নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দেশজ

দেশজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিশাল অঙ্কে ঢাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের অনুমোদন, যা দিয়ে আরেকটি শহর নির্মাণ সম্ভব

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:১৩



এয়ারপোর্ট থেকে সাতরাস্তা মোড়, মগবাজার হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রোড (কুতুবদিয়া) পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে করা হবে বলা হয়েছে। অথচ যতদূর জানি এয়ারপোর্ট থেকে সাতরাস্তা হয়ে মগবাজার দিয়ে পুরান ঢাকা পর্যন্ত বাস রাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) হওয়ার কথা। একি এলায়েনমেন্ট দিয়ে কিভাবে দুই ধরনের অবকাঠামো বানাবে বুঝি না। এমনিতেই মহাখালি ফ্লাইওভার থাকাতেই এটি নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা চলছে।



আরেকটি বিষয় কোনটি জরুরী? পাবলিক পরিবহন না প্রাইভেট পরিবহন? এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রাইভেট গাড়ি নির্ভর অবকাঠামো, অথচ বিআরটি (পাবলিক পরিবহন) বাদ দিয়ে মোটা অঙ্কের (আঠারো হাজার কোটি টাকা) টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণের জন্য তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে।



আর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামতে হবে না নাকি বুঝি না। ওঠা-নামার জন্য রাম্পগুলিতে যে জটলা তৈরি হবে তার প্রভাব পড়বে সারা শহরে।



যাই হোক, আবারও বলি দুই শতাংশ মানুষের প্রাইভেট গাড়িওয়ালার জন্য যে যানজট তা দূর করার জন্য এত টাকা ব্যয় করা কি যুক্তিসঙ্গত। এত টাকা দিয়ে আরেকটি শহর তৈরি করা যায়।



আর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকালীন মানুষের যে ভোগান্তি হবে, যে আর্থিক ক্ষতি হবে তা কে দেবে? ঢাকায় এর আগে ফ্লাইওভার নির্মাণের সময় মানুষের দূর্ভোগ দেখেছি।



এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নীচে কমপক্ষে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ জায়গা নষ্ট হয়। আর এ ধরনের অবকাঠামো প্রাইভেট গাড়ি বাড়াবে যা শহরে দূষণ, দূর্ঘটনা, তাপমাত্রা, জ্বালানী নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করবে। শহরে পথচারীদের প্রতিবন্ধকতা বৃদ্ধি করবে।



বিশ্বের বিভ্ন্নি শহরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ভাঙ্গা হচেছ। আর আমাদের এখানে কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ও গাড়ি কোম্পানির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ঋণ ব্যবসায়ীদের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ভাঙ্গার উদাহরণ দেওয়া হলো-



বর্তমান





পূর্বে



২১ শতকে নগর ব্যবস্থাপনায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। সিউলে CheongGyeChon Restoration প্রকল্পের অধীনে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (দোতলা সড়ক) ভেঙ্গে লেক তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্প শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর ২০০৫ পর্যন্ত উৎসব উদযাপনের মধ্য দিয়ে প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ পুনরায় চালু হওয়ায় পরিবেশ ও সংস্কৃতিগত দিক থেকে শহরটির পুনর্জন্ম হয়েছে। এর লেকটির উপর দিয়ে পথচারী ও সাইক্লিস্টদের পারাপারের জন্য ২২টি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মূল লক্ষ্য ছিল উপরিভাগের পানির ব্যবহার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ করা। এছাড়া দূর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ভাঙ্গার অন্যতম কারণ। উল্লেখ্য ১৯৬০ এর দশকে জলাধারের উপর কংক্রীটের আচ্ছাদন দেয়া হয়। কিন্তু এর উপর নির্মিত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারণে ১৯৮০ এর দশকে দূষণ এবং দূর্ঘটনা ভীষণভাবে বেড়ে যায়।

মন্তব্য ৬২ টি রেটিং +১২/-১

মন্তব্য (৬২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:১৯

আকাশের তারাগুলি বলেছেন: তাই!
শহর আরো আছে কেউ যায়না কেন?
সবাই ঢাকায়

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

দেশজ বলেছেন: আমার ধারণা ঢাকায় যে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, অন্যান্য শহরে তার ন্যূনতম সুবিধা নেই। প্রতি বছর শহর উন্নয়নে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তার সিংহভাগ ঢাকার জন্য। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান সবকিছু আজ ঢাকাকে কেন্দ্র করে।

২| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:১৯

সহজ পৃথিবী বলেছেন: প্রসাশনিক বিকেন্দ্রিকরন ছারা এ জানযট নিরশনের সকল প্রচেষ্টা কেবল সম্পদ আর সময়ের অপচয়।


>রাজধানী ঢাকার লোকসংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ। অথচ ঢাকা শহরের যে আয়তন- এই আয়তনের বিশ্বের অন্যান্য দেশের বা আদর্শ শহরের হিসাবে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ লোক বাস করতে পারে। এখানে অতিরিক্ত এক কোটি মানুষের বোঝা ঢাকা শহরকে বহন করতে হচ্ছে।
> দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৪০ হলেও ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ। অর্থাৎ ১২ বছর পর ঢাকার জনসংখ্যা হবে প্রায় আড়াই কোটি।
> ঢাকা শহরে বর্তমানে যত বাস, গাড়ি, অটোরিকশা এবং রিকশা-ভ্যান রয়েছে, তার ৫০ ভাগও যদি এক সময় রাস্তায় নামানো হয়, তাহলে কোন গাড়ির সামান্য নড়াও সম্ভব হবে না। তারপরও প্রতিদিন গড়ে ১৮০টি গাড়ি নতুনভাবে রাস্তায় নামছে।এই পরিস্থিতিতে যানজট নিরসন করা কল্পনাতীত ব্যাপার। আজ যে কোন পাঁচ মিনিটের রাস্তা পাড়ি দিতেও লেগে যাচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। রাজ পথ থেকে প্রতিটি মহল্লায় লেগে থাকছে অসহনীয় জ্যাম।
>শুধু সচিবালয়েই সারাদেশ থেকে প্রতিদিন এক লক্ষ দশ হাজার মানুষ ডেকে আনা হয় দর্শনার্থী হিসাবে আবার একই সাথে আমরা ঢাকার জানজট নিরশনের কথা বলছি।
> প্রতিদিন ঢাকার সব কয়টি প্রবেশ মুখদিয়ে ঢাকায় ঢুকছে দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ যার ঐ দিন বা দু একদিন পর ফিরে যাচ্ছে কারন দেশের যে কোন কাজেই মানুষকে ঢাকায় ছুটতে হয়। সরকারী অফিস আদালত সব কিছুর চুড়ান্ত ও অবশ্য গন্তব্য ঢাকা। সামান্য কাজেও দেশের প্রত্যান্ত এলাকা থেকেও মানুষকে বাধ্য হয়েই ঢাকায় আসতে হয়।



