| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পবিত্র মক্কা নগরীতে বসানো হচ্ছে অভূতপূর্ব এক ঘড়ি। এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঘড়ি। এমনকি লন্ডনের বিগবেনের চেয়েও ৫ গুণ বড়। সারা বিশ্বের মুসলমানদের নতুন একটি সময় উপহার দেয়ার জন্য মক্কার সর্বোচ্চ ভবন আবরাজ আল-বাইত কমপ্লেক্সে স্থাপন করা হচ্ছে এটি। এর আলোর রোশনাই জানান দেবে নামাজের সময়।
আর তা দেখা যাবে ৩০ কিলোমিটার দূর থেকেও। সৌদি আরব আশা করছে, চতুর্মুখী এ নতুন ঘড়ি মক্কাকে গ্রিনিচ মান সময়ের বিকল্প সময় প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ’র তথ্যমতে, পবিত্র রমজানের শুরুর দিনে এ ঘড়িটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার কথা। পবিত্র হেরাম শরীফের ৪০০ মিটার উপরে চতুর্মুখী ওই ঘড়িটির প্রতি পাশে আড়াআড়িভাবে ৪৬ মিটারে (১৫১ ফিট) আধুনিক প্রযুক্তির উজ্জ্বল টাইলস বসানো হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি আরবের সর্বোচ্চ এ ভবনটির উচ্চতা হবে ৬০১ মিটার (১৯৮৩ ফিট)। এর ফলে তাইওয়ানের ৫০৯ মিটার উচু তাইপে ১০১কে ছাড়িয়ে এ ভবনটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভবন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। তবে এটি থেকে দুবাইয়ে নির্মিত বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফা (৮২৮ মিটার)’র উচ্চতা অনেক বেশি। ২৫০ জন উচ্চ প্রশিক্ষিত মুসলিম কর্মী ঘড়িটির ফ্রেমের কাজ করেছেন। লন্ডনের বিখ্যাত বিগবেন ঘড়ির ব্যাসের চেয়ে এ ঘড়িটির ব্যাস ছয়গুণ বড়। এর সামনে আরবি হরফে লেখা থাকবে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’। এর নিচে স্থাপন করা হচ্ছে ২০ লাখ উজ্জ্বল আলোর বাতি। ঘড়িটির উপরের দিকে স্থাপন করা হচ্ছে ২১০০০ সাদা ও সবুজ রঙের বাতি। প্রতিদিন পাঁচ বার নামাজের সময় সঙ্কেত দিতে এটি জ্বালানো হলে ৩০ কিলোমিটার দূর থেকে তা দেখা যাবে। মুসলমানদের বিশেষ দিনগুলোতে লম্বালম্বিভাবে স্থাপিত ১৬টি লাইট আকাশের দিকে ১০ কিলোমিটার উঁচুতে আলো নিক্ষেপ করবে। এ বিশেষ ঘড়ি সম্পর্কে মক্কার একজন বাসিন্দা বলেছেন, পর্যাপ্ত তথ্য এখনও প্রকাশ না করা হলেও সবাই এখন এ ঘড়িটির ক্যারিশমা দেখতে উদগ্রীব। আবরাজ আল-বাইত কমপ্লেঙের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এ ঘড়ির বিষয়ে সব কিছু গোপন রাখছে।
নির্মানাধীন সময়ের দৃশ্য![]()
ঘড়ি নির্মানকাজ এর দৃশ্য![]()
রাতের বেলায় ঘড়িটি দেখতে এমনই![]()
উপর দিকে আলো নিক্ষেপের দৃশ্য![]()
দিনের বেলায় পবিত্র হেরাম শরীফ এর পাশ থেকে![]()
দূর থেকে ঘড়ির একটি অংশ![]()
ঘড়ির উপর দিক থেকে তোলা ছবি![]()
লেখাঃ মানবজমিন থেকে (সম্পাদিত)
ছবিঃ সংগ্রহীত
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:২২
লুমেন সরদার বলেছেন: ধন্যবাদ।
২|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২৯
নতুন বলেছেন: হজ্ব এখন ধীরে ধীরে ৫তারা পয`টনে পরিনত হইতেছে...
এখনো অনেক দেশে মানুষ না খেয়ে মারা যায়.. আর এরা নতুন নতুন বাহানা বানায় পয়সা খরচার জন্য...
এই ঘড়ি লোক দেখানো ছাড়া আর কি কাজে আসবে?
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:২৬
লুমেন সরদার বলেছেন: ভাই একটা কথা বলি আপনি জানেন কি সৌদির যাকাতের টাকা না হইলে মধ্য প্রচ্যার অবৈধ শ্রমিকরা দেশে ফিরতে পারেনা, সে দেশে কেউ গরিব থাকা টাও অন্যায় সেখানে আইন আছে কেউ গরিব থাকতে পারবেনা।
আর উচা বিল্ডিং সম্পর্কে বলি, নবী জি ভবিষৎ বানী করে ছিলেন আরবের রাখালের কেয়ামতের আগে আগে কাবার আসে পাসে উচু ভবন নির্মানের প্রতিযোগিতায় নামবে।
সুতারং কিছু করার নাই, এই রকম পয়সা সব দেশই খরচ করে, আমাগো দেশে কিচ্ছুনাই সৌদির তুলনায় আমরাও কত রংঢং বানাইয়া রাখি রাস্তার মোড়ে মোড়ে।
৩|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩০
developersend বলেছেন: GOOD
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:২৭
লুমেন সরদার বলেছেন: আপনাকে ধইন্যা, আপনার হেলিস্কুটার ভালা লাগসে।
৪|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩৫
হিমচরি বলেছেন: দারুন--- নতুন কিছুর সুচনা হচ্ছে-- ধন্যবাদ ভাই, শেয়ার করার জন্য।
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:২৭
লুমেন সরদার বলেছেন: এই সুচনাই হয়তো শেষ দিবসের আহবান।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২৯
জাহিদ গাছবাড়ী বলেছেন: wow,