতি এমপি। জবাবে বাংলাদেশ অধ্যুষিত পপলার এলাকার এমপি জিম ফিটজপ্যাট্রিক বলেন, সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে সব দলের উচিত হবে জামায়াতকে সঙ্গে না রাখা।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বাংলাদেশবিষয়ক অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এএপিজি) চেয়ার, কনজারভেটিভ পার্টির অ্যান মেইন এমপি বিতর্কের সূচনা করেন। তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রথা বাতিলের কারণে রাজনৈতিক সংকট শুরুর কথা বললেও আওয়ামী লীগ সরকার তা বৈধভাবেই করেছে বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু এই বিশেষ বিতর্কের সহ-উদ্যোক্তা লেবার পার্টির সাইমন ড্যানচুক ওই পদ্ধতি বিলোপ করাকে ভুল অভিহিত করে ভবিষ্যতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রয়োজন হবে বলে মন্তব্য করেন।
রাজনৈতিক কারণে বিরোধীদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতন, বিরোধী দলের নেত্রীকে তাঁর বাসভবনে অন্তরীণ রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাত্রাতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের সমালোচনা করেন এমপিরা।
এ ছাড়া সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার সংগঠকরা নানা ধরনের হুমকির মুখে বলেও অভিমত প্রকাশ করা হয়।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ যথাযথ ছিল বলে মন্তব্য করলেও প্রায় সব বক্তাই রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে এটিকে উল্লেখ করেন। তাদের অনেকেই এই বিচার প্রক্রিয়া ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন এবং মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করেন।
এমপিদের বিতর্কে ছিল বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং র্যাবের ভূমিকা। ‘ঘাতক বাহিনী’ হিসেবে অভিহিত করে বিভিন্ন গুম ও খুনের ঘটনার জন্য র্যাবকে দায়ী করা হয়। কনজারভেটিভ পার্টির রিচার্ড ফুলার র্যাব ভেঙে দেওয়ার দাবি জানানোর আহ্বান জানান।
আসলেই জামায়াতকে ব্যান করা দরকার
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:০৯
মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: তথ্য সূত্র দিন...