| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অচিন মানব
দৃষ্টির সিমানা ছেড়ে উড়ে যায় চিঠি ইথারে-বিথারে, প্রতিধ্বনিত শব্দ, ফুল, ভালবাসা সৃজনে-মননে। কাল হতে কালান্তরে ছুটে চলা ঊল্কা ক্ষ্ত-বিক্ষ্ত, তবু অধরা স্বাপ্ন-মায়াজাল।
ধীরে ধীরে ম্লান হচ্ছে
ভবিষ্যতের গোধূলি
নামছে গভীর নিশী,
তবু সে চায়
আর ও কিছু কাল যদি
কেটে যায় সে গোধূলির স্নানে।
ক্ষণে ক্ষণে ছিন্ন হইতাছে
বাসনার রঙ্গিন আকাশ,
তবু সে চায়
আশার বাণীরা শুধু কথা হয়ে থাক।
দেখিতাছে সে
ভাঙ্গিতাছে পার
জীবনের খরস্রোতা নদী,
তবু সে চায়
বাঁধিবে সেথায় নতুনেরই বাঁধ।
সামনে তাহার ধূ ধূ বালির বসতি
আর সেথায় গোরাস্থলি হুতাশনের,
তবু সে চায়
সুশোভিত সুতীব্র সবুজ অরণ্য।
বুঝিতে পারে চলিতাছে
সভ্যতার নামে কাল হরিণের নাচানাচি,
তবু সে চায়
সভ্যতার আসল সোনার হরিণ।
চেয়ে আছে সে পরে থাকা
সেই সব অন্তলীন কুশার ভিটায়
যাহারা ইতস্তত বিধস্ত চিরকাল,
তবু সে চায়
কুয়াশা ভেদে সেথায় পরুক
এক চিলতি সূর্যের আলো।
ক্ষুদ্র স্বার্থ, হানহানি
ছিঁড়ে দিল সম্প্রতির সুতা
শান্তিটুকু কেড়ে নিল
অযৌক্তিক উন্মাদনা আর পরহিংসাপরণতা,
তবু সে চায়
সন্ত্রাস বিরোধ ম্লান করে
আসে যেন এক স্বপ্ন সুষমা।
©somewhere in net ltd.