নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Candle in the Wind

আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছো বসি আমার ব্লগখানি কৌতুহল ভরে

মেহরাব শাহরিয়ার

তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিবনা কোলাহল করি সারা দিনমান, কারো ধ্যান ভাঙ্গিবনা।

মেহরাব শাহরিয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

অতঃপর হোটেল সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ ফুটবল দল --- তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদন + ইন্টারভিউ

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৩

১.......

স্টেডিয়াম গেটে মোটরসাইকেল নিয়ে অনেক্ষণ অপেক্ষা করছে , "আমার বিদেশ" পত্রিকার স্পোর্টস রিপোর্টার আরিফ । সাংবাদিক সম্মেলন শেষ হয়ে গেছে বেশ অনেক্ষণ আগে , কিন্তু বাংলাদেশ দল কেন যেন স্টেডিয়াম ছেড়ে বের হচ্ছে না কিছুতেই । আরিফের হাতে সময় কম , রাত ১ টার আগেই অফিসে ম্যাচ রিপোর্ট পাঠাতে হবে । হঠাৎ করেই টিম বাসটা চোখে পড়ে আরিফের । টিনটেন গ্লাস ভেদ করে খেলোয়াড়দের চেহারা বুঝবার জো নেই । আরিফের ইচ্ছে হোটেল সোনারগাঁ গিয়ে ম্যাচ পরবর্তী দু'একটা প্রতিক্রিয়া জেনে তবেই পত্রিকায় রিপোর্ট পাঠানোর ।



সুমনকে মোবাইলে কল করে আরিফ । "সুমন কোথায় তুমি ? তোমার না আমার বাইকে চড়ে হোটেলে যাবার কথা ? টিম বাস তো ছেড়ে দিয়েছে , শিগগির আসো , আমি ৩ নং গেটে আছি"



--"আরিফ ভাই , আপনি চলে যান , আমার আর আজ হোটেলে যাওয়া হবে না , আমি সরাসরি অফিসে যাব" ।



কারণটা বুঝতে বাকি থাকে না আরিফের । সুমন হল , আলু পত্রিকায় উট-পালের চ্যালা । উট-পাল এখন বিশ্বকাপ নিয়ে বিজি বলে সাফ ফুটবলে দেখার সময় নেই তার , তাই দায়ভার এসে পড়েছে সুমনের উপর । আরিফ ভেবেছিল , এদ্দিনে উট-পালের জ্বালা থেকে রেহাই পাওয়া গেল , কিন্তু সুমন আরেক কাঠি বাড়া । প্রথম আলুর সাংবাদিকরা বদলালো না ..... রাগে একটু গরগর করে আরিফ । এরা ম্যাচ রিপোর্ট লিখে ফেলে ম্যাচের আগেই , সবার পকেটে থাকে একটা কবিতার পকেট বুক , সেখান থেকে কিছু লাইন নিয়ে রিপোর্টের মাঝে ঢুকিয়ে দেয়া হয় ।



আজ সুমন ভুল করে রিপোর্টটা ওর পাশে ফেলে গিয়েছিল , সেই সুযোগে আরিফ অনেকটাই দেখে ফেলেছে । মোটামুটি ৮/৯ প্যারার রিপোর্টের প্রথম ৪ প্যারা জুড়ে ডিসেম্বর মাস এবং মুক্তিযুদ্ধের দুর্বার চেতনায় খেলোয়াড়দের তেতে ওঠার বর্ণনা , পরের ৪ প্যারায় বাংলাদেশ দলের চোখ ধাঁধানো পারফর্মেন্সের দুর্বার বর্ণনা । আগের দিন আলু এনামুলকে দুঙ্গা বানিয়েছে , আজকের রিপোর্টে ওয়ালি ফয়সালকে বানানো হয়েছে দানি আলভেজ , আর নাসিরের মাঝে খুঁজে পাওয়া গেছে জাভি আলোনসো কে । সুমনের জন্য মায়া হয় আরিফের । "আহারে বেচারা , অফিসে গিয়ে পুরো রিপোর্টটা কেটে আবার নতুন করে লিখতে হবে"...... ভাবতে ভাবতে বাইকে স্টার্ট দেয় আরিফ





২.......

হোটলে লবি যতটা নীরব থাকবে ভেবেছিল আরিফ , ততটা নয় । একপাশে মালদ্বীপের ফাজিল কে দেখা গেলে মোবাইলে কথা বলতে । ভারতের তিন/চারজন খেলোয়াড়কেও দেখা গেল ছোটখাট জটলা করে কথা বলতে । আরিফের চোখ বাংলাদেশীদের খোঁজে । "সবাই কি রুম বন্ধ করে শুয়ে পড়ল নাকি" ..... মনে মনে ভাবতেই দেখা মেলে রজনী আর জাহেদের । রজনীর মুখটা দেখে হঠাৎ মনে হয় কেউ রজনীকে বুঝি মাত্রই বোমা মেরেছে । জাহেদের মুখেও যেন রাজ্যের মেঘ । এক পা এগোয় আরিফ , কিন্তু ওদের মুখ দেখে কথা বলার সাহস হয় না । পেছনেই ফিরতেই হঠাৎ যেন ভাগ্যদেবী আরিফের দিকে ফিরে চায় । বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড় সিরাজীকে দেখে ওর দিকে হেঁটে আসতে , ছেলেটা আজ মাঠে নামেনি , কিন্তু ওর পেট থেকে অনেক কথা বের করা যাবে , আরিফ জানে ।



আরিফকে একপাশে টেনে নিয়ে কোনার সোফাটায় বসে সিরাজী ।"কি ব্যাপার সিরাজী , জরুরী অবস্থা নাকি ? কি অবস্থা তোমাদের , রজনীকে দেখলাম মন খারাপ করে কান্নায় ভেঙে পড়ার দশা , পরাজয়ের শকটা মনে হয় সিভিয়ার হয়ে গেছে?"



মুখ চেপে ধরে হাসি থামায় সিরাজী । "আরিফ ভাই , এদ্দিন সাংবাদিক হয়ে এই চিনলেন আমাদের রজনী ভাইদের ? ঐসব পরাজয় টরাজয় কিছু না , জীবনে যত পরাজয় দেখসে রজনী ভাই , জয় দেখসে তার চেয়ে অনেক কম । এইসব পরাজয়ে কোন প্রতিক্রিয়া হয় না এখন আর"



"তাহলে ঘটনাটা কি ?"...... সন্দিগ্ধ চোখে আরিফ জিজ্ঞেস করে ।

"স্টেডিয়াম ছেড়ে আসার আগে সবাই বেশ ফূর্তিতে ছিল , আগামী ৩ দিন সোনারগাঁয়ে থাকা , পুলে সাঁতার , বুফে ... এসব করা যাবে ইচ্ছেমতন ভাবতেই সবাই ফুরফুরে হয়ে গেসিল। আর সবার প্রতি কড়া নির্দেশ চরম মন খারাপ করে থাকতে হবে , কিন্তু কেউ জোর করে কাজটা করতে পারেনি বলে ম্যানেজমেন্টের ডিসিশন ,কালই সোনারগাঁ ছেড়ে যেতে হচ্ছে"



"ওহহ , এই তবে ঘটনা , রজনীর সেজন্য মন খারাপ"..... আরিফ বিজ্ঞের মতন মাথা নাড়ে ।



---"না না , রজনী ভাইয়ের ব্যাপার অন্যরকম । এসব তাঁর গায়ে লাগে নাকি ? আরে এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন নাকি , প্র্যাকটিরস না করার দাবীতে ডিডোর বিরুদ্ধে যখন বিদ্রোহ হল , তখন রজনী ভাই তো লিড দিল, শেষমেশ ডিডোরে কি করল দেখসেনই তো , তাঁর খুঁটির জোর অনেক। অন্যরা রুম আটকে থাকলেও বিদ্রোহী ৬ জন ঠিক করসিল , সারা রাত ফূর্তি করা হবে, কে জানে আবার কবে সোনারগাঁয়ে আসা হবে । কিন্তু আসার পরেই রজনী ভাইয়ের লুজ মোশন , বারবার বাথরুমে দৌড়াচ্ছে , খেতে পারবে না , এটা বুঝতে পারতেই রেগে টং হয়ে আছে "



প্রসঙ্গ বদলে খেলার কথা তোলে আরিফ---- আজকের ম্যাচ নিয়ে ভাবনা কি তোমাদের ? অপরাধবোধ হচ্ছে না তোমাদের ? জাতিকে তো তোমরা লজ্জা দিলে ...



আরিফের স্ট্রেট কাট আক্রমণে সিরাজীর মুখের রঙ খানিক বদলে যায় --- "শুধু বাংলাদেশ দলের দোষটাই দেখেন , তাই না ? কই , ইন্ডিয়া টিমের বিরুদ্ধে কিছু তো লেখেন না"



"ইন্ডিয়া টিমের বিরুদ্ধে আবার কি লেখার আছে ?"



"কেন , ওরা যে বলতেসে ওদের খেলো্যাড়দের বয়েস ১৯/২০ এইটা তো ডাহা মিথ্যা , সাউথ এশিয়ায় সব দেশই বয়েস নিয়ে বিশাল চাপাবাজী করে ।সারাক্ষণ ১৯ বছর , ২৩ বছর নিয়ে ওদের সে কি ভাব!!মোট্টেও ২৩ না ,ওদের বেশির ভাগ খোলোয়াড়ের বয়েস ২৪ , আমি নিজে জানি ।ব্যাটারা আস্ত কালপ্রিট"



"আচ্ছা আচ্ছা "...... এটা নিয়ে কথা বলা বৃথা ভেবে আরিফ বয়েস প্রসঙ্গটার ইতি টানে । হঠাৎ করেই আবার ৩৫ বছর বয়েসী রজনীর কথা মনে পড়ে আরিফের । সিরাজীর কথা মত , বয়েস লুকানো রজনীর আসল বয়েসটা ৩৭/৩৮ হবে ।আজ খেলার শেষদিকে রজনীকে শামুকের মত নড়াচড়া করতে দেখা গেছে । এই বয়েসে কোন সাহসে প্র্যাকটিস না করার দাবীতে বিদ্রোহে রজনী নেতৃত্ব দিয়েছিল , আরিফের ছোট মাথায় কুলোয় না ।



ডিডোর কথা মনে পড়ে যায় আরিফের । ডিডোর গেমপ্ল্যান কি হত , সে ভাবনাটা মাথায় আসতেই জিজ্ঞেস করে "গেমপ্ল্যানটা কি ছিল তোমাদের ?""



