নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\n

মা.হাসান

মা.হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইবনে বতুতার বাঙলা, শায়েস্তা খাঁ ও ঢাকা পশ্চিম গেট

০১ লা জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪



সত্তরের দশকের শেষে আমি যখন কেবল স্কুলে ভর্তি হয়েছি তখন একটা গান শুনেছিলাম -'এই যে বাজার , দশ টাকা সের পুটি ১০০ টাকা এও তো আমার ব্যাগ ভরল না, কেন ভরল না, ওরে মদনা, তুইই বল না। ' । তখনো বাজারে যাওয়া শুরু করি নি, কাজেই গায়কের ব্যাগ না ভরার এর দুঃখ বা মদনার দায়বদ্ধতার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা গড়ে ওঠেনি।

চলে যাই সাড়ে ছ্শ বছর পিছনে । বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা তখন চাটগাঁ হয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছেন, উদ্দেশ্য বিখ্যাত সাধক শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি এর সঙ্গে সাক্ষাৎ। ইবনে বতুতার বর্ণনায় সেই সময়ের আসাম, সিলেট, খাসিয়া এলাকা, চট্টগ্রাম সোনারগাঁ সহ বাংলার বিভিন্ন এলাকার অর্থনৈতিক সামাজিক জীবনের খুব ভালো বর্ণনা পাওয়া যায় ( টিকা ১) । তবে তার টাকায় আট মণ চালের বর্ণনার অংশটুকুই আমাদের কাছে বেশি পরিচিত। আমরা সচেতন বা অচেতন যে কারনেই হোক না কেন, এই বর্ণনার পরের লাইনটুকু এড়িয়ে যাই যেখানে ইবনে বতুতা বলেছেন ওই সময় ১০ টাকায় ১৬ বছরের সুন্দরী যুবতী মেয়ে বাজারে ক্রীতদাস হিসেবে বিক্রি হতো । অনেক বাম ঘেষা অর্থনীতিবিদ আবার বলে থাকেন দ্রব্য মূল্য কম থাকাটা অর্থনীতির জন্য ভালো না। ঐ সময়ে বাঙলার শাসক ছিলেন ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ। ওই সময়ের রুপার টাকার বর্তমান দাম ৫০০ টাকা ধরলে (টিকা ২) সেই সময়ে বিভিন্ন দ্রব্যের বাজারদর নিচের মত হবেঃ

১)চাল প্রতি মণ ৫৫ টাকা
২) ধান প্রতি মণ ১৫ টাকা*
৩)গুড় প্রতি মন ৭ টাকা
৪) ঘি প্রতি মন ৭ টাকা
৫) মিহি কাপড় (সবচেয়ে দামি) প্রতি গজ ৬৫ টাকা,
৬)একটি হৃষ্টপুষ্ট গরু ১৫০০ টাকা
৭) একটি ভেড়া ১২৫ টাকা ইত্যাদি ।


( ইবনে বতুতার দেখা বাঙলার বাজার দর -উৎস: এইচ এ আর গিব এর অনুবাদ:Ibn Battuta Travels In Asia And Africa 1325-1354 । পৃষ্ঠা ২৬৭ পাবলিশারঃ রুলেজ এন্ড কেগান, লন্ডন, প্রথম প্রিন্ট ১৯২৯ ।)


ফিরে যাই প্রায় ৩০০ বছর পর, শায়েস্তা খাঁর আমলে। ঢাকা তখন বাংলার রাজধানি। । শয়েস্তা খাঁর সুশাসন এর ফলে ঢাকায় তখন দ্রব্যমূল্য আবার কম। চালের দাম আবার ২ আনা প্রতি মন । ঢাকা পশ্চিম তোরণ বন্ধ করে একটি ফলক লাগিয়ে শায়েস্তা খান তাতে লিখে দিলেন- যে শাসক পুনরায় ঢাকার লোককে টাকায় ৮ মণ চাল খাওয়াতে পারবে শুধু সেই এই গেট দিয়ে প্রবেশের অধিকার রাখে। শায়েস্তা খানের এক টাকার বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক পাঁচশ টাকা ( টিকা ২)।