২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৩৬

দেশজ বলেছেন: অবশ্যই প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণ জরুরী। দেশের অন্যান্য শহরে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে মানুষের ঢাকা মুখীনতাকে রোধ করা প্রয়োজন।

ধন্যবাদ।

৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:২৭

রাজীব দে সরকার বলেছেন: আমার মনে হয় প্রাইভেট গাড়ি গুলোর জন্যই বড় সমস্যা, তাই ওগুলোর জন্য এলিভেটেড হাইওয়ে ঠিকই আছে...
আর ভাই যে শহরের ছবি দিয়েছেন ঐ শহরে পুকুর রাখার জায়গা আছে , আমাদের নেই, ওদের সাথে তুলনা করাটা টা বোকামি

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৪২

দেশজ বলেছেন: প্রাইভেট গাড়ি যদি সমস্যা হয়, তবে প্রাইভেট গাড়ি বাড়ানোর জন্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করার দরকার কি।

প্রাইভেট গাড়িওয়ালারাও তো যাতায়াতই করতে চায়। তার জন্য ভালো মানের পাবলিক বাসের ব্যবস্থা করলেই তো হয়।

আপনি বলেছেন-ঐ শহরে পুকুর রাখার জায়গা আছে , আমাদের নেই, ওদের সাথে তুলনা করাটা টা বোকামি।

তাহলে শুনুন ওদের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে রাখার জায়গা নেই এজন্য ভেঙ্গে ফেলে। আর আমাদের পুকুর রাখার জায়গা নেই অথচ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে রাখার জায়গা আছে।

৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:২৮

মন পবনের মাঝি বলেছেন: যাই হোক, আবারও বলি দুই শতাংশ মানুষের প্রাইভেট গাড়িওয়ালার জন্য যে যানজট তা দূর করার জন্য এত টাকা ব্যয় করা কি যুক্তিসঙ্গত। এত টাকা দিয়ে আরেকটি শহর তৈরি করা যায়। ...


সহজ পৃথিবী বলেছেন: প্রসাশনিক বিকেন্দ্রিকরন ছারা এ জানযট নিরশনের সকল প্রচেষ্টা কেবল সম্পদ আর সময়ের অপচয়।

+

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩

দেশজ বলেছেন: একমত।

৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৩১

যে শহর চোরাবালি বলেছেন: যতটুকু জানি বিআরটির জন্য world bank টেকা দিবো না,এলিভেটেড রাস্তার লৈগা দিবো তাই ।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫০

দেশজ বলেছেন: এখন বিআরটি প্রকল্পের চেয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে লালে লাল হওয়ার সুযোগটাই বড়।

৬| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৩১

সাগর রহমান বলেছেন: সহজ পৃথিবী বলেছেন: প্রসাশনিক বিকেন্দ্রিকরন ছারা এ জানযট নিরশনের সকল প্রচেষ্টা কেবল সম্পদ আর সময়ের অপচয়। সহমত

সুন্দর পোষ্ট।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫৭

দেশজ বলেছেন: দীর্ঘমেয়াদে বিকেন্দ্রীকরণের কথা ভাবতে হবে। তবে তার জন্য এখনই উদ্যোগ গ্রহণ জরুরী। বর্তমানে যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে প্রাইভেট গাড়ি নিয়ন্ত্রণের বিকল্প নাই। তার জন্য পাবলিক বাস, হাঁটাসহ গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে।

প্রাইভেট গাড়ি শুধু যানজটই তৈরি করছে না। শহরে অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও নষ্ট করছে। যেমন ঢাকায় মানুষের আবাসন সুবিধা নাই, কর্মসংস্থানের জন্য জাযগা নাই, বাচ্চাদের খেলার জায়গা নাই। অথচ একটি গাড়ি পার্কিং এর জন্য ১৬০ বর্গফুট জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে। আর প্রাইভেট গাড়ি ২৪ ঘন্টায় প্রায় ৯০ ভাগ সময় পার্কিং করা থাকে।

আপনাকেও ধন্যবাদ সুন্দর মত প্রদানের জন্য।

৭| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৩৬

জামিনদার বলেছেন: এ ধরনের পোষ্ট ভাললাগে।
ধন্যবাদ।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯

দেশজ বলেছেন: এ রকম মন্তব্যও উৎসাহ যোগায়।

৮| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৩৬

আমনুল ইসলাম সুজন বলেছেন: দেশজ এবং সহজ পৃথিবীর সঙ্গে একমত। যানজট কমাতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোন সমাধান নয়। এটা নীতিনির্ধারকদের অনুধাবন করা দরকার। শুধু শুধু টাকার শ্রাদ্ধ ছাড়া আর কিছু নয়!!!!

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১১

দেশজ বলেছেন: শুধু শুধু টাকার শ্রাদ্ধ ছাড়া আর কিছু নয়!!!!

হ্যাঁ জনসাধারনের টাকা।

৯| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩

অস্থির পোলাপাইন বলেছেন: ভালো পোষ্ট +++
বিকেন্দ্রিকরন জরুরি।
নাহলে হাজারভাবে চেষ্টা করেও যানযট কমানো যাবে না ।
এখনি নতুন লোক ঢাকায় প্রবেশ বন্ধ না করলে আমাদের ঢাকাবাসীর খবরই আছে !!

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৩১

দেশজ বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মত প্রদানের জন্য।

১০| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫০

মোরশেদ পারভেজ বলেছেন: world bank তো বাশ দিবই, আমাগো হেইডা .... পাইতা নিতেই হব!!! নেতারা খাইব কি? কাজ না হৈলে, ....

