নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সেফ উমরের ব্লগ :)

"সকল বস্তু তার বিপরীত বস্তুর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠে"

উমর

হে আল্লাহ! তুমি আমায় হক রাস্তা দেখাও, হকের অনুসরণ করারও প্রতি মদদ কর, বাতিলকে বাতিলরুপে দেখাও এবং বাতিল হতে বেঁচে থাকার প্রতি সাহায্য কর। আর হকের হক রুপে দেখাও এবং তার অনুসরণ করার জন্য এমনভাবে মদদ কর যেন হক বা সত্য কথা আমার জন্য উহ্য না থাকে। হে আমার রব! তুমি জিবরাঈল, মিকাঈল, ইসরাফিল-এর পরওয়ারদিগার, আসমান-যমীনের একমাত্র সৃজনকারী, তুমি প্রকাশ ও অপ্রকাশ সবকথা ও কাজ সম্পর্কে অবগত আছ, তোমার বান্দাহগণ আপোষে যে মতভেদ করে তার মধ্যে মূল সত্য ও আসল হকের ফায়সালা তুমিই করতে সক্ষম। তুমি আমায় ঐ সমস্ত মতভেদের মদ্যে যা খাঁটি সত্য, আসল হক তাই আমায় হিদায়াত করতে থাক। একমাত্র তুমিই তোমার বান্দাহকে সঠিক পথের হিদায়াত করতে পার। আমীন।

উমর › বিস্তারিত পোস্টঃ

***টিপসঃ ইসলাম বিষয়ক প্রশ্ন বা ইসলামকে হেয় করে কোন লেখা দেখলে যা করণীয়***

০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৪

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম



ইন্টারনেটে ব্লগ সংস্কৃতির কল্যাণে আমরা প্রায়ই ইসলাম বিষয়ক অনেক ধরণের প্রশ্ন এবং ইসলামকে হেয় করে অনেক পোস্ট বা লেখা দেখে থাকি। এই দুইটি ক্ষেত্রেই আমরা সমস্যায় পড়ে যাই আর কিছু ভাই আবেগের তাড়নায় এমন সব কথা বলতে শুরু করেন যা মোটেও উচিত নয়। তাই আসুন কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জেনে নিই এই রকম পরিস্থিতিতে আমাদের মুসলিম ভাইদের কি করণীয়।



প্রথমত, ইসলাম বিষয়ক কোন প্রশ্ন দেখলে প্রথমেই খেয়াল করুন আপনি সে বিষয়টা সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে জানেন কি না। যদি জানেন তাহলে চমৎকারভাবে কুরআন-সুন্নাহর দলিল সহ তার উত্তর দিয়ে দিন আর যদি পরিপূর্ণভাবে জানা না থাকে একটু-আধটু জানেন তাহলে উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

“অধিকাংশ মানুষ সুষ্ঠু জ্ঞান ছাড়াই নিজেদের খেয়াল খুশিমতো (মানুষকে) বিপথে চালিত করে; নিসন্দেহে তোমার মালিক সীমালংঘনকারীদের ভালো করেই জানেন” (সূরা আনআমঃ ১১৯)

রাসূল ﷺ বলেছেনঃ “যে কেউ আমার বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলবে সে যেন জাহান্নামে তার নিজের জন্যে একটি ঘর বানিয়ে নিল” (বুখারী)



দ্বিতীয়ত, অনেকেই ইসলাম বিষয়ক প্রশ্ন করে থাকেন জানার উদ্দেশ্যে নয় বরং ইসলামকে হেয় করার উদ্দেশ্যে আর এই ধরণের প্রশ্নগুলো দেখলেই আপনারা বুঝতে পারবেন এই প্রশ্নগুলো করার আসল উদ্দেশ্য কি। যেমনঃ শয়তান কি? বেহেশত কি? হুর কি? রাসূল ﷺ ঐ কাজটি কেন করেছিলেন? আল্লাহ অমুক জিনিস কেন এমন বানালেন? আল্লাহ কেন এটা করলেন না? প্রভৃতি। এই ধরণের প্রশ্ন দেখলে উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

রাসূল ﷺ বলেছেনঃ “কোন বান্দাহর কাছে শয়তান এসে বলে অমুক জিনিস কে সৃষ্টি করেছে? এটা কে সৃষ্টি করেছে? অবশেষে এ কথাও জিজ্ঞেস করে, তোমার রবকে কে সৃষ্টি করেছে? ব্যাপার যখন এ পর্যায়ে পৌছায় তখন আল্লাহর কাছে আশ্রয় কামনা করো এবং আলোচনা পরিহার করো”। অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে, কেউ যদি মনের মধ্যে এরুপ অনুভব করে, তবে অবশ্যই বলবে, আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। (মুসলিম)



