| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাবনের ভাই কুম্ভকর্ণ ব্রহ্মার বরে ৬ মাস ঘুমাতো এবং একদিন জেগে থাকতো। লঙ্কাপুরী আক্রান্ত হওয়ার পর বানর সৈন্যদের হাতে ধরাশায়ী হতে থাকে রাবনের রাক্ষস বাহিনী। সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিল কুম্ভকর্ণকে যুদ্ধে পাঠানোর। কিন্তু কুম্ভকর্ণ তখনো ঘুমিয়ে। কুম্ভকর্ণের নিদ্রা অকালে ভাঙ্গানোর জন্য তার কানের পাশে ৬ লক্ষ ঢাক আর ১২ লক্ষ শাঁখ বাজানো হয়। কিন্তু তাতে তার ঘুম ভাঙ্গে না। উত্তপ্ত সাঁড়াশি দিয়ে চামড়ায় ছেকা দেয়ার পরেও তার কোন হুস নেই। অতঃপর একজনের বুদ্ধিতে খাবারের পাত্র সমূহের ঢাকনা খুলে দেয়ার পর খাবারের গন্ধে কুম্ভকর্ণের ঘুম ভেঙ্গে যায়।
আজকে আপনাদেরকে আমি দাওয়াত দিলাম। গরম গরম কাবাব খাওয়াবো। এ কাবাব কিন্তু গো-মাংস কিংবা খাসীর নয়। এমনকি ব্রয়লার মুরগীর ঝলসানো গ্রীলও নয়। এ স্বয়ং আমার মা, বাবা, ভাই, বোন কিংবা প্রিয়তমা স্ত্রীর ঝলসানো মাংসের কাবাব। আসার সময় কিন্তু খেয়াল করে জন প্রতি ২টি তন্দুরী নিয়ে আসবেন। তন্দুরী বিনে কি কাবাবের পূর্ণ স্বাধ মেলে?
দেশের আনাচ-কানাছে আজ কাবাবের ম-ম গন্ধ পাওয়া যায়। কিন্তু তাতেও আমাদের ঘুম ভাঙ্গে না। আমাদের ঘুম কুম্ভকর্ণের চাইতেও গভীর।।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:২৭
মুহাম্মদ তৌহিদ বলেছেন: এ ঘুম ভাঙার অপেক্ষায় আছি
২|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৫১
নিলু বলেছেন: মাংসের গন্দ ভিন্ন রকম বোধ হয় , তবে পুড়লে একই রকম , লিখে যান
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৩৫
মুহাম্মদ তৌহিদ বলেছেন: বাঙালি নিরামিষভোজী না হলেও মাংস তাদের ভাগ্যে খুব কম সময়েই জোটে। এখনই সময় মাংসের স্বাদ নেয়ার। হোক না পোড়া তাতে কিবা আসে...
৩|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৪০
ব্লগার মাসুদ বলেছেন: ঠিক বলেছেন আপনার সাথে সহমত
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:১৫
মুহাম্মদ তৌহিদ বলেছেন: সহমত প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।
৪|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:০০
চাঁদগাজী বলেছেন:
বিশ্রীভাবে লেখা
৫|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:২১
নিমগ্ন বলেছেন: লেখার ভাবের প্রতি সহমত!
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৫৪
মুহাম্মদ তৌহিদ বলেছেন: সহমত প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৪৬
রক্ত পলাশী বলেছেন: আমাদের ঘুম কুম্ভকর্ণের চাইতেও গভীর