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৮

দেশজ বলেছেন: এইসব world bank এর দালাল আর কমিশনখোরদের এই ধরনের অবকাঠামোর পাশ বাঁশ দিয়া টাঙায়া রাখতে পারলে মানুষে চিনত তাদের ............কারা ব্যবহার করে।

১১| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬

জিয়াউর বলেছেন: যানজট কমাতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোন সমাধান নয়। এটা নীতিনির্ধারকদের অনুধাবন করা দরকার। আমাদের নীতিনির্ধারকরা যে প্রকল্পে টাকার গন্ধ পায় সে প্রকল্প আগে বাস্তবায়ন করতে চায়। বিআরটি হলে গণপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন হতো এতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চেয়ে কম অর্থ খরচ হতো।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬

দেশজ বলেছেন: যানজট কমাতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোন সমাধান নয়। একদম সত্যি কথা। ধন্যবাদ সুন্দর মত প্রদানের জন্য।

কলম্বিয়ার বোগোটা শহরের মেয়র ‍"এনরিকা পেনিওলসা" বলেছিলেন একটি শহরকে দুইভাবে ধ্বংস করা যায়।
এক. পারমানবিক বোমা মেরে।
দুই. এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করে।
তিনি বোগোটার পরিবহন ব্যবস্থার দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বে পরিবহন সেক্টরে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।

১২| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫৭

প্রলাপ বলেছেন: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে তে কি বাস চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে? এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হউক সমস্যা নাই, কিন্তু তাতে বাসের জন্য আলাদা লেন রাখা প্রয়োজন (একেবারে বা দিকের লেন)। সাথে কয়েক কিলোমিটার পরপর বাস বে এবং নিচ থেকে যাত্রীদের বাস বে তে পৌছানোর জন্য এসকালেটর ও রাখা দরকার।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০৪

দেশজ বলেছেন: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে তে কি বাস চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে?

না উঠাইতে কেউ না করে নাই। কিন্তু কোথাও কি উঠানো হইছে? আর উপরে উঠাইয়া টোল নিয়া বাস ভাড়া বাড়াবে কেন। আর এসকেলেটর কয় জায়গায় বসাবে। বিদ্যূত কই? কি দিয়ে চালাবে? আর যে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বানানোর অনুমোদন করা হয়েছে, সেখানে এ রকম করে বাস চলার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে কি?

১৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮

হমপগ্র বলেছেন: ভুল সব ভুল। এখনও সময় আছে এসব বাদ দিয়ে আমরা ডিসেন্ট্রালাইজেশন করবো। কিন্তু সরকারের মাথায় সেই বুদ্ধি কোথায়?

কে বলবে, ঢাকার উপর থেকে চাপ কমাতে রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর, বরিশাল বিভাগগুলোকে উন্নত শহরে রূপান্তর করতে হবে?

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০৭

দেশজ বলেছেন: কেন আসুন আমরা বলি, ধীরে ধীরে সবাই বলবে।

১৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮

স্বপ্নশহর বলেছেন: বসবাসের অযোগ্য এক শহর ঢাকা।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০৬

দেশজ বলেছেন: এই শহরকে এখনও বাসযোগ্য করা সম্ভব। প্রাইভেট গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করা হোক। খাল-বিল-জলাশয় রক্ষা করা হোক। ধানমন্ডি লেকের পাশে যারা আছে দেখেন না তাদের আরাম!

১৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০৯

গোধুলী রঙ বলেছেন: ঢাকাশহর কে সুস্থ করতে হলে হয় গনহারে বিকেন্দ্রীকরন অথবা একটা বড় সড় ভুমিকম্প দরকার। এইসব বালছাল করে কিচ্ছু হবে না।

বিকেন্দ্রীকরন করে দেশকে কতকটি অঞ্চলে ভাগ করে প্রত্যেকটারই সমান উন্নয়ন ছাড়া কোন গতি নাই। আর এখন যা শুরু হইছে শুধু ঢাকা বাচানোর প্রক্রিয়া এটা করে কোন লাভ নাই কারন সময় ও অর্থের অপচয়। আর এসব ঢাকা বাচানোর প্রক্রিয়া বলে চালানো হলেও আসলে ঢাকা কে মারার কৌশল।

অবশ্য যারা এসব করবেন ক্ষমতায় যাবার আগে সবই জানেন। কিন্তু ক্ষমতায় গেল বেমালুম ভুল যান কমিশনের আশায়। সবাই কমিশনখোর।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:১৭

দেশজ বলেছেন: সবাই কমিশনখোর।

১৬| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:২৩

নন্দনপুরী বলেছেন: প্রসাশনিক বিকেন্দ্রিকরন ছারা এ জানযট নিরশনের সকল প্রচেষ্টা কেবল সম্পদ আর সময়ের অপচয়। সহমত

তবে
ঢাকার বর্তমান অবস্হার প্রেক্ষাপটে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৪৫

দেশজ বলেছেন: তবে
ঢাকার বর্তমান অবস্হার প্রেক্ষাপটে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

জ্বি ঢাকাকে আরো তাড়াতাড়ি ধ্বংস করে অন্য ব্যবস্থা করার জন্য। আমার এই কথা দয়া করে মনে রাখবেন। এরপর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হলে মিলিয়ে দেখবেন।

১৭| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:২৩

প্রলাপ বলেছেন: সেটাইতো প্রশ্ন ভাই। পাব্লিক ট্রান্সপোর্ট চলাচলের ব্যাবস্থা না কইরা এক্সপ্রেসওয়ে কইরা কোন লাভ নাই। কারেন্ট না থাকলে পাব্লিক হাইটা বাস বে তে যাইবো। বাট এক্সপ্রেসওয়েতে ডেডিকেটেট বাস লেন চাই। দরকার হইলে বাসের জন্য টোল ফ্রি।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৩২

দেশজ বলেছেন: এর চেয়ে নীচে দিয়ে বাসের জন্য পৃথক লেন বানালেই তো হয়। এর সঙ্গে ভালো মানের বাস নামালে প্রাইভেট গাড়ির উপর নির্ভরশীলতা কমানো যাবে। তাতে খরচও কম। আগে সেটি করতে সমস্যা কোথায়। তারপর না হলে অন্য কোন অবকাঠামো বানানো যাবে।

