| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৯৭৩ সালের ৩০ নভেম্বর েএকটি আক্িমক সরকারী ঘোষনায় দালাল আইনে সাজাপ্রাপ্ত এবং বিচারাধীন সকল আটক ্ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যাক্তির প্রতি সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করা হয়। ইতিপূরবকার সমস্ত প্রতিশ্রতি, জনসভায় ক্রন্দন, মানব সমাজ ও ইতিহাসের কাছে দায়ী থাকার ভীতি প্রকাশ করে দেয়া বক্তব্য প্রতিজ্ঞা ইত্যাদি বিস্ম্ৃত হয়ে শেখ মুজিবর রহমান ব্যাক্তিগতভাবে নিদ্দেশ দেন যেন এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত দালালকে ছেড়ে দেওয়া হয়, যাতে তারা দেশের তৃতীয় বিজয় দিবস পালনের উৎসবে শরীক হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী এই দালালদের দেশ গড়ার কাজে সামিল হওয়ার জন্যও আহ্বান জানান।
সাধারন ক্ষমা ঘোষনার এক সপ্তাহের মধ্যেই মালেক মন্ত্রীসভার সদস্যবগ্, কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটি এবং শান্তি কল্যান পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং বুদ্দিজীবি হত্যার চক্রান্তকারী দালালসহ মূল স্বাধীনতা বিরোধীরা জেল থেকে বেবিয়ে আসে।
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ তরুন মুক্তিযোদ্ধা রুমির মা লেখিকা জাহানারা ইমাম বলেছেন, ‘গনহত্যা, বুদ্ধিজীবী হত্যায় যাদের ভূমিকা সুস্পষ্টভাবে প্রমানিত হয়েছিল, স্বাধীনতার পরপরই তাদের ফাসি হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সাধারন ক্ষমার জন্য তা হয়নি। তৎকালীন সরকারের সাধারন ক্ষমা ঘোষনা না করা হলে ঘাতকরা নিজেদেরকে সমাজে পূনরবাসিত করার সুযোগ পেতনা।
প্রখ্যাত সাংবাদিক শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার বলেন, বরতমানে রাজাকার আলবদরদের যে দৌরাত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে তা শেখ মুজিবের সাধারন ক্ষমারই ফল। ওই ক্ষমা ছিল বিচার বুদ্ধিহীন। সেদিন সরকার যদি ঘাতকদের বিচারকরে সাজাদিত, তাহলে আজ এ অবস্থা হতনা।
পান্না কায়সার বলেন, আওয়ামীলীগের প্রথম সারির কোন নেতা যুদ্ধে আপনজন হারাননি। ফলে স্বজন হারানোর ব্যথা তাদের জানা ছিলনা। ঘাতকদের তারা সহেজে ক্ষমা করে দিতে পেরেছিলেন। তাই আজ খালেকের মত ঘাতকরা বুক ফুলিয়ে সমাজে ঘুরে রেড়াচ্ছে। আমার মেয়ে যখন খালেকের বই পড়ে নানা প্রশ্ন করে, আমি উত্তর দিতে পারিনা।
সূত্র: একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়, মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র ; পৃষ্টা ২২-২৪
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৬
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অথচ তারাই কলকাতার আয়েশী জীবন ছেড়ে এসেই নাকি চেতনার বেশি রকম বাড়াবাড়ি প্রকাশ করছিল!!!!
যার প্রতিবাদ করেছিলেন জহির রায়হান জাতীয় প্রসক্লাবে দাড়িয়ে...
আর তাদেরই হাতে তাঁকেও শহীদ হতে হল!!!
চেতনার দলীয়করণ, কপিরাইট প্রটেকশনই যত নষ্টের গোড়া!!!
অথচ এখনও সেই চক্রই চেতনার হোলসেলের বাড়াবাড়ি রকম বাড়াবাড়ি জাতিকে মূখোমূখি দাড় করিয়ে দিচ্ছে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
দু:খজনক!