| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মেসি০০৭০০৭
আমি একজন স্টুডেন্ট তাই ভালো কিছু করতে চাই।
“বসুন্ধরা প্রকল্প গ্রুপ” নামটি অতি পরিচিত নাম। দেশের হয়ত ৯০% লোক এই গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রি কে চিনে। নামে চিনলে কি হবে, হয়তোবা তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে অজানা রয়েছে ৯০% লোকের মধ্যে ৮০% লোকেরই। কিভাবে তারা এত সম্পদশালী? কোথায় তাদের উৎস? তাদের আসল কার্যক্রম কি? তাদের এই মুখোশ খুলে দিতে আজ আমার এই ব্লগে বিচরণ।
তাদের শ্লোগান “দেশ ও মানুষের কল্যাণে” বাক্যটি একেবারে মিথ্যা ও উল্টো। তাদের আসল শ্লোগান হল “দেশ ও মানুষের ধ্বংসে”। তাদের এই উত্থানের পিছনে লুকিয়ে আছে হাজার হাজার গরীব মেহনতি মানুষের ভুমি দখল করে অথবা নামমাত্র মূল্যে জমি কিনে নিজেদের মালিকানায় আনা। যেখানে পেরে উঠে নাই সেখানে প্রভাব খাটিয়েছে তার সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিণীর। প্রয়োজন বোধে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে দ্বিধাবোধ করেনি নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য। বহু কষ্টের অর্জিত সম্পত্তি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে যে মানুষ গুলো, তখন তারা ছুটে চলেছে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন এম পি, মন্ত্রী, সরকারী কর্মকর্তার নিকটে বা অফিসে। কিন্তু কি লাভ হয়েছে বা হবে সেখানে যেয়ে? এ সমস্ত কর্ম কর্তারা ও তাদের কাছে জিম্মি। অর্থের প্রলোভন বাদই দিলাম, জীবনে মরার ভয় প্রতিটি প্রাণীর তো আছে। সুতরাং ফল হয়েছে হীতে বিপরীত। মানুষ যে এত জঘন্ন হতে পারে, তা হয়তো তাদের দেখলে বুঝা যায় না। তাদের প্রকল্পেরই ইঞ্জিনিয়ারকে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের ছেলের হাতে। আর শুধু তাই নয় ছেলেকে এই খুনের হাত থেকে বাঁচাতে জোট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবরকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ দিয়ে ছেলেকে বিদেশে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন। এরপর তত্ত্বাবধায়ক ও বর্তমান সরকারকেও এই মামলা ধামা চাপা দিতে মোটা অংকের টাকা দিয়ে যাচ্ছেন বলে শোনা যায়। অতি সম্প্রতি বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকের জন্য কেনা হয়েছে ৮০ কোটি টাকা দামের বিলাস বহুল গাড়ী। প্রশাসন ও পছন্দের লোকদের অর্থ দিয়ে খুশি করার পাশাপাশি আমোদ প্রমোদেরও ব্যবস্থা করেন এই প্রতিষ্ঠান। তাদের রয়েছে কিছু জলসা ঘর। বিভিন্ন সময়ে এই প্রতিষ্ঠানটি অভাবগ্রস্থ বা বিপন্ন লোকদের সাহায্য করে (সাগর রুনির ছেলে মেঘ) তা আসলে লোক দেখানো ও প্রচার বাড়ানোর জন্য ছাড়া আর কিছু নয়। যা সাধারন জন সাধারনের লোক চক্ষুর আড়ালে। খুব ঠাণ্ডা মস্তিস্কে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে, বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে এগিয়ে চলেছে তাদের এই কার্যক্রম। তাদের বর্তমান পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে “বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্প” ও “বসুন্ধরা রিভার ভিউ”। বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পের – প্রস্তাবিত জমির কিছু অংশ রাজউকের অনুমোদন থাকলেও অধিকাংশই রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই ক্ষমতা ও অর্থের বলে জনসাধারনের ও সরকারী সম্পত্তি যেমন – খাল, বিল, নদী, খাস জমি, পতিত ভুমি,বধ্যভুমি ইত্যাদি ভরাট করে প্রকল্প তৈরীর কাজ এগিয়ে চলেছে। ঠিক তেমনিই “বসুন্ধরা রিভার ভিউ” এর ক্ষেত্রে একই চিত্র চোখে পড়েছে। রাজউকের অনুমোদন ছাড়ায় একইভাবে অবৈধভাবে জায়গা দখল ও ভরাটের কাজ শুরু করে জনসাধারণ তথা সমাজের বৃত্তবান ব্যক্তিদের নিকট থেকে প্লট বিক্রয়ের মাধ্যমে অগ্রীম এককালীন ও কিস্তির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা লুফিয়ে নিচ্ছে। যার কোন ভিত্তি আদৌ থাকবে কিনা সেটা নিয়ে সন্দিহান। তাহলে সারা জীবনের কষ্টে অর্জিত অর্থ দিয়ে যখন মানুষ একটু নিজের ঠিকানা স্থির করতে চায়, সেই ঠিকানার আশায় যদি সারা জীবনের অর্জিত অর্থ বিসর্জন দিতে হয় তাহলে এর চেয়ে করুণ পরিণতি একটা মানুষের জীবণে কি হতে পারে? এই সমাজে এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হউন এবং তাদের এই সমস্ত প্রকল্পে প্লট কেনার মাধ্যমে জড়িত না হয়ে বরং তাদের এহেন কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার তথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনায় এগিয়ে আসুন। তাহলেই জনগন, সমাজ তথা দেশ বাঁচবে। সুখী সমৃদ্ধি বাংলাদেশ গড়ার এই হোক আমাদের ব্রত।
২|
২০ শে মে, ২০১২ বিকাল ৫:০১
chinu_138 বলেছেন: বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্প জেনো াক রাজার রাজততো। জখন ইচচা রাসতা বনধ করে জখন ইচচা রাসতা খোলে। ডানে জাওয়া জাবেনা, বামে জাওয়া জাবেনি। চরোম ভোগানটি....
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে মে, ২০১২ বিকাল ৪:৩০
চাঁপাইবার্তা বলেছেন: আরে ভাই এদের একখান কালের কন্ঠ আছে না> আরো কত কি মিডিয়াও এই সব পুজিপতির হাতে বন্ধি।