১৮| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪

প্রলাপ বলেছেন: ভাই, যাই করেননা কেন, ট্রাফিক নোড (ইন্টারসেকশন) গুলোতে সিগনাল এর প্রয়োজনীয়তা না কমাইতে পারলে জ্যাম থাকবোই। এইটা কার্যকরভাবে সলভ করতে হইলে আপনারে ওপরে উঠতেই হবে। বাসের জন্য পৃথক লেন কর্লেন। কিন্তু ২৫ টা সিগনাল পার হইতে হইতে আর জ্যামে পরতে পরতে যাত্রীগো বারোটা। তারচে উপরে বাসের আলাদা লেন হউক। কোন সিগনালের ঝামেলা নাই। লোকজন ঠিকমত জানবো কোন এলাকায় পৌছাইতে কতক্ষণ টাইম লাগবো।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২

দেশজ বলেছেন: গাড়িগুলি যখন রাম্প দিয়া ওঠা-নামা করবে তখন কি ইন্টারসেকশনের মত কাজ করবে না।

তার চেয়ে নীচে বাসের জন্য সিগন্যালে প্রাধান্য থাকলেই ভালো। সেইখানেও বলে দেওয়া সম্ভব বাসে করে কত সমযে গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে। বিআরটি সিস্টেম সেভাবেই চলছে।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হলেই গাড়িগুলি নীচে নামবে না, বা নীচে থেকে উঠবে না। গাড়ি প্রতিটি বাসা-অফিস-মার্কেট থেকে বেরুবে আর ঢুকবে। তার জন্য নীচে ব্যবহার করতেই হবে। বরং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নীচরে জায়গা সংকোচন করায় সমস্যা আরো বাড়বে।

১৯| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:৫৪

আকাশ_পাগলা বলেছেন: যত ভাল মানের বাসই হোক, গাড়িওয়ালারা বাসে যাবে না।

আমার বাসা থেকে বাস স্ট্যান্ড যেতে রিকশাভাড়া আগে লাগত ৫ টাকা। পরে ৬ টাকা। কয়দিন আগে ১০ টাকা। এখন ১২ টাকা।

আজকে কইছি ১৫ দিমু, তাও শালারা যায় না।

আমার গাড়ি থাকলে আপনি আমাকে বাসে নিতে পারতেন?? আইচ্ছা, আমি জোয়ান মানুষ। আমি বাসে গেলাম। আমার আম্মা ?? আম্মা অফিসে যাবে, বাস স্ট্যান্ডে যাওয়ার জন্য যেই ভোগান্তি, গাড়ি থাকলে কিভাবে বাসে নিবেন আপনি ??

বাস যত খারাপই হোক তাও ত যাচ্ছি। কিন্তু বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাব কী করে?? আমি এতদূর হাঁটলাম, আম্মু ত এত দূর হাঁটতে পারবে না। তাহলে গাড়ি থাকলে আপনি উলটা টাকা দিয়েও বাসে নিতে পারতেন না। ভাল বাস বানানোর কথা পরে আসছে।


এর চেয়ে রিকশাওয়ালাদের ধরে ঠেঙানো হোক, যেকোন এলাকা থেকে যে কেউ বাস স্ট্যান্ড যেতে চাইলে ওরা যেন বিনা বাঁধায় নিয়ে যায়। তাহলে অন্তত জোয়ানরা গাড়ি ব্যবহার ছাড়বে (যাদের গাড়ি আছে)।


আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি, ঢাকার প্রেক্ষাপটে প্রাইভেট কারের ব্যবহার আপনি কোনদিনই কমাতে পারবেন না।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬

দেশজ বলেছেন: আমরা কি প্রাইভেট গাড়িতে চড়তে চাই না, যাতায়াত করতে চাই?

আর প্রাইভেট গাড়ি কি একমাত্র বাহন?

যদি যাতায়াত করতে চাই তাহলে সবাইকে কিছু কিছু ছাড় দিয়ে সমন্বিত চিন্তা করতে হবে।

ঢাকায় প্রাইভেট কার এর মালিকানা রয়েছে ২ শতাংশ মানুষের। একটি গাড়ি দিকে ২ থেকে তিনটি ট্রিপ দিয়ে থাকে। অর্থাৎ ৬ শতাংশ ট্রিপ যাতায়াত হয় প্রাইভেট গাড়িতে করে। বাকীদের বয়স্ক মা-বাবারা কি যাচ্ছেন না। এবং ভবিষ্যতেও বেশিরভাগের মা-বাবা এবং নিজেরা যাতায়াত করবেন প্রাইভেট গাড়ি ছাড়া।

হ্যাঁ আপনার একটি কথা খুবই যুক্তিযুক্ত যে বাস স্ট্যান্ডে যাওয়া এবং বাস স্ট্যান্ড থেকে গন্ত্যব্যে যাওয়ার জন্য মধ্যবর্তী জায়গার জন্য ব্যবস্থা থাকতে হবে। বাস কখনো ডোর-টু-ডোর সার্ভিস দেয় না জানি।

আর পর্যাপ্ত রিকশা, সিএনজি, ট্রাক্সি ক্যাবের ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে প্রাইভেট গাড়ির উপর নির্ভরশীলতা কমানো যায়।

২০| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯

নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: ভালো লাগলো।
গাছের গোড়া কেটে আগায় পানি ঢালা হচ্ছে আর কি। ঢাকা কেন্দ্রিক প্রবল জনসঙ্খ্যা প্রবাহ বন্ধ না করতে পারলে এলিভেটেড রাস্তা, মেট্রো ইত্যাদি সবই অর্থহীন। কোনভাবেই ম্যানেজ করা সম্ভব না। এগুলা টোটকা চিকিতসা।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩১

দেশজ বলেছেন: একদম তাই রোগ নির্মূল না করে, উপসর্গ প্রশমনের চেষ্টা আর কি।

ধন্যবাদ।

২১| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২২

নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: আর সবচেয়ে ভালো টোটকা সমাধান হইল প্রাইভেট গাড়ি সিএনজি পাবেনা, ৫০০ ভাগ ট্যাক্স। উপরের ছবিগুলা দেখেন। এক প্রাইভেট কার কি পরিমান জায়গা দখল করে আছে। অথচ ভিতিরে মানুষ মাত্র একজন।

অদ্ভুত দেশ।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮

দেশজ বলেছেন: সমাধান হইল প্রাইভেট গাড়ি সিএনজি পাবেনা, ৫০০ ভাগ ট্যাক্স।

২২| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬

আশীষ কুমার বলেছেন: একদিন বাসে বসে ঝিমাচ্ছিলাম। পেছনের যাত্রীর একটি মন্তব্যে ঝিমুনি কেটে গেল। উনি বলছিলেন কী নাকি একটা মাস্টার প্লান হচ্ছে। কেউ একজন তাকে জিজ্ঞাসা করাতে তিনি বললেন, "খুব শীঘ্রই বিশাল মাপের একটা ভূমিকম্প হবে। তারপর সব উলট পালট। তারপর আবার সব নতুন করে শুরু করবে। তখন রাস্তার পরিমাণ হবে অনেক বেশি। শহর হবে অনেক বেশি পরিকল্পিত।