----সেরকম কোন প্ল্যান ছিল না , কোচ বলেছিলেন , ওরা অ্যাটাক করলে শক্ত করে ডিফেন্স করতে হবে । মিডফিল্ড থেকে বেশি করে উপরের ফ্রন্টে বল যোগান দিতে হবে, আর স্ট্রাইকারদের গোল করতে হবে"



"হাহ !! , এর মাঝে নতুন কি ? বাচ্চাও তো জানে এসব , তো যখন কিছু কাজ করছিল না , প্ল্যানে কোন চেইনজ আসেনি ? এমিলি এনামুলের কি হল , ম্যান মার্কিংয়ের শিকার হয়ে ওরা তো বল নিয়ে ঘুরতেও পারছিল না "



----"এমিলি ভাইয়ের কাছে আশা করেন কেন? সে ইনজুরড ছিল , ইনজেকশন নিয়ে খেলসে । আর এনামুল ভাই সকাল পর্যন্ত ঠিকই ছিল , সকালে আলু পত্রিকায় যখন দেখল তার নাম দুঙ্গা , আর সেই দুঙ্গার দিকে তাকিয়ে আছে সারা দেশ , তখন থেকেই সে শেষ । আর যাই হোক , গন্ডায় গন্ডায় গোল দিলে , সেই খেলোয়াড় তো দুঙ্গা হতে পারবে না, সে হবে ফ্যাবিয়ানো , নিদেনপক্ষে লিওনার্দো । কাজেই দুঙ্গার কাজ দুঙ্গা করসে "



"ঠিক আছে , কিন্তু পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে এমিলি ইনজুরি গোপন করে সেকেন্ড হাফ খেলল কেন ? এই ক্রাইমের তো পানিশমেন্ট হওয়ার কথা , আর ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১ জন নিয়ে ডিফেন্স করার মানেটাই বা কি ছিল?"



-----"আরিফ ভাই , বুঝার চেষ্টা করেন । মনে করে দেখেন তো , পাড়ার ক্রিকেটে সবসময় ওপেনার হওয়ার জন্য সবার মধ্যে মারামারি হইত কিনা? আর ফুটবলে সবাই কি স্ট্রাইকার হইতে চাইতেন কিনা? পায়ে ব্যাথা হইলে কি খেলার দাবী ছেড়ে দিতেন ? অথবা বলতেন কি , যে আজ ম্যাচে আমি বসে থাকলাম ? এমিলি ভাইয়ের কেসটাও সেইম , তার মঞ্চাইসে খেলতে , তাই যেভাবেই হোক মাঠে ছিল । আর বিজয়ের মাসে পাকিস্তানের কাছে হারলে জাতি ক্ষমা করত আমাদের ? শুরুতে যখন বুঝলাম যে এই ম্যাচ জিততে গেলে চান্সে গোল খাওয়ার সুযোগ আছে , তখনই ওরা ১১ জন স্টাইলে ডিফেন্স করার ডিসিশন নেয়া হইল"



মিডফিল্ড নামের শব্দটার অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া গেল না কেন ? জার্সি ধরেও তো জাহেদ আর নাসিরকে পেলাম না । দু'একবার যাও দেখলাম , জাহেদ সামনে ২/৩ টা ভারতীয় খেলোয়াড় দেখেও বলটা ডানে না বাড়িয়ে বাঁদিকের সাইড লাইন দিয়ে জোর করে ঢুকে পড়ার চেষ্টা দেখলাম । ফলাফল হল হয় বলের নিয়ন্ত্রণ হারানো নয়ত ইন্ডিয়ার থ্রো-ইন। ওর এভাবে চিপা দিয়ে ঢুকার অভ্যেস হল কবে থেকে ?...... আরিফ জানতে চায়



---"জাহেদ ছোটখাট প্লেয়ার , ওর মনে মনে নিজেকে রবার্তো কার্লোস ভাবে মাঝে মাঝে , সেই কারণে ওভারল্যাপ করার প্রবণতা থেকেই এটা করসে মনে হয় । আর মিডফিল্ডের শুধু দোষ দেন কেন? ওরাও খানিক ফ্রাস্ট্রেটেড ছিল । আজ তো ছোট ছোট পাসে খেলা হয় নাই , সব ভুল পাস হচ্ছিল । এরপর ডিফেন্ডাররা দেখা বল ক্লিয়ারের জন্য সব ঊঁচু করে মারছে , বলের প্রাসের গতিতে ছোট খাট সব মিডফিল্ডারের মাথার উপর দিয়ে অ্যাটাকিং লাইনে গিয়ে পড়ছে । এই কারণেই মিডফিল্ড খুঁজে পান নাই" ...সময় নিয়ে বলে সিরাজীি



সিরাজীর ফুটবল সেন্স দেখে হতাশ হয় আরিফ । হতাশা চেপে জিজ্ঞেস করে "আচ্ছা , ডিফেন্সের কথাই না হয় বল। ফ্রি-কিকের বিরুদ্ধে কি এমন ডিফেন্সিভ ওয়াল বানানো হল যে , পরপর দুই দিন দেয়ালের পাশ দিয়ে মাটি কামড়ানো শটে গোল হয়ে গেল?"



"ডিফেন্সের দোষ কিভাবে দেন ? যদি এমন হত যে ওয়ালের খেলোয়াড়দের পায়ের নিচ দিয়ে বল চলে গেছে , অথবা মাথার উপর দিয়ে যাওয়া বলে কেউ হেড করতে পারেনাই , তাহলে না হয় কাঠগড়ায় দাঁড় করাতেন , বল তো গেল ওয়ালের পাশ দিয়ে"



"তো ওয়ালের পাশে এত বড় ফাঁকা কেন যে গোলে সরাসরি বল চলে যায় ? ওয়ালটাও তো ঠিক জায়গায় করতে পারলে না তোমরা"



----"সেটা আমিনুলের দোষ , ও ইনস্ট্রাকশন দিতে পারত , দেয় নাই । আমিনুল আসলে ডিডোর চ্যালা , তার কথা আর কি বলি"



ডিডোর প্রসঙ্গ তুলতে চায়নি আরিফ । চলেই যখন আসল এবার মুখ খোলে "টুর্নামেন্টে খেললোই তো দু'জন , আমিনুল আর এনামুল , ডিডোর দুই প্রিয় খেলোয়াড় । আর ডিডোর যেসব প্রিয় খেলোয়াড়কে বাদ দিলা তোমরা , তারাও তো নিজেকে কম প্রমাণ করে নাই। প্র্যাকটিস ম্যাচে জাতীয় দলকে একা হাতে পর্যদুস্ত করে শেখ রাসেলের মারুফ তো একা হাত দেখে নিল । ঠিক কি কারণে ডিডোকে পছন্দ হল না বিদ্রোহীদের ?"



-----"ডিসেম্বর মাসে ডিডোর কথা তুলবেন না আরিফ ভাই । আমরা সংগ্রামী জাতি , সংগ্রাম আমাদের রক্তে । দেশের জন্য উজাড় করে আমরা খেলি । ডিডো হল ব্রাজিলের মানুষ , কোনদিন শুনসেন ব্রাজিল মুক্তিযুদ্ধ করসে ? একবার বলা হল , ডিসেম্বরে জিততেই হবে । ডিডো শুনে বলে .... ১২ মাস জিততে হবে , শুধু ডিসেম্বরে কিসের জিতা ? আমাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতির উপর যে আঘাত ডিডো করসে , সেটা কিভাবে মেনে নেন ? আর অভিজ্ঞতাকে সে কোন দাম দিত না , পিচ্চি পোলাপাইনে টিম ভরায় ফেলার প্ল্যান করসিল , সিনিয়রদের সম্মান করত না । রজনী এমিলি ভাইরা দুপুরে ভাত খাওয়ার পর ভাত-ঘুম দিতে পছন্দ করেন ।ডিডোর সাফ কথা বিকেলে ঘুম বন্ধ ,রানিং-স্ট্রেচিং চলবে । কাঁহাতক আর সহ্য করা যায়?"



"কৃষ্টি নিয়ে ডিডো আবার কি করল?"......... আরিফের চোখে মুখে বিস্ময়



-----"ছোটবেলা থেকে ভাত খেয়ে বড় হইসি সবাই , আমরা ভেতো জাতি , ডিডো আমাদের ভাত খাওয়ার অধিকার কেড়ে নিসিল । একবেলা শুধু ভাত , তাও লিমিটেড ।সব এনার্জি ডায়েট, ব্যালেন্সড ডায়েট দিত , আল্লাহ মালুম । সে থাকলে এবার কি কুরবানীর মাংস কপালে জুটত কারও ?তরকারীও দিত না ব্যাটা , কি সব স্যুপ টুপ খাওয়াইত । এসব হল হার্মাদদের খাবার । হার্মাদদের চেনেন তো ? পর্তুগীজ ...... ব্রাজিলিয়ানদের পূর্ব পুরুষ তো ঐ হার্মাদ পর্তুগীজরাই "



"অভিজ্ঞতা দিয়েই বা কি রাজা-উজির মারতে পারলা তোমরা ? শেষমেশ তো হারলা ঐ পিচ্চি পোলাপাইনের টিমের কাছেই"



------"কি বলেন মিয়া ভাই , একটু ভেবে দেখেন । রজনী ভাইরা ১৪/১৫ বছর ধরে হারতে হারতে চামড়া মোটা করে ফেলসে । আজ হেরে যাওয়ার পরেও সিনিয়ররা দেখেন কেমন নির্বিকার , হারার এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কি জুনিয়রদের ছিল ? দেখা যাইত , আজ হারলে কান্নার রোল পড়ে গেসে । পরে এরা হারার ভয়ে খেলতেই নামতে চাইত না " , সিরাজীর মুখ দেখে মনে হয় , বড় কিছু ব্যাখ্যা করে ফেলেছে।



"হুমমমম , আচ্ছা , দেশের মাটি নাকি বিদেশের মাটি কোথায় ফুটবল খেলে বেশি স্বস্তি পাও?"