তৃতীয়ত, ইসলামের প্রতিষ্ঠিত বিধান বা আইন নিয়ে প্রশ্ন বা তা পরিবর্তন করার উদ্দেশ্যে কোন লেখা দেখলে সবচেয়ে ভাল হবে কোন উত্তর না দেওয়া। আর যদি আপনার বিষয়টি সম্পর্কে একদম পরিপূর্ণভাবে জানা থাকে তাহলে কুরআন-সুন্নাহর দলিল দিয়ে উত্তর দিয়ে দিন। এই ধরণের প্রশ্নের ক্ষেত্রেও ইসলামকে হেয় করার উদ্দেশ্য থাকে এক্ষেত্রে যিনি এই ধরণের প্রশ্ন করেছেন তার পূর্বোক্ত লেখাগুলো একটু দেখে নিন, যদি দেখেন এই ধরণের প্রশ্ন সে প্রায়ই করে আর স্পষ্ট দলিল দেখানো সত্যেও নিজের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে তাহলে তার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।



চতুর্থত, কোনআনের কোন আয়াত, কোন বিধান বা আইন, আল্লাহ সম্পর্কিত কোন অশালীন কথা বার্তা, রাসূল ﷺ এর কোন সহীহ সুন্নাহ বা রাসূল ﷺ কে উদ্দেশ্য করে অশালীন লেখা থাকলে তাদের সাথে আলোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। সেই লেখা থেকে যথা সম্ভব তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসুন।

“আল্লাহ তাআলা এ কিতাবের মাধ্যমে তোমাদের উপর আদেশ নাযিল করেছিলেন যে, তোমরা যখন দেখবে আল্লাহ তাআলার নাযিল করা কোন আয়াত অস্বীকার করা হচ্ছে এবং তার সাথে ঠাট্রা-বিদ্রুপ করা হচ্ছে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসো না, যতক্ষণ না তারা অন্য কোন আলোচনায় লিপ্ত হয়, (এমনটি করলে) অবশ্যই তোমরা তাদের মতো হয়ে যাবে (জেনে রেখো), আল্লাহ তাআলা অবশ্যই সব কাফের ও মোনাফেকদের জাহান্নামে একত্রিত করে ছাড়বেন” (সূরা নিসাঃ ১৪০)

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে শালীন ভাষায় অবহিত করুন, তাদের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন কারণ অশালীন ভাষা ব্যবহার করা রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ নয়।



পঞ্চমত, ইসলামের কোন আইন বা বিধান নিয়ে ইচ্ছামত মতামত ব্যক্ত করে বা ইচ্ছামত ব্যাখ্যা করে লেখা গুলোকে গুরত্ব দিবেন না। যদি কোন লেখায় এই নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলে সেই লেখা আর দ্বিতীয়বার না পড়াটাই উত্তম। কারণ, এই ধরণের কাজ অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট জাতিদের কাজ। এদের সাথে বেশিক্ষণ থাকলে আপনি নিজেই কিছুক্ষণ পরে কনফিউসড বা দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে পড়বেন। সূরা ফাতিহার শেষ আয়াতে আমরা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্টদের পথে পরিচালিত না করার জন্যে আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করি।

“তাদের (পথ) নয় যাদের উপর অভিশাপ দেওয়া হয়েছে এবং (তাদেরও পথ নয়) যারা পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে” (সূরা ফাতিহাঃ ০৬)

এখানে অভিশপ্ত জাতি হচ্ছে ইহুদী জাতি আর পথভ্রষ্ট হচ্ছে খ্রিস্টান জাতি। ইহুদী জাতি সত্য ভালোভাবে জানার পরও তা নিজেদের ইচ্ছামত পরিবর্তন করতো, যার কারণে তারা অভিশপ্ত হয়েছে। আর খ্রিস্টান জাতি সত্য না জেনেই নিজেদের ইচ্ছামত কথা ব্যক্ত করে বলতো এটা আল্লাহর বানী যার ফলে তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। কাজেই যারা সত্য জানার পরও তা পরিবর্তন করার জন্যে মতামত ব্যক্ত করে বা সত্য না জেনে ইচ্ছা মতো বিধান বানানোর প্রয়াস চালায় তাদের নিকট থেকে দূরে থাকা প্রত্যেক মুসলিমদের কর্তব্য। কারণ, এরা নিজেরা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট আর তাদের সাথে যে বেশীক্ষণ থাকবে তারাও দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে পড়বে।

“ধ্বংস হোক, যারা শুধু অনুমানের উপর ভিত্তি করে (কথা বলে)” (সূরা যারিয়াতঃ১০)