কবে হবে সেটা। অপেক্ষায় আছি।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮

দেশজ বলেছেন: এই ধরনের কর্মকান্ড চলতে থাকলে ভূমিকম্প হতে খুব বেশি সময় লাগবে না।

২৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০০

চরমপত্র বলেছেন: বিশ হাজার কোটি টাকা খরচ করে এয়ার্পোট থেকে ২১ কিঃমিঃ উড়াল পথ বানাবে ।
তারচেয়ে দশ কোটি টাকা খরচ করে এয়ারপোর্ট থেকে ক্যান্টনমেন্টের ভেতর দিয়ে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত সড়কটি সংযোগ করে জনসাধারনকে ব্যাবহার করতে দিন।
ঢাকার জানযটের অন্যতম কারন প্রাইভেট কার। ফকিন্নীর পুলাপানের গাড়ি চড়ার শখে আজ ঢাকা অচল।

ঢাকার জানজটের অন্যতম কারন প্রাইভেট কার এবং এগুলি আরা সিএনজিতে চালাতে পারা।

দ্রঃব্যঃ প্রাইভেট কার বলতে সে সব গাড়ি গুলি কে বুঝায় যে গুলিতে যেকেউ বা পাবলিক চাইলেই হুট করে উঠে পরতে পারে না। সাধারনত এ গাড়িগুলোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী থাকে। এই গাড়িগুলি সাধারনত আকারে ছোট হয়। যেমন ট্রাক বা বিশাল বাস কখনও প্রাইভেট গাড়ি হয় না। এই গাড়ি গুলির মধ্যে সিডান, জিপ, ওয়াগন, পিকআপ উল্লেখযোগ্য।

১. সাধারনত রাস্তায় যে কোন সময় যে কোন লোকেশনে তাকিয়ে দেখবেন রাস্তর পাঁচ ভাগের তিন ভাগ রাস্তা প্রাইভেট কার দখল করে রেখেছে।
২. একটি প্রাইভেট কার ১০০ থেকে ২৫০ বর্গফুট জায়গা দখল করে যা মাঝারি সাইজের একটি বাসের সমান।
৩. একই পরিমান জায়গা ব্যাবহার করে একটি বাস ২৫ থেকে ৩০ জন মানুষ বহন করে। সুতরাং একটি বাসের পরিবর্তে ১২ থেকে ১৫ টি প্রাইভেট কার।
৪. যে কোন জায়গায় এরকম ১৫ টি প্রাইভেটকার সরিয়ে সেখানে একটি বাস বসিয়ে দেখুন একটা ফুটবল খেলার মাঠ খালি পরে থাকবে।

এত প্রাইভেট কার কি ভাবে এলো ?

ঢাকা শহরে যে পরিমাণ শুধু প্রাইভেট কার আছে, অন্য সব গাড়ি রিক্সা তুলে দিয়েও, যদি এর সবগুলি এক সাথে ঢাকার রাস্তায় নামানো হয় তাহলে প্রতিটি গাড়ি একটির সাথে অন্যটি লেগে থাকবে এবং গাড়িগুলি চলা তো দূরের কথা সামান্য নড়াচরাও করতে পারবে না।

ক. এই গাড়ীগুলির ৯৫ ভাগ ২০০০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে কেনা।
খ. ৬০ ভাগ গাড়ী কেনা হয়েছে ২০০৭ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে।
গ. এর মধ্যে ১৫ ভাগ গাড়ি সরকরী যার তেল ও ড্রাইভারের খরচ সরকার বহন করে।
ঘ. এই গাড়িগুলির ১০ ভাগের মালিক সেনা বাহিনীর কর্মকর্তা বা সদস্যের।
ঙ. প্রইভেট কারের মালিক গনের ৯৫ শতাংশ নীতিগত ভাবে চুরি পেশায় জড়ির।
চ. সরকারী গাড়িগুলি তাদের ৬০ ভাগ সময় বেসরকারী কাজে রাস্তায় ঘোরাফেরা করে।
ছ. ৫০ টাকার গ্যাস পুরায়া সারাদিন টইটই করে ঘুড়ে বেড়ান যায়।
জ. এর পরও প্রতিদিন ঢাকাতেই ১৮০ টি গাড়ি রেজিস্টেশন হচ্ছে যার ৮০ ভাগ প্রাইভেট কার। তাহলে এই উড়াল পথ হতে হতে কত হাজার গাড়ি বাড়বে তার হিসাব নাই করলাম।

সমাধানঃ
১. দেশে কোন প্রাইভেটকার সিএনজিতে চালাতে পারবে না। সরকারী বেসরকারী যে কোন প্রাইভেট কারে গ্যাসের সিলিন্ডার পেলেই এক লাখ টাকা জরিমানা।
২. সরকারী গাড়ির তেলের বরাদ্দ অর্ধেকের কম করে দেয়া হবে। খামাখা বউপুলাপন নিয়া গাড়ি চড়া বন্ধ।

ফকিন্নীর পুলাপানের গাড়ি চড়ার শখে আজ ঢাকা অচল। চুরি চামারী করে কাঁচ পয়সা হাতে পেয়ে এরা গাড়ি কিনে পুরা ঢাকার রাস্তা দখল কইরা নিছে। নির্লজ্জের মত জ্যাম লাগাইয়া এরা এসি ছাইরা বইয়া থাকে। আবার হালারা বলে রিক্সায় জ্যাম বাজায় ! হালা গাড়ি থাইক্কা নাইম্মা দেখ এক রিক্সা দুইজন যাত্রী নিয়া কতটুক জায়গা নিছে আর তুই একলা কতটুক জায়গা নিছছ ? গড়ি তগর পিছন দিয়া দিমু চুর কোনহান কার। (মূলত প্রাইভেট কারে যেই থাকুক আমলা বা পাবলিক ওর চুর হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯.৯৯%)