----"ডেফিনিটলি , বিদেশের মাটিতে । আজকের কথাই ধরেন , কেউ বলতে পারছে না যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে হেরে গেছি , সবাই দেখসে যে আমরা একটা চান্সও পাই নাই । অথচ খেলাটা যদি বিদেশে হত , আর টিভিতে না দেখাত , তাহলে আমাদের আর কে পেত? ম্যাচটা যদিও ৩-০ তে হারতাম , ফোন করে জানিয়ে দেয়া হত যে বাংলাদেশ পুরো ম্যাচে চরম প্রাধান্য বিস্তার করে খেলে গেছে , পাঁচ/ছ'টা ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে সুযোগ পেয়েছে , ৪ টা বল বারে লাগসে , মোটের উপর ভাগ্যদেবী নাখোশ থাকায় পরাজয় মেনে নিতে হয়েছে।



একটা অফটপিক প্রশ্ন হঠাৎ করেই মাথায় আসে আরিফের । সিরাজী উত্তর দিতে পারবে কি পারবে না , এই দোলাচলে বলেই ফেলে "সাফ ফুটবল টুর্নামেন্ট কিভাবে বঙ্গবন্ধু সাফ ফুটবল হয় ? কোনদিন কোন রুটিন চ্যাম্পিয়নশীপ কারও নামে হতে পারে? নেলসন ম্যান্ডেলা ওয়ার্ল্ড কাপ , অথবা মার্শাল টিটো ইউরো চ্যাম্পিয়নশীপ ? চামচারা কি বঙ্গবন্ধুকেও লজ্জিত করল না?"



--- ওহহ , এই কথা ? অন্য দেশগুলো হয়ত অবাক হইসে , কিন্তু কেয়ার করে নাই , সাফ নিয়ে ইন্ডিয়া পাকিস্তানের কিছু যায় আসে না। রিফিউজড হওয়ার রিস্ক এড়াইতে শুরুতে টুর্নামেন্টের নাম "মজনু স্মৃতি সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ " প্রস্তাব করা হইসিল। যখন দেখা গেল এটা নিয়ে কোন দেশের মাথা ব্যথা নাই , তখনই বঙ্গবন্ধুর নাম প্রস্তাব করা হইল।



"শেষ প্রশ্নটা করি, সব খেলাতেই বাংলাদেশ হারের মাঝে পজিটিভ কিছু খুঁজে পায় । তোমার কি মনে হয় , আজকের পজিটিভ আউটপুট টা কি ?"



"অনেএএএএক , জাস্ট কল্পনা করেন , আমরা ফাইনালে চলে গেছি আউল ফাউল ফুটবল খেলেই। তারপর মালদ্বীপের সামনে ............ চিন্তা করতেই কাঁপন দিয়ে জ্বর আসে । শ্রীলংকাকে দিল ৫ টা , আফগানিস্তান আর ভারতকে দিল নাকানি চুবানি । আমাদের নিয়ে কি পৈশাচিক আনন্দেই না মেতে উঠত। ৩ লাখ মানুষের দেশের কাছে ১৬ কোটি মানুষের ১৩ ডিসেম্বরের সেই ধাক্কাটা সহ্য করা অনেক বেশি কঠিন হত । "



সিরাজির সাথে হাত মিলিয়ে দ্রুত অফিসে যাবার প্রস্তুতি নেয় আরিফ ।



একবার ডিডোর কথা মনে পড়ে , তারপর মনে পড়ে বাদল রায় , আসলামদের নির্লজ্জ হাসিমুখগুলো । দেশের ফুটবল ইতিহাসের শেষ কথাটা মনে হয় বলেই গেছেন ডিডো ............ "এই দেশে ফুটবল নিয়ে কেউ ভাবে না, কেউ না"



মন্তব্য ১২৭ টি রেটিং +৬৬/-০

মন্তব্য (১২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২

আরিফ সিদ্দিকি বলেছেন: ভালো লেখছেন।তই অনেক লেখায় বিরক্ত.......

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৫

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ । বিরক্ত করার জন্য খানিক sorry , আসলে খেলা দেখে মন খুব খারাপ হয়েছিল ।

২| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৯

সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন: পয়লা কমেন্ট করতে গিয়া দেখলাম পোস্ট ড্রাফটে.....
মনে হইল....রজনী বোধ হয় তার হাত সামুতে ঢুকাইয়া ফেলসে:):)

যাক....মনে হয় না.....তয়.....এইটা ঠিক.....মালদ্বীপরে এড়াইবার লাইগাই আইজ বাংলাদেশ হারসে......মালদ্বীপের লগে ফাইনাল হইলে কি হইতো ভাবলে আমারো গায়ে কাঁপন চইলা আসে:):)

সেমিতে যে উঠসে সেই জইন্য আমাদের আসলে তাগো একটা সম্বর্ধনা দিতে হইব......জয়তু বাংলাদেশ ফুটবল টীম

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৮

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অভিজ্ঞতার ভারে ন্যুজ হয়ে যাওয়া মহান সেনানী রজনী কান্ত বর্মন মাইন্ড করলে তো অবশ্যই পোস্ট ড্রাফট করা উচিত হবে । তবে , সে এসব বুঝে না বলেই মনে হয় , তাই হয়ত বেঁচে যাব :)

ব্যাপারটা কিন্তু খারাপ বলেননাই ।গতবার ৭ম , এবার সেমি ফাইনাল । কেউ কেন বোঝে না যে এটা বিশাআআআআললল একটা অ্যাচিভমেন্ট !!

৩| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৯

বকুল০৮ বলেছেন: ডিডোর ফর্মুলাতেই তরূন ভারতীয় দল জয় তুলে নিল, বাংলাদেশী বুড়ো প্লেয়ারদের বুড়ো আংগুল দেখিয়ে! ডিডো এখন কি ভাবছে অনায়াসে বলে দেয়া যায়! হয়তো মাথামোটা বাফুফের অতি দেশপ্রেমিক হর্তাকর্তাদের দূর থেকে কাঁচকলা দেখাচ্ছেন!

আশ্চর্য লাগে ভাবতে, যাদের করের টাকায় এইসব মাথামোটা নির্লজ্জ্ব কর্মকর্তা ও উশৃঙ্খল খেলোয়াড় পোষা হয়, সেই সাধারন জনগনের কি এতটুকু অধিকার আছে জানার - দেশের মাটিতে বাংলাদেশের এহেন বাজে পার্ফরম্যান্সের একটি সৎ তদন্ত রিপোর্ট?
সেই সব কালপ্রিটের নাম জানা, যারা দেশপ্রেমের ধুঁয়া তোলে খেলার মান বৃদ্ধি না করে শুধু কোচের পিছনে লেগে থেকেই তাদের মহান দায়িত্ব পালন করে?
বাফুফের পরবর্তী কার্যকলাপের দিকে তাকিয়ে রইলাম...

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৯

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: বাংলাদেশের পরাজয়ে অনেক কষ্ট পেলেও একটাই পজিটিভ দিক খুঁজে পাই ---- ডিডোর কথাগুলো সত্য প্রমাণিত হল । দেশের ১৬ কোটি মানুষ জানে কি করলে ফুটবলে সম্মানটা অন্তত রাখা সম্ভব , বোঝেন না শুধু আমাদের বখে যাওয়া কর্মকর্তা , বাদল রায় গং রা , আর তার সাথের প্রাক্তন কিছু ফুটবলার , যারা ফুটবলকে নিজেদের বাপ দাদার সম্পত্তি মনে করেন ।

ক্লাবগুলোর কিচ্ছু যায় আসে না , তারা তাদের নিজেদেরকে নিয়েই ব্যস্ত । ডিডোকে যেদিন বিদায় করা হল , সেদিনই বন্ধুদের বলেছিলাম , এটাই বাংলাদেশের সম্ভাবনার চূড়ান্ত মৃত্যু-ঘন্টা । কথাটা মিথ্যে হয়নি । নতুন খেলোয়াড়দের বার্তা দেয়া হল ...... ইচ্ছেমত কোচের সাথে বেয়াদবি কর , কেউ তোমাদের ছুঁতে পারবে না , যদি কর্মকর্তারা তোমার সাথে থাকে ।

পরবর্তী কোচদের সিগনাল দিয়ে হল ...... সুযোগ সুবিধা চেয়ে বসা যাবে না , স্বাধীন হওয়ার চেষ্টা করা যাবে না , পোষা প্রাণীর মত যদি থাকতে পার , তবেই কিছুদিন চাকরি টিকে যাবে ।

বাফুফের পরবর্তী কার্যকলাপে একটুও আশা দেখি না । সালাউদ্দিনের সময়েই এমন কলংকজনক ঘটনা ঘটে গেছে যখন , কি করে আর আশা দেখি ?

