নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মঞ্জুর চৌধুরী

আমি ঝন্ঝা, আমি ঘূর্ণি, আমি পথ-সমূখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’। আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ, আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ। আমি হাম্বার, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল, আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি’ ছমকি’ পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’ ফিং দিয়া দিই তিন দোল; আমি চপলা-চপল হিন্দোল। আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা, করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পান্জা, আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা! আমি মহামারী আমি ভীতি এ ধরিত্রীর; আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ন চির-অধীর! বল বীর - আমি চির উন্নত শির!

মঞ্জুর চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

এপস্টিন ফাইলস কি আসলেই বলে যে ওরা নরখাদক ছিল?

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১৬

বাঙ্গু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মুহূর্তে "এপস্টিন ফাইলস" একটা হট টপিক, এবং সবকিছুর মতোই এই বিষয়টাকেও বাঙ্গু সমাজ পঁচায়ে ফেলতে উঠে পড়ে লেগেছে।
জেফ্রি এপস্টিন একটা পার্ভার্ট, পেডোফাইল, বাচ্চা মেয়েদের দালাল, ইজরায়েলের গুপ্তচর ইত্যাদি সব ঠিক আছে।
ওর ফাইলে পৃথিবীর সব প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম আছে - যা ব্যাখ্যা করে কেন ফিলিস্তিনে ভয়াবহ ও নির্লজ্জ গণহত্যা করেও ইজরায়েল পার পেয়ে যাচ্ছে। এইটাও সত্য।
মশলাপাতির জন্য এইটুকুই যথেষ্ট। এইটা নিয়েই গোটা দুনিয়া তোলপাড় করে দেয়া সম্ভব।

কিন্তু...আমরা হচ্ছি বাঙ্গু সমাজ। আমাদের এত কম মশলায় খাবারে স্বাদ আসেনা। আমাদের চাই আলিফ লায়লা। কাজেই শুরু হয়েছে ছড়ানো যে এপস্টিন আর তার বন্ধু বান্ধবরা অল্পবয়সী মেয়েদের খেয়ে ফেলতো। শয়তানের পূজা করতো। আচ্ছা ভাই, একদিকে বলছো সে ইহুদি দালাল, ইজরায়েলি এজেন্ট (যেটা প্রমাণিত), আরেকদিকে বলছো শয়তানের পূজারী। আগে একটা মাইন্ড সেট করো, তারপরে পোস্ট করো। দুইটা এক সাথে কিভাবে হয়?
কোন কিছু বিশ্বাস করে শেয়ারের আগে বিন্দুমাত্র যাচাইয়ের কি প্রয়োজন বোধ করেন না কেউ?

তা আসেন, একটু সংক্ষেপে জেনে নেই যে এপস্টেইন ফাইলসে কি নরখাদ্যের প্রমাণ আছে?

উত্তর হচ্ছে, না। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত কোনো সরকারি নথি, আদালতের দলিল বা বিশ্বাসযোগ্য সংবাদমাধ্যম এপস্টেইন বা তার সহযোগীদের সঙ্গে নরখাদ্যের কোনো প্রমাণ নিশ্চিত করেনি।

তাহলে “এপস্টেইন ফাইলস” আসলে কী?

মার্কিন বিচার বিভাগ (DOJ) এপস্টেইন–সংক্রান্ত লক্ষ লক্ষ পৃষ্ঠা নথি প্রকাশ করেছে।

এসব নথির মধ্যে আছে:

ইমেইল

তদন্ত সংক্রান্ত রিপোর্ট

সাক্ষ্য ও যোগাযোগের রেকর্ড

অনেক অংশ আইনি কারণে কালো করে দেওয়া (redacted), তাই সব তথ্য প্রকাশ্য নয়।

কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—এই নথিগুলো থেকে নতুন কোনো ভয়ংকর অপরাধ (যেমন নরখাদ্য) প্রমাণিত হয়নি।

❗ নরখাদ্যের গুজব কোথা থেকে এল?

সোশ্যাল মিডিয়া ও কিছু ষড়যন্ত্রমূলক ওয়েবসাইটে দাবি করা হয় যে “ফাইলসে ভয়াবহ সব বিষয় আছে—নরখাদ্য, রিচুয়াল কিলিং ইত্যাদি”

এগুলোর উৎস মূলত:

ভুল ব্যাখ্যা

পুরোনো, যাচাইহীন দাবি

একজন বা দু’জন ব্যক্তির মানসিক ভারসাম্যহীন অভিযোগ, যেগুলো কখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি

একটি নাম ঘুরে-ফিরে আসে—Gabriela Rico Jiménez—যিনি ২০০৯ সালে কিছু চরম অভিযোগ করেছিলেন।
কিন্তু তার সঙ্গে এপস্টেইনের সরাসরি কোনো প্রমাণিত যোগসূত্র নেই, আর তার দাবিগুলোও যাচাইয়ে টেকেনি।

মূল বাস্তবতা কী?

জেফ্রি এপস্টেইনের অপরাধ ছিল:

অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন নির্যাতন

মানব পাচার

এসব অপরাধের জন্যই সে অভিযুক্ত ও দণ্ডিত হয়েছিল।

নথিতে অনেক ভয়াবহ বিষয় আছে, কিন্তু নরখাদ্য সংক্রান্ত কোনো বিষয় প্রমাণিত হয়নি।

তাহলে বটম লাইন কি দাঁড়ায়?
এপস্টেইন ফাইলসে cannibalism থাকার দাবি একটি গুজব।
এটা:
সরকারি ভাবে প্রমাণিত নয়
আদালত বা নির্ভরযোগ্য সাংবাদিকতায়ও সমর্থিত নয়

ভবিষ্যতে যদি সত্যিই এমন কোনো প্রমাণ বের হয়, তা বড় সংবাদমাধ্যম ও কর্তৃপক্ষ নিশ্চিতভাবেই প্রকাশ করবে।
এই মুহূর্তে—এরকম কোনো প্রমাণ নেই।
কাজেই বেহুদা পোস্ট করে মূল অপরাধ থেকে সবার দৃষ্টি সরিয়ে দিবেন না। যখন ভিত্তিহীন অভিযোগ ভুল প্রমান হয়, তখন আসল অপরাধ করেও অপরাধী পার পেয়ে যায়।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২২

এ পথের পথিক বলেছেন: আপনি এই উত্তর এআই দিয়ে লিখেছেন

২| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২৭

আফলাতুন হায়দার চৌধুরী বলেছেন: -
এ পথের পথিক বলেছেন: আপনি এই উত্তর এআই দিয়ে লিখেছে
=p~ =p~ =p~ =p~ =p~
:D :D :D :D :D :D :D

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.