নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইন্টারনেট জগতের সাথে পরিচিত হওয়ার পর থেকে এর গভীর পর্যন্ত জ্ঞান আহরণের চেষ্টা করেছেন, যতই গভীরে গিয়েছেন ততই এর প্রতি আরও আকৃষ্ট হয়েছেন। নিজে জানার আর অন্যকে জানানোর অদম্য ইচ্ছার প্রয়াসে আজ সম্যহার ইন ব্লগের সাথে এতটা জড়িয়ে আছেন।

মোঃআশরাফ উদ্দিন খান

আমি একজন ৭ম শ্রেণীর ছাত্র।

মোঃআশরাফ উদ্দিন খান › বিস্তারিত পোস্টঃ

লেখকের কৌশল: সিংহের মতো রাজত্ব করুন, গাধার মতো পরিশ্রম নয়।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২

লেখকের কৌশল: সিংহের মতো রাজত্ব করুন, গাধার মতো পরিশ্রম নয়।

বনের রাজা সিংহ দিনের প্রায় ১৬-২০ ঘণ্টা বিশ্রাম নেয় এবং মাত্র ২-৪ ঘণ্টার কৌশলগত শিকারে নিজের আধিপত্য বজায় রাখে। অন্যদিকে, গাধা প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা কঠোর পরিশ্রম করেও সেই মর্যাদা বা নিয়ন্ত্রণ পায় না। এই বৈপরীত্য একটি মৌলিক নীতিকে তুলে ধরে: সাফল্য নিরলস পরিশ্রমে নয়, বরং কৌশলগত এবং নিবদ্ধ প্রচেষ্টায় অর্জিত হয়। সত্যিকারের কর্তৃত্ব আসে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে শক্তি প্রয়োগে, কেবল শক্তির অপচয়ে নয়। ডিজিটাল যুগে লেখকের অস্তিত্বের সংকট মোকাবেলায় এই দর্শনই একমাত্র পথ।

১. আধুনিক লেখকের নিরর্থক পরিশ্রম: বিশৃঙ্খল প্রচেষ্টা

ডিজিটাল যুগে অনেক লেখক অজান্তেই ‘গাধার মতো পরিশ্রম’-এর পথ বেছে নেন, যেখানে তাদের সৃষ্টিশীলতার এক হযবরল অবস্থা তৈরি হয়। তাদের লেখাগুলো ফেসবুক, বিভিন্ন গ্রুপ এবং ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে, যা লেখকের মূল্যবান বৌদ্ধিক পুঁজিকে ক্ষয় করে ফেলে। লিংক ও হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে সেই লেখাগুলোকে গোছানোর চেষ্টা শেষ পর্যন্ত একটি নিষ্ফল প্রয়াসে পরিণত হয় এবং কিছুদিন পরেই নতুন পোস্টের ভিড়ে পুরোনো লেখা হারিয়ে যায়। লেখকের কষ্ট? কেউ আর মনে রাখে না। এর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো মালিকানার সংকট; লেখা কপি বা চুরি হয়ে যাওয়ার ভয় লেখকের মনে নিরন্তর কাজ করে এবং নিজের কাজের ওপর অধিকার প্রমাণের কোনো শক্তিশালী ভিত্তি থাকে না। প্রমাণ দেখাবে কীভাবে? এই বিচ্ছিন্ন এবং অসংগঠিত প্রচেষ্টা একজন লেখকের স্থায়ী পরিচয় তৈরিতে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়, যা তার শ্রমকে স্বীকৃতিহীন করে তোলে।

