| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মামুনূর রহমান
এবং একদিন আমি মেনে নেব। ভূত ও ভবিষ্যত্। পাল্টে দেব জীবন ও জীবিকা। অতঃপর প্রাণভরে মরে যাবো। অগ্নিধারার স্বর্গে।
বাজারের মধ্যে এক বাচ্চা ছেলে মাটিতে শুয়ে তার ভিক্ষার থালা থেকে পা দিয়ে টাকা তুলে খুব সুন্দর করে গোছাচ্ছে। উপরওয়ালা হাত দিয়েছে ঠিকই কিন্তু হাত তুলবার সামর্থ্য দেয়নি। দৃশ্যটা মর্মাহত। তাকে ঘিরে গোলচত্বরবেষ্টিত লোকজনদের দেখে মনে হচ্ছে বাঁদর নাচ দেখছে। ভিড়ের ফাঁক দিয়ে মাথা গলিয়ে দৃশ্যটা দেখার পর বললাম "দাড়িয়ে দাড়িয়ে ছেলেটার কষ্ট দেখার চেয়ে আমরা কেউ টাকাগুলো গুছিয়ে দিয়ে গুণে দিলেও তো পারি"। আমি ঢোকার আগেই একজন দেখি টাকাগুলো গুছিয়ে দিতে উদ্যত হলো। কিন্তু ছেলেটি রাজি হলো না। কেন রাজি হলো না বলতে পারবো না। হয়তো আর্থিক দিক থেকে এতটা বেশীই পরনির্ভরশীল যে তার এই পরনির্ভরশীলতা প্রতি ঘৃণা জন্মে গেছে। নিরুপায় ছেলেটি হয়তো নিজেকে এই শান্তনাটুকু দিতে চাচ্ছে যে, সে অন্ততঃ এইদিক
থেকে স্বাবলম্বী।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ২:১০
মামুনূর রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। আজকে আমার অরিজিনাল জন্মদিন। আর মাত্র আঠারো ঘন্টা পরেই পুরোপুরি বিশ বছর পূর্ণ হবে। ইচ্ছা আছে এদেরকে সামান্য সাহায্য করার।
২|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ২:৫১
অপ্রচলিত বলেছেন: জন্মদিনের অগ্রিম শুভেচ্ছা আপনাকে।
মহৎ অনুকরণীয় উদ্যোগ নিঃসন্দেহে। নিরন্তর শুভ কামনা রইল আপনার জন্য। আমরা সবাই সামান্য হলেও একটু সাহায্য করলেই হয়তো ওদের অবস্থার পরিবর্তন হত। ওদের জন্য করুণা বা অবজ্ঞা নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা আর সহযোগিতা।
সর্বদা ভালো থাকুন।।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৪:১৩
মামুনূর রহমান বলেছেন: উইশ করার জন্য আবারো ধন্যবাদ। সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করি অন্যদের জন্য কিছু করার। আসলে অন্যের মুখের হাসি যে কতটা আনন্দদায়ক তার বর্ণনা অসম্ভব। তবে এ আনন্দের স্বাদ যে নিতে পারেনা সে অভাগা ছাড়া কিছুই নয়। আমাদের রুয়েটের 'সমানুপাতিক'ও এ চেষ্টায় তত্পর। ফলস্বরুপ শীতার্তদের সহায়তার জন্য বিশাল একটি ইভেন্টের সফলতা।
ভালো থাকবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:২৮
অপ্রচলিত বলেছেন: খুব করুণ মর্মস্পর্শী লেখা।