ষষ্ঠত, যখনই আল্লাহ তাআলাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন লেখা বা আল্লাহ তাআলার কোন গুণাবলীকে ভুল ব্যাখ্যা বা মিথ্যা প্রতিপন্ন করার অপপ্রয়াস দেখবেন তখনই সেই লেখা বা ব্লগ থেকে বেড়িয়ে আসুন আর ভবিষ্যতে ঐসব লেখকদের ব্লগে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা স্বাভাবিক হয়।

“আল্লাহ তাআলা এ কিতাবের মাধ্যমে তোমাদের উপর আদেশ নাযিল করেছিলেন যে, তোমরা যখন দেখবে আল্লাহ তাআলার নাযিল করা কোন আয়াত অস্বীকার করা হচ্ছে এবং তার সাথে ঠাট্রা-বিদ্রুপ করা হচ্ছে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসো না, যতক্ষণ না তারা অন্য কোন আলোচনায় লিপ্ত হয়, (এমনটি করলে) অবশ্যই তোমরা তাদের মতো হয়ে যাবে (জেনে রেখো), আল্লাহ তাআলা অবশ্যই সব কাফের ও মোনাফেকদের জাহান্নামে একত্রিত করে ছাড়বেন” (সূরা নিসাঃ ১৪০)



সপ্তমত, কিছু লেখককে দেখা যায় আল্লাহ তাআলা, নবী-রাসূলদের, ফেরেশতাদের নিয়ে কল্পকাহিনী লিখতে। যেমনঃ অমুক নবী দুনিয়াতে এলেন, আল্লাহ অমুকের সাথে কথা বললেন বা তার সাথে দেখা করলেন প্রভৃতি। এধরণের লেখা মোটেই উচিত নয়, কারণ এখানে আল্লাহর গুণাবলী নিয়ে বা আল্লাহ তাআলার কাজ নিয়ে হাস্যরস করা হয়, নবী-রাসূলদের দায়িত্ব নিয়ে কৌতুক করা হয় যা একজন মুসলিমকে ইসলাম থেকে বের করে দিবে যেভাবে তীর ছোটার পর তা বের হয়ে যায়।

“তুমি যদি তাদের (কিছু) জিজ্ঞেস করো তারা বলবে, (না,) আমরা তো একটু অযথা কথাবার্তা ও হাসি কৌতুক করছিলাম মাত্র, তুমি (তাদের) বলো, তোমরা কি আল্লাহ তাআলা, তাঁর আয়াতসমূহ ও তাঁর রাসূলকে বিদ্রুপ করছিলে? তোমরা দোষ ছাড়ানোর চেষ্টা করো না, একবার ঈমান আনার পর তোমরাই পুনরায় কাফের হয়ে গিয়েছিলে” (সূরা তাওবাঃ ৬৫-৬৬)



ইনশাল্লাহ, এই বিষয়গুলো আমাদের মুসলিম ভাইয়েরা বুঝতে সক্ষম হবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাইদের হিফাজত করুন। আমীন।



মহান আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই এমনসব কাজ থেকে যা আল্লাহ তাআলাকে অসন্তুষ্ট করে দেয়। আল্লাহ তাআলার শান্তি ও রহমত রাসূল ﷺ ও তার পরিবার, সাহাবী এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাদের যারা অনুসরণ করবে তাদের উপর অর্পিত হোক। আমীন।







মন্তব্য ৪৩ টি রেটিং +৬৫/-৬

মন্তব্য (৪৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৮

নিরব হাসি বলেছেন: আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাইদের হিফাজত করুন। আমীন।

২| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৪

শ্রাবনের ফুল বলেছেন: সহমত আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আল্লাহ আপনার ভাল করুন আমাদেরও ঈমানের পথে চলার পথ সুগম করে দিন। আমিন।

৩| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫২

রাজসোহান বলেছেন: শ্রাবনের ফুল বলেছেন: সহমত আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আল্লাহ আপনার ভাল করুন আমাদেরও ঈমানের পথে চলার পথ সুগম করে দিন। আমিন।

৪| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৩

আজাদ আল্-আমীন বলেছেন: আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাইদের হিফাজত করুন। আমীন।

৫| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৯

সিউল রায়হান বলেছেন: ইসলামের পক্ষে কিন্তু উল্টা-পাল্টা+ভুল যুক্তি দিয়ে লেখার বিরুদ্ধে কি করা উচিত ???

