নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শান্তি প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসুন।

সবার সাথে মিলে কাজ করতে চাই

শান্তি প্রিয়

আমি প্রবাসী

শান্তি প্রিয় › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামে যিনার নিষেধাজ্ঞা

১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

যিনা বা ব্যভিচার বলতে বুঝায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ বন্ধন ছাড়া অবৈধ পন্থায় যৌন তৃপ্তি লাভ করাকে। ইসলামী শরীয়াতে অবৈধ পন্থায় যৌন সম্ভোগ সম্পূর্ণ হারাম এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।



যিনার বিধান:

ইসলামের মূল লক্ষ্যসমুহের মধ্যে অন্যতম লক্ষ্য হল, মানুষের ইজ্জত-আবরু ও বংশের হেফাজত করা। যিনার মাধ্যমে ইসলামের এ মহান উদ্দেশ্য বিঘ্নিত হয় বিধায় ইসলামে এটি হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং যে সব মানবিক অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে এটি তন্মধ্যে গুরুতর ও অন্যতম। ব্যভিচার একটি মহাপাপ যা অনেকগুলো অপরাধের নায়ক। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন: "তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটি অশ্লীল কাজ ও অসৎ পন্থা।" (সূরা বনী ইসরাঈল: ৩২)

তিনি অন্য স্থানে বলেন: "কোন রকম অশ্লীলতার কাছেও যেও না তা প্রকাশ্যে হোক বা গোপনে হোক।" (সূরা আল-আনয়াম: ১৫১) অশ্লীল কাজসমূহের মধ্যে যিনা বা ব্যভিচার সর্বাধিক অশ্লীল কাজ। ইসলাম পর্দার বিধান পালন, দৃষ্টি অবনতকরণ ও পরনারীর সাথে নির্জনে অবস্থান নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে ব্যভিচারের পথ ও মাধ্যম রুদ্ধ করে দিয়েছে।



যিনার কুফল:

যিনা বা ব্যভিচারের কারণে মানুষের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিভিন্ন ধরণের কুফল বয়ে আনে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল: (১) যিনাকারী বিভিন্ন ধরণের রোগে আক্রান্ত হয়। বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এ কথা অনস্বীকার্য যে, যিনা-ব্যভিচারের মাধ্যমে প্রাণঘাতি বিভিন্ন যৌন রোগ সৃষ্টি হয় যার মধ্যে মরণঘাতি এইডস্ (এইচ, আই, ভি), সিফিলিস, গণোরিয়া, মেহ-প্রমেহ, ক্ষয়রোগ ইত্যাদি প্রধান। (২) ব্যভিচারের কারণে যৌন সম্ভোগের বৈধ পথ রূদ্ধ হয়ে যায়; এর মাধ্যমে বিবাহ, পরিবার, সন্তানসন্তুতির প্রতি মানুষের অবজ্ঞা সৃষ্টি হয়। ফলত: আবহমান কাল ধরে চলে আসা পরিবার প্রথা ধ্বংস হতে বাধ্য হয়। (৩) যিনা মানুষ ও চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যকার বিভেদ উঠায়ে দেয়, এ দুই শ্রেণীর মধ্যে মূল পার্থক্য হল- চতুষ্পদ জন্তুর যৌনসঙ্গমের কোন নির্দিষ্ট পরিসর নেই, কিন্তু মানুষের জন্য এ পরিসর সীমিত। তাই মানুষ যখন যিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তখন এ পরিসরের দেয়াল টপকে মানুষ চতুষ্পদ জন্তুতে পরিণত হয়। এ শ্রেণীর মানুষের দৃষ্টান্ত দিয়ে আল্লাহ বলেন: "তারা খায় ও আনন্দ উপভোগ করে যেমন আনন্দ উপভোগ করে চতুষ্পদ জানোয়ার।" (সূরা : মুহাম্মদ ১২) (৪) যিনাকারীর লজ্জা থাকে না। যৌন পিপাসা মিটানোর নেশায় সে সাধারণ মানবিক লজ্জা-শরম হারিয়ে ফেলে। বৈধ-অবৈধের মধ্যে কোন পার্থক্য তার কাছে আর থাকে না। (৫) মানুষের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে যিনা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।



যিনাকারীর পার্থিব শাস্তি:

যিনাকারীর ধরণ ও শ্রেণীভেদে ইসলামী শরীয়াত বিভিন্ন শাস্তি নির্ধারণ করে। যেমন:

(১) যিনাকারী যদি অবিবাহিত হয় এবং বিবাহ না করে অবৈধ সংগমে রত হয় তবে তাকে একশত বেত্রাঘাত করতে হবে। একদল মুমিন তাদের এ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে বিধায় তারা মানব সমাজে চরম অপমানিত হবে। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন: "ব্যভিচারী নারী ও পুরুষ উভয়কে তোমরা একশত বেত্রাঘাত করবে; আর আল্লাহর বিধান কার্যকর করার ক্ষেত্রে তোমাদের অন্তরে যেন তাদের প্রতি দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর মুমিনদের একটি দল অবশ্যই তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।" (সূরা আন্ নূর: ২)