চলুন রাস্তায় প্রাইভেট কার দেখলেই আমরা চুর চুর বলে চাক্কা মারি

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৮

দেশজ বলেছেন: চলুন রাস্তায় প্রাইভেট কার দেখলেই আমরা চুর চুর বলে চাক্কা মারি। একমত।

আর আসুন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বানানোর সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকেই "জোঁক" বলি।

২৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:১৮

সহজ পৃথিবী বলেছেন: সবার দৃষ্টি আকর্ষন করে আমার দেয়া তথ্য ও বাস্তবতাকে আর একটু সমৃদ্ধ করছিঃ


২১ কিঃমি ৪ লেনের রাস্তা মানে ২১ x ১০০০ x ৩ x ৬০ সমান ৩৭,৮০০০০ বর্গফুট রাস্তা। খরচ হবে ১৮,০০০ কোটি টাকা যা ফাইনাললি জনগনের পকেট থেকেই যাবে।

এদিকে ঢাকা শহরে প্রতিদিন নতুন গাড়ি বাড়ছে ২০০ টি। তাহলে ২০১৩ পর্যন্ত নতুন গাড়ি যোগ হবে ২০০ x ২০০ কর্মদিবস x ৩ সমান ১,২০০০০ গাড়ি।

এখন প্রতিটি গাড়ি যদি গড়ে ২০০ বর্গফুট জায়গা দখল করে তাহলে এই ২১ কিঃমিঃ পথ ধারন করতে পারবে ১৮,৯০০ টি গাড়ি। বাকি থাকবে ১,০১১০০ টি গাড়ি । মানে আরও পাঁচগুন গাড়ি অর্থাৎ আরও ১০০ কিলোমিটার উড়াল পথ করলেও শুধু এই তিন বছরে যে নতুন গাড়িগুলি যোগ হবে তাকেই ধারন করতে পারবে না।

অন্য দিকে ঢাকায় বর্তমানে যে পরিমান গাড়ি আছে তার অর্ধেকও যদি একসাথে রাস্তায় নামানো যায় তাহলে কোন গাড়ি সামান্য মোভ করাও সম্ভব হবে না।

প্রসাশনিক বিকেন্দ্রিকরন ছারা এ জানযট নিরশনের সকল প্রচেষ্টা কেবল সম্পদ আর সময়ের অপচয়।

আমাদের ঢাকা কেন্দ্রীক রাষ্ট্র ব্যবস্থা আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা ভেবে দেখার প্রয়োজন ছিল অনেক আগেই। তানা করায় আজ আমরা সীমাহীন সমস্যা সামনে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সামনে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে মহাবিপর্যয়। সবাই নিবিষ্ট মনে তাকিয়ে দেখুন বাংলাদেশের দিকে-

দেশের পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত চিত্র :

> মাত্র ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। ২০০৯ সালের ১১ মার্চ প্রকাশিত জাতিসংঘের এক রিপোর্ট অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ২২ লাখ ২১ হাজার। এই জনসংখ্যা ওশেনিয়া মহাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫ গুণেরও বেশি। ওশেনিয়া মহাদেশের জনসংখ্যা ৩ কোটি ৩৫ লাখ। ঐ মহাদেশের আয়তন ৮৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬২০ বর্গ কিলোমিটার এবং সেখানে দেশ রয়েছে ১৪টি।

> আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৩৩টি দেশের মধ্যে ৯৩তম। কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম এবং এশিয়ার মধ্যে ৫ম।

> জনবসতির হিসাব অনুযায়ী ইউরোপ মহাদেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাস করে ৩২ জন। এশিয়া মহাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে ৮২ জন।সেখানে বাংলাদেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বাস করে ৯৭৭ জন।

> আর রাজধানী ঢাকায় প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বাস করে ২৭ হাজার ৭০০ মানুষ। প্রকৃত পক্ষে মাঠ, উদ্যান, কেন্টনমেন্ট বাদ দিলে তা দাড়াবে প্রায় ১ লাখ/বর্গকিঃমিঃ

> দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৪০, এই হিসাব অনুসারে বাংলাদেশে প্রতিবছর জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় ২২ লাখ ৪০ হাজার। অর্থাৎ ৪ বছরে আমাদের জনসংখ্যায় যুক্ত হয় প্রায় এক কোটি মানুষ।

> সার্ক দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ ও নেপালের আয়তন প্রায় সমান। বাংলাদেশের চেয়ে নেপালের আয়তন মাত্র ৩৮৯ বর্গ কিলোমিটার ছোট। কিন্তু সেখানে জনসংখ্যা মাত্র ২ কোটি ৩৯ লাখ।

>নিপোর্টের রিপোর্ট অনুসারে বর্তমানে আমাদের রাজধানী ঢাকার লোকসংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ। অথচ ঢাকা শহরের যে আয়তন- এই আয়তনের বিশ্বের অন্যান্য দেশের বা আদর্শ শহরের হিসাবে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ লোক বাস করতে পারে। এখানে অতিরিক্ত এক কোটি মানুষের বোঝা ঢাকা শহরকে বহন করতে হচ্ছে।

> দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৪০ হলেও ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ। অর্থাৎ ১২ বছর পর ঢাকার জনসংখ্যা হবে প্রায় আড়াই কোটি।

> ঢাকা শহরে বর্তমানে যত বাস, গাড়ি, অটোরিকশা এবং রিকশা-ভ্যান রয়েছে, তার ৫০ ভাগও যদি এক সময় রাস্তায় নামানো হয়, তাহলে একটিবারের জন্যেও কোন চাকা ঘুরানো সম্ভব হবে না। তারপরও প্রতিদিন গড়ে ১৮০টি গাড়ি নতুনভাবে রাস্তায় নামছে।এই পরিস্থিতিতে যানজট নিরসন করা কল্পনাতীত ব্যাপার। আজ যে কোন পাঁচ মিনিটের রাস্তা পাড়ি দিতেও লেগে যাচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। রাজ পথ থেকে প্রতিটি মহল্লায় লেগে থাকছে অসহনীয় জ্যাম।

>ঢাকা শহরে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে সারা ঢাকা জুড়ে ম্যাসাকার হয়ে যাবে। পঞ্চাশ কিলোমিটার ব্যাসের বিশাল এক ধ্বংস স্তুপ তৈরী হবে। কয়েক লক্ষ ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। একই সঙ্গে আরও হাজার হাজার ভবন মাঝারি ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেশি বিদেশী সমস্ত উদ্ধার তৎপরতা ১০ দিবসেই বাধ্য হয়ে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হবে উদ্ধার তৎপরতা। তখন উদ্ধার কর্ম দূরে থাক ধ্বংস স্তুপের আসে পাশেই থাকা যাবে না। আর সিদ্ধান্ত হবে পরবর্তী কয়েক মাস দেশি বিদেশি হেলিকপ্টার ও ছোট ছোট বিমানে করে উপর থেকে দিনে তিন বার সারা ঢাকায় শুধু ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হবে।

