| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
After a critically flawed election, Awami League leaders and supporters are enjoying their ill-gotten victory, while poor people, and minority Hindus are suffering. Until now my focus was mostly on Ruling Party. It dawned on me that BNP's contributions in the making of this mess is also significant. They failed to play the constructive role of a opposition party. Failed to clarify their stance regarding Trial of War Criminals. Failed to practice Democracy within the party and organizing their supporters starting at the lowest level. It seems that they sub-contracted their protest marches to Jamat-Shibir. They even depended on group like Hifazat.
To summarize, current BNP leadership failed to organize and face Awami League and be on the moral high ground.
Now Khaleda Zia can set a good example by leaving the party leadership (for Sheikh Hasina to follow down the road ) to someone new. Let a new set of leaders come up with new ideas to bring qualitative change in Bangladesh's politics.
২|
১১ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ২:২৭
রসায়ন বলেছেন: now BNP needs to leave jamat for avoiding extinction.
৩|
১১ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৩:৩৬
মিতক্ষরা বলেছেন: নেতৃত্ব এত সহজে তৈরী হয় না। যুদ্ধ বা সেরকম অস্বাভাবিক অবস্থায় নেতৃত্ব যত দ্রুত বিকশিত হয় স্বাভাবিক সময়ে এতটা হয় না। মইনের সরকার হাজারো চেষ্টা করেও বিকল্প নেতৃত্ব তৈরী করতে পারে নি। বরং বিবর্তনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলের ভেতরে সংস্কার ও গনতন্ত্রয়ানের দ্বারাই নেতৃত্ব বিকাশের পথটি সুগম হতে পারে। আমাদের তত্বাবধায়ক সরকারগুলো এরকম কয়েকটি ক্ষেত্রে আংশিক সফলও হয়েছে। যার ফলে আমাদের এসেছে ফ্রী প্রেস, কাগজে কলমে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ব্যতিক্রম হল রাকিব কমিশন) সহ আরো কিছু অর্জন। এই অন্তর্বর্তী কালীন সরকার ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখলে গনতন্ত্র আরো পোক্ত ও মজবুত হত।
বিএনপির কর্মীরা এই মুহুর্তে হতাশ বলে পত্র পত্রিকার খবরে আসছে। কথাটি আংশিক সত্য। এই মুহুর্তে আসলে পুরো দেশই হতাশ আওয়ামী লীগের নির্লজ্জ আচরনে। এক আওয়ামী পুংগব কোর্ট প্রাংগনে নিজের বিশেষ অংগ জাতীয় পতাকাকে দেখিয়েছিল। আওয়ামী লীগের দেশের সাথে বর্তমান আচরন তো সেরকমই। কতটা নির্লজ্জ হলে এই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে উল্লাস করে বলতে পারে "আরো পাচ বছরের ম্যান্ডেট পেয়েছি।"
বিএনপি এই নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি বলে সোহরাব হাসানদের মত আওয়ামী কলামিস্টরা প্রথম আলোতে যে আনন্দ প্রকাশ করছেন তা দেখে তাদের জন্য শুধু করুনা হয়। নির্বাচন কমিশন যথেষ্ঠ নিরাপত্তা নিয়েছিল, ঢাকায় তো অবরোধ ছিলই না। তা সত্ত্বেও মানুষ যায় নি ভোট দিতে। বিএনপির বিজয় তো এখানে। ৭০ সালে ভাসানী ন্যাপ নির্বাচন বর্জন করেছিল অথচ মানুষ সেবার ভোটকেন্দ্রে গিয়েছিল। কিন্তু এবার যায় নি। এই নির্বাচন সাধারন জনগন স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই মূল পরাজয় আওয়ামী লীগের হয়েছে। তাদের ডাকে কেউ ভোটকেন্দ্রে যায় নি।
এবার জামাত প্রসংগ। সমস্ত মিডিয়া হঠাৎ বিএনপি জামাত জোট নিয়ে খুবই চেচামেচি করছে। কিন্তু বিএনপিকে জামাত ত্যাগ করতে হবে - এই কথার মানেটা খুব পরিষ্কার নয়। এটা যদি সরকারের সাথে নির্বাচনী সমঝোতা কেন্দ্রিক হয় তবে জামাত অনিবন্ধিত দল হিসেবে সেখানে এমনিতেই অনাহুত। নির্বাচনী সমঝোতা হবে মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মাঝে। তারাই এ দেশের বেশীর ভাগ জনতার আস্থার পাত্র। কিন্তু আন্দোলন যখন হবে তখন নির্দলীয় সরকারের এই দাবীর প্রতি যাদের সমর্থন রয়েছে তারা সবাই একসাথে আন্দোলন করবে এটাই তো স্বাভাবিক। এখানে বিএনপি জামাত হেফাজত জোট তো থাকতেই পারে। অথচ এটা সবাই জানে জামাত হেফাজতের মত বিএনপি জামাতও আদর্শিক ভাবে বহু দূরে।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:৪২
রাফা বলেছেন: আমাদের দেশে ত্যাগ করার মত মানসিকতা কোন নেতৃত্বের মধ্য নেই।