| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মাশা
Life is given to man to make him consider carefully the position he'd like to be dead in, grey skies pass over, the sky's a hanging garden and earth comes into the mouth like bread. (from Runot ja Hipponaksin runot, 1959)
এটা এমন একটা বই এই বই সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে এটা পড়ার আগের পাঠক আর পরের পাঠক যদি একই ব্যক্তি থাকে তবে সে হয়ত দানব নতুবা সে মৃত পাঠক। সত্যি আমি মানি পৃথিবীর কয়েকটি মাত্র জীবিত বইয়ের মধ্যে এটি অন্যতম। তলস্তয়ের প্রায় লেখা পড়া আছে।ওয়ার এন্ড পিস, আনা কারেনিনা, রেজারেকশান, হাজি মুরাদ, সহ প্রায় সব ছোট বড় গল্প আর তার বিখ্যাত প্রবন্ধের বই হোয়াট ইজ আর্ট। তার লেখা পড়লে ছোট বেলায় যখন আমাদের বোধের ওপর এত অত্যাচার হয়নি। তখন পবিত্র ধর্মগ্রন্ত পাঠ কিংবা ইবাদত করে যে একটা নির্মল আনন্দ পেতাম সে ধরনের অনুভুতি হয়। যেন নিজের সমস্ত চিন্তা ভাবনাগুলো এক জায়গায় এসে গ্রন্থিত হয়। তলস্তয়ের লেখাগুলো ব্যক্তিগত ভাবে আমার জন্য ধর্মগ্রন্থের কাজ করে। আঙ্গিক গত ভাবে তার তুলনা হতে পারে কোনো ভাস্করের মত। তার লেখা গুলো ভাস্বর্যের মত। তাকে আমার মাঝে মাঝে মিকেলেঞ্জেলোর মত মনে হয়।তার ওয়ার এন্ড পিস বাদ দিলে প্রায় উপন্যাসে ঘঠনাবলী সাধারন ভাবে বর্ণিত। কিন্তু প্রত্যেকটা জিনিস ডিটেল দেখার যে চোখ সেটা অনন্য সাধারণ। এ উপন্যাসটাও তেমনি তৎকালীন জমিদারদের জীবনী। নেখলয়ুদভ একজন ধনী ভোগী জমিদার। প্রাক্তন সেনা অফিসার। পঞ্চায়েতের জুরি।মাসলোভা নামের এক বেশ্যা যে কিনা বিষ প্রয়োগে তার খদ্দেরকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত। তার পক্ষে কিংবা বিপক্ষে মত দিতে গিয়ে নে খলয়ুদভ আবিস্কার করে। এটা আসলে সেই মেয়ে অনেক আগে এক আত্মীয়ের বাসায় সে নিজেই ফুসলিয়ে এই মেয়েটাকে ভোগ করেছিল। সে মেয়েটাকে সামান্য রুবল দিয়ে ফ্রন্টে চলে গিয়েছিলো। এর পর তার অজান্তে মেয়েটার জীবনে নেমে আসে এক দুর্বিসহ নি য়তি। তারপর তার সন্তান ধারন এবং বেশ্যাবৃত্তি গ্রহন। এবং এই পর্যন্ত। তারপর তার শাস্তি সাইবেরিয়ায় নির্বাসন। আর নেখলয়ুদভের পুণরুজ্জীবন। সে তার প্রায়শ্চিত্য করতে তার পিছন পিছন চলে সাইবেরিয়ায়। আসলে মানুষের রুপান্তরটা দারুন একটা ব্যাপার। যেন এত দিন পর নেখলয়ুদভ নিজেকে খুজে পেয়েছে। তার কাছে সমস্ত আভিজাত্য খসে পড়ে। তার জীবনটা বদলে যায়। যদিও মাসলোভা তার প্রতি তেমন একটা আকর্ষন বোধ করেনা। আসলো মাসলোভা তার প্রতি কোন অনুভুতিই আর অন ুভব করেনা।এইতো, কিন্তুএই কাহিনীর হাত ধরে তৎকালীন রাশিয়া এবং তার সামাজিক রীতিনীতি সম্পর্কে তলস্তয় যে জঙ্গনামা লিখেন। তার জন্য রাশিয়ান বুর্জোয়ারা জনম জনম ধরে তাকে দোষবে। কারন বলা হয়ে থাকে বলশেভিকদের তার সমস্ত লেখা অনুপ্রেরণা জোগিয়েছে। হাসান মোরশেদ কে এ লেখাটা উৎসর্গ করছি কারন। আমার উদ্দেশ্য ছিল নতুন নতুন বইগুলো রিভিউ করা। এটা বহু বহু পঠিত একটা জনপ্রিয় বই। তবুও আপনারা ভিন্ন কোনো মন্তব্য দিয়ে কিংবা আমি যা লিখিনি তা লিখে এ লেখাটাকে সমৃদ্ধ করবেন আশা করি।
২|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৩
মাশা বলেছেন: মাই গড আপনি এখনো নেটে? মিয়া খাওয়া দাওয়া হইছে নি।
৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৪
অতিথি বলেছেন: এইখানে তো 24 ঘন্টাই নেট। খাওয়া দাওয়া রাতের টা হয় নাই এখনও।
৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৫
অতিথি বলেছেন: গ্রানতোমোলানি মানে কি?