(২) যিনাকারী যদি বিবাহিত হয় তবে তাকে জঘণ্য ও কঠিন শাস্তি দেয়া হবে। তাকে প্রস্তারাঘাতে (রজম করে) হত্যা করা হবে। যাতে সে নিজ কৃতকর্মের প্রতিফল ভোগ করে এবং তার শরীরের প্রতিটি অংগ ঐরূপ কষ্ট অনুভব করে যেরূপ হারাম কাজে সে আনন্দ অনুভব করেছিল। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহর বাণী রয়েছে; তিনি বলেন: "যদি বয়স্ক নারী ও পুরুষ যিনা করে তবে তাদের উভয়কে প্রস্তরাঘাতে হত্যা কর। তারা যে অর্জন করেছে তার প্রতিফল স্বরূপ।" বিভিন্ন সহিহ হাদীসের মাধ্যমে এ শাস্তি স্বীকৃত। মুসলিম শরীফে মায়াজ বিন মালিকের রজম সংক্রান্ত বোরাইদা (রা) এর হাদীস থেকে এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত।



যিনাকারীর পরকালীন শাস্তি:

যিনাকারীর পরকালীন শাস্তি বর্ণনায় হাদীস শরীফে এসেছে; "যিনারাকীরা উলংগ অবস্থায় এমন এক চুলার মধ্যে থাকবে যার অগ্রভাগ হবে অত্যন্ত সংকীর্ণ আর নিম্নভাগ হবে প্রশস্ত উহার তলদেশে অগ্নি প্রজ্বলিত থাকবে তাদেরকে তাতে দগ্ধ করা হবে। তারা মাঝে মধ্যে সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার কাছাকাছি অবস্থায় পৌছে যাবে; অত:পর আগুন যখন স্তমিত হয়ে যাবে তখন তাতে তারা আবার ফিরে যাবে। আর তাদের সাথে এই আচারণ কেয়ামত পর্যন্ত করা হবে।" (বুখারী)



বৃদ্ধ যিনাকারীর শাস্তি:

বাধ্যর্কে উপনীত কোন ব্যক্তি যদি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তবে তার শাস্তি আরো কঠোর ও নির্মম হবে। আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: "আল্লাহ তিন ধরণের মানুষের সাথে কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না, তাদেরকে পবিত্রও করবেন না এবং তাদের প্রতি তাকাবেনও না। আর তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি; তারা হল, বৃদ্ধ যিনাকারী, মিথ্যাবাদী বাদশাহ ও অহংকারী ফকীর।"



ব্যভিচারিণীর উপার্জন:

সবচেয়ে নিকৃষ্ট উপার্জন হল- ব্যভিচারিণীর ঐ উপার্জন যা সে ব্যভিচারের মাধ্যমে অর্থাৎ দেহ ব্যবসার মাধ্যমে অর্জন করেছে। এ সম্পর্কে রাফে বিন খাদিজ (রা) হাদীস বর্ণনা করেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: "কুকুর বিক্রিত পয়সা নিকৃষ্ট এবং যিনাকারিণীর উপার্জনও নিকৃষ্ট।" (মুসলিম) অতএব যারা দেহ ব্যবসা করে অর্থ উপার্জন করে তাদের এ নিকৃষ্ট উপার্জন সম্পূর্ণভাবে হারাম, এ উপার্জন তাদের কোন উপকারে আসে না; এ অর্থ দিয়ে কোন কিছু করা হলে তা নিমিষেই ধ্বংস হয়ে যায়।



সমলিঙ্গ ব্যভিচার বা সমকামিতা:

যৌন সম্ভোগের এ নিকৃষ্ট পন্থা আল্লাহর নবী লুত আলাইহিস্ সালামের কওম উদ্ভাবন করেন। আল্লাহ বলেন: "লুত তার সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা এমন অশ্লীল কাজকরছ যা তোমাদের পূর্বে পৃথিবীর কেউ করিনি, তোমরা নারীদের পরিবর্তে পুরুষদের কাছে যেয়ে যৌন বাসনা পুরণ কর; তোমরা রাহাজানী কর এবং নিজেদের মজলিসে গর্হিত কর্ম কর? জওয়াবে তার স¤প্রদায় কেবল এ কথাই বলল, তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে আল্লাহর আযাব আন।" (সূরা আল-আনকাবুত: ২৯) তাদের এ নিকৃষ্ট ও জঘণ্য কাজের কারণে মহান আল্লাহ তাদেরকে চার প্রকার আযাব অবতীর্ণের মাধ্যমে ধ্বংস করেদেন; সে চার প্রকার আযাব ছিল- তাদের দৃষ্টি শক্তি বিলুপ্ত করে দেন, তাদের জনপদ উচু-নিচু করেদেন, তাদের উপর স্তরে স্তরে পাথর নিক্ষেপ করেন এবং তাদের উপর বিকট শব্দ প্রেরণ করেন। ইসলামী শরীয়াতে এ গর্হিত কাজ সম্পূর্ণ হারাম। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে এ অপকর্মে অভ্যস্ত ব্যক্তি যকৃতের প্রদাহে (Hepatitis) আক্রান্ত হয়। এ ধরণের অপকর্মের শাস্তি কোন কোন ইমামের মতে যিনার শাস্তির অনুরূপ, আবার কারো কারো মতে উক্ত দু ব্যক্তির চোখ শীশা গালিয়ে অন্ধ করে দিতে হবে।



হস্তমৈথুন বা স্বমেহন:

কোন প্রকার যৌন সঙ্গী ছাড়া নিজে বিভিন্ন পদ্ধতিতে বীর্যস্খলন করাকে স্বমেহন বা হস্তমৈথুন বলা হয়। বর্তমান বিশ্বে স্বমেহনের জন্য বিভিন্ন উপকরণও পাওয়া যায়; এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সেক্স পুতুল (Sex Doll), ইলেক্ট্রিক লিঙ্গ (Electric Penis) ইত্যাদি। এ সব পদ্ধতিতে যৌন তৃপ্তি লাভ করা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ শ্রেণীর মানুষদেরকে লা’নত দিয়েছেন।