৪| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৫

জনৈক আরাফাত বলেছেন: আরেকটা মাস্টারপিস, মেহরাব!
=p~ =p~ =p~ =p~ =p~
---------------------------------

একনম্বর মন্তব্যই এখন ব্লগের চলতি ধারা। আফসোস! :|

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪০

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকু আরাফাত ভাই :)

ব্যাপার না :)
ব্লগে ইদানিং এত কম আসি , তাই ধারাটা বুঝি নাই :(

৫| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: একদম পারফেক্ট মেহরাবীয় রম্য। খোঁচাগুলা চরম হৈছে কিছু কিছু জায়গায়। এইটা পত্রিকায় ছাপানো উচিত। সিরিয়াস।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৩

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আলু ব্লগে এটা দেয়ার কথা ভাবছি , ফাঁসি দিতে পারে হয়ত :)

অনেক ধন্যবাদ হাসান মাহবুব ভাই

৬| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৩

ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: ভালৈ দিলেন...

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৫

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ , আপনি দিলে আরও ভাল হত :)
আপনার খোঁচাগুলো অনেক শার্প হয়

৭| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৪

বকুল০৮ বলেছেন: বলতে ভুলে গেছিলাম.... পোস্ট টা সেইরকম হইছে!
প্রিয়তে রাখলাম।
বাফুফের নির্লজ্জ ধুরন্ধরগুলা আর বুইড়া বিদ্রোহী গুলারে যদি এই পোস্টটা পড়াইতে পারতাম!

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৮

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আরেকবার ধন্যবাদ , বুইড়াগুলোর লাজ-লজ্জা নেই । লাজ-লজ্জার যে হরমোন সেটা মনে হয় অপারেশন করে ফেলে দেয়া হয় বাফুফেতে

৮| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৯

আসফাকুল আমিন বলেছেন: বহুত দিন পর আজকে বাংলাদেশের খেলা দেখতে বসছিলাম । আর মনে হয় খেলা দেখা হবে না । বাংলাদেশের খেলা দেখলে মাথায় চাপ পড়ে :( ৫ গজি সিম্পল পাস রিসিভ করতে শিখে নাই। হায় বাংলাদেশের ফুটবলের এত খারাপ অবস্থা তা তো জানতাম না । /:)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১২

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: বারবার নিজের কাছে করা প্রতিজ্ঞা ভেঙ্গে খেলা দেখতে বসে যাই । আজ ভেবেছিলাম , ভীষণ টেনশন হবে , মোটেও হল না , একদম শান্ত হয়ে খেলা দেখে গেলাম , একটা বার বাংলাদেশ গোলে কোন আক্রমণ করতে পারল না , যেটা দেখে হার্টবিট একটু কম বেশি হবে ।

একটা দল এত বেশি খারাপ কিভাবে খেলে , সেই প্রশ্নটা মাথা থেকে যাচ্ছে না

৯| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৭

কাঠের খাঁচা বলেছেন: হাসতে হাসতে শ্যাষ

আমারে থামা তোরা কেউ.......

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১২

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: :)

১০| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৬

শ।মসীর বলেছেন: জটিলললললললললললললললললললল


১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৩

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ

১১| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৪

দেয়াল বলেছেন: প্লাস

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৬

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

১২| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪০

মইন বলেছেন: ভাই বুঝলেন না, বাংলাদেশী খেলোয়াররা ঋণ পরিশোধ করলো আরেকবার। ৭১-এ ভারতীয়রা যেই ঋণ চাপাইয়া গেছে, তা কি আমরা সারা জীবন কান্ধে চাপাইয়া রাখমু? তাই, বাংলাদেশী খেলোয়াররা একটু ফেভার করলো আরকি।

!!!!!!!!!! আর কিছু কইতে লাগবো?

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৯

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সেইভাবে না হয় না বলি , বাংলাদেশের এই বুইড়াগুলো এতই অথর্ব যে এদের নিজের থেকে কিছু করার বিন্দুমাত্র ক্ষমতা নাই , হারতে বললেও এর হারতে পারবে না ঠিকমত । সেই প্লেয়াররা আবার ফেভার করে বললে তো ...... :)

যাক , রাত যত বাড়ছে আমি খুশি হচ্ছি । ইন্ডিয়া কেন অনূর্ধ্ব ২৩ টিম পাঠিয়ে সাফকে কাঁচকলা দেখাল , সেটা নিয়ে ক্ষোভ ছিল মনে । তাও পিওর অনূর্ধ্ব ২৩ না , ১৯ মেশানো ভেজাল ২৩ । যাক , এখন নির্লজ্জ বাদলদের দেখি কেমন প্রতিক্রিয়া হয় ।

হেলাল নামের একজনের একটু প্রতিক্রিয়া হয়েছে দেখলাম ... সে বলছে "এটাই আমাদের স্ট্যান্ডার্ড" । কথাটা পুরোপুরি ভালও লাগেনি । স্ট্যান্ডার্ড সেট করে দিয়ে এখন চুপচাপ ভেগে যাওয়ার ধান্দা কেন ? ডিডো যখন স্ট্যান্ডার্ডে পরিবর্তন করার আস্পর্ধা দেখিয়েছিলেন , তখন তো কর্মকর্তারা ডিডোকে দোররা মারতে ঠিকই ছুটে গিয়েছিলেন

১৩| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪০

ফারহান দাউদ বলেছেন: পরিণতি জানাই ছিল, কপাল ভাল এক গোলের উপর দিয়ে পার হয়ে গেছে, মালদ্বীপের সাথে পড়লে কম হইলেও এক হালি খাইতো। এইসব রজনী টাইপ খেলোয়াররা প্রমাণিত লুজার, এরা তো এত জীবন হাইরাই আসছে, ডিডো সেইটা বুঝেও খানিক মানুষ করার চেষ্টা করসিলো, কিন্তু প্র্যাকটিস করতে অস্বীকার করলে বিশ্বের সেরা ফুটবলারও দল থেকে বাদ যায়, কিন্তু রজনীর মত খচ্চরগুলি উল্টা কোচরেই বিদায় করে। এই না হইলে আর দুর্নীতিতে দুনিয়ার এক নম্বর আমরা?
লেখা ভাল হইসে কিন্তু মন্তব্য করার মুড নাই, তোমার ধৈর্য্য আছে, পুরা খেলা দেখসো, এইগুলারে ঘোড়ার চাবুক দিয়া চাবকাইলে যদি খানিক শিক্ষা হয়।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৮

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এক গোলের ডিফারেন্সটা আসলেই আজকের ম্যাচের চরম ভুল ইন্ডিকেশন । আমিনুল সেভ না করলে ম্যাচটা ৪-০ বা ৫-০ হতে পারত । তারপরও ইন্ডিয়া সেরকম ভাল কিছু খেলে নাই , তবে সত্যিই কথা বলতে কি , আমি অনেক অনেক অনেক বছর পর এত বাজে খেলা খেলতে দেখলাম কোন টিমকে ।

মোহাম্মদ বিন হাম্মামকে বারবার ঢাকায় ডেকে এনেও লজ্জা পায়না বাংলাদেশ ? ডিডোর বিদায়ের পর ফেডারেশনে বিদ্রোহী খেলোয়াড়দের হাসিমুখে ছবি দেখেছিলাম , চাবকে পিঠের চামড়া তুলে ফেলা উচিত এইগুলোর । রজনীকান্ত আর বিপ্লবের ভাষ্য কি ? বিপ্লব তো খুব বলছিল , "আমিনুল কোচকে তোয়াজ করে চলে" । আর ব্যাটা বুঝলাম , তোরা কোচকে তোয়াজ করিস না , সান্টোসে খেলা এত ভাল কোচকে ল্যাং মারিস , কিন্তু ১৯ বছর বয়েসীরা যখন তোদের ল্যাং মারে , তখন লজ্জা হয় না ?

শান্টুর সাংবাদিক সম্মেলনের কথা শুনেও অবাক হলাম । ভারত নাকি মাত্র ১ টা চান্স পাইসে , আমি নিজেই তো অন্তত ৪ টা পরিস্কার সেভ দেখলাম। কে জানে , সবার হয়ত চোখ খারাপ , সবাই তো গরুর মত ঘাস খায় না । ১ টাও যদি পায় , তবুও বলতাম , তোরা ১টাও পাইলি না কেন ?

হু , আমার আসলেই ধৈর্য আছে , সাফ ফুটবলের ৬ টা ম্যাচ দেখে ফেললাম । বারবার ভাবি , আর দেখব না , ডিডোকে তাড়িয়ে দেয়ার পর ভেবেছিলাম , আর কোনদিন বাংলাদেশকে সাপোর্ট করব না , ঠিকই আবার বুকে আশা নিয়ে বসেছিলাম । কে জানে , এইরকম কত কোটি মানুষকে কাঁচকলা দেখাল রজনীরা

১৪| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৪

এস আই সাব্বির বলেছেন: বুইড়া আঙ্গুল উপরে

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৯

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ

১৫| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৮

লিটল হামা বলেছেন: ইহা আলু ব্লগে দেয়া হৌক।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২০

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অবশ্যই দেয়া হবে :)

১৬| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৪

কাঠের খাঁচা বলেছেন: দীপ আহসান বলেছেন: ইহা আলু ব্লগে দেয়া হৌক।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২২

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: Click This Link

দেয়া হল

১৭| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২২

এরশাদ বাদশা বলেছেন: চমৎকার বললে কম বলা হবে।
চোখে ছানি পড়ে যাবার দশা হয়েছে দেশের মানুষের এইসব বুইড়া-হাবড়াদের দলে খেলতে দেখতে দেখতে আর হারতে। কি আনতাছে এইগুলা দেশের জন্য। যেকোনো গেমের জন্য ডিসিপ্লিন অনেক জরুরী। আমি সিনিয়র এই জন্য আমি কোচের নির্দেশ উপেক্ষা করতে পারি, আমার টিকিটিও নাড়াতে পারবেনা কেউ। এমন মনোভাব পোষন করায় ডিডোর দল থেকে বাদ পড়েছিলো ওই বুইড়ারা। তরুনদের সুযোগ দিতে চেয়েছিলো সে। কিন্তু কর্মকর্তাদের আশীর্বাদপুষ্ট সেইসব বুইড়াদের বিজয়ী দৃষ্টির সম্মুখেই চলে যেতে হলো তাকে। যে দেশ ডিসিপ্লিন বোঝেনা, সেই দেশ ফুটবল কি বুঝবে?

