নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে.....

মহলদার

মহলদার

এ মাটি ছিনিয়ে নিতে কত বার ঝড় উঠেছে এ মাটি ভাসিয়ে দিতে কত বার বান ডেকেছে কত যে বুকের পাজর আড়াল করে রুখল সে ঝড় কত যে শোণিত ঢেলে ঊষর মাটি প্রাণ পেয়েছে মাটিতে জন্ম নিলাম মাটি তাই রক্তে মিশেছে

মহলদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাছের নাম নাপতে খলিসা।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৩





বাংলাদেশে মাছের প্রজাতির যেমন রয়েছে প্রাচুর্যতা তেমনি আছে এর নামের বৈচিত্র্য। এই মাছটির নাম নাপতে খলিসা। তবে অঞ্চলভেদে এর বিভিন্ন নাম প্রচলিত রয়েছে যেমন- নাপিত, বেউকুল, নাপতানি, মধুমালা, নাপতে খয়রা প্রভৃতি। Osphronemidae পরিবার আর Perciformes বর্গের অন্তর্গত মাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Ctenops nobilis। এরা লম্বায় ৮-১০ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এর দেহ লম্বাটে, বেশ চাপা। মুখ সুঁচালো, নিচের চোয়াল লম্বা। পৃষ্ঠ ও পায়ু পাখনার কাঁটা বেশ শক্ত। পুছ পাখনা গোলাকার। আঁইশ চিরণ্যকার (ctenoid)। গায়ের রং বাদামী-কালো এবং চোখ থেকে পুচ্ছ পাখনার গোড়া পর্যন্ত একটি রূপালী-সাদা দাগ থাকে। এরা খাল, বিল, হাওড়, বাওড় ও পুকুরে বাস করে। শীতকালে কচুরিপানার শেকড়ের মধ্যে এদের পাওয়া যায়। মাছটি সাধারণত খাওয়া হয়না তবে এ্যাকুরিয়ামে পোষা যায়। বর্তমানে মাছটি খুবই কম চোখে পড়ে।







তথ্য সহায়তাঃ ইন্টারনেট।

ছবিঃ লেখক।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: +++++

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৫

মহলদার বলেছেন: সশ্রদ্ধ ধন্যবাদ জানবেন।

২| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৩

দুরন্ত মানুষ বলেছেন: আজকে প্রথম মাছটি দেখলাম এবং নাম শুনলাম।

মনে হয় এই মাছটি বিলুপ্ত প্রজাতির একটি মাছ। :) ;)

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩১

মহলদার বলেছেন: মাছটি আইইউসিএনের বিদ্যমান রেডলিষ্টে (বিপন্ন তালিকায়) এখনো যায়নি(অনেক আগে করা তালিকা সেজন্য হয়ত)। তবে বাংলাদেশের অনেক তালিকাভূক্ত বিপন্ন মাছের চেয়েও এদের বেশ কম দেখা যায়। কাজেই এর অস্তিত্বের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।

৩| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৩

দুরন্ত মানুষ বলেছেন: আজকে প্রথম মাছটি দেখলাম এবং নাম শুনলাম।

মনে হয় এই মাছটি বিলুপ্ত প্রজাতির একটি মাছ। :) ;)

৪| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৪

তিসা১ বলেছেন: ঠিক এই ধরনের মাছ আমার বাসায় আছে।





০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৯

মহলদার বলেছেন: আপনার কথা ঠিক হতে পারে। এই প্রজাতির মাছটি এ্যাকুরিয়ামে ও পোষা যায়। মূল লেখায় আমি তথ্যটি দিতে ভুলে গেছি। যোগ করে দিচ্ছি। আমাদের দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ যেগুলো আমাদের খাল-বিলেই পাওয়া যায় সেগুলো কিন্তু বাইরের দেশ থেকে আমাদের দেশে আসে আর আমরা অনেক দাম দিয়ে সেগুলো কিনি এ্যাকুরিয়ামের জন্য। আমাদের দেশে এ্যাকুরিয়ামে পোষা যায় এরকম অনেক প্রজাতির মাছ আছে ঠিকই কিন্তু এগুলো চাষ/বিক্রির বাণিজ্যিক কোন উদ্যোগ নেই। ধন্যবাদ জানবেন।