২. সিংহের কৌশল: ‘ই-নলেজ আইডিয়া’ প্ল্যাটফর্ম

এই বিশৃঙ্খল পরিশ্রমের বিপরীতে ‘ই-নলেজ আইডিয়া’ প্ল্যাটফর্মটি লেখকের জন্য ‘সিংহের কৌশল’ উপস্থাপন করে। এটি শুধু লেখা সংরক্ষণের একটি জায়গা নয়, বরং এটি লেখকের সব সৃষ্টির জন্য একটি কেন্দ্রীয় ও স্থায়ী ঠিকানা। এই প্ল্যাটফর্ম লেখকের বিক্ষিপ্ত সৃষ্টিকে একটি সুসংহত বৌদ্ধিক সম্পদে রূপান্তরিত করে, যা সময়ের সাথে সাথে লেখকের সবচেয়ে মূল্যবান অ্যাসেট হয়ে ওঠে। লেখকের বাড়তি কোনো প্রচেষ্টা ছাড়াই এটি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কাজগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুসংগঠিত সিরিজে রূপান্তরিত করে। প্রতিটি লেখাকে একটি স্বতন্ত্র eID প্রদানের মাধ্যমে এটি ডিজিটাল কপিরাইট সুরক্ষা নিশ্চিত করে, যা লেখা চুরির ভয়কে ভিত্তিহীন করে দেয় এবং মালিকানার প্রশ্নাতীত প্রমাণ দেয়। উপরন্তু, লেখক তার কাজের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পান—চাইলে লেখা প্রকাশ করতে পারেন, অথবা ভবিষ্যতের বইয়ের জন্য খসড়া, অসম্পূর্ণ কাজ ব্যক্তিগত ও নিরাপদ রাখতে পারেন। এভাবেই এলোমেলো প্রচেষ্টা একটি সুসংহত পেশাদার উপস্থিতিতে রূপান্তরিত হয়।

৩. ফলাফল: শ্রমের স্বীকৃতি এবং লেখকের রাজত্ব

শেষ পর্যন্ত, এই দুটি পথের ফলাফল সম্পূর্ণ ভিন্ন—একটি ডিজিটাল বিস্মৃতি, অন্যটি স্থায়ী বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তরাধিকার। যে লেখক অসংগঠিত পরিশ্রমের পথে চলেন, তার প্রচেষ্টা সময়ের ডিজিটাল কোলাহলে হারিয়ে যায় এবং পরিচয় খণ্ডিত থেকে যায়।

বিপরীতে, যে লেখক ‘ই-নলেজ আইডিয়া’-এর কৌশল গ্রহণ করেন, তিনি তার মেধা ও শ্রমের জগতে রাজার আসনে বসেন। তার প্রতিটি লেখা সুরক্ষিত থাকে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি জীবন্ত লেখক পোর্টফোলিও-তে রূপান্তরিত হয়, যা এক ক্লিকেই বইয়ের পাণ্ডুলিপিতে পরিণত হয়ে যায়, গাধার খাটুনি খেটে নতুনভাবে কপি পেষ্ট করে পান্ডুলিপি বানানোর ঝামেলা নেই। তিনি শুধু নিয়ন্ত্রণই পান না, পান সুস্পষ্ট স্বীকৃতিও—প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্জিত হয় ব্যাজ, পয়েন্ট, ও মর্যাদা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তিনি একটি স্বতন্ত্র লেখক আইডি নম্বর লাভ করেন, যা NID-এর মতোই তার Bio বা CV-তে ব্যবহারযোগ্য একটি পেশাদার পরিচয়ের প্রতীক। সিদ্ধান্তটি এখন স্পষ্ট: লেখকরা কি ফলহীন কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ডিজিটাল বিস্মৃতিকে বেছে নেবেন, নাকি কৌশল অবলম্বন করে নিজেদের লেখার জগতে রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করবেন?
এখনই যুক্ত হোন লেখালেখির রাজকীয় কেন্দ্রে, ই-নলেজ আইডিয়া তে।
ভিজিট করুন: https://idea.enolej.com
অথবা গুগলে সার্চ করুন "ই-নলেজ আইডিয়া"।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০২

রাজীব নুর বলেছেন: গার্বেজ পোষ্ট দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিলাম না।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:১২

মোঃআশরাফ উদ্দিন খান বলেছেন: আপনার কাছে গার্বেজ পোষ্ট এর মানদন্ড কি? গার্বেজ এর কি দেখলেন?

২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সিংহের মতো রাজত্ব করুন, গাধার মতো পরিশ্রম নয়।
.................................................................................
সিংহর শক্তি কি গাধা ধারন করে ???

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.