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৮

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এই দেশে কিছু হবে না এরশাদ বাদশা ভাই । ফুটবলের সাথে দেশের অন্যান্য সেক্টরের কোন পার্থক্য তো দেখি না । ফুটবলে চরম স্বেচ্ছাচার বাসে বেঁধেছিল , ডিডো সেটা দূর করার জন্য সাহসী পদক্ষেপ নিলেন । স্বেচ্ছাচারীরা অল্প কিছুদিনের জন্য বিপদে ছিলেন , তারপর সময়মত ছোবল মারলেন । অভিযোগ ..... "ডিডো চ্যাম্পিয়ন টিম বানাতে পারেননি" ।

ডিডোরা বাংলাদেশে ঐ একবারই আসবে । মানী লোকেরা ইচ্ছে করে মান খোয়াতে আসে না । দুদকের চেয়ারম্যান হাসান মাশহুদের কথাও চিন্তা করেন , এখন দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্তরা সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বসে হাসান মাশহুদের বিরাট দুর্নীতির খসড়া করে । এই না হলে বাংলাদেশ !!

১৮| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

মনজুরুল হক বলেছেন:

"-----"ছোটবেলা থেকে ভাত খেয়ে বড় হইসি সবাই , আমরা ভেতো জাতি , ডিডো আমাদের ভাত খাওয়ার অধিকার কেড়ে নিসিল । একবেলা শুধু ভাত , তাও লিমিটেড ।সব এনার্জি ডায়েট, ব্যালেন্সড দিত , আল্লাহ মালুম । সে থাকলে এবার কি কুরবানীর মাংস কপালে জুটত কারও ?তরকারীও দিত না ব্যাটা , কি সব স্যুপ টুপ খাওয়াইত । এসব হল হার্মাদদের খাবার । হার্মাদদের চেনেন তো ? পর্তুগীজ ...... ব্রাজিলিয়ানদের পূর্ব পুরুষ তো ঐ হার্মাদ পর্তুগীজরাই "

এই প্যারাটা পড়ে হাসি থামানোই মুশ্কিল হলো। আর শেষে ডিডোর কথা................
"এই দেশে কেউ ফুটবল বোঝে না , কেউ না"

এই কথাটা একবার উট- পাল কে শোনাতে চাই সামনা সামনি।

গ্রেট স্যাটায়ার।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মনজুরুল ভাই ,

আজ পত্রিকায় পড়লাম , কোচ শান্টু বিরতির সময় খেলোয়াড়দের বলেছেন .... ভাল খেলো , বল দেয়া নেয়া কর , সামনে বল দাও !!!

শান্টু তো আমার কল্পনার জগতকেও হার মানালো । এই কথাগুলো বলার জন্য আমার পাঁচ বছর বয়েসি কাজিনকে নিয়োগ দিতে চাই , সে কোন টাকা নেবে না , খেলোয়াড়দের শুধু বলবে ..... "ভাল খেলো , ভাল খেলো"

কাউকে শুনিয়ে আর লাভ নেই , কৃত্রিম অক্সিজেন দিয়ে কয় জন ই বা আর ফিরে আসে ? বাংলাদেশের ফুটবল ক্লিনিকালি ডেড

কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে

১৯| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৬

রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: ইনক্রেডিবল মেহরাব, ইনক্রেডিবল!

অসাধারণ স্যাটায়ার!

এই লেখাটাই পত্রিকায় প্রকাশ করা দরকার।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এইসব কথা ছাপানোর পত্রিকা মনে হয় পাওয়া যাবে না । দেখেন না , একটুও সাহিত্য নাই , টেকনিকাল প্যাচ-ঘোচ নাই । আমার ঘাড়ে অনেক মাথা যদিও :)

আলু ব্লগে লেখাটা দিয়েছি , তবে লোকজন বিশেষ একটা পড়েনি । আলু ব্লগের লোকজন খেলা নিয়েও তেমন চিন্তিত দেখলাম না

২০| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১২

হোরাস্‌ বলেছেন: দারুণ লেখা। বাংলাদেশের ফুটবল খেলার উপর আগ্রহ হারিয়েছি বহুদিন আগে এই মাথামোটা কর্মকর্তা, কোচ, এবং খেলোয়ারদের জন্যেই।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেকবারই ভেবেছিলাম এই শেষ , ঝামেলা হল কেবল ডিডোর জন্য । ডিডো স্বপ্ন দেখাল , চলে যাবার পরেও স্বপ্নের রেশটা খানিক রয়ে গেল । সে রেশের রাশ টেনে ধরতে পারলাম না , ফলাফলে বড় একটা ধাক্কা খেতে হল

২১| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৪

tukunxill বলেছেন: heil Mehrab Sharirar! B-)

ইনক্রেডিবল মেহরাব, ইনক্রেডিবল!

অসাধারণ স্যাটায়ার!

এই লেখাটাই পত্রিকায় প্রকাশ করা দরকার।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে tukunxill :)

২২| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৫

তায়েফ আহমাদ বলেছেন:
একেবারেই অন্য রকম! অনেকক্ষন ধরে ভাবছি কী মন্তব্য করা যায়?
:#)
খেলাটা দেখিনি। কিন্তু, আপনার লেখায় পুরো খেলাটার একটা নিঁখুত চিত্র ভেসে উঠলো।
পড়ছিলাম, মজা পাচ্ছিলাম কিন্তু, সাথে সাথে একটা বিষন্নতায় আচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছিলাম।
বাদল রায় গংদের হাত হতে কবে এদেশের ফুটবল মুক্তি পাবে? এরা তো এই খেলাটাকে নিজেদের বাপের সম্পত্তি মনে করে! X(

শৃংখলাভঙ্গকারী যত বড় খেলোয়াড়ই হোক না কেন, তাকে কখনোই প্রশ্রয় দেয়া উচিৎ নয়- এ ফলাফল আমাদেরকে আরো একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ১ বেলা প্র্যাকটিস ফাঁকি দিলে রোনাল্দিনিয়ো , ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকেও একাদশের বাইরে বেঞ্চে বসে থাকতে হয় । কোচের সাথে ঝামেলা করলে ম্যান ইউ এর প্রাণভোমরা বেকহ্যামকেও টিম ছাড়তে বাধ্য হতে হয় । সবাই দেখে যাক , বিশ্বে একটা দেশ আছে , যেই দেশের কোচ , খেলোয়াড়দের সাথে বেয়াদবি করলে লাথি মেরে কোচকে বের করে দেয়া হয় ।

সাবাশ বাংলাদেশের দেশপ্রেমী বুইড়া ভাম খেলোয়াড় , ম্যানেজমেন্ট

২৩| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৮

সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার বলেছেন: এত বড় লেখা পড়ার ধৈর্য্য নাই।একটু সামারি করে দেয়া যায়না!!!;) B-)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ডিডোর কথাটাই এই লেখার সামারি :

""এই দেশে ফুটবল নিয়ে কেউ ভাবে না, কেউ না""

২৪| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০২

মানু্ষ বলেছেন: অসাধারণ লেখা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

হাশতে হাসতে --- শেষ!!! ---- এৎোবড়ো লেখা এক পলকেই পড়লাম!

আরো ভালো লেখা চাই।

ধন্যবাদ ভাই

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: কৃতজ্ঞতা । ক্ষুদ্ধ হয়ে লিখতে বসেছিলাম , এখন রাগ চলে গেছে , রাগ করে লাভ নাই , সব কিছু নষ্টদের অধিকারে চলে গেছে

২৫| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৬

এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: দেশের সবটাতেই পচন ধরছে ,কয় জায়গায় আর মলম দিবেন ।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটির ১৭ জন যে ক্ষত হয়ে আছে , অন্তত সেটা কেটে ফেললেও একটা অঙ্গ বাঁচানো যেত দেশের । ক্যান্সার ছড়িয়ে গেছে এখন সব জায়গায় । রাজনীতি , সমাজনীতি , ক্রীড়াঙ্গন .... কোথায় বাংলাদেশের ছাপ নেই ?

মলম দেয়ার কথা আর তাই ভাবি না , এভাবেই পচে যাক সবকিছু

২৬| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৬

রাজর্ষী বলেছেন: জটিল হইসে । +++++

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২৭| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৫

ডিজিটাল কলম বলেছেন:
চরম হৈছে.........