৫| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৫

হামানিদস্তা বলেছেন: নাপতে খলিসা খেয়েছি কিনা মনে নেই ;

তবে সাধারন খলসে মাছের ঝোল আর ভাজি যা মজা ; ভুলতে পারিনা ।

এখন বাযারে পাওয়া যায়না , তাই অনেকদিন খাই না ।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৭

মহলদার বলেছেন: নাপতে খলিসা মাছটি সাধারণত খাওয়া হয়না, তবে এ্যাকুরিয়ামে এদের পোষা যায়। আপনি কোন এলাকায় আছেন জানিনা, তবে খলসে মাছ হাওর অঞ্চলে কিন্তু এখনো যথেষ্ট পাওয়া যায়। একথা ঠিক, দেশের অনেক জেলাতেই খলসে মাছও কম পাওয়া যায়। অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৬| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৬

হামানিদস্তা বলেছেন: নাপতে খলিসা খেয়েছি কিনা মনে নেই ;

তবে সাধারন খলসে মাছের ঝোল আর ভাজি যা মজা ; ভুলতে পারিনা ।

এখন বাযারে পাওয়া যায়না , তাই অনেকদিন খাই না ।

৭| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: প্লাস ভাইজান।
দেশীয় মাছকে এত সুন্দর করে উপস্থাপন করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আরো লেখা চাই।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৭

মহলদার বলেছেন: ধারাবাহিক ভাবে লেখার প্রচেষ্টা থাকবে। আমার আগের পোষ্ট গুলোতে ও দেশীয় মাছের উপর লেখা পাবেন।
ধন্যবাদ আপনাকেও।

৮| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৪

ত্রিশোনকু বলেছেন: নাম শুনেছি ফিস রিসার্চ ইনসটিটিউট, ময়মনসিং ও IUCN এ। আজকেই প্রথম দেখলাম। ধন্যবাদ।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩০

মহলদার বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১

রেডসিগনাল বলেছেন: আগে আমাদের যমুনায় ভারত থেকে এতই কচুরী পানা আসতো বর্ষা মৌসুমে নৌকা বাইতে কষ্ট হত,বর্ষার শেষের দিকে এই সব কচুরী পানা বিভিন্ন জলাশয় এবং ডোবা আটকা পরে যেত শুকনা মৌসুমে এই সব জলাশয়ের পানি ফুরিয়ে গেলে,এই ছোট মাছ গুলো দেখা যেত, তবে কেউ খাইতো না । এখন কুচুরীপানা ফুরিয়ে যাবার কারণে খুব একটা দেখা যায় না ।
তবে এই মাছ গুলোকে অল্প তেলে ভাজি করে বেশী করে রসুন দিয়ে ভর্তা ( চাষনী ) + কার্তিক মাসের নতুন ধানের গলা ভাতের সঙ্গে খাইতে মজা ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৯

মহলদার বলেছেন: "তবে এই মাছ গুলোকে অল্প তেলে ভাজি করে বেশী করে রসুন দিয়ে ভর্তা ( চাষনী ) + কার্তিক মাসের নতুন ধানের গলা ভাতের সঙ্গে খাইতে মজা ।" - একবারে জিভে জল এনে দিলেন:)

১০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৪

ইউনুস খান বলেছেন: আমি ময়মনসিংহের। আমাদের এলাকায় এই মাছটা প্রচুর দেখা যেতো। আমিই অনেক ধরেছি। মাছটা কেউ খেতোনা তাই পানির উপরে ফেলে দিতাম। এখন বুঝি মাছটাকে আমরাই শেষ করে দিসি। এখন আর আগের মতো চোখে পড়েনা।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৫

মহলদার বলেছেন: আমি মৎস্যজীবিদের সাথে কথা বলতে গিয়ে দেখেছি যারা অল্প বয়স্ক মৎস্যজীবি তাদের অনেকেই এই মাছটি চেনেই না। ঠিকই বলেছেন, আমরাই ওদের শেষ করে দিচ্ছি।

১১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০০

আরিফ সিদ্দিকি বলেছেন: ধন্য হোন আপনি ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৮

মহলদার বলেছেন: আমার পোষ্ট পড়ায় ধন্য হলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.