চতুষ্পদ প্রাণীর সঙ্গে যৌন সঙ্গম:

চতুষ্পদ জন্তুর সাথে যৌন সঙ্গম বর্তমান বিশ্বে বহুল প্রচলিত এক বেহায়াপনা। তথাকথিত সভ্যতার নামধারীরা এ বিকৃত রুচির কর্মে রত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ শ্রেণীর মানুষের উপর আল্লাহ ও তার রাসূলের অভিশাপ দিয়েছেন। হাদীসের দাবী অনুযায়ী কোন কুকুর যদি কোন পাত্রে মুখ দেয় তবে ঐ পাত্রটি সাতবার ধুতে হবে এবং কমপক্ষে একবার মাটি দিয়ে ধুতে হবে। অথচ কত নিকৃষ্ট ও বিকৃত রুচির অধিকারী হলে মানুষ সেই কুকুরের সাথে দিনযাপন করতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা যায়, চতুষ্পদ জন্তুর সাথে সহবাস মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ভাইরাসের আমদানী করে যা প্রাণঘাতি রোগের সৃষ্টি করে।



যিনার প্রতি উদ্বুদ্ধকারী বিষয়সমূহের হুকুম:

চলমান বিশ্বে ব্যভিচার ও অশ্লীলতার সমস্ত পথ উন্মুক্ত হয়ে আছে। বস্তুবাদী মানুষ যারা মনে করে এই দুনিয়াই শেষ, যতটুকু পার এখানেই আনন্দ উপভোগ করে যাও তারা মানুষকে বিপদগামী করার জন্য বিভিন্ন কলাকৌশল উদ্ভাবন, নারী স্বাধীনতার নামে বেহায়াপনার প্রচলনের মাধ্যমে মানব সমাজকে বিশেষত: যুবক শ্রেণীকে ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তারা নিত্যনতুন পথ ও পদ্ধতির উদ্ভাবন করছে। অশ্লীল সিনেমা, নোংরা পত্র-পত্রিকা, পর্ণ সিডি-ভিসিডি, টেলিভিশন চ্যানেল, ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইড এসবের কারণে মানুষ যিনার প্রতি বেশী ঝুকে পড়ছে। ইসলাম কোন বিষয় হারাম করলে উক্ত হারাম বিষয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধকারী আনুষঙ্গিক বিষয়ও হারাম করে। অতএব আল্লাহর হারামকৃত যিনার প্রতি উদ্বুদ্ধকারী সব কিছুই হারাম। যদি কেউ যিনা ও উচ্ছৃঙ্খল যৌন আচরণে উদ্বুদ্ধকারী বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত হয় তবে ইসলামী বিধান মতে সে অবশ্যই শাস্তিযোগ্য অপরাধী বিবেচিত হবে।



লজ্জাস্থানের হেফাজত জান্নাতের গ্যারান্টি:

যারা অবৈধ যৌন সম্ভোগ থেকে বিরত থেকে নিজেদের লজ্জাস্থানকে অবৈধ ব্যবহার থেকে হেফাজত করে তাদের জন্য পরকালে জান্নাতের গ্যারান্টি রয়েছে। মহান আল্লাহ সফলকাম মুমিনদের পরিচয় প্রদান করতে যেয়ে বলেন: "আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহকে সংযত রাখে, তাদের স্ত্রী ও তারা যাদের মালিক হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া এতে তারা নিন্দনীয় হবে না। সুতরাং কেউ এ ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা হবে সীমা লংঘণকারী। এবং যারা আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী; আর যারা নিজেদের নামাযে যত্নবান থাকে। তারাই হবে উত্তরাধিকারী; উত্তরাধিকারী হবে ফেরদাউসের, যাতে তারা স্থায়ী হবে।" (সূরা আল-মুমিন: ৫-১১) সাহাল বিন সায়াদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী জিনিস (জিহবার) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী জিনিস (যৌনাঙ্গের) নিশ্চয়তা (সঠিক ব্যবহারের) দেবে আমি তার বেহেশতের নিশ্চায়তা দিব।" (বুখারী ও মুসলিম)





মন্তব্য ৪৭ টি রেটিং +১৭/-১২

মন্তব্য (৪৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: (১) যিনাকারী বিভিন্ন ধরণের রোগে আক্রান্ত হয়। বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এ কথা অনস্বীকার্য যে, যিনা-ব্যভিচারের মাধ্যমে প্রাণঘাতি বিভিন্ন যৌন রোগ সৃষ্টি হয় যার মধ্যে মরণঘাতি এইডস্ (এইচ, আই, ভি), সিফিলিস, গণোরিয়া, মেহ-প্রমেহ, ক্ষয়রোগ ইত্যাদি প্রধান।

যিনা আবার কি? সেক্স হল সেক্স। কন্ডম পরলে এইডস হবে না, কন্ডম না পরলে হবে। যিনার কারণে এইডস হয় আধুনিক বিজ্ঞানের কোথায় লেখা আছে?