০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৯

উমর বলেছেন: তৃতীয় এবং পঞ্চম কারণটি প্রযোজ্য হবে। ধন্যবাদ।

৬| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৭

সেলিম৬২৫১ বলেছেন: হ্যা ভাই অসম্ভব চমৎকার পোষ্ট। খুবই যুক্তি যুক্ত এবং সময় উপযোগী একটি পোষ্ট। মহান আল্লাহ তায়লাকে ধন্যবাদ, যে আপনার উছিলায় এমন একটি টপিক সমন্ধে জানতে পারলাম ও ভবিষ্যতে আরো জানার তৌফিক আমাদের দান করুন।
মহান আল্লাহ তায়লা আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।

০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

উমর বলেছেন: শুকরান, জাজাকাল্লাহু খায়রান। (ধন্যবাদ, আল্লাহ তাআলা আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন)

৭| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৮

মোরশেদুল আজাদ পলাশ বলেছেন: খুব ভাল লাগল+++++

৮| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১২

অণুসন্ধানী বলেছেন: “আল্লাহ তাআলা এ কিতাবের মাধ্যমে তোমাদের উপর আদেশ নাযিল করেছিলেন যে, তোমরা যখন দেখবে আল্লাহ তাআলার নাযিল করা কোন আয়াত অস্বীকার করা হচ্ছে এবং তার সাথে ঠাট্রা-বিদ্রুপ করা হচ্ছে, তখন তোমরা তাদের সাথে বসো না, যতক্ষণ না তারা অন্য কোন আলোচনায় লিপ্ত হয়, (এমনটি করলে) অবশ্যই তোমরা তাদের মতো হয়ে যাবে (জেনে রেখো), আল্লাহ তাআলা অবশ্যই সব কাফের ও মোনাফেকদের জাহান্নামে একত্রিত করে ছাড়বেন” (সূরা নিসাঃ ১৪০)

৯| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১৬

সালমান সিদ্দিকী বলেছেন:
পুরা লেখাটা পড়ে মনে হল লেখক ইসলাম নিয়ে কেউ প্রশ্ন করলে বা কেউ ইসলাম কোন দিক নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে তাকে বয়কট করতে বলছেন

০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২৩

উমর বলেছেন: ইসলাম বিষয়ক কোন প্রশ্ন দেখলে প্রথমেই খেয়াল করুন আপনি সে বিষয়টা সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে জানেন কি না। যদি জানেন তাহলে চমৎকারভাবে কুরআন-সুন্নাহর দলিল সহ তার উত্তর দিয়ে দিন আর যদি পরিপূর্ণভাবে জানা না থাকে একটু-আধটু জানেন তাহলে উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ইসলামের কোন দিক নিয়ে আলোচনা ভাল কথা করুন, কিন্তু তার মানে এই নয় কোন বিধান নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করবেন, যেমন: কেন এই আইনটি এরকম হলো, কেন ঐ রকম হলো না, এই আইনটা ভুল- একে সংশোধন করতে হবে প্রভৃতি। কারণ, ইসলাম পরিপূর্ণ একটি জীবন বিধান আর এই পরিপূর্ণতা আল্লাহ তাআলা নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন, এখানে নতুন কিছু যোগ করারও নেই আবার কোন কিছু বাদ দেওয়ারও নেই।
“আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম আর ইসলামকে তোমাদের জীবন বিধান হিসেবে মনোনীত করলাম” (সূরা মায়িদাঃ ৩)

না জেনে ইসলাম বিষয়ক কথা বলা মোটেই উচিত নয়। কারণ, কুরআনের প্রথম যে আয়াতটি নাযিল হয় সেখানে বলা হয়েছে পড়ার কথা।
"পড়! তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আলাক)

আল্লাহর নাম নিয়ে পড়তে বলেছেন। এখন কেউ যদি না পড়ে সেটা তার দোষ। এই পড়াটা অবশ্যই হতে হবে এমন পড়া যে পড়ার মাধ্যমে একজন আল্লাহ সম্পর্কে, ইসলাম সম্পর্কে, ইসলামের বিধান সম্পর্কে জানতে পারে। এই পড়াটা প্রত্যেক মুসলমানের জন্যে বাধ্যতামূলক।
বর্তমানে পড়ালেখার কমতি নেই, কিন্তু এত পড়ালেখা করেও সে আল্লাহ সম্পর্কে, ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারছে না। সাধারণত কাউকে যেয়ে জিজ্ঞেস করলে, আল্লাহ সম্পর্কে কিছু বলেন তো, দেখবেন বড়জোর তিন-চার লাইন বলতে পারবে। যেমন: আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করছেন, তিনি মালিক, পালন কর্তা প্রভৃতি। তিনি সব জায়গায় বিরাজমান, তিনি নিরাকার প্রভৃতি।

