| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মানুষ তনয়
মুক্ত চিন্তার অধিকারী।
কাউকে অর্ধেক গ্লাস পানি দিলে সে এটাকে দুই ভাবে বলতে পারে
১) আমাকে অর্ধেক গ্লাস পানি দিয়েছে- উৎফুল্লের সাথে
২) আমাকে মাত্র অর্ধেক গ্লাস পানি দিয়েছে
প্রথম মতামতটাকেই আমার ভালো লাগে। আজকে গণজাগরণ দিবসের তিন দিনের কর্মসূচির শেষ দিন। গত বছর এই দিনগুলোতে শুধুমাত্র শাহবাগে নয়, বাংলাদেশের সকল জায়গায় সব মানুষের চেতনার নতুন করে জাগরণ ঘটেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে কিছু কাপুরুষ নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে আমাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেছিল এই গণজাগরণ নাস্তিকদের, এখানে কোটি টাকার খেলা চলে, এই শাহবাগে ফ্রিতে বিরিয়ানি খাওয়ানো হয়, মদ, গাঁজা খাওয়া হয়, রাতে বেলাল্লাপনা হয়...... আরো কতকি। অনেককে বুঝাতেও সক্ষম হয়েছে তারা। তারা মনে করে পৃথিবীটা তাদের (কিলিকবাজদের), ভালো আর বোকা মানুষরা এখানে সার্কাসের বানর। আমার প্রশ্নঃ
১) কারও যদি এই গণজাগরণের সাথে সহমত থাকে, এই আন্দোলনের প্রতি আবেগ-ভালোবাসা থাকে তাহলে তিনি এই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা কি অস্বাভাবিক??
২) মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কি সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহন করেনি? সেখানেকি ভদ্র-অভদ্র, আস্তিক-নাস্তিক, চোর-সাধু ছিলনা ??
আমি এতটুকুই জানি এই গণজাগরণে কোন তথাকথিত রাজপুত্র ছিলনা, কদাচিৎ দেশে এসে ভাষণ দিয়ে যাওয়া বুদ্ধিজীবী ছিলনা, ছিলনা ধর্মব্যাবসায়ির দল। তবে যারা ছিল তারা আজও আছে, আজো লাখো মানুষের ঢল নামে শাহবাগে।তারাই যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসীর দাবী তুলে, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদ করে, টীকফা চুক্তির বিরোধিতা করে, রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্রের বিরোধিতা করে, যেখানে বড় বড় রাজনৈতিক দলের বিশিষ্ট গুণীজনেরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিরব থেকে যায়। এই গণজাগরণে আমাদের সবার অধিকার, এই গণজাগরণের গঠনমূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে গণজাগরণকে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদেরই।
জয় বাংলা, জয় গণজাগরণ, জয় তারুণ্য।
২|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:২৮
পদ্মা_েমঘনা বলেছেন: টীকফা চুক্তির বিরোধিতা করে, রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্রের বিরোধিতা করে, টিপাইমুখের বিরোধীতা করে............হাসালেন ভাই।
৩|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:৩৫
HHH বলেছেন: শাহবাগের বিরিয়ানি, গাঞ্জা আর কন্ডম সাপ্লাই আবার শুরু হইছে মনে হয়। সব বিরিয়ানি খাইয়া চেতনা খাড়া কইরা ব্লগে প্রচারণা চালাচ্ছে
৪|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৯:১২
ম্রিয়মাণ বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সরকার কখনো কোন জনসমাবেশ, বিক্ষোভ বা আন্দোলন সমর্থন করে না - অবশ্য যদি না সেগুলো সরকারের পক্ষে যায়। তোমার বিক্ষোভের প্রতি সরকারের সায় থাকলে মনে করতে হবে এর গোড়াতেই কোন বিশাল ভুল রয়েছে।
আনু মোহাম্মদকেও পুলিশ পিটিয়েছে।
এই মঞ্চ রামপাল, সীমান্ত হত্যা, নির্বাচনের নামে জচ্চুরিসহ অনেক ইস্যুতেই নীরব।
৫|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১:০৯
অেসন বলেছেন: গনজাগরন মঞ্চ কি এবং কেন তা একটু বুঝার চেষ্টা করুন।
গনজাগরন মঞ্চ দেশের সকল অন্যায়ের প্রতিকার করার দায়িত্ব গ্রহন করে নাই। এর জন্য রয়েছে দেশের অনেক রাজনৈতিক দল। যদি পারেন আলাদা ভাবে নতুন মঞ্চ গড়ুন।
আমি যতদূর জানি গনজাগরন মঞ্চের সাথে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলি জড়িত। তারা মঞ্চের পক্ষ থেকে না হলেও স্ব-স্ব সংগঠনের পক্ষ থেকে রামপাল, টিপাইমুখ, টিকফা ইস্যুতে সোচ্চার।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:১৬
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সরকার কখনো কোন জনসমাবেশ, বিক্ষোভ বা আন্দোলন সমর্থন করে না - অবশ্য যদি না সেগুলো সরকারের পক্ষে যায়। তোমার বিক্ষোভের প্রতি সরকারের সায় থাকলে মনে করতে হবে এর গোড়াতেই কোন বিশাল ভুল রয়েছে। সরকার তোমার বন্ধু নয়। - See more at: Click This Link