| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জীবনে চলার পথে কঠিন কোন মুহূর্তের সম্মুখীন হয়ে কষ্ট পেয়ে যে জল চোখ থেকে মুখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে তার নাম কান্না!
হঠাৎ অনাকাঙ্ক্ষিত খোশখবরি পেয়ে অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে কেউ যখন কাঁদে সেটাও কান্না!
মাঝরাতে নিস্তব্ধতাকে সঙ্গী করে অন্ধকার কক্ষে শুয়ে থাকা মানুষগুলোর অনুমতি ছাড়াই নিশ্চুপ টুপটুপ করে বালিশে ঝরে পড়া নয়নজলকেও কান্না বলে!
সব কান্নায় জলের উৎস এক জায়গায় (চোখ) হলেও কষ্টের উৎসে রয়েছে প্রচুর ভিন্নতা!
পঞ্চইন্দ্রিয়ের দ্বারে পার্থিব কোন সুখের অনুভূতি অনুভূত হলে খিলখিল করে হাসাকে হাসি বলে!
দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে প্রিয়মুখের সাক্ষাত লাভে লাজুক ভঙ্গিতে নিচের দিকে তাকিয়ে মানসিক শান্তি প্রকাশ করাও এক প্রকার হাসি!
অধিক শোকে পাথর হয়ে কিছু লোক পাগলপ্রায় হয়ে ভেঁজা গলাই হেসে দেই তাও আবার হাসি!
ভীষণ ব্যস্ততায়, কাজের ফাঁকে সময়ের অন্তরালে ও বর্তমানের আড়ালে ঢেকে যাওয়া ফেলে আসা অতীতের সুখকর কোন স্মৃতি স্মৃতিচারণ করতে করতে লোকচক্ষুর পিছনে ঠোঁট চেপে মৃদু হাসাও হাসির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত!
কেউ হাসে কিন্তু হাসেনা, হাসিকে সে ভাল থাকার নিদর্শন সরূপ জনসম্মুখে ব্যবহার করে!
এ হাসি হাসি নয়, এ হাসি নিজেকে ভুলে যাবার ও নিজের অভ্যন্তরীণ কষ্ট লুকাবার একমাত্র অস্ত্র!
কেউ কাঁদে কিন্তু কাঁদেনা, বেলা অবেলায় কাঁদতে কাঁদতে সে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে তাই অমনিতেই তার চোখ দিয়ে জল গড়ায়!
এ জল দিয়ে সে মনের আগুন নিভায়! এ জলে সে ভিন্ন কোন সত্ত্বাকে প্রতিনিয়ত খুঁজে বেড়ায়!
©somewhere in net ltd.