**অফটপিক... নেলসন ম্যান্ডেলা ওয়ার্ল্ড কাপ,ভালোই তো শোনায়

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস

ম্যান্ডেলা অন্তত বাধা দিত । ম্যান্ডেলার নামে আলাদা কোন টুর্নামেন্ট হতে পারে , কিন্তু কোন প্রচলিত মহাদেশীয় বা আন্তমহাদেশীয় ইভেন্টের নাম এমন হয় না :(

২৮| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০৬

ধূসর মানচিত্র বলেছেন: সারা খেলায়তো মিডফিল্ডার কারো খেলা চোখে পড়ল না। জাতীয় টিমে মিডফিল্ডার থেকে আমাগো সময়ের স্কুল টিমের মিডফিল্ডাররাও ভাল পাশ এবং ড্রিবলিং কন্ট্রোল করতে পারত। বল কন্ট্রোলের কথা না হয় বাদ দিলাম।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: খেলা দেখার সময় অনেক কথার কথাই তো বলি .......... যেমন -- "ধুর , এই পাসটাও রিসিভ করতে পারল না ? এই হেডটাও ঠিকমত করতে পারল না" । সে কথাগুলো আসলেই কথার কথা , কারণ যে খেলা দেখছে , সে প্রকৃতপক্ষে নিজে কাজগুলো করে দেখাতে পারবে না (না দেখাতে পারাটা তার
কোন অপরাধ না যদিও , এটা দেখানোটা তার দায়িত্বের মাঝে পড়ে না)

কিন্তু , গতকাল যা ঘটল , সেখানে কথার কথাগুলো সত্যি হয়ে দেখা দিল। হলফ করে বলতে পারি , আমি নিজেও যদি মিডফিল্ডে থাকতাম , অন্তত দু'চারটা বলে টোকা দিয়ে সামনে পাঠাতে পারতাম । আমাদের পাঠাগুলো সেটাও পারেনি

২৯| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: টেলিভিশনের সংবাদ দেইখা ভাবছিলাম বাংলাদেশ ঐ খেলা ৫-০ গোলে জিততেছে!

কুটি কুটি শুকরিয়া ১-০ তে হারছে
৫-০ তে হারলেও অবাক হইতাম না!

যাই হোক সেমিতে উঠছে তাই অনেক বড় প্রাপ্তি:)যে দলের কোচ খেলার আগেই বাতিল হয় তাগো জন্য এই বেশি!
ইংলিশ লীগ দেখার পরে সাফের খেলা দেখলে মনে হয় পাড়ার মাঠের খেলা চলতাছে!

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৪

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমার মত পেসিমিস্টও চরম ডজ খেয়ে গেল । গতকাল এক ব্লগে কমেন্ট করেছিলাম , বাংলাদেশ ইন্ডিয়াকে চরম পেইন দিবে । পিচ্চি পোলাপাইনের ইন্ডিয়া টিমের নেপাল আর মালদ্বীপের বিরুদ্ধে খেলা দেখে এমন মনে হয়েছিল । আর কি থেকে কি হল ??

ইন্ডিয়া যথারীতি দুর্বল খেলাই খেলে গেছে , কিন্তু বাংলাদেশ খেলল ফাউলেস্ট খেলা । বাংলাদেশকে খেলতে না দেয়া , এতটুকু স্ট্রাটেজি ছিল ইন্ডিয়ার , ২০০ ভাগ সফল তারা ।

একটা কথা কিন্তু খারাপ বলেননি , বাংলাদেশের সেমিতে ওঠাটা সেলিব্রেট করা দরকার , স্বাগতিক দেশ হওয়ায় এত বড় অর্জন ।

পাড়ার মাঠের খেলা এর চেয়ে অনেক বেশি ভাল লাগে , একদম হাত দিয়ে ছোঁয়া যায় , এমন খেলোয়াড়কেও গতকাল ভুল পাস দেয়া হল , হেড করলে সেটা এসে পড়ল নিজের হেডেই ........ কি দেখলাম কে জানে , সার্কাসও অনেক মজার হয় , অনেক নিয়মমাফিক হয় । যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতার মাঝেও দারুণ একটা আর্ট আছে । আসলে বাংলাদেশ কি দেখাল ?

৩০| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

ঘাসফুল বলেছেন:
বুঙ্গাবুঙ্গা' র কথা মনে পর্তেছে বেশী বেশী...

অসাধারন লেখা...

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৬

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস ,

৩১| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

বৈদ্যুতিক আঘাত বলেছেন: চ্রম হৈছে!! :) :) :) ভাগ্য ভালো, সামুতে পেলাচ-মাইনাচ একটার বেশি দেওন যায় না। নৈলে আইজকা এই পুষ্টে এমন পেলাচ দিতাম যে সামু হ্যাং করত!! :> :D :D মানে সামুর সার্ভার ১০ দিনের জন্য পুরাই ডাউন মাইরা থাকতো।

স্যালুট হে ভ্রাতা!! :) :)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়ে মজা লাগল :)

আপনার যদি সত্যিই সেই ক্ষমতা থাকত , আরেকটা দাবী করতাম যেন তীব্র বৈদ্যুতিক আঘাত দিয়ে বাফুফে ভবনের পাঠাগুলোর মাথায় চিরতরে শর্টসার্কিট করে দেন

অনেক ধন্যবাদ

৩২| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭

সুবিদ্ বলেছেন: কি বলবো......আমি একেবারেই ভাষাহীন......মিথ্যাবাদী, আপোষকামী কর্তা আর বেয়াদপ খেলোয়াড় নিয়ে কি পাওয়ারই আছে আমাদের.....

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমি এরকম অবস্থায় বেশির ভাগ সময় ভাষাহীন থাকি । ডিডোকে যেদিন সরিয়ে দেয়া হল , সেদিন বারবার লিখতে গিয়েও কিছু লিখতে পারিনি , কিন্তু বারবার মনে হয়েছিল , আজ হোক কাল হোক ডিডোকে নিয়ে লিখতেই হবে ।

আজ ইচ্ছেমত বলেছি , হয়ত নিজের মনের ক্ষোভকে প্রশমিত করতেই । জানি যে এসবই অর্থহীন , বাফুফে কাল যদি বলে বসে বাংলাদেশ অসাধারণ নৈপুণ্য দিয়ে সবার মন জয় করেছে , তবুও বাংলাদেশের কারও সাধ্য নেই অবাক হওয়ার ।

অবাক হওয়ার ক্ষমতা সবাই হারিয়ে ফেলেছে

৩৩| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮

অলস ছেলে বলেছেন: নিদারুণ দারুণ।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকয়্যু ব্রাদার

৩৪| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩১

রোহান বলেছেন: এই দেশে কেউ ফুটবল বোঝে না , কেউ না :(

কাইলকা খুলনা থিকা আইসাই লাফ দিয়া টিভির সামনে বইছি... আমিনুলের তো অনেকগুলা ক্লিয়ার সেভ ছিলো, গোল তো তিন চারটা আমিনুলেই সেভাইছে.... হালায় বারান্দা টুপি ওলা আম্রিকান বাঙালী কোচে কয় কি?

কঠিন হইছে লেখাটা... উটপল রে এইডা পড়ানো উচিত... কারো আলু পেপারে রেজিষ্টার করা থাকলে বাংলাদেশের খেলার নিউজের কমেন্টে এইটার লিংক দিয়া আসেন...

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৪

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমার গত রাতে খুব পরিচিত একজনের আমন্ত্রণে বিয়ের দাওয়াত ছিল , আব্বু আম্মুর সাথে মোটামুটি ঝগড়া করে দাওয়াতে যাই নাই । আব্বু আম্মুকে একা যেতে হয়েছে । শুধু এই খেলা দেখব বলে .......

সান্টু হয়ত ভুলে গিয়েছিলেন খেলাটা সারাদেশের মানুষ দেখে ফেলেছে , নয়ত বিদেশ থেকে ফোন করা স্টাইলে কি করে বেফাঁস ১ টা মাত্র সুযোগের কথা বললেন ?

৩৫| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯

অন্যরকম বলেছেন: আলুতে দেখি এইটা বহাল তবিয়্যতেই আছে! :-*

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৭

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আলু ব্লগ , আলু পত্রিকা দুই জায়গাতেই বহাল তবিয়তে আছে :)

আলু মনে হচ্ছে একদিনের জন্য হলেও উপলব্ধি করতে পারছে , বাফুফে যদি ১ মিনিটর জন্যও করতে পারত !!

৩৬| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

নাজমুল আহমেদ বলেছেন: ক্রিকেটের পর ফুটবল নিয়েও দারুন একটা স্যাটায়ার পড়লাম মেহরাব ভাই। দারুন লেখছেন.......

পরথম আলু পত্রিকার Click This Link এই লিংকের মন্তব্যতে আপনের এই পুষ্ট লিংক সহ দেওয়া হয়েছে এখন মনে হয় মডারেশনে আছে।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমি তো ভাবছিলাম আলু আমার গর্দান নিবে :)

বহাল তবিয়তে লেখাটা প্রদর্শিত হচ্ছে ।

ধন্যবাদ নাজমুল আহমেদ

৩৭| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫

অদ্রোহ বলেছেন: মেলাদিন পর ব্লগে ঢুকলাম ,আসলে এই লেখা পড়ার পর লগইন না করাটা অপরাধ হয়ে যাবে ।

হিউমারগুলা সিম্পলি জোশ ,একদম ভিন্টেজ মেহরব ভাই ।

বাঙ্গলাদেশ দল নিয়ে বলার আর কিছু নাই,(অনেকটা রুচিতেও বাঁধে ) ,তবে এতকিছুর মাঝে খেলা দেখার পর জর্জ কোটানের একটা কথা মনে পড়ে গেল ,আমিনুল বাংলাদেশের সেরা খেলোয়াড়ই নয় ,এশিয়ান স্ট্যান্ডার্ডের কীপারও বটে ।এই পড়তি বয়সের আমিনুলকে দেখেও মনে হল ,কথাটা তিনি খুব একটা ভুল বলেননি।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২১

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমিনুলকে দেখে শ্রদ্ধা হয়েছে কাল , খেলাটা শেষ পর্যন্ত ভারত-আমিনুলই হল । কোটান/ডিডো দের উপর শ্রদ্ধাটা আরও বাড়ে যখন দেখি কোটানের সেই আমিনুলই শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে যান , বা ইনজুরড আমিনুলকে মাঠের বাইরে দেখেই ডিডো অগাধ আস্থা রাখেন তার উপর ।

আমাদের এই ব্লগে কর্তাব্যক্তিরা না পড়ুক , কিন্তু প্রথম আলো পত্রিকাও কি কেউ দেখেন না ? সেখানে ৫০ টা কমেন্টের সবগুলোতে একসুর , সেসব দেখেও মাথামোটারা শার্পনার দিয়ে মাথা চেঁছে ফেলার প্রয়োজন বোধ করে না ?

