| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে বর্বর পাকস্থানীদেরকে পরাজিত করে। গ্রাম বাংলার অগুনিত মানুষ আত্নত্যাগ করেছে পাকিস্থানীদের শোষন থেকে মুক্তি ও একটি ইনসাফ ও ন্যায় ভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে। সুতরাং মুক্ত জীবনের স্বাদ পাওয়া মানুষ ১২০০ মাইল দুরের পাকিস্থানের কাছে ফিরে যাবে তা অবাস্তব কল্পনা ছাড়া আর কি বা বলা যায়।
স্বাধীনতা বিসর্জন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য সংসদে প্রয়োজনীয় সংখ্যগরিষ্ঠতা জামাত/মুসলিম লীগ এদের পক্ষে কি অর্জন করা কি সম্ভব? প্রশ্নই আসেনা।
বরং দেশে গনতন্ত্র, সমাজে ইনসাফ কায়েম, গনমানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সর্বপরী সকল নগরিককে রাষ্টের নাগরিক হিসাবে গন্য করবার জন্য রাষ্টকে বাধ্য করতে দলমত নিব্বিশেষে সকলের একযোগে কাজ করা কর্তব্য।
পাকিস্থানি হায়নাদের স্থলে এদেশের কতিপয় রক্ত পিপাসু তথাকথিত শিক্ষীত/অর্ধশিক্ষীত রাজনৈতিক নেতা, আমলা, ব্যবসায়ী, দালাল বুদ্ধিজিবী সুবিধাভোগী শ্রেনী যাতে করে গনমানুষের কাধে চেপে বসতে না পারে সে জন্য দেশ প্রেমিক সকলকে সজাগ থাকতে হবে।
বর্তমানে দেশে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজমান তা রোধ করবার জন্য সকল দলের সমর্থকদের নেতাদের উপর কঠিন চাপ তেরী করা দরকার অন্যাথায় আমাদের অবস্থা সুদান, পাকিস্থান, আফগানিস্থান কিংবা সিরিয়ার মত হতে বেশি সময় লাগবেনা।
২|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩১
েফরারী এই মনটা আমার বলেছেন: আজকে আমাদের ভাবার সময় হয়েছে কে আমাদের আপন,কে পর। কে আমাদের শুভাকাঙ্খী , কে নয়। কে বন্ধু, কে বন্ধু বেশে শত্রু।আমরা সকলেই জানি যে,
আমাদের দেশের কোন রাজনৈতিক দলের কোন নেতাই দেশ বা জনগনের জন্য রাজনীতি করে না, আদর্শে জন্য করে না ।সবাই নিজের জন্যেই রাজনীতি করে । বড়জোর নিজ পরিবারের জন্য ,দলের জন্য করে । সে বর্তমান প্রধানমণ্ত্রীই হোক আর বিরোধীদলীয় নেত্রীই হোক,এরশাদ সাহেবই হোক আর সাবেক প্রেসিডেন্ট বদরূদ্দোজা চৌধূরীই হোক। সে ৭১'রণান্গনে বীর যোদ্বা আবদুল কাদের সিদ্দীকিই হোক আর দেলোয়ার হোসেন সাইদীই (দেইল্ল্যা রাজাকার) হোক। সাকাচৌই হোক আর তেতুঁল হুজুর(যদিও এদের নামের সাথে হুজুর শব্দটি লেখা ঠিক নয )শফি সাহেবই হোক। এদের মধ্যে কেউ একত্তরের চেতনা ফেরী করে বন্ধু বেশে শত্রু প্রতিবেশী দাদাদের আশির্বাদের(!) জন্য দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেয়,কেউ বা জাতীয়তাবাদী চেতনা ফেরী করে বন্ধুবেশি শত্রু , বিশ্ব সন্ত্রাসী মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের আস্থা অর্জনের জন্য সবকিছু করার অন্গীকার করে,কেউ ইসলাম রক্ষার দোহাই দিয়ে জণগনের জানমালের ক্ষতি করে বেড়ায় ইত্যাদি ইত্যাদি ।এরা সকলেই এক ও অভিন্ন আদর্শে (?) বিশ্বাসী। সেটা হলো দেশ ও জাতীর জন্য সর্ব্বোচ্চৌ ত্যগের কিছু গৎবাধাঁ বুলি আওড়াও , জণগন নামক একদল গাধাঁর সামনে একগাদা মিথ্যা আশ্বাসের মুলা ঝুলিয়ে ছলে বলে কৌশলে ক্ষমতায় যাও । তারই ফল আজকের এই জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি ।সুতারাং এখন সময় এসেছে আমাদের সাবধান হওয়ার। নয়তো আরো কঠিন পরিণতি আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে।
বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের সকল মুসলমানের জন্য জরুরী....
Click This Link
৩|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৪৯
ভালোরনি বলেছেন: বাংলাদেশকে পাকিস্থান বানানো সম্ভব নয়
কিন্তু ভারতের বশ রাজ্য বানানো সম্ভব
৪|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৩:৩৭
অাতাউর বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৮
বিশ্বাস করি 1971-এ বলেছেন: সহমত!