| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আবদে খায়ের
জীবনে যতদিন বাচবো সত্যের পথে আল্লাহর রাহে লড়াই করে যাবো।
মুসলমানের ঘরে জন্ম নেয়া একজন সন্তান ইসলামী শরীয়াহ মেনে চলবে এটাই স্বাভাবিক। এটা নির্ভর করে তার পিতা-মাতার উপর। কারন পিতা মাতাই সন্তানের প্রাথমিক স্কুল বলেন, মাদ্রাসা বলেন সব। হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (রহঃ) এর পিতা ও মাতা উভয়েই ছিলেন আল্লাহর ওলী। হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (রহঃ) গর্ভে থাকা অবস্থায় উনার মা সব সময় কুরআন তিলাওয়াত করতেন। পিতা মাতার গুনে গুনান্বিত হওয়া হযরত আব্দুল কাদির জিলানি (রহঃ) তাই মায়ের উদর হতেই ১৮ পাড়া কুরআন শরীফ মুখস্ত করে এসেছিলেন আল্লাহর কুদরতে।
এতো গেলো হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর পরিবারের কথা। এখন যেসব বাবা মায়ের সকালের ঘুমই ভাঙ্গে সারেগামার সূরে আর ঘুমাতে যায় হিন্দি সিরিয়াল দেখে তাদের সন্তানদের অবস্থা কেমন হবে??? যে সন্তান তার পিতা মাতাকে কোনদিন পশ্চিম মূখী হতে দেখেনি, কোন ধর্মীয় কৃষ্টি কালচার পালন করতে দেখেনি, সর্বক্ষেত্রে বিজাতীয় কালচারে গা ডুবিয়ে নিজেকে ধন্য মনে করেছে, সে সন্তান তো তার পিতা মাতার চেয়ে এক ডিগ্রী বেশী ধর্ম বিমুখ হবে এটাই স্বাভাবিক।
তো দেখা গেলো বাহিরে চলা ফেরার সুবাদে ঐ ছেলের এক ধার্মিক বন্ধু তাকে আমলের দাওয়াত দিচ্ছে। ছেলেটার বয়স আনুমানিক ২৫-৩০ এর মধ্যে হবে। তার বন্ধু তাকে বললো, দোস্ত চলো নামায পড়তে যাই। নানা অজুহাত আর বাহানা দেখিয়ে ছেলেটি বললো, দোস্ত আজ না, কাল থেকে নামায পড়বো। এভাবে সে কয়েকদিন Avoid করতে থাকে। সে চিন্তা করলো, নামায কিভাবে পড়ে তাই তো জানিনা। জীবনে আজ পর্যন্ত মসজিদে যাই নি। মসজিদে গেলে লোকে যদি কিছু বলে!!!
আবার ভাবে, আমার বাবা মাকে তো কোনদিন নামায পড়তে দেখিনি। কই, তারা তো দিব্যি ভালো আছে। অনেক সুখে আছে। আর এতো সময় নষ্ট করে নামায পড়ার কোন মানেই হয়না। ইসলামের শরীয়াহ মানলে তো আর মেয়ে বন্ধুর সাথে ডেটিং করা যাবেনা, লাল পানিতে চুমক দেয়া যাবেনা, ধোয়া গিলা যাবেনা, সিনেমা দেখা যাবেনা, হাফ পড়ে ঘোরাঘুরি করা যাবেনা, পার্টিতে গিয়ে নাচানাচি করা যাবেনা কত্তো কি?? ধুর.... এক শরীয়াহ মানতে গিয়া এত্তো কিছু ত্যাগ করতে হবে?? ইমপসিবল, তার চাইতে মানলাম না তোমাদের শরীয়াহ।
এক পর্যায়ে সে কোমর বাধিয়া নেমে পড়লো ইসলামের কোথায় কি ভুল ধরা যায়। যে করেই হোক ইসলামকে প্রতিহত করতেই হবে। নাহলে এতো সব ভাল (!) কাজ করতে পারবোনা। আস্তে আস্তে সে সত্যি সত্যি পরকালকে অস্বীকার করে ফেলে। আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) কে গালি দিতে তার বুক কাঁপেনা!! কাঁপবে কি করে, তার বুকে যে শয়তান মহোদয় বাসা বাধিয়াছেন স্থায়ীভাবে।
এভাবেই মুক্তচিন্তার নাম করে, স্বাধীনচেতার নাম করে একজন মুসলমান ঘরের সন্তান আমলহীনতার কারনে নাস্তিকে পরিনত হয়।
তাই আসুন, আমরা সবাই সবাইকে আমলের দাওয়াত দেই। আমলই মানুষকে খারপ কাজ থেকে দূরে রাখে।
আল্লাহ পাক এরশাদ করেন-
"নিশ্চয় নামায মানুষকে সকল অন্যায় ও পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে" (সূরা আনকাবুত)
২২ শে মে, ২০১৩ রাত ৯:৩৭
আবদে খায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই
২|
২২ শে মে, ২০১৩ রাত ১০:০৩
মো:ফয়সাল আবেদিন বলেছেন: ১০০%সহমত ।
২২ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:০২
আবদে খায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই
৩|
২২ শে মে, ২০১৩ রাত ১০:৩৩
শাহীন উল্লাহ বলেছেন: ভালো লাগলো।
আমি বুঝিনা হঠাৎ করে এতবছর পর কেনো ধর্ম ও ধর্ম নিরপেক্ষতা নিয়ে এত ক্যাচাল শুরু হলো, এটা তো ডিসাইড হয়ে গেছে সেই ১৯৪৬ এ। ধর্মের ভিত্তিতেই ভারত ও পাকিস্তান নামন দুটি রাষ্ট্র আলাদা হয়েছিলো এবং এমন কি পাকিস্তানের দুটি অংশের মধ্যে কোনো স্থলভাগের সংযোগ না থাকলেও একটি দেশই ছিলো শুধু ধর্মের ভিত্তিতে,
লিংক
তো তখন যারা ভেবেছিলো মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে থাকবে তারা পাকিস্তান চলে গেছে এবং যারা মুসলিম রাষ্ট্র চায় নি তারা ভারতে রয়ে গেছে।
পাকস্তিানের সাথে আমাদের যুদ্ধ ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের জন্য হয়েছিলো ????
তাহলে আজ কেনো এটা নিয়ে এত কচলানি ???
২২ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:১০
আবদে খায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য।
তবে একটা কথা, এখানে আমি দেশের কোন প্রসঙ্গ টানিনি। এই অবস্থা যে শুধু বাংলাদেশে এমনটাতো আর না। সারা বিশ্বেই আছে। মুসলমানের ঘরে জন্ম নিয়ে এভাবে নাস্তিক হয়ে যাওয়াটা সত্যিই খুব কষ্টের। এই অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্য আমরা যে যেভাবে পারি মানুষকে দ্বীনের পথে আনার জন্য চেষ্টা করবো। একজন মুসলমান হিসাবে আরেক মুসলমান ভাইয়ের প্রতি এটা আমার কর্তব্য।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে মে, ২০১৩ রাত ৯:২২
যোবায়ের বলেছেন: +
ভাল লাগল।