> এত মানুষের ও তাদের জীবন ধারনের সংকুলান দিতে ঢাকার প্রতি ইঞ্চি জমির উপর উঠছে বিশাল বিশাল অট্টালিকা সুস্থ জীবন ধারনের পরিবেশ দূরে থাক সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে রাজধানীর ব্যাপক এলাকা। রাস্তাঘাটে জমে যাচ্ছে পানি।

>ধারন ক্ষমতার চার পাঁচ গুন মানুষের খাবার পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস সরবরাহ হয়ে পরেছে বিপর্যস্ত ঢাকা।

>শুধু সচিবালয়েই সারাদেশ থেকে প্রতিদিন এক লক্ষ দশ হাজার মানুষ ডেকে আনা হয় দর্শনার্থী হিসাবে আবার একই সাথে আমরা ঢাকার জানজট নিরশনের কথা বলছি।

> প্রতিদিন ঢাকার সব কয়টি প্রবেশ মুখদিয়ে ঢাকায় ঢুকছে দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ যার ঐ দিন বা দু একদিন পর ফিরে যাচ্ছে কারন দেশের যে কোন কাজেই মানুষকে ঢাকায় ছুটতে হয়। সরকারী অফিস আদালত সব কিছুর চুড়ান্ত ও অবশ্য গন্তব্য ঢাকা। সামান্য কাজেও দেশের প্রত্যান্ত এলাকা থেকেও মানুষকে বাধ্য হয়েই ঢাকায় আসতে হয়।

> বাংলাদেশের ভালো সবকিছুই ঢাকাকেন্দ্রিক। ভালো স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি, হাসপাতাল, নার্সিংহোম সবকিছু ঢাকাতেই। সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৮২টি। তার মধ্যে ৬০টি রয়েছে ঢাকায়। ৩৮টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের মধ্যে ৩২টি রয়েছে ঢাকায়। শুধু ধানমন্ডি এলাকাতেই রয়েছে ২১৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

>শিক্ষার জন্য বা চাকরি নিয়ে যারা একবার ঢাকায় আসেন তারা বাধ্য হয়েই আর নিজ জেলায় ফিরে যেতে চান না। নিপোর্টের গবেষণা রিপোর্ট অনুসারে প্রতিদিন ২ হাজার ১৩৬ জন মানুষ রাজধানীতে এসে থেকে যাচ্ছে।

> ভালো ডাক্তার, ভালো আইনজীবী, ভালো শিক্ষক সবার বাসস্থান ঢাকায়। তারা পেশা বা ব্যবসার স্বার্থে ঢাকাতেই থাকতে চান। যারা বড় চাকরি করেন তারাও বাধ্য হয়ে যে কোনোভাবে ঢাকায় বাড়ি করে স্থায়ীভাবে থেকে যান। একইভাবে অর্থবিত্তশালীরাও ঢাকাতেই বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনে স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান।

> মামলাজটের আবর্তে পড়ে আছে গোটা বিচার ব্যবস্থা। উচ্চ আদালতে বছরের পর বছর ধরে মামলা ঝুলে থাকে। কেন বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা? দেশের ৬৪ জেলায় ৬৪টি জেলা জজ আদালত রয়েছে। এখানে প্রতিদিন যতগুলো মামলার রায় হয়- তার মধ্যে একটি জেলা থেকে যদি প্রতিদিন ১০টি মামলাও উচ্চ আদালতে যায়- তাহলে গড়ে প্রতিদিন সারাদেশ থেকে ৬৪০টি মামলা হাইকোর্টে আসে। কিন্তু হাইকোর্টে কি একদিনে ১০০ মামলাও নিষ্পত্তি হয়? এভাবে মামলার জট ঢাকা শহরের যানজটের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ফলে সাধারণ মানুষ বিচারবঞ্চিত হচ্ছে। কোনো অপরাধী যদি তার মামলা উচ্চ আদালতে নিতে পারে- তাহলেই দীর্ঘসূত্রিতায় সে এক প্রকার রক্ষা পেয়ে যায়।

> দেশে এখন এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা বলবৎ রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক সকল কর্মকাণ্ডই রাজধানী ঢাকা থেকে পরিচালিত হয়। যে কোনো একটি সাধারণ কাজের জন্যেও ঢাকা আসতে হয়। একটা সামান্য চিঠিও সচিবালয়ে পাঠাতে হয়।

> ১৬ কোটি মানুষের সব সমস্যা প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে হয়। ফাইলের মধ্যে তাকে ডুবে থাকতে হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রমেই নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়ছে। গত ২০ বছরে ঢাকা কি থেকে কি হয়েছে এবং আগামী ২০ বছর পরের কী হতে পারে তা ভাবতেও আমাদের আঁতকে উঠতে হয়। এখন আমাদের উত্তরণের উপায় বের করতে হবে। কী হতে পারে সেই পথ? বাংলাদেশকে ঢাকা শহরের বাইরে নিয়ে যেতে হবে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখতে হবে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গমাইল আয়তনের মধ্যে। তার জন্য প্রয়োজন প্রশাসনিক ও শাসনতান্ত্রিক সংস্কার। দেশে বর্তমানে ৮৭ হাজার ৯০৪টি গ্রাম, ৪ হাজার ৪৯৮টি ইউনিয়ন, ৪৮৩টি উপজেলা, ৬৪টি জেলা এবং ৭টি বিভাগ রয়েছে। পৌরসভা রয়েছে ৩০৭টি এবং সিটি কর্পোরেশন আছে ৬টি। ১৬ কোটি মানুষ যদি সারাদেশের শহরে-বন্দরে-গ্রামে ছড়িয়ে থাকে- তাহলে বাংলাদেশও একটি সুন্দর ব্যবস্থাপনার দেশ হতে পারে। অতিরিক্ত জনগোষ্ঠী জনসম্পদে রূপ পেতে পারে।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৩১

