| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মেঘ বালকের কথা
আমি কালো মেঘকে ভালোবাসি,কারন সাদা মেঘ শুধুই তারার দেশে ঘুরে ঘুরে ফ্যাসন করে, কিন্তূ কালো মেঘ তার জীবনের অস্থিত্বকে হারিয়ে দিয়ে পৃথিবীতে বৃষ্টি ঝড়িয়ে ফসল ফলাতে সাহায্য করে। আমি রবিন্দ্রনাথের থেকে জগদিশ বোসকে বেশি পছন্দ করি, কারণ রবিন্দ্রনাথের কবিতারচেয়ে বোস বাবুর আবিষ্কার আমার দেশের জন্য বেশি উৎকর্ষ বয়ে আনে। আমি ০ আর ১ এর কারিগর। ০ আর ১ এর কম্বিনেশন বেঁচে পেট ভরি।
মন্ত্রী বলছেন ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা দৈনিক এক হাজার টাকা খরচ করতে পারলে ভ্যাট কেন দেওয়া যাবে না?’ - এমন একটা পরিসংখ্যান উনি কোথায় পেলেন? আমার আজও মনে পরে, বহুদিন লাইব্রেরী থেকে বই নিয়ে ফটোকপি করার পর দুপুরের খাবার পয়সাও থাকতোনা, বাড়ি ফেরার বাস ভাড়াটাও বহুদিন ধার করতে হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর বাবা আমাকে ৫০ টাকা করে দিতেন। হিসেবটা ছিলো এমন, আসা যাওয়ার বাস ভাড়া ২০ টাকা বাকি ৩০ টাকা খাবার খরচ এবং অন্যান্য। এরচেয়ে বেশি আমার সাংবাদিক বাবার পক্ষে বহন করা সম্ভব ছিলো না। কখনো ঈদের কাপড় কেনার টাকা হাতেপেলে নিউমার্কেট বা নিলক্ষেত থেকে ভিজুয়াল বেসিক ৬ এর বই কিনতাম এই ভেবে যে, এই স্কিলটা কোনো একসময় আমাকে আরো আনেক পোষাক কেনার ব্যাবস্থা করে দেবে এবং দিয়েছেও।
আমার এক নিকট আত্মিয় খুব রিসেন্টলি তার একখন্ড গ্রামের জমি বিক্রি করেছেন তার ছেলের সেমিস্টার ফি দেয়ার জন্য। উনি একজন চতুর্থ শ্রেনীর বেসরকারি কর্মচারি। তার স্বপ্ন তার ছেলে একদিন আর্কিটেক্ট হবে। মন্ত্রী আপনি আসলে ঐ ছাপোষা বাবার স্বপ্নের ওপর ভ্যাট বসাচ্ছেন! প্লিজ আপনি একটু সেনসেবল আচরণ করুন একটু ভেবেচিন্তে কথা বলুন।
মন্ত্রীর কথার সূত্র: শিক্ষার্থীদেরই ভ্যাট দিতে হবে: অর্থমন্ত্রী
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ২:২০
সচেতনহ্যাপী বলেছেন: প্রত্যেক মন্ত্রীসভায়ই একজন করে বিনোদনের লোক থাকে
।।