১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২২

শান্তি প্রিয় বলেছেন: আপনি কি বলতে চান যে যিনা করা বৈধ!। আর কন্ডম ব্যবহার এইডস হয় না, আপনাকে কে বলছে? পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যারা এইডস এর রোগী তাদের কেন..? এইডসে আক্রান্ত হলো? কে না নিরাপদে থাকতে ? বলুন। মূল কথা হলো যারা অবৈধভাবে যৌনক্ষুধা নিবারণ করে তাদেরই মারণঘাতি রোগ হয়ে থাকে।

২| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: (৩) যিনা মানুষ ও চতুষ্পদ জন্তুর মধ্যকার বিভেদ উঠায়ে দেয়, এ দুই শ্রেণীর মধ্যে মূল পার্থক্য হল- চতুষ্পদ জন্তুর যৌনসঙ্গমের কোন নির্দিষ্ট পরিসর নেই, কিন্তু মানুষের জন্য এ পরিসর সীমিত। তাই মানুষ যখন যিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তখন এ পরিসরের দেয়াল টপকে মানুষ চতুষ্পদ জন্তুতে পরিণত হয়। এ শ্রেণীর মানুষের দৃষ্টান্ত দিয়ে আল্লাহ বলেন: "তারা খায় ও আনন্দ উপভোগ করে যেমন আনন্দ উপভোগ করে চতুষ্পদ জানোয়ার।" (সূরা : মুহাম্মদ ১২

হ।

৩| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: (৫) মানুষের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে যিনা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

কেমনে?

৪| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২০

হাসান মাহবুব বলেছেন: কোনো ধর্মে কি অবৈধ যৌনাচার জায়েজ আছে?

১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬

শান্তি প্রিয় বলেছেন: আমি শুধু ইসলামের বিধান উল্লেখ করেছি। কারণ ইসলামই একমাত্র সঠিক ধর্ম। অন্যান্য ধর্মেও যিনা বৈধ না। তবে অন্যধর্মাবলম্বিরা এই হীন কাজে বেশী লিপ্ত। এদের এই কুরুচীপূর্ণ কাজটি স্যাটালইটেও প্রচার করে থাকে।

৫| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২০

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: (১) যিনাকারী যদি অবিবাহিত হয় এবং বিবাহ না করে অবৈধ সংগমে রত হয় তবে তাকে একশত বেত্রাঘাত করতে হবে। একদল মুমিন তাদের এ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে বিধায় তারা মানব সমাজে চরম অপমানিত হবে। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন: "ব্যভিচারী নারী ও পুরুষ উভয়কে তোমরা একশত বেত্রাঘাত করবে; আর আল্লাহর বিধান কার্যকর করার ক্ষেত্রে তোমাদের অন্তরে যেন তাদের প্রতি দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর মুমিনদের একটি দল অবশ্যই তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।" (সূরা আন্ নূর: ২)

এরশাদ আর জিনাত আপারে এই শাস্তি দেয়া হৌক। আন্দ্রে আগাসি আর স্টেফি গ্রাফরেও। :DB-):P

৬| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

জেমসবন্ড বলেছেন:
.......ভালো পোষ্ট । তবে মূল কথাগুলো বোল্ড করে দিলে সুন্দর হতো ।

.......লেখার জন্য ধন্যবাদ ।

৭| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২২

আমার মত বলেছেন: বর্তমান সময়ে আমার ধারনা বাংলাদেশের প্রগতিশীল জনগোষ্টি ইসলামের কথা শুনতে চাই না ... আর তার বদলে দেশে ডিজুস কালচার ইদানিং চালু হয়েছে ...

ইসলাম যুগে যুগে একই কথা প্রত্যেক জনগোষ্টিকে বলে যাচ্ছে ...এখানে অনেক চিন্তার উপাদান রয়েছে...একমাত্র ইসলামের নৈতিক কথার কোন পরিবর্তন নেই .....
উল্লেখ থাকে দেশে কাঠ মোল্লারা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে এক প্রকার বাজে ইমেজ তৈরী করে রেখেছে...এদের কথা বাদ দিয়ে নিজ উদ্যোগে ইসলাম জানা উচিত ...কাজেই স্কুল থেকে ধর্মীয় শিক্ষাটা যেন আওয়ামী সরকার তুলে না দেয় (জয়ের সেকুলার প্লান)

১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

শান্তি প্রিয় বলেছেন: বাংলাদেশে বসবাসরত সকল মুসলমানদের এক সাথে জোর দাবী করা উচিত যেন সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশে চালু না হয়। যদিও জনগণের ভোটে পাস করেছে, এখন কি জনগণের কথা শুনবে. এই আওয়ামী সরকার ..? আপনার এই মূল্যবান মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৮| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: (২) যিনাকারী যদি বিবাহিত হয় তবে তাকে জঘণ্য ও কঠিন শাস্তি দেয়া হবে। তাকে প্রস্তারাঘাতে (রজম করে) হত্যা করা হবে। যাতে সে নিজ কৃতকর্মের প্রতিফল ভোগ করে এবং তার শরীরের প্রতিটি অংগ ঐরূপ কষ্ট অনুভব করে যেরূপ হারাম কাজে সে আনন্দ অনুভব করেছিল। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহর বাণী রয়েছে; তিনি বলেন: "যদি বয়স্ক নারী ও পুরুষ যিনা করে তবে তাদের উভয়কে প্রস্তরাঘাতে হত্যা কর। তারা যে অর্জন করেছে তার প্রতিফল স্বরূপ।"

দুইজন মানুষের ইচ্ছা হইছে এর লাইগা একলগে কাম করছে। হেইডা নিয়া আম্নের এত মাথা বিষ কেন? আর কুন কাম নাই যে কে কার লগে শুইছে সেই গবেষণা কইরা বেড়ান?