অফ-টপিক : লম্বা ছুটি কাটল , মুড কেমন ? পড়াশোনা মিস করছিলা নাকি ? ;)

৩৮| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩

সুবিদ্ বলেছেন: এই বঙ্গবন্ধু কাপ নামকরণের প্রস্তাবটা কার??? পরের টুর্নামেন্টেগুলোতেও কি এই নাম থাকবে??

তাহলে তো আরো হাস্যকর হবে যখন সরকার পরিবর্তনের পরে বাংলাদেশ থেকেই আবার প্রস্তাব তোলা হবে যে বঙ্গবন্ধু-র নামটা তুলে দেয়া হোক........

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫১

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সম্ভবত এটা বেক্সিমকো গ্রুপের কাজ । বেক্সিমকো গ্রুপ এই টুর্নামেন্টের অন্যতম প্রধান স্পন্সর । বেক্সিমকোর অন্যতম শীর্ষ পদে আছেন রাষ্ট্রপতি তনয় , যিনি নিজেও এখন এমপি । আর চামচা চাটুকার তেলবাজের অভাব তো নেই ই । এইসব লোকের কাছে দেশের জয়ের চেয়ে , বঙ্গবন্ধুর নাম নিয়ে ব্যবসাটাই আসল । নামকরণ করে কতজনের কত সুবিধা হয়ে গেল কে জানে ।

নাহ , পরের কোন টুর্নামেন্টে এই নাম থাকবে না । সার্কের যে দেশেই হোক , এত নিম্নশ্রেণীর তেলবাজ চাটুকারের অভাব আছে সে দেশে । তবে পরবর্তীবার বাংলাদেশে হলে সেটা "জিয়া স্মৃতি" হবে কিনা , সেটা শিওর হয়ে বলতে পারছি না । মোসাহেব রা তো বিরল নজির স্থাপন করেই গেছেন ...... সে পথ ধরে ........

৩৯| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩

রহমানরক্তিম বলেছেন: ডিডো শুধু ভাত বন্ধ করছিল.........হারামীদের সব খানাপিনা বন্ধ কইরা দিয়া মঈনের আলু খাওয়ান উচিত.........।

আমনারে অশেষ ধইন্যবইাদ........

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৩

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: :) , খারাপ বলেন নাই ।

আপনাকেও ধন্যবাদ

৪০| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৫

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
সকালেই মুখপুস্তিকায় পড়ে একচোট হাসলাম [দইন্য-বাদ; মেজাজ খুব বিলা আছিলো :( ]; এখন আরেকচোট।

কার জানি একটা কমেন্ট দ্যাখলাম, এদের শর্টস বাদ দিয়ে খেলতে নামিয়ে দিলেও আর প্রতিক্রিয়া হবে না , হা হা হা ঃ)

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৫

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হাহাহা , ঐটা ছিল মাশরুর ভাই (ব্লগার অন্যরকম) এর কমেন্ট । ওটা পড়ে আমি একবার দৃশটা কল্পনা করলাম , তারপর .......

হাহাপগে :)

৪১| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৭

জেড ইসলাম বলেছেন: মেহরাব, শুধুমাত্র আপনার লেখার প্রশংসা করার জন্য লগইন করলাম।
দারুন চমৎকার লেখা হয়েছে।
ডিডোকে সরিয়ে দেওয়ার পর শুয়োরের বাচ্চা বাদল রায়ের কমেন্ট শুনে মাথায় রক্ত চড়ে গিয়েছিল।
তবে আমি খুশি হয়েছি বাংলাদেশ হেরে যাওয়ায়।
ডিডোকে বহিস্কার করার পর আমরা কজনা নিচের এই পোস্টগুলো দিয়েছিলাম, দেখতে পারেন-
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: খুশি হলাম ।ডিডোর চলে যাবার আর বাদলের প্রলাপ বকার দিনে কিছু না কিছু লেখার প্রতিজ্ঞা ছিল , অনেক হতাশা থেকে আর কিছুই লিখিনি । যে লিংকগুলো দিয়েছেন সেগুলো দেখলাম , সবগুলোই তখন দেখেছি ।

ধন্যবাদ সে সময়কার পোস্টগুলোর জন্য । অন্য প্রায় সব ব্যাপারেই আমার দ্বিধাবিভক্ত থাকি । এই ইস্যুতে সবাই একাট্টা ছিল , কিন্তু দুর্ভাগ্য , সবার ইচ্ছেকে কাঁচকলা দেখিয়ে ১৭ জন লোক , সারা দেশকে জিম্মি করল ।

আজকের পত্রিকায় দেখলাম সালাউদ্দিন বলেছেন ৬/৭ টা খেলোয়াড় অচল । এত দেরিতে কেন ডিডোর কথাটিই শেষ পর্যন্ত উপলব্ধিতে আসল ?

৪২| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

মেহবুবা বলেছেন: মাঝখানে মনে হত ফুটবল যাদুঘরে শোভা পাবে , সেদিন একটু আশা উঁকি দিয়েছিল ।

শেষমেষ যা হবার তাই হল ।

পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ মেহরাব ।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ফুটবলের একটা সুনাম ছিল , সেই সুনামের জের ধরেই সেটাকে জাদুঘরে রাখার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েও গিয়েছিল । সালাউদ্দিন এসে নতুন জীবনের প্রতিশ্রুতি দিলেন ।

এখন তো পচে গন্ধ ছড়িয়েছে , জাদুঘরেও যে এখন এ পচে যাওয়া জিনিস শোভা পায় না :(

অনেক ধন্যবাদ মেহবুবা আপু

অফটপিক : হঠাৎ করেই খেয়াল করলাম , আপনি ছাড়া পোস্টে কমেন্ট করা সবাই ছেলে , ঝড়টা শুধু ছেলেদের উপর দিয়ে গেল বলে খানিক ঈর্ষা হল । আরেকবার ধন্যবাদ আপু কমেন্টের জন্য

৪৩| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২১

আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: কঠিন!

অনেক দিন পর পড়লাম আরেকটা ক্লাসিক লেখা :) ++

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: :)

কল্পকাহিনী পড়লাম , ভাল্লাগসে

৪৪| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৯

জেড ইসলাম বলেছেন: বাংলাদেশের খেলুরেদের খেলা দেখে ছোট বেলার কথা মনে পরে গেল।
সেই কালে ধান ক্ষেতে লুঙ্গি কাছা দিয়ে এমন খেলাই খেলতাম আমরা।
আহা কিযে খেললো বাদল রায়ের খেলোয়াররা !!!

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধানক্ষেতে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ হলে বাংলাদেশের চান্স ছিল হালকা , কি বলেন ?

তবে দেখা যেত ২/১ টা আসর পরেই অন্যরা শিরোপো নিয়ে যাচ্ছে

৪৫| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৬

সিউল রায়হান বলেছেন: আর এনামুল ভাই সকাল পর্যন্ত ঠিকই ছিল , সকালে আলু পত্রিকায় যখন দেখল তার নাম দুঙ্গা , আর সেই দুঙ্গার দিকে তাকিয়ে আছে সারা দেশ , তখন থেকেই সে শেষ । আর যাই হোক , গন্ডায় গন্ডায় গোল দিলে , সেই খেলোয়াড় তো দুঙ্গা হতে পারবে না, সে হবে ফ্যাবিয়ানো , নিদেনপক্ষে লিওনার্দো । কাজেই দুঙ্গার কাজ দুঙ্গা করসে

ভাইয়া পুরা উড়ায় দিলেন তো :) :) অসাধারন বললেও খুবই খুবই কম বলা হয়...... চরমের উপরে চরম হইসে..... B-) B-)

নিজের দেশের এই দুরবস্থা দেখে ব্যথিত.... আরো যে কতকাল ই.পি.এল,চ্যাম্পিয়নস লিগ,ওয়ার্ল্ডকাপ এগুলো দেখে চোখ ভরানো লাগবে সেটা আল্লাহই জানে..... নিজের দেশের ফুটবল মনে হয় আর জাতে উঠবে না :(

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চিরকাল দেখতে হবে ইপিএল , লা লিগা

মন্দ না , মনের উপর জোর খাটানোর চেয়ে ঐসব দেখে মন ভরানোই বেটার :)

৪৬| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬

শিবলী বলেছেন: কবেলা শুধু ভাত , তাও লিমিটেড ।সব এনার্জি ডায়েট, ব্যালেন্সড ডায়েট দিত , আল্লাহ মালুম । সে থাকলে এবার কি কুরবানীর মাংস কপালে জুটত কারও ?তরকারীও দিত না ব্যাটা , কি সব স্যুপ টুপ খাওয়াই...


সেইটাই মূল কারন মনে হয় :(
আপনার আবারো সেই ক্লাসিক লেখা,। ফুটবল ভার্সন টাও ভাল লাগল।
খালি বাফুফেরে যদি বুঝানো যাইত- দেশবাসি কোনটা সুযোগ আর সেইভ সটা বুঝে।
ডিডো কে খেদিয়ে বাংলাদেশ তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে- এটা তো আমাদের করতেই হবে...।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৭

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: লেখাটা খেলোয়াড়দের কারও কাছে যাবে কিনা , বা বাফুফের কারও কাছে যাবে কিনা জানি না , তবে আলুর সুমনদের চোখে পড়েছে । একজন মেসেজ দিয়েছিল ;)

বাংলাদেশের কৃষ্টির ভিতর মনে হয় কোচ তাড়ানো ইনক্লুড হয়ে গেল , কি বলেন ?

৪৭| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪২

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হা হাহা

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৮

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: :)

৪৮| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

সহেলী বলেছেন: লিখেছো বেশ ।
ফুটবল তো একটা বলই কতজনের ইচ্ছের পায়ে পায়ে ঘুরছে ।
সাথে ডিডো কাহিনী , ড্যাডি কাহিনী !