তিনি সব জায়গায় বিরাজমান, তিনি নিরাকার - এই দুইটি কথা কুরআন ও সহীহ হাদীসের কোথাও বলা হয় নি। এই দুইটি কুফরী আকিদা। এই দুইটি হচ্ছে মূর্তি পূজারীদের থিওরী।
কুরআনে ৭টি জায়গায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে আল্লাহ তাআলা আরশের উপর অবস্থান করছেন।
“ধ্বংস হোক, যারা শুধু অনুমানের উপর ভিত্তি করে (কথা বলে)” (সূরা যারিয়াতঃ১০)

মুসলিম ভাইদের সতর্ক করার জন্যেই মূলত এই লেখাটি লেখা হয়েছে। কারণ আমি লেখার শুরুতেই বলেছিলাম,
//এই দুইটি ক্ষেত্রেই আমরা সমস্যায় পড়ে যাই আর কিছু ভাই আবেগের তাড়নায় এমন সব কথা বলতে শুরু করেন যা মোটেও উচিত নয়//

ইনশাল্লাহ, বিষয়টি বুঝতে সক্ষম হবেন।

বারাক আল্লাহ ফিক।

১০| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:২৭

অলস ছেলে বলেছেন: ভালো বলেছেন

১১| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৪৪

আবদুল হক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো লেখা।

১২| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৫

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:

চমৎকার লেখা।
আসলে আমরা অনেক ব্লগার ইসলাম সম্পর্কে না জেনে মনগড়া ব্যাখ্যা দেই এবং নাস্তিক ও ইসলামের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে অযথা তর্কে লিপ্ত হই।
এগুলো করার প্রয়োজন নেই। তাই না?

তবে এস.এম. রায়হান টাইপের বিরক্তিকর পাবলিক যখন ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হাস্যকর সব যুক্তি দেয় আর তাতে ইসলামবিরোধীরা মজা নেয় তখন কি করা উচিত?

০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯

উমর বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম ভাই,
নাস্তিকদের সাথে তর্ক করার কিছু নেই, সবচেয়ে ভাল হয় আমরা নিজেরা যদি কুরআন এবং সহীহ সুন্নাহ চর্চা করে মানুষকে সত্য জানিয়ে দিই। সত্যটা জানা থাকলে মিথ্যার বেসাতি আমাদের দ্বিধাগ্রস্থ করতে পারবে না। আল্লাহ তাআলা আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।

যদি দেখেন কোন মুসলমান ভাই এরকম যুক্তি ব্যবহার করছে যা কুরআন এবং সহীহ সুন্নাহ বিরোধী আর বিষয়টি সম্পর্কে যদি আপনার পরিপূর্ণ ধারণা থাকে তাহলে দলীল সহকারে তাকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলুন এতেই আপনার দায়িত্ব পূর্ণ হয়ে যাবে। এরপর সে মানবে কি মানবে না সেটা তার ব্যাপার।
বারাক আল্লাহ ফিক।



১৩| ০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৪

বিবেকের কথা বলেছেন: +

১৪| ০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫১

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভাল বলেছেন। ধন্যবাদ।

১৫| ০৯ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪০

জনৈক আরাফাত বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগলো।
বটমলাইন ----- পুরোপুরি না জেনে তর্কে যাওয়া ঠিক নয়!

১৬| ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:১৪

ভদ্র বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২৩

আবুল কালাম বলেছেন: আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাইদের হিফাজত করুন। আমীন।

১৮| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২৫

আবুল কালাম বলেছেন: আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাইদের হিফাজত করুন। আমীন।

১৯| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৩৪

তাশমিয়া বলেছেন: ব্লগে অনেকে আসে এসব ধর্মবিষয়ক তর্ক করতে।তাদের আনন্দটা মাটি হয়ে যাবে। :(

২০| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৩৮

রংধনুর সাত রঙ বলেছেন: তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভাল বলেছেন। ধন্যবাদ।

২১| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৩৯

হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!! খুবই সুন্দর করে বলেছেন সব।

২২| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০১

আমি বিবেক বলছি বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টের জন্য। নাস্তিকেরা আগেও ছিল এখনও আছেন; তবে চাপাবাজ মুসলিমদের সংখ্যা বেড়ে যাবার ফলে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্থ ইসলাম। সময়োপযোগী একটা পোস্ট!