৯| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি কি বলতে চান যে যিনা করা বৈধ!। আর কন্ডম ব্যবহার এইডস হয় না, আপনাকে কে বলছে? পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যারা এইডস এর রোগী তাদের কেন..? এইডসে আক্রান্ত হলো? কে না নিরাপদে থাকতে ? বলুন। মূল কথা হলো যারা অবৈধভাবে যৌনক্ষুধা নিবারণ করে তাদেরই মারণঘাতি রোগ হয়ে থাকে।

আমার প্রশ্নের জবাব দেন। বিয়া করা বৌ যদি এইচাইভি পজিটিভ হয় তাইলে তার সাথে আমি করলে কি এইডস হবে না? সে তো ব্লাড থেকেও এইচাইভি পাইতে পারে। এইচ আই ভি পজিটিভ মানেই কি সে আকাম করছে?

১০| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: বৃদ্ধ যিনাকারীর শাস্তি:
বাধ্যর্কে উপনীত কোন ব্যক্তি যদি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তবে তার শাস্তি আরো কঠোর ও নির্মম হবে। আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: "আল্লাহ তিন ধরণের মানুষের সাথে কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না, তাদেরকে পবিত্রও করবেন না এবং তাদের প্রতি তাকাবেনও না। আর তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি; তারা হল, বৃদ্ধ যিনাকারী, মিথ্যাবাদী বাদশাহ ও অহংকারী ফকীর।"


এরশাদ চাচার বাঁচার উপায় নাই। B-)

১১| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: হস্তমৈথুন বা স্বমেহন:
কোন প্রকার যৌন সঙ্গী ছাড়া নিজে বিভিন্ন পদ্ধতিতে বীর্যস্খলন করাকে স্বমেহন বা হস্তমৈথুন বলা হয়। বর্তমান বিশ্বে স্বমেহনের জন্য বিভিন্ন উপকরণও পাওয়া যায়; এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সেক্স পুতুল (Sex Doll), ইলেক্ট্রিক লিঙ্গ (Electric Penis) ইত্যাদি। এ সব পদ্ধতিতে যৌন তৃপ্তি লাভ করা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ শ্রেণীর মানুষদেরকে লা’নত দিয়েছেন।


পোলাপান বাথরুমেও শান্তি পাইব না! X(

১২| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: চতুষ্পদ প্রাণীর সঙ্গে যৌন সঙ্গম:
চতুষ্পদ জন্তুর সাথে যৌন সঙ্গম বর্তমান বিশ্বে বহুল প্রচলিত এক বেহায়াপনা। তথাকথিত সভ্যতার নামধারীরা এ বিকৃত রুচির কর্মে রত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ শ্রেণীর মানুষের উপর আল্লাহ ও তার রাসূলের অভিশাপ দিয়েছেন। হাদীসের দাবী অনুযায়ী কোন কুকুর যদি কোন পাত্রে মুখ দেয় তবে ঐ পাত্রটি সাতবার ধুতে হবে এবং কমপক্ষে একবার মাটি দিয়ে ধুতে হবে। অথচ কত নিকৃষ্ট ও বিকৃত রুচির অধিকারী হলে মানুষ সেই কুকুরের সাথে দিনযাপন করতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা যায়, চতুষ্পদ জন্তুর সাথে সহবাস মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ভাইরাসের আমদানী করে যা প্রাণঘাতি রোগের সৃষ্টি করে।


ছি ছি ছি।

১৩| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: যিনার প্রতি উদ্বুদ্ধকারী বিষয়সমূহের হুকুম:
চলমান বিশ্বে ব্যভিচার ও অশ্লীলতার সমস্ত পথ উন্মুক্ত হয়ে আছে। বস্তুবাদী মানুষ যারা মনে করে এই দুনিয়াই শেষ, যতটুকু পার এখানেই আনন্দ উপভোগ করে যাও তারা মানুষকে বিপদগামী করার জন্য বিভিন্ন কলাকৌশল উদ্ভাবন, নারী স্বাধীনতার নামে বেহায়াপনার প্রচলনের মাধ্যমে মানব সমাজকে বিশেষত: যুবক শ্রেণীকে ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিয়ে যাচ্ছে।


গহ্বর থেইকা কে টাইনা তুলবো? আপনে? নাকি আপনের জিহাদী ভাইয়েরা? ব্লু না দেখলে তো হেরা ঘুমাইতে পারে না।

১৪| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: লজ্জাস্থানের হেফাজত জান্নাতের গ্যারান্টি:
যারা অবৈধ যৌন সম্ভোগ থেকে বিরত থেকে নিজেদের লজ্জাস্থানকে অবৈধ ব্যবহার থেকে হেফাজত করে তাদের জন্য পরকালে জান্নাতের গ্যারান্টি রয়েছে।


আমি চুরি করলাম, ঘুষ খাইলাম, মানুষ খুন করলাম .... খালি যিনা করলাম না , আমি কি বেহেস্তে যামু?

১৫| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: অফ গেলাম। কোয়েশ্চেনগুলার অ্যান্সার দিয়েন কিন্তুক।

১৬| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯

আন্দালীব বলেছেন: মাস্টারবেশনেও দোষ!! ওহ নো। এতোসব ব্লগার এখন কোথায় যাবে?! :)

আপনের মতো প্রিচারের হাত ধইরা আমি পুলসিরাত পার হবো।
হাত ধরতে না দিলে জোব্বা ধইরা পার হবো।

আমাকে রেখে বেহেশ্তে যাবেন না প্লীজ।

-------
আপনে যেইগুলা নিয়া নিষেধাজ্ঞা ফরমাইলেন ওইগুলা তো শুনলাম বেহেশ্তে জায়েজ। গেলমান, আর সত্তুরটা হুর...

