নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জ্ঞানী লোকের কাছে প্রতিনিয়ত শিখছি। অজ্ঞের থেকে শেখার কিছু নেই। সম্মান যতটুকু দিবেন ততটুকু ফেরত পাবেন।

এম ডি মুসা

আমি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নই। আমি কোন কবিও নই।কবিতা লেখি, শখের বিষয়। জানি ছন্দ জানি মাত্রা এই নিয়ে আমার পথ যাত্রা।। কুসংস্কার এবং অন্যায় বিরুদ্ধে সোচ্চার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমার বুকের ভেতর মজুদ করা।

এম ডি মুসা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আপনি কি মনে করেন নারীর অধিকার নারী সম্পূর্ণ পাচ্ছে?

৩১ শে মে, ২০২৪ রাত ১০:৪২

নারী কিভাবে সমাজে অবহেলার স্বীকার হয় তার কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করবোঃ
নারী ছাড়া সব পুরুষই অসম্পূর্ণ। নারীদের অবহেলার প্রশ্নই আসে না। বিশ্ব আজ নারীদের জন্য অনেক সুন্দর। কিন্তু যুগে যুগে কিছু বিপথগামী পুরুষ নারীকে নিপীড়ন করেছে, এ কারণে নারীর অধিকার নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আপনি কি জানেন? নারীদের প্রতি এখনো বৈষম্য করা হচ্ছে, যদিও নারীকে স্বর্গের মানুষ বলা হয়, তবুও নারীদেরকে কঠোর চোখে দেখা হয়। । সব নারীর অধিকার ফিরে পেতে আপনাকে সব নারীর দিকে নজর দিতে হবে। কিছু নারীকে চাকরি দিয়ে বাকিদের ঠকানো কে অধিকার নিশ্চিত বলে না।


চিহিৃত সমস্যাঃ পরিবারে দুই-পাঁচটি মেয়ে থাকলে মেয়ের বাবা চিন্তায় ভেঙে পড়েন। মেয়ের বাবা ভাবে তাদের বিয়ে করতে অনেক টাকা লাগবে। কন্যার বিয়েতে বরকে স্বর্ণালঙ্কার দিতে হয়। বিয়েতে তাকে খরচ করতে হয়। না হলে সমাজে ছোট হতে হবে। সবাই আর্থিকভাবে ভালো নয়। বাবা দেনা করে তার মেয়েকে বিয়ে দিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়।

বাবা সত্যি কারে ভালোবাসে মেয়েদের কিন্তুু তাদের জন্ম পর পর একটা মাথার বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। ধনী গরিব সবার বেলায় এই সমস্যা হয়, যার যার পরিমান থেকে। এখানে নারীর অধিকার কতটুকু বাস্তবায়ন হচ্ছে?


মনে করি নারীকে মুক্তি দিতে সকল প্রথা বাতিল করা উচিতঃ
১) বিয়েতে মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে, বরকে কোনো উপহার বা কিছু দেওয়া চলবে না।
২) বর পক্ষকে স্বর্ণ, অলংকার টাকা পয়সা সবকিছু দেওয়া চলবে না।
৩) প্রতি ভোজ থেকে শুরু করে সকল অনুষ্ঠান মেয়ের পক্ষকে করতে দেওয়া হবে না।

সমস্যা সমাধানঃ প্রতিটি এলকায় একটা করে কমিটি গঠন করা। বিয়েতে উপরে উল্লেখিত বিষয় না দেওয়া । কমিটি কে সাহয্য করবে প্রশাসন, থানার অচি থাকবে এর সভাপতি। কমিটি সদস্য চিঠির মাধ্যমে বাধা প্রদান করা। নারী কে যেনো কোনো বাবা যেনো বোঝা মনে না করে......।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুন, ২০২৪ রাত ১:৪৪

কামাল১৮ বলেছেন: মেয়েকে লেখা পড়া শিখিয়ে স্বনির্ভর করলে তার অধিকার সে নিজেই বুঝে নিবে।

২| ০১ লা জুন, ২০২৪ সকাল ১১:৩৯

নতুন বলেছেন: এই সমস্যার সমাজের মানুষের তৌরি।

বাবা তার মেয়েকে সাধ্য মতন উপহার দেবেন। কিন্তু এটা এখন বাবা কি দিলো সে সবাই সমালোচনা করে।
ছেলের পরিবারের নারীরাই প্রধানত সেই আগুনে ঘি ঢালে...

সমাজে সচেতনতা দরকার। ছেলেরাই তাদের শশুর বাড়ী থেকে উপহারের নামে যৌতুক বন্ধ করে। মেয়ের বাবা মাকে কস্ট দেবে না।

একজন মেয়ের বাবাই বোঝে তার মেয়ে কতটা প্রিয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.