২৩| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৩

িময়াজী বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ, চমৎকার লেখা । লেখককে ধন্যবাদ।

২৪| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৪

বাংল০০০ বলেছেন: ওয়া শুকরানলাকা

২৫| ২৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১০

সুনাগরিক বলেছেন: সুন্দর পোস্ট।

২৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:০১

আঁধার রাতের মুসাফির বলেছেন: আল্লাহ আপনাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন সুন্দর লেখার জন্য এবং আপনার যোগ্যতা আরো বাড়িয়ে দেন- আমীন।

অসংখ্য ধণ্যবাদ।

২৭| ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৩০

সাধীন চেতা বলেছেন: ধন্যবাদ

২৮| ০৪ ঠা জুন, ২০১০ রাত ১০:১৭

আজিজ তানভীর বলেছেন: খুবই খুশি হলাম লেখাটা পড়ে.....১০০% সহমত লেখকের সাথে।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ

২৯| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:৪০

নাজমুলব্লগ বলেছেন: বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

ভাই আমি আপনার লেখার সাথে একমত, কোন দ্বিমত নেই, কিন্তু একটা বিষয় নিয়ে আমার একটু সমস্যা হচ্ছে, তা হলো আপনি বলেছেন -
‍"তিনি সব জায়গায় বিরাজমান, তিনি নিরাকার - এই দুইটি কথা কুরআন ও সহীহ হাদীসের কোথাও বলা হয় নি। এই দুইটি কুফরী আকিদা।"

নিচের এই আয়াতটি বাংলা অর্থ দেখুন -
"পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ।" - সূরা বাকারা, আয়াত - ১১৫।

এটা বিতর্ক করার জন্য নয়। শুধু জানতে চাই এই আয়াতের সাথে আপনার কথাটি সাংঘর্ষিক কি না। আশা করি জবাব দেবেন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন। আমীন।

৩০| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৩

উমর বলেছেন: @নাজমুলব্লগ,

প্রথমত, আপনি আমার সাথে এই বিষয়ে অবশ্যই একমত হবেন যে, আল্লাহ সম্পর্কিত সবচেয়ে বেশী জানেন আল্লাহ তাআলা নিজেই এরপর জানেন রাসূল ﷺ। কাজেই আল্লাহ তাআলা তার নিজের সম্পর্কে যা বলেছেন এবং রাসূল ﷺ আমাদেরকে আল্লাহ তাআলা সম্পর্কে যা জানিয়েছেন কোন ব্যাখ্যা ছাড়াই আমাদেরকে তা বিশ্বাস করতে হবে। কারণ, এই বিষয়টা ব্যাখ্যা করা আমাদের আয়ত্বের বাইরে। কিসের সাথে তুলনা করে বা কেমন করে আমরা ব্যাখ্যা করব? কারণ, “(সৃষ্টিলোকে) কোন কিছুই তার সাদৃশ্য নয়, তিনি সর্বশ্রোত, তিনি সর্বদ্রোষ্টা” (সূরা আশ শুরাঃ ১১)

দ্বিতীয়ত, আল্লাহ কোথায় কিংবা আল্লাহ তাআলা কোথায় অবস্থান করছেন এই বিষয়ে আল্লাহ তাআরা নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন এবং রাসূল ﷺ এর সহীহ হাদীস সমূহেও এই বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। কুরআনের ৭টি আয়াতে সুস্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে আল্লাহ তাআলার অবস্থান সম্পর্কে।
সূরা ত্বহাঃ ৫
সূরা আ’রাফঃ ৫৪
সূরা ইউনুসঃ ৩
সূরা রা’দঃ ৩
সূরা ফুরকানঃ ৫৯
সূরা সাজদাঃ ৪
সূরা হাদীদঃ ৪

এই সবগুলো আয়াতেই এইটা পাবেন “আল্লাহ তাআলা আরশে সমাশীন হলেন” অর্থাৎ সাত আকাশের উপরে আরশে আল্লাহ তাআলা অবস্থান করছেন।

আল্লাহ তাআলা উপরে আছেন এই বিষয়ে আরো কিছু আয়াতঃ
সূরা মুলকের ১৬-১৭ নং আয়াতের অর্থঃ
“তোমরা কি নিজেদের নিরাপদ ভাবছো (মহাশক্তিধর) আকাশের মালিক আল্লাহ তা’আলা কি তোমাদের সহ ভূমন্ডলকে গেড়ে দিবেন না? (এমনি অবস্থা যখন দেখা দিবে) তখন তা (ভীষণভাবে) কম্পমান হবে অথবা তোমরা কি নিশ্চিত, আকাশের (অধিপতি) আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর (প্রস্তর নিক্ষেপকারী) এক প্রচন্ড বায়ু প্রবাহিত করবেন না?”