আহা! বেহেশ্ত যে কেমন এক "দোযখ" হবে ভাবার চেষ্টায় আছি।

১৭| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪

আমার মত বলেছেন: আই লাভ ব্লগিং-কে,
আপনি কেন শুধু শুধু সত্যকে twist করছেন ...
ইসলাম সেভ সেক্সের পক্ষে, এবং তা অবশ্যই বৈধ হতে হবে ...
এবং বৈধতার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে বিবাহিত সম্পর্ক থাকতে হবে ... এর মানে এই নয় যে এইডস আক্রান্ত কাঊকে বিবাহ করলে অপরেরও এইডস হতে পারে,কিন্তু এই সেক্সটি বৈধ, কিন্তু সেভ নয়, কাজেই দুজনেই অসুস্থ হতে পারে।

অবিবাহিত সম্পর্কীয় সেক্সকে অবৈধ বলা হয়েছে। এটাকে যেনা বলে, এর ফলে আখিরাতেও শাস্তির কথা বলা আছে ...হ্যা অবৈধ সেক্স নিরাপদ উপায়ে করলে হয়ত কোন শারিরিক অসুস্থ হবে না, কিন্তু এটা উতসাহিত করলে সমাজে বিভিন্ন নেতিবাচক সমস্যা তৈরি হবে ...দেখুন, গিয়ে বৃটেনে ... অনেক টিন এজ মা পাবেন, এদের ভরন পোষনের দাযিত্ব প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারের উপর পড়ে ...

আর একটি কথা, ইসলামের অনুশাসন আপনের উপর কেউ তালেবানদের মত চাপিয়ে দিচ্ছে না, আপনি মানলে মানবেন, না মানলে মানবেন না। এটা আপনার স্বাধীনতা।

নিরাপদ সেক্সের জন্য সামাজিক সচেতনা গড়ে তুলি,এবং অবৈধ সেক্সকে না বলি। এইটা ইসলামিক অনুশাসন বা অন্য কোন অনুশাসনের মাধ্যমে সমাজে,ব্যক্তিগত লাইফে চর্চ্চা করি। একইসাথে এই ক্ষেত্রে তথাকথিত প্রগতিশীল গে-কালচারকেও না করি।

১৮| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: সেফ আনসেফের ব্যাপারে সবাই একমত।

বৈধ অবৈধের জায়গাতেই দ্বিমত।

আমি মনে করি দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী পুরুষ পরস্পরের সাথে শারীরিকভাবে মিলিত হতে চাইলে সেখানে বাধা দেবার কিছু নেই। বাংলাদেশের আইনও এটাকে সাপোর্ট করে।

আর প্রাপ্ত বয়স্ক দুইজন শুধু মিলিত হবার কারণে বেত কিংবা পাথরের আঘাতে মারা যাবে এটা কখনোই সাপোর্ট করতে পারব না।

আমি আমার বেড রুমে কি করি সেটা আমার ইচ্ছা।

১৯| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

এ্যাশপরী বলেছেন: @আমার মত... "দেখুন, গিয়ে বৃটেনে ... অনেক টিন এজ মা পাবেন"

হা হা হা... হা হা প গে...

সব দোষ এখন বৃটেনের!?
টিনেজ মা পাইতে হইলে আপনার বাড়ীর আশেপাশে খোজ নেন। কট্টর মোল্লা গো বউ-বিবির খোজ নেন। বৃটেনের চেয়ে কয়েক হাজার গুন বেশি টিনেজ মা আপনি মুসলমান সমাজে পাবেন... ইনশাল্লাহ্

২০| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০২

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: মাষ্টাবেশন ও নিষিদ্ধ :) ..

মহাবিপদের কথা .. পোলাপাইন এই জন্যই ধর্ম থিকা দুরে থাকে ..

পাগল হইব আর কি ?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

পরকীয়া বাদে বিয়ার আগে পোলাপান সেক্স করতে পারবো না ?!
সারাদিন রমনা তে ঘাস কাটবো ???

অবদমন কোন সময়ই ভালো না ..

এই কারনে বিকৃতি আরো বাড়ে ..

আরব দেশ গুলোতে এই কারনে বিকৃতির পরিমান আরো বেশী ..।

এই সব নিয়া ঠিকমতো চিন্তা করেন .. এরপর বয়ান করতে আইসেন

২১| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

বিপ্লব কান্তি বলেছেন: সেক্সের এর গল্পে এইডস টা টানবেন না প্লিজ।

রক্তবাহিত রোগ এইডস অনেক কারনে হতে পারে,

পুরুষের ক্ষেত্রে সেক্স প্রধান কারন নয় ।

২২| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: আন্দালীব বলেছেন: মাস্টারবেশনেও দোষ!! ওহ নো। এতোসব ব্লগার এখন কোথায় যাবে?!

হায় হায়, ভাইসাব না হয় এখনো ঐ লেভেলই পার হন নাই, তাই বইলা সব ব্লগারকে এই কথা কওয়া কি ঠিক হৈল?

