| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটা পরিচিত গল্প আছে যে,
এক ছাত্রকে এক লোক বললেন যে, পড়লেই কি আর পাস হয়? এরপর ছেলেটা টপ গ্রেডে পাস করলো। লোকটা বললেন, পাস করে তো কতজন ই, ভালো কোথাও চান্স আর কয়জন এর হয়! এরপর ছাত্রটা খুব ভালো কোথাও টিকে গেলে লোকটা বললেন, টিকলেই হয়? বাইর হইয়া কি করতে পারে দেখা যাইব। এরপর ছেলেটা চাকুরি পেল। লোকটা বললেন, চাকুরী নাহয় পাইলা, বেতন পাইবা না দেইখো। এরপর ছেলেটা প্রথম মাসেই পুরো বেতন পেল এবং লোকটাকে মিস্টি খাওয়াতে গেল। খুব জোড়াজুড়ি করার পর লোকটার মুখে মিস্টি দিতেই লোকটা মুখ থেকে তা ফেলে দিয়ে বললেন, "এই বেয়াদবের বাচ্চা, তুমি কি আমায় খুন করবে? জানোনা আমার ডায়াবেটিস?"
মূল টপিক এ আসি, আমি SSC এবং HSC তে রেজাল্ট ভালো করতে না পারায় "ঘ" ইউনিট এর কোচিং করে যখন ৯৪ তম হয়ে একাউন্টিং পেলাম, আমার মা কে আমাদের পাশের বাড়ির আন্টি এসে শুনিয়েছিলেন, ওগুলো ঘ ইউনিট এর কোচিং করলে আমাদের ধ্ববল (ছদ্মনাম_ আন্টির ছেলে) ও চান্স পাইতো। আর একাউন্টিং কি কোন সাব্জেক্ট হইলো? প্রাইভেট এ পড়ে তো কি, আমার ছেলে তো সায়েন্স এর সাবজেক্ট এই পরতেছে...
নিজেরে সান্ত্বনা কি দিবো, আর আন্টিরে নিয়া কি ভাববো বুঝতেছিনা.....
হে ঈশ্বর, আমাকে ধৈর্যচ্যুত করিও নআআ....
২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১৭
রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: কিছু মানুষ ঐ চক্রেই থাকে। শেষে অন্যের জন্য খারাপ ভাবতে ভাবতে কোনটাই না মিললে - ঐ লোকের ছেলে/মেয়ের পিছেই আবার নতুন করে লাগে।
এইসব মানুষ - একই সাথে মজাও দেয় উলটাপালটা কথা বলে, আবার বিরক্তও করে।
৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১৭
রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: কিছু মানুষ ঐ চক্রেই থাকে। শেষে অন্যের জন্য খারাপ ভাবতে ভাবতে কোনটাই না মিললে - ঐ লোকের ছেলে/মেয়ের পিছেই আবার নতুন করে লাগে।
এইসব মানুষ - একই সাথে মজাও দেয় উলটাপালটা কথা বলে, আবার বিরক্তও করে।
৪|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৯
মুর্খ পন্ডিত বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই মোটিভেট করার জন্য ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৪
প্রামানিক বলেছেন: ভাই চেইতেন না ধৈর্য ধরেন। আন্টির জবাব আল্লাই দিয়ে দিবে।