“তিনিই প্রতাপন্বিত স্বীয় বান্দাদের উপরে আছেন” (সূরা আনআমঃ১৮)
“তারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করে চলে। যিনি তাদের উপরে আছেন”। (সূরা নাহলঃ ৫০)
“তারই দিকে পবিত্র বাক্য সমূহ উঠে থাকে এবং সৎ আমল তাকে উপরের দিকে তুলে নেয়” (সূরা ফাতিরঃ ১০)
“ফেরেশতাগণ এবং রুহ আল্লাহ তা‘আলার দিকে ঊর্ধ্বগামী হয়। (সূরা মা‘আরিজঃ ৪)
“তিনি আকাশ থেকেই জমিনে সকল কর্ম পরিচালনা করেন”। (সূরা সিজদাঃ ৪)

এরপর রাসূল ﷺ এর হাদীস সমূহে রয়েছেঃ
“রাসূল ﷺ কে সপ্তম আকাশে আরোহন করানো হলো, আল্লাহ সেখানে তার সাথে কথা বললেন এবং প্রতিদিন পাচ ওয়াক্ত নামাজের নির্দেশ দিলেন” । (সহীহ বুখারী ও মুসলিম, মেরাজ ঘটনা সম্পর্কিত)

“নবী ﷺ আরাফার মাঠে ভাষণ দেওয়ার সময় আল্লাহকে সাক্ষী রেখে আকাশের দিকে ইঙ্গিত করছেন। তিনি উপস্থিত সাহাবীদেরকে লক্ষ্য করে বলেছেন, আমি কি তোমাদের কাছে দাওয়াত পৌছে দিয়েছি? উপস্থিত জনতা একবাক্যে স্বীকার করলো, হ্যা আপনি আপনার দায়িত্ব যথাযথভাবে পৌছিয়ে দিয়েছেন। তখন নবী ﷺ বললেন, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। এ কথা বলতে বলতে তিনি উপরের দিকে আঙ্গুল উঠিয়ে ইশারা করতে লাগলেন এবং মানুষের দিকে তা নামাতে লাগলেন। এ হাদীসটি সহীহ মুসলিমে জাবির (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসটিতে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ আকাশে। তা না হলে নবী ﷺ এর উপরের দিকে হাত উঠিয়ে ইশারা করা অনর্থক বলে সব্যস্ত হবে

“রাসূল ﷺ একবার এক মহিলা দাসীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আইনাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ কোথায়? তার উত্তরে সে বলেছিল, “আকাশে ”। এ কথা শুনে নবী ﷺ বললেন, আতিকহা ফা ইন্নাহা মুমিনা অর্থাৎ তাকে মুক্ত করে দাও। কেননা সে ঈমানদার” হাদীসটি সহীহ মুসলিমে বর্ণিত মু‘আবিয়া বিন হাকাম আস্ সুলামী (রা) এর দীর্ঘ হাদীসের অংশ বিশেষ। এটি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন স্বীয় সত্তায় উপরে হওয়ার ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলীল। কেননা, আরবী ‘আইনা’ শব্দটি দিয়ে কোন বস্তুর অবস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়ে থাকে। নবী ﷺ যখন মহিলাটিকে আল্লাহ কোথায় এ কথা জিজ্ঞেস করলেন, তখন মহিলাটি বলল, আকাশে। নবী ﷺ তার এ কথাকে মেনে নিলেন এবং তিনি বললেন, এটাই ঈমানের পরিচয়। তাকে মুক্ত করে দাও। কারণ, সে ঈমানদার। সুতরাং যতক্ষণ কোন মানুষ আল্লাহ উপরে হওয়ার বিশ্বাস না করবে এবং এ কথার ঘোষণা না দিবে ততক্ষণ সে ঈমানদার হতে পারবে না।

তৃতীয়ত, আপনি যে আয়াতটি উল্লেখ করেছেন সেখানে আল্লাহ তাআলার অবস্থান সম্পর্কে বলা হয়নি। আপনি যদি এই আয়াতটি সম্পর্কিত হাদীসগুলো পড়েন তাহলে বিষয়গুলো সম্পূর্ণ পরিস্কার হয়ে যাবে। রাসূল ﷺ যখন মদীনায় হিজরত করেন তখন ষোল/সতের মাস তিনি বাইতুল মাকদিস মসজিদের দিকে কিবলা করে নামাজ পড়ার নির্দেশ পেয়েছিলেন সে সময় মদীনার ইহুদীরা খুব খুশী হয়েছিল কারণ তারাও বাইতুল মাকদিস মসজিদকে কিবলা করে প্রার্থনা করে। এরপর যখন পুনরায় কাবা’র দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হল, তখন মদীনার ইহুদীরা এই বিষয়ে নানা রকমের কটু মন্তব্য করতে লাগল, যেমন, কিসে তাদেরকে কিবলা পরিবর্তন করতে বাধ্য করলো? এরপর আল্লাহ তাআলা এই আয়াতটি নাযিল করেন। এই সম্পর্কে আলী বিন আবি তালহা থেকে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকে হাদীস বর্ণিত হয়েছে।