২৩| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১০

আবু আব্দুল্লাহ মামুন বলেছেন: আই লাভ ব্লগিং কে বলছি, যদি আপনার ভাল লাগে তো ইসলামের বিধান মেনে চলবেন। ভাল না লাগলে আপনাকে কে বলছে যে ইসলাম আপনাকে পালন করতেই হবে? আল্লাহ স্বয়ং বলেন, لا إكراه في الدين ইসলামে কোন জোর-যবরদস্তি নেই। অনেকে ইসলাম নিয়ে বাজে মন্তব্য করে থাকেন। আসলে ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন না করে অযথা মন্তব্য করার কোন মানে হয় না।

২৪| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৩

আন্দালীব বলেছেন: " ইসলামই একমাত্র সঠিক ধর্ম "

@ পোস্টদাতা।
কিন্তু আপনের এই অনুসিদ্ধান্ত সয়ংক্রিয়ভাবেই অন্য ধর্মগুলোকে খারিজ করে ফেলে। আমি একদমই এইরকম কথার পক্ষে না।

মনে রাখেন- ধর্ম বিষয়টা আপনের নিজের 'অর্জিত' না। পরিবার নামক প্রতিষ্ঠানটির জন্য ইহাকে আপনি পাইছেন। বা এইটা আপনার উপর 'আরোপিত' - এরকমও বলতে পারেন।

তো, এখন আপনার এই "সঠিক ধর্মে"র পতাকাতলে আসতে হইলে তো বাকী সবাইরে দলে দলে রেনিগেড হইতে হবে!

আপনে তো ভাই বেশ 'ডায়ার প্রিচার'।

২৫| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৬

আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: আমি জুম্মার নামাজ পড়তে গেলাম। আপাতত বিদায়।

১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৮

শান্তি প্রিয় বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে , আমি কুয়েত প্রবাসী , কুয়েতে বাংলাদেশ অপেক্ষা তিন ঘন্টা পর নামাজ হয়, তাই আমি এখনো ব্লগে বসা। আপনি নামাজ পড়ে আসুন। তারপর আমি যাব।

২৬| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

আমার মত বলেছেন:
মনে রাখেন- ধর্ম বিষয়টা আপনের নিজের 'অর্জিত' না। পরিবার নামক প্রতিষ্ঠানটির জন্য ইহাকে আপনি পাইছেন। বা এইটা আপনার উপর 'আরোপিত' - এরকমও বলতে পারেন
হ্যালো আন্দালীব, তাই যদি মনে করেন তবে পরিবার আরোপিত বস্তু ফেলে দেন ...নিজে নিজে পড়াশুনা করুন ... নিজে চিন্তা করুন...তারপর ইসলাম গ্রহন করুন এটাই সঠিক ঊপায় ...এখন পশ্চিমা জগতে যারাই ইসলাম গ্রহন করছে, তারা আগে কয়েক বছর ইসলাম নিয়ে স্টাডি করে।...আপনিও করুন।

এ্যাশপরীকে মুসলিম সমাজেও টিনেজ মা আছে, এর মানে এই নয় যে অবৈধ সেক্স বৈধ। আর বৃটেনের কথা বললাম এই কারনে ঐসব পশ্চিমা দেশে এই সবকে বৈধতা দেওয়াতে কি কি সামাজিক সমস্যা দেখা দিয়েছে...মুসলিম সমাজেও অবৈধ সেক্স ঢুকলেও সেই একই ব্যাথি দেখা দিবে ...

আই লাভ ব্লগিংকে বাংলাদেশের আইনে সার্পোট করে বলেই অবৈধ সেক্সকে ইসলাম সাপোট করতে পারে না। অবিবাহিতার সম্মতিক্রমে সেভ সেক্স করলেও তাও অবৈধ, এটাই ইসলাম বলেছে... আপনি মানতেও পারেন আবার নাও মানতে পারেন এটা আপনার স্বাধীনতা। তাই বলে ইসলামিক নির্দেশনা ও মৌলিকত্বের পরিবর্তন হবে না।

অনেক মুসলিমই তো ৫ বার নামাজ পড়ে না, তাই বলে কি ইসলামের এই মৌলিকত্বের পরিবর্তন করতে হবে????

আমার ধারনা, দেশ-বিদেশের কিছু মুসলিম পন্ডিত বা মোল্লারা ইসলামের অনুশাসন তাদের পরিবারে, সমাজে, রাষ্ট্রে জোর করে চাপিয়ে দিয়ে থাকে, এইখানেই হলো ইসলামের ভুল শিক্ষা, কাউকেও কিছু জোর করে চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়, এই সহনশীলতার শিক্ষা কাঠ মোল্লাদের নেই বলেই আজ ধবংসত্মাক মৌলবাদ তৈরি হচ্ছে ... এতে সাধারন মুসলিমদের ইসলামিক নির্দেশনা মোতাবেক নিজেদের পরিচালনা করতে বেগ পাচ্ছে ...এবং একই সাথে ইসলাম বিদ্বেষীরা এই সুযোগে বিভিন্ন পন্থা আমাদের সামনে হাজির করছে ...


উল্লেখ থাকে যে, ইসলাম ধর্ম মোতাবেক, একমাত্র ইসলামই বর্তমানে সত্য ধর্ম। একইসাথে অন্য ধর্মের অনুসারীদেরকে তাদের নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ইসলাম দিয়েছে, শুধু স্বীকৃত দেয়নি সেই ধর্মের আর্দশগত বিশ্বাসকে।
কাজেই এই বিষয়ে যাদের দ্বিমত আছে, তারাও স্বাধীন তারা কি মত অনুসরন করবে...কিন্তু দিন শেষে একটি কথায় বলতে চাইছি...আপনি কি ভাবলেন আর কি করলেন তাতে কোনও যায় আসে না, কারন আপনি স্বাধীন ...সেই রুপ, ইসলামের মৌলিকত্বেরও পরিবর্তন হবে না ... (এখানেই চিন্তার বিষয়, যুগ যুগ ধরে ইসলাম একই কথা সব জনগোষ্টিকে বলে যাচ্ছে ... কিন্ত প্রশ্ন কেন????)