দেশজ বলেছেন: আমি ভাষাহীন। অসাধারণ।

২৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪৪

শরৎ চৌধুরী বলেছেন: অত্যন্ত সময়োপযোগী পোষ্ট। প্রিয়তে সরাসরি।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৪

দেশজ বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪৬

তাহিন বলেছেন: হাটার পথ দেখেন... ভাল করার পয়সা নাই, জনগনের হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা বাড়াতে পয়সা নেই। রেলের ভাড়া বৃদ্ধি কারণ পয়সা নেই। রেল ডবল করার পয়সা নেই। রেলের বগি বাড়ানোর পয়সা নেই। পাবলিক বাস বাড়ানোর পয়সা নেই।

কিন্তু মাত্র ২% প্রাইভেট গাড়ী চালকদের সুবিধার জন্য ২২ কিমি উড়াল পথের টাকা কিভাবে যোগার হবে। সারা দেশের মানুষের ট্যাক্স হতে ২% ধনী মানুষের সুবিধার জন্য ব্যয় সংবিধারনর লঙ্ঘন। সংবিধান এ ধরনের বৈষম্যমূলক নীতি সমর্থন করে না। চলুন সবাই মিলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানাই।

এক মজার তথ্য দেই .... আগামী দিনে খেয়াল রাখবেন... আবার নতুন কোন ফ্লাইওভার হওয়ার পূর্বের কয়েক দিন যানজট তীব হবে... তারপর আসে এ ধরনের সিদ্ধান্ত। বিষয়টি কাকতালীয় কিনা জানিনা। অনেক দিন ধরনের লক্ষ্য করছি। যেমন এবার ঈদের সময় এ ধরনের ৪ লেন রাস্তা, ফ্লাইওভার করার প্রস্তাবনা কথা আসবে। খুজে দেখা দরকার স্বার্থনেষী গোষ্ঠী ব্যবসায়িক স্বার্থে সরকারকে বিভ্রান্ত করছে কিনা।

পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ও রেলের মতো পরিবহন বৃদ্ধি করা হলে এ ধরনের অহেতুক ব্যয় ও অসহনীয় যানজট মোকাবেলা করা যেত।

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫৭

দেশজ বলেছেন: ভাই একদম সত্যি কথা। একটি চক্র আছে যারা যানজট এর দোহাই দিয়ে ব্যবসার মতলব আঁটে। আর লালে লাল হয়।

২৭| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৫৯

এক্স বলেছেন: এলিভেটেড রাস্তার কনট্রাক্ট কারা পাবে সেটাই হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার. মনে হয় দাদাদের মোটা অংকের টাকা দরকার.

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০৪

দেশজ বলেছেন: কনট্রাক্ট যারাই পাক, টাকা কিন্তু আমার আপনার।

২৮| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:১২

এক্স বলেছেন: ২ কোটি লোককে এত ছোট শহরে কিভাবে আটাবে? আলাদিনের দৈত্যরে এই আটানোর কনট্রাক্ট দিলে সেও বলবে, এর থেকে পানির উপর ফ্লোটিং শহর বানানো সহজ.

সরকার প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরন করতে চাইছে না, ঠিক যেভাবে বঙ্গভঙ্গের সময় কলকাতার স্বার্থান্বেষী মহল পূর্ব বাংলার উত্থান চায়নি. তার ফলাফল ভোগ করছি আমরা...

২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:১৮

দেশজ বলেছেন: বৈষম্য দূর করতে কত প্রাণের বিনিময়ে আজ স্বাধীন বাংলাদেশ। অথচ দেশের মধ্যে নিজেদের মধ্যে এ কি ধরনের বৈষম্য তৈরির পায়তারা। সব সুবিধা, বিনিয়োগ ঢাকাকেন্দ্রিক!!!!!!!

এ স্বাধীনতার অপমান ছাড়া আর কিছুই নয়।

২৯| ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:১৫

অস্থির পোলাপাইন বলেছেন:
চলুন রাস্তায় প্রাইভেট কার দেখলেই আমরা চুর চুর বলে চাক্কা মারি :) :) :)
হাসতেই আছি :) :)

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫৩

দেশজ বলেছেন: প্রথমে আমারও হাসি পাইছিল। পরে মনে হইল এইডাই ঠিক, চুরি-চামারি ছাড়া গাড়ি চালানো সম্ভব না।

৩০| ২৭ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:২১

অ্যামাটার বলেছেন: একমত। বাতিল জিনিস বাতিলই। এই শহর মেরামতের অযোগ্য।

২৭ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫২

দেশজ বলেছেন: ধন্যবাদ। মেরামত করা যাবে। তবে যে পন্থায় এগুচ্ছে, এই শহর খুব দ্রুত বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।

৩১| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩২

অনন্যা রহমান বলেছেন: টাকার শ্রাদ্ধ করার আগে চিন্তা করা প্রয়োজন কার স্বার্থে কার টাকায় কি করা হচ্ছে? জনগণের টাকায় এ ধরনের কাজ জনগণের কোন কল্যাণে আসবে কিনা? যানযটের কারণে এমনিতেই হাফ ধরে যায়। তারপর যদি এমন অবাস্তব জনজীবন এর জন্য ক্ষতিকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। আমরা যাব কই?

নীতি নির্ধারকদের টনক নড়ানো জন্য কাজ করতে হবে একসাথে। অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে গুতা খাইয়া শিক্ষা নিতে হবে। কোরিয়ার বাস্তব অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো সময় এখনো আছে। সরকারের কাছে অনুরোধ যারা এ ধরনের কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট দয়া করে ব্যাক্তি স্বার্থ চিন্তা না করে জনস্বার্থ চিন্তা করুন। না হলে প্রকৃতি কিন্তু ঠিকই প্রতিশোধ নেবে। সেই দিনের অপেক্ষায় থাকুন ।

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৩

দেশজ বলেছেন: নীতি নির্ধারকদের টনক নড়ানো জন্য কাজ করতে হবে একসাথে। অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে গুতা খাইয়া শিক্ষা নিতে হবে। কোরিয়ার বাস্তব অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো সময় এখনো আছে। সরকারের কাছে অনুরোধ যারা এ ধরনের কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট দয়া করে ব্যাক্তি স্বার্থ চিন্তা না করে জনস্বার্থ চিন্তা করুন। না হলে প্রকৃতি কিন্তু ঠিকই প্রতিশোধ নেবে। সেই দিনের অপেক্ষায় থাকুন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.