| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “যতদিন না শান্তি ফিরে আসবে ততদিন সাতক্ষীরায় যৌথবাহিনী থাকবে।” সাতক্ষীরাকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মুক্ত করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাম্প্রতিককালে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের সহিংসতায় নিহতদের পরিবারের সদস্য ও আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, “খুন-খারাবি করে, রাস্তা বন্ধ করে, জ্বালাও-পোড়াও করে আন্দোলন হয় না। এটা আন্দোলন না। এটা আন্দোলনের নামে নাশকতা।”
এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে সাতক্ষীরায় পৌঁছান শেখ হাসিনা। সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন তিনি।
প্রকল্পগুলো হলো- আশাশুনি উপজেলায় নির্মিত এতিম ছেলেমেয়েদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, খুলনা-চুকনগর-সাতক্ষীরা সড়কে নির্মিত সাতটি কালভার্ট, কপোতাক্ষ নদ পুনঃখনন ও পাখিমারা বিলে টিআরএমর কাজ, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে নির্মিত একাডেমিক কাম-পরীক্ষা হল, খারহাট, নাংলা ও তুলাকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টার উদ্বোধন করবেন।
সূত্র : Click This Link
ধন্যবাদ গনতন্রের মানসকন্যা। আপনি আপনার মিশন চালিয়ে যান।
২|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:১৬
পথহারা নাবিক বলেছেন: শান্তির কন্যা
৩|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:২০
উদাস কিশোর বলেছেন: হে হে
মুজিব এমন একটা জিনিস জন্মাইয়া গেল রে ![]()
৪|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৪২
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
জামায়াত-শিবিরের খুন-খারাবি জ্বালাও-পোড়াও সহিংসতা শক্ত হাতে দমন করতে হবে। এর জন্য যা যা দরকার সবই করতে হবে।
দেশকে নব্য পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র কখনো সফল হতে দেয়া যায় না। দেয়া হবে না।
৫|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:৩০
এই আমি সেই আমি বলেছেন: হায় হায় হাসিনা কয় কি ? এরকম হলে জামতিদের তো মহা সমস্যা , মুসলমানরে চিতার আগুনে কিভাবে পুড়িয়ে মারবে ?
৬|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:৩০
এই আমি সেই আমি বলেছেন: হায় হায় হাসিনা কয় কি ? এরকম হলে জামতিদের তো মহা সমস্যা , মুসলমানরে চিতার আগুনে কিভাবে পুড়িয়ে মারবে ?
৭|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:৪২
মিতক্ষরা বলেছেন: Why only shatkhira? Why not other parts in bd? The army backed govt should declare a state of emergency.
৮|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৯:০৮
মিতক্ষরা বলেছেন: আসল কথাটা হল: ছাত্র লীগের চাদাবাজি আর সন্ত্রাস বিপদমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সাতক্ষীরায় যৌথ বাহিনী থাকবে। দল ক্ষমতায় থাকবে আর ছাত্রলীগ আরামে লুটতরাজ করতে পারবে না - সেটা কি করে সম্ভব? অভিযানে যৌথবাহিনী যেসব স্বর্নালংকার এবং মূল্যবান দ্রব্যাদি লুন্ঠন করেছে তার ভাগ ছাত্রলীগ তো বটেই, সেই সাথে টিভির টক শোতে যেসব বুদ্ধিজীবী নিত্যই এ সরকারের গুনকীর্তন করেন (জাফর ইকবাল, আরাফাত প্রমূখ), তাদেরও পাওনা। যৌথ বাহিনী কর্তৃক লুন্ঠিত স্বর্ন থেকে দলবাজ বুদ্ধিজীবীদের যেন যথাযথ অংশ দেয়া হয়। সবাই যদি পায়, উনারা কেন বাদ থাকবেন?
৯|
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ২:৪৫
দিশার বলেছেন: জামাত শিবির রাজাকার মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। ২/৫ টা জেলায় তান্ডব করে এরা মনে করসে বাংলাদেশ কিনে নিসে।
এরা না বলে "জিহাদ" করতেসে? জিহাদ বন্ধ হয়ে গেসে?
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:০৬
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভুতের মূখে রাম নাম আর কইও না
পারের কড়ি লইবা যদি লও!!!
হাসিনার মূকৈ আন্দোলনের সংগা শুইনা মনে পড়ল গানটা
এত মিথ্যুক এত মুনাফেক এত বেঈমান এত পাল্টি খাওয়া লোক পৃথিবীতে আর কোন দলে আছে কিনা সন্দেহ!!!