নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাজহার

মাজহার › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোরআন-হাদিসে বর্ণিত রহস্য ও ঘটনাসমুহ

০৩ রা আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৮

আমাদের অন্যতম প্রিয় নবী হযরত ইব্রাহীম(আ:),যিনি খালিলুল্লাহ নামে পরিচিত।তিনি প্রতিদিন একজন মুসাফিরকে সাথে নিয়ে খাওয়া খেতেন যা ছিল আল্লাহসুবহানাতাআলার কাছে খুবই প্রিয়।তো একদিনের ঘটনা;খানা খাওয়ানোর জন্য তিনি মেহমান তালাশ করছিলেন।এমন সময় জনৈক অচেনা লোকের সাথে তার সাক্ষাত্ হল।তিনি তাকে ঘরে নিয়ে এলেন।যখন খানা খেতে শুরু করবেন,তখন হযরত ইব্রাহীম(আ:)আগন্তক মুসাফিরকে বললেন-বিসমিল্লাহ বল।সে বলল-আল্লাহ কাকে বলে আমি জানি না।হযরত ইব্রাহীম(আ:)রাগান্বিত হয়ে তাকে দস্তরখান থেকে তাড়িয়ে দিলেন।যখন লোকটি বের হয়ে গেল,তখনই হযরত জিবরাঈল(আ:)উপস্হিত হলেন ও জানালেন যে,আল্লাহ তাআলা বলেছেন-আমি তার কুফরী সম্পর্কে জানা সত্বেও সারা জীবন তাকে আহার্য-পানীয় দিয়ে আসছি।আর আপনি একে এক বেলা খাবার দিতে পারলেন না।একথা শোনা মাএ হযরত ইব্রাহীম(আ:)ঐ লোকের তালাশে ছুটলেন।অবশেষে তাকে ঘরে নিয়ে এলেন।কিন্ত সে লোক বেকে বসল ও বলল,আপনি প্রথমে আমাকে তাড়িয়ে দিলেন,পরে আবার সাধাসাধি করে আনতে গেলেন কেন?এর কারণ না জেনে আমি খানা খবো না।হযরত ইব্রাহীম(আ:)ঘটনা বর্ণণা করলেন।কাফের লোকটির মধ্যে ভাবান্তর সৃষ্টি হল।সে বলল-যে মহান পালনকর্তা ফেরেশতা পাঠিয়ে আপনাকে একথা জানিয়েছেন,তিনি সত্যিই পরম দয়ালু।আমি তার প্রতি ঈমান আনলাম।অতপর সে বিসমিল্লাহ বলে হযরত ইব্রাহীম(আ:)এর সাথে খানা খেতে আরম্ভ করল।তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি পৃথিবীতে সর্বপ্রথম মেহমানদারীর প্রথা চালু করেন।(সুরা হুদ;তফসির পৃষঠা ৬৩৭,বাদশাহ ফাহাদ কর্তৃক বিনামূল্যে বিতরণের জন্য অনুদিত পবিত্র কুরআনুল কারীমের

বাংলা অনুবাদ ও তফসির থেকে নেয়া) ( চলবে)



আর একটি কথা: সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ইসলামিক বই আপনার বাড়ির ঠিকানায় পেতে এই ইমেইল এড্বরেসটি ঝটপট কপি করে আজই ইমেল করূন ও অপরকে জানাতে সহায়তা করুন.জাজাকুম আল্লাহ খায়ের।

[email protected]



















পর্ব-2

বায়হাকীতে বর্ণিত রাসুল(স:)বলেন: হযরত আদম(আ:)ও বিবি হাওয়ার পৃথিবীতে আগমনের পর আল্লাহ তাআলা জিবরাইলের মাধ্যমে তাদের কাবাগৃহ নির্মাণের আদেশ দেন।এ গৃহ নির্মিত হয়ে গেলে তাদেরকে তা তাওয়াফ করার আদেশ দেয়া হয় ও বলা হয়,আপনি সর্বপ্রথম মানব ও এ গৃহ -যা মানবমন্ডলীর জন্যে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।(ইবনে কাসীর)



কোন কোন হাদিসে আছে,হযরত আদম (আ:)কর্তৃক নির্মিত কাবা নূহের মহাপ্লাবন পর্যন্ত অক্ষত ছিল। মহাপ্লাবনে এ গৃহ বিধবস্ত হয়ে যায়। অতপর হযরত ইব্রাহীম(আ:)প্রাচীন ভিত্তির উপর এ গৃহ পুনরায় নির্মাণ করেন।এই গৃহ নির্মাণের সময় মাকামে ইব্রাহীম যা একটি পাথরের নাম,এর উপর দাড়িয়েই তিনি এ গৃহ নির্মাণ করেন।নির্মাণের উচ্চতার সাথে সাথে এ পাথরটিও আপনা আপনি উচু কিংবা নিচু হয়ে যেত।এ পাথরের গায়ে হযরত ইব্রাহীম(আ:)এর গভীর পদচিন্হ রয়েছে যা হাজী সাহেবরা আজঅব্দি দেখে আসছেন। এটা নিসন্দেহে আল্লাহর অপার কুদরতের নিদর্শন। সুরা আল ইমরানের ৯৭আয়াতে কাবা গৃহের ৩টি বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে।প্রথমত:এতে আল্লাহর কুদরতের অনেক নিদর্শন রয়েছে।তন্মধ্যে একটি হচ্ছে মাকামে ইব্রাহীম।দ্বিতীয়ত:যে ব্যক্তি এতে প্রবেশ করবে সে নিরাপদ ও বিপদমুক্ত হয়ে যায়;কেউ তাকে হত্যা করতে পারে না।তৃতীয়ত: সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য এতে হজ্জব্রত পালন করা ফরজ;যদি এ গৃহ পর্যন্ত পৌচার শক্তিও সামর্থ্য থাকে।(কোরআনুল করীম,পৃষ্টা নং১৮৯,সুরা ইমরান)

চোখে পড়ল আরও একটি নতুন ফোরম।সময় পেলে ঘুরে আসুন:

http://www.esogori.forum5.com/



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.