এই বিষয়ে আরেকটি বর্ণনা রয়েছে, ইকরামা থেকে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, যেদিকেই মুখ ফেরাওনা কেন সেদিকেই আল্লাহ রয়েছে যার মানে হচ্ছে পূর্ব বা পশ্চিমে যেদিকেই থাকনা কেন সবদিক থেকেই আল্লাহর কিবলার দিক নির্দেশনা রয়েছে। মুজাহিদ বলেন, তুমি যেখানেই থাকনা কেন তোমাকে কিবলার দিক অর্থাৎ কাবার দিকে মুখ ফেরাতে হবে।
সবচেয়ে উত্তম হবে যদি আপনি এই আয়াত সম্পর্কিত তাফসীরটি তাফসির ইবনে কাছির থেকে পড়ে নেন।
Click This Link


আরো বিস্তারিত জানতে নিম্নোক্ত বই দু্টি পড়ুনঃ

ঈমান ও আকীদা
হাফিজ শাইখ আইনুল বারী আলিয়াবী

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম
শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল উসাইমিন
বই দুইট কাটাবনে পাবেন।

আপনার চমৎকার প্রশ্নের জন্যে জাযাকাল্লাহ। আল্লাহ তাআলা আপনাকে সুস্থ রাখুন। আমীন।

৩১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৫৭

নাজমুলব্লগ বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ। খুব সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমার আর কোন বিভ্রান্তি থাকলো না। আল্লাহ আপনার মাধ্যমে আমাদের সবাইকে কোরআন বোঝার তৌফিক দান করুন। আমীন।

৩২| ০৯ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১:০৫

আরিফ ফার্মেসী অনুষদ ঢাবি বলেছেন: সহমত
আঁধার রাতের মুসাফির বলেছেন: আল্লাহ আপনাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন সুন্দর লেখার জন্য এবং আপনার যোগ্যতা আরো বাড়িয়ে দেন- আমীন।

অসংখ্য ধণ্যবাদ।

৩৩| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৩২

নীল আশিক আকাশ বলেছেন: আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাইদের হিফাজত করুন। আমীন।

৩৪| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫৯

শাবি বলেছেন: দারুন একটি সময়োপযোগী পোস্ট............

৩৫| ০৮ ই মে, ২০১২ রাত ১২:৫৬

আজমান আন্দালিব বলেছেন: একটি সময়োপযোগী পোস্ট....

৩৬| ২৪ শে জুন, ২০১২ রাত ৮:৫৬

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন: আপনি বলেছেন -
‍"তিনি সব জায়গায় বিরাজমান, তিনি নিরাকার - এই দুইটি কথা কুরআন ও সহীহ হাদীসের কোথাও বলা হয় নি। এই দুইটি কুফরী আকিদা।"

নিচের এই আয়াতটি বাংলা অর্থ দেখুন -

আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী। (সূরাঃ কাফ্‌ <৫০>,আয়াতঃ ১৬)

আয়াতটি দেখে মনে হয় আল্লাহ সর্বত্রেই আছেন।আর এরকম হলে তার আকার থাকে কি করে ?

এটা বিতর্ক করার জন্য নয়। শুধু জানতে চাই এই আয়াতের সাথে আপনার কথাটি সাংঘর্ষিক কি না।
আশা করি জবাব দেবেন।

৩৭| ২৬ শে জুন, ২০১২ রাত ৮:৩২

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন: উমর আপনি নিচের এই আয়াতটির ব্যা্ক্ষা ২৬ শে জুন, ২০১২ তারিখের মদ্ধে দেননি।

কে কোন পোস্ট থেকে মন্তব্য করছে সেটা ইমেইলের মাদ্ধমে জানার ব্যাবস্থা সম্ভবত এই সাইটে নাই।
তাই সম্ভবত আপনার চোখে মন্তব্যটি পরেনি।

যখন আপনার চোখে এই মন্তব্যটি পরবে তখন আপনার কাছে ভাল ব্যাক্ষা পাব আশা করব।

তবে অন্য কেউ যদি ভাল ব্যাক্ষা দিতে পারে তবে মন্তব্যে দিবেন আশা করি।

যে কেউ এই আয়াতটির ব্যাক্ষাটি দিবে সে যেন দয়া করে ব্যাক্ষাটি এই পোস্টের মন্তব্যে দেয়ার পাশাপাশি আমার মেইলেও পাঠিয়ে দেয়।
কারণ সেই পর্যন্ত বিদায়।

E-mail : [email protected]

নিচের এই আয়াতটি বাংলা অর্থ দেখুন -

আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী। (সূরাঃ কাফ্‌ ,আয়াতঃ ১৬)


E-mail : [email protected]

৩৮| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২৩

মুঘল সম্রাট বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ অনেক উপকৃত হলাম।

৩৯| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩২

shfikul বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.