হাসিনি কিন্তু !

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: না হেসে জিতে গেলে , আমিও কিন্তু হাসিনি এক চিমটিও

কিন্তু ড্যাডি কাহিনী শুনে হাসলাম ...:)

খুশি হলাম

৪৯| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৮

আবু সালেহ বলেছেন: অর্ধেক শেষ করছি....ভালোই চলছে.... ;)

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সেকেন্ড হাফের রেজাল্ট কি সালেহ ভাই ?

ফার্স্ট হাফে দম ছিল , সেকেন্ড হাফে কি ফুরিয়ে গেল শান্টুর দলের মত ?

৫০| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৮

কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার রম্য। এমনটাই আশা করেছিলাম। পড়ে খুব ভাল লাগলো। নিজের দেশের খেলার মান নিয়ে কি আর বলবো- আমাদের মুখে মানকচু ধরিয়ে তারা নিজেরাই এখন নিজেদের পশ্চাৎদেশ চুলকাতে ব্যস্ত। জুনিয়র দাদাদের তেলেসমাতি ভেল্কিতে তারা নিজেদের কল্কি আর সামলাতে পারেনি। এখন সবার চোখ কান দিয়ে ধোঁয়া উঠছে।

এই পোস্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আপনার পোস্টে যখন কমেন্ট করলাম , আপনি বললেন ফুটবল নিয়ে কিছু লিখতে । ভাবতেও পারিনি , সত্যিই সত্যিই কী-বোর্ডে বসতে হবে ।

আপনার ছোট করে লেখা কমেন্টের কথাগুলো খুব উপভোগ করলাম ।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।

৫১| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩

সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: মৌরিতানিয়ার ফুটবল টিম বাংলাদেশ টিমের চে ভালো খেলেনা ?


১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: উইকিপিডিয়া তে দেখলাম , ওদের অবস্থা তো দেখি আমাদের চেয়েও করুণ ।

আমাদের ranking ১৬৫ , ওদের ১৬৯

তবে , খেলা হলে ওরাই জিতবে , বলে দিলাম ।

অফটপিক : ওরা যদি জানত , আমরা ওদের ফুটবল নিয়ে গবেষণা করেছি , ধন্য হত

৫২| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: এমনটাই আসলে সবার মনের কথা। আমার তাই মনে হয়।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৭

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সবার মনের কথা , সবাই জানে । কিন্তু জেনে শুনেও না জানার ভান করা ছাড়া আর উপায় কি ? :(

কেমন আছেন ?

৫৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

পারভেজ বলেছেন: কঠিন ক্লাসিক লেখা :)
+++++++++++++++++++++++++++

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৯

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই

৫৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

অপরিচিত_আবির বলেছেন: বস লেখা হইছে মেহরাব ভাই, এবং আসলেই এটা আরো মানুষের পড়া দরকার। বিশেষ করে যেসব 'ফুটবলবোদ্ধা' কর্মকর্তারা বছর বছর পেষাক বদলানোর মতো করে কোচ বদলান তাদের জন্য।

৩-১ এর প্রেসারের জন্য লেখাটা আরো আগে পড়া হয় নাই বলে ব্যাপক দুঃখিত। অনেক দিন পর আবারো সামুতে ভালো লেখা পাওয়া গেল।

৫৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

রাজিয়েল বলেছেন: "রজনী এমিলি ভাইরা দুপুরে ভাত খাওয়ার পর ভাত-ঘুম দিতে পছন্দ করেন ।ডিডোর সাফ কথা বিকেলে ঘুম বন্ধ ,রানিং-স্ট্রেচিং চলবে । কাঁহাতক আর সহ্য করা যায়?

"ছোটবেলা থেকে ভাত খেয়ে বড় হইসি সবাই , আমরা ভেতো জাতি , ডিডো আমাদের ভাত খাওয়ার অধিকার কেড়ে নিসিল । একবেলা শুধু ভাত , তাও লিমিটেড ।সব এনার্জি ডায়েট, ব্যালেন্সড ডায়েট দিত , আল্লাহ মালুম । সে থাকলে এবার কি কুরবানীর মাংস কপালে জুটত কারও ?তরকারীও দিত না ব্যাটা"


=p~ =p~ =p~ =p~ =p~


এইসব লেখা পড়লে বোঝা যায় কত মাল মাল পাবলিক আসে দেশে। বাংগালীরে নিয়ে বাংগালীর চেয়ে বেশি মজা লইতে আর কেউ পারে না! কুক্কুর লেখা! প্লাস এবং প্রিয়!

৫৬| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: জটিল একটা রম্য পড়লাম।

তবে ফুটবল দলের অবস্থা থেকে মনে হয় - ঘটনা সত্য হলেও হতে পারে।

৫৭| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫

আমি পালোয়ান বলেছেন: লেখাটা জটিল হইছে। আলুতে দিয়েছেন নাকি? ব্যান ট্যান করে নাই তো? ওদের তো স্বভাব খারাপ, নিজেদের নামে উল্টা পাল্টা কিছু হলেই ব্যান।
আসলেই জোসসসসসসসসস।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০০

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ,
হু , আলুতেও দিয়েছি , বহাল তবিয়তে আছে , ব্যান ট্যান তো করল না

৫৮| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪

আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: কড়া রম্য!

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস :)

৫৯| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২৮

শফিউল আলম ইমন বলেছেন: হা হা হা....তোমার রম্য লেখা অসাধারণ হয়। বেশ ভালো লাগছে। 'জাহেদ' কোনটা? জাহেদ পারভেজ, ফর্সা করে ছেলেটা? আমার স্কুল ফ্রেন্ড। স্কুলে থাকতে সেরা স্ট্রাইকার ছিলো শালা। পরে পড়েলেখাও করে নাই।:)

অনকদিন পরে এদিকে আসলাম। ভালো তো?

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক দিন পর !!

হু , তোমার দোস্ত জাহেদের কথাই বলতেসি , হেহে
এখন সে মিডফিল্ডার

আছি ভালই , দেশে আসলে কিন্তু অবশ্যই আওয়াজ দিও

৬০| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১০

রোবোট বলেছেন: আলাপেই বলেছি লেখাটা ভালো হয়েছে। আশা করি ভারতে বিশ্বকাপ ক্রিকেট হলে সেটার নাম "দিব্য ভারতী বিশ্বকাপ ক্রিকেট" বা এ্যামেরিকায় অলিম্পিক হলে সেটার নাম "আব্রাহাম লিংকন অলিম্পিক" করার মতলব কারো মাথায় আসবে না।

৬১| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

মুক্ত বয়ান বলেছেন: আগেই তো খোমাখাতায় পর্ছিলাম। এখন আবার পড়লাম। আবার হাসলাম। :)
খেকককককক।

৬২| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৩

নিহন বলেছেন: +

৬৩| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৮

ত্রিভুজ বলেছেন: ফারহানের পরের এপিসোড নাকি? খেলা নিয়ে আমারো টেনশন নাই, তবে স্যটায়ার উপভোগ করলাম অনেক.... গুডিশ

৬৪| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৯

বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: ভাইয়া,

**** Happy New Year ****

৬৫| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৭

ফেরারী পাখি বলেছেন: বাচ্চু দীর্ঘ দিন কোন খোঁজ পাই না। কোথায় হারালে, দুই বন্ধুতে মিলে।
ব্লগে ঢুকলে একবার খোঁজ দিও।

৬৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮

ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: লেখা পড়ে মেগা মজা পেলাম!

৬৭| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭

কোলাহল বলেছেন: ভাই, খেলা কখন! এজন খুব হুড়োহুড়ি করে এসে জিজ্ঞেস করে
-কিসের খেলা? কাদের খেলা? কবে??
উত্তর শুনে ভদ্রলোক বিস্মিত, বিরক্ত হয়ে আরেকদিকে যায়

খেলার সাথে সম্পর্কটা এখন এমনই দাড়িয়েছে আমার। যদিও লুঙ্গি কাছা দিয়ে ফুটবল খেলার স্মুতি এখনো মুছে যায়নি। কেন জানি খেলার খবরও থাকেনা।
আপনার পোস্ট দেখে প্রথম খেলাধুলার ব্যাপার স্যাপার ভেবে বেশি আগ্রহ জাগেনি। এখন বুঝলাম মিস হয়ে গেছে।

ব্যাটাদের কষে মার দেয়া দরকার ছিলো। ডিডো ঠিকই বলেছে, কেউ ফুটবল বোঝেনা। সবাই বোঝে শুধু হাড়ুড়ু (ল্যাং মারা)

ধন্যবাদ। পরবর্তী পোস্টের জন্য অপেক্ষা।....

৬৮| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১০

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
অনেকদিন কিছু লিখছোনা মেহরাব।
আশাকরি ভালো আছো।
ভালো থেকো।
অনেক শুভকামনা............।

৬৯| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৩

হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: ক্রিকেট দলের ইন্টারভিউ কই কই?

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩৮

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ক্রিকেট নিয়ে আগে একবার লিখেছিলাম , তারপরের কয়েকটা মাস ক্রিকেটের জন্য স্বপ্নের মত হয়ে রইল।

ফুটবলের টা লেখার পর সে কথাই মনে পড়েছিল , দেখা যাক সাফ ফুটবলে কিছু হয় কিনা । যদিও একটা খেলাও দেখব না এবার ।

সামনে নিউজিল্যান্ডের সাথে ক্রিকেট , তখন মনে হয় দু'টো সিরিজকে একসাথে করেই সামারইজড ঝড় ওঠানো যাবে

৭০| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১২

বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: :(

টেস্ট সিরিজ নিয়ে কিছু লিখলে খুব ভাল হত ভাইয়া, কেমন আছেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.