২৭| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

জয়েনটু বলেছেন: শাস্তিগুলা খুবই অমানবিক। মাইর ও খাইতে হইবো আবার বেহেস্তের পথ ও বন্ধ অইবো, কি নিষ্ঠুর? তাইতো জিহাদী ভাইরেরা বাইরাগেছে, মানুষগুলারে জোড় কইরা বেহেস্তে লইয়া যাইতে চাই। দরকার নাই বেহেস্তের।

২৮| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

ভন্ডপির বলেছেন: বিবি আয়েশা বিয়ার সময় ছিল ১০। এরাম ২-৪ টা কছি দেইখা সবাই কইরা লন। দুনিয়া আখেরাত সবই ঠিক থাকব। হাত মারা থেইকা কছি মাল খাওয়া উত্তম -- নবীজির কথা ফেলি কেম্নে? সবাই বলেন আলহামদুলিল্লাহ।

২৯| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২২

মনির হাসান বলেছেন: আসসালামুয়ালাইকুম

ক্যামন আছেন ?
চিকিৎসা ক্যামন চলতেছে ?

বাই দ্য ওয়ে ... আপনার প্রোফাইলে "আরবী লেখা বাংলাদেশের মানচিত্র" এরম ফোটু পাইছেন কই ?

১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯

শান্তি প্রিয় বলেছেন: ওয়েব থেকে নিয়েছি। যেহেতু আমি কুয়েত প্রবাসী। তাই একটু আরবী নিয়ে গবেষণা করি। খুঁজলে আপনিও পাবেন।

৩০| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

আমি সাইরাজ বলেছেন: @ ভন্ডপিরঃ এতো অশ্লীল কথা বলার মাধ্যমে নিজের নোংরা মানসিকতা প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ। আপনার মত লোক যে কেনো ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করতে আসে.........

৩১| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

মনির হাসান বলেছেন: আইচ্ছা ... গণিমতের মাল নিয়া কিছু বললেন না ... গণিমতের মাল হিসেবে পাওয়া নারী সম্ভোগ তো খুবই জায়েজ .. তাই না ... ?
খুবই বৈজ্ঞানিক । খুবই নিরাপদ । খুবই বেহেস্ত নসিয়তি ।

৩২| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

সবাক বলেছেন: ইসলামই একমাত্র সঠিক ধর্ম - এর পক্ষে কিছু আলোচনা করুন।

৩৩| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

আবাব বলেছেন: @ ভন্ডপিরঃ বিবি আয়েশা কে মুসলিম রা মা হিসেবে বিবেচনা করে। বাকিটা নিজেই বুঝে নিবেন।

৩৪| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

নাজমুল। বলেছেন: যিনা বা ব্যভিচর কিভাবে আমাদের সমাজকে ধ্বংস করছে দেখুন। লেখককে ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য। +++++

৩৫| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬

জয়েনটু বলেছেন: ইসলামই একমাত্র সঠিক ধর্ম----এর পক্ষে কিছু আলোচনা করুন।

-জায়গা আর নাই পালাইবার জীহাদীদের ভয়ে। বোমা-হত্যা-কি অত্যাচার?

৩৬| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪

আমি রোদের ছেলে বলেছেন: ইসলামই একমাত্র সঠিক ধর্ম - এর পক্ষে কিছু আলোচনা করুন।

৩৭| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

আমি রোদের ছেলে বলেছেন: প্রোফাইলের ছবিতে আরবি লেখা ক্যান? বাঙলাকি খুব খারাপ?

৩৮| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩

হুলমতি বলেছেন: মাইনাস দিলাম, কারণ পোস্টটি ভালো লাগে নি।

৩৯| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪

অলস ছেলে বলেছেন: হতাশ হ্ওয়ার কিছু নেই, লিখতে থাকুন। আর্ও ভালো লিখুন। ইসলামের কথা বললেই কারো কারো লাগবে, বুঝতেই পারছেন। ব্যাপার না।

চুলকানীর অষুধ দেয়া আপনার আমার কাজ না, বরং এসব পাত্তা না দিয়ে উদ্যম থাকলে লিখা অব্যাহত রাখুন।ধন্যবাদ।

৪০| ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮

মাজেদুল হক বলেছেন: খুব চিন্তার কথা

৪১| ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:১৩

হীরক রাজা বলেছেন: আন্দালীব বলেছেন: " ইসলামই একমাত্র সঠিক ধর্ম "

@ পোস্টদাতা।
কিন্তু আপনের এই অনুসিদ্ধান্ত সয়ংক্রিয়ভাবেই অন্য ধর্মগুলোকে খারিজ করে ফেলে। আমি একদমই এইরকম কথার পক্ষে না।

মনে রাখেন- ধর্ম বিষয়টা আপনের নিজের 'অর্জিত' না। পরিবার নামক প্রতিষ্ঠানটির জন্য ইহাকে আপনি পাইছেন। বা এইটা আপনার উপর 'আরোপিত' - এরকমও বলতে পারেন।

তো, এখন আপনার এই "সঠিক ধর্মে"র পতাকাতলে আসতে হইলে তো বাকী সবাইরে দলে দলে রেনিগেড হইতে হবে!

আপনে তো ভাই বেশ 'ডায়ার প্রিচার'।

৪২| ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০২

আকাশভরাতারা বলেছেন: আন্দালীব বলেছেন: মাস্টারবেশনেও দোষ!! ওহ নো। এতোসব ব্লগার এখন কোথায় যাবে?! :)

খুব চিন্তার বিষয়:(

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.