৫|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:২৬
মাশা বলেছেন: সলবেলোর একটা নভেল পড়েছিলাম নামটা হচ্ছে 'হ্যান্ডারসন দ্যা রেইন কিং'।
এটা এমন একজন মানুষের গল্প। বিত্ত আর আনন্দ সত্বে যে জীবনের মানে খুঁজতে বার হয়। একপর্যায়ে সে গিয়ে পৌছায় আফিকার এমন এক জায়গায়। যেখানে এখনো সভ্যতার আলো পৌছায়নি। ত তাদেরকে সভ্যতার ধারক হ্যান্ডারসন মশাই অনেক কিছু থেকে রক্ষা করলো। তাদের এক রাজা যে কিনা সিংহের সাথে পাতালে থাকতো। আর এক রানী অসুস্থ হ্যান্ডারসনকে আফ্রিকার ঐ অঞ্চলের ভাষায় বলেছিলো আমি জানি তুমি কি চাও। অসহায় হ্যান্ডারসন তাকে বলেছিলো কি? তখন সে উচ্ছারণ করেছিলো এই শব্দ টি'গ্রানতোমোলানি" যার মানে হচ্ছে তুমি বেঁচে থাকতে চাও। আর মুহুর্তে উপন্যাসটির বাক ঘুরে যায়। বইটা পইড়েন। অসাধারণ।
৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৯
অতিথি বলেছেন: থ্যাংকুস।
গ্রানতোমোলানি। চমৎকার।
আরেকটা চমৎকার বইয়ের কথা জানাই। নিজেও পড়িনাই। অনেকবার অনেক দোকানে নাইরা চাইরা রাইখা দিছি। (সবসময় কি গরীবের পকেটে পয়সা থাকে বলেন?)
বইটার নামটা ইন্টারেস্টিং:
The Monk Who Sold His Ferrari
কাহিনীটা অনেকটা এরকম: Everyone loves a good fable, and this is certainly one. The protagonist is Julian Mantle, a high-profile attorney with a whacked-out schedule and a shameful set of spiritual priorities. Of course it takes a crisis (heart attack) to give Mantle pause. And pause he does--suddenly selling all his beloved possessions to trek India in pursuit of a meaningful existence. The Himalayan gurus along the way give simple advice, such as, "What lies behind you and what lies before you is nothing compared to what lies within you." Yet it is easy to forgive the story's simplicity because each kernel of wisdom is framed to address the persistent angst of Western white-collar professionals.
৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৪২
মাশা বলেছেন: আরে ভাই এসব কইয়েন না মিয়া জিহবা সামলাইতে পারিনা। ম েন হয় অচেনা বইয়ের শব্দ হইয়া যাই। ধন্যবাদ।
৮|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৫
অতিথি বলেছেন: প্রিয় মাশা :
প্রিয় উপন্যাসের অনেকগুলো রিভিউ ও পড়েছি ।
কিন্তু আপনার লেখা প্রথম লাইনের মতো এতো ভয়াব হ সরল সত্য পাঠ করিনি ।
অভিনন্দন আবারো ।
৯|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৭
অতিথি বলেছেন: বাংলায় অনুবাদ পড়েছিলাম অনেকদিন আগে। ভালোলাগাটা এখনো আছে।
১০|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৫২
মাশা বলেছেন: হাসান ভাই আপনি আছেন তাহলে।এইটা প্রথম পইড়া আমি কাহিল হই গেসিলাম। নিজেরে খালী পাপী পাপী লাগতো। মনে হতো রিষি হইয়া যাই।
১১|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: এই বইটার কথা আব্বার মুখে অনেক শ ুনেছি তবে এখনো পড়ি নাই। তবে মাশাদির বর্ণনা থেকে অনেক কিছু জানা যায়।
১২|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:২৯
অতিথি বলেছেন: যারা পড়ে নাই। বহিটি তাদের পড়া উচিত।
১৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:২০
অতিথি বলেছেন: মাশা :
আরে ছিলাম না কবে?
আপনার পোষ্টগুলো পড়ি তো সবসময় । কিন্তু কবিতা নিয়ে মন্তব্য করতে ভয় পাই ।
ও রকম পুনরুত্থান বোধ সবারই হতে পারে উপন্যাসটা গভীর ভাবে পড়লে ।
১৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:২১
অতিথি বলেছেন: মনরো(মেরিলিন?):
মাশা দিদি নাকি?
আমি তো দাদা জানতাম!
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১১
অতিথি বলেছেন: চমৎকার।
কিন্তু প্যারা ভেঙ্গে লিখবেন। নইলে আমার দ্রুত পড়তে অভ্যস্ত চোখ অক্ষর হারিয়ে ব্যাথ্যা করে।