বর্তমান সময়ে ফিরে আসি। কিছু দিন আগে সরকারের এক অপরিহার্য মন্ত্রী দেশে এক টাকা বা দুই টাকার কয়েন চালু আছে এটা জানায় বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। এই বিস্ময় প্রকাশ খুবই স্বাভাবিক। কানাডা কে ছাড়িয়ে যাওয়া বাংলাদেশের জনগণের এখন জনপ্রতি গড় আয় ১৮২৭ ডলার (সূত্রঃhttps://www.ceicdata.com/en/indicator/bangladesh/gdp-per-capita) যা টাকায় এক লক্ষ চুয়ান্ন হাজার টাকার কিছু বেশি। একটি পরিবারে জনসংখ্যা ৬ জন ধরলে (গত বেতন স্কেল প্রনয়ণ করার সময় দেশের একটি পরিবারের সাইজ বাবা,মা, দুই সন্তান-স্বামী-স্ত্রী সহ ৬ জন ধরা হয়েছে) পরিবার প্রতি আয় দাঁড়ায় মাসে সাতাত্তর হাজার টাকার উপর। । ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ বা শায়েস্তা খাঁর আমলে এক টাকা উপার্জন কিন্তু খুব সহজ ছিল না। পাঁচশত টাকার মতো বড় নোটের কথা বাদ দেই। দেখা যাক ১০০ টাকার একটি কাগুজে নোট দিয়ে বর্তমান বাজারে কি কি কেনা সম্ভব।
১) ১০ জনের ঐতিহ্যবাহী নাস্তা
২) ১২ আঁটি পাট শাক
৩) ৪ কেজি আটা
৪) ৫ কেজি ঢ্যাড়স
৫) ২ কেজি মসুরের ডাল।
৬) দেড় কেজি চিনি।
৭) সাড়ে ৬ কেজি আলু।
৮) একজোড়া স্পঞ্জের স্যান্ডেল।
৯) ১ ১/২ লিটার দুধ
১০) আড়াই কেজি খেসারির ডাল।
১১) আড়াইশো গ্রাম মলা মাছ।
১২) ১৮০ গ্রাম গরুর গোস্ত।
১৩) তিন জনের ইফতার
১৪) ১০ কেজি ধান

যে গান দিয়ে শুরু করেছিলাম তার গায়ক নিশ্চয়ই বাজারের ব্যাগ বলতে বিশালাকারের বস্তা বুঝিয়েছিলেন।

(আলু, চিনি, দুধ, মাছ, মাংস ইত্যাদির মূল্য স্বপ্ন সুপার স্টোর থেকে নেয়া। মসুর ডাল, আটা, খেসারির ডাল রাস্তার পাশের ন্যায্য মূল্যের ট্রাক থেকে নেয়া (আমি এখান থেকেই কিনি)। ইফতারের দর লন্ডনি রাজপুত্রের পারিষদের দেয়া বাজার দর থেকে )


শায়েস্তা খানের বন্ধ করা পশ্চিম গেট চিরকাল বন্ধ থাকেনি। সরফরাজ খাঁর আমলে (১৭৩৯-১৭৪০ সাল) পুনরায় ঢাকায় টাকায় ৮মণ চাল পাওয়া গিয়েছিল। সফরাজ খাঁন এই গেট দিয়ে প্রবেশ করেছিলেন (সূত্রঃ Dacca: Eastern Bengal District Gazetteers- 1912- Basil Copleston Allen)। ঢাকা দক্ষিণের মাননীয় মেয়র সাঈদ খানের এখন থেকে প্রস্তুতি নেওয়া দরকার। ২০২১ সাল নাগাদ মানবতার মাতা , গরিবের বন্ধু , মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই গেট দিয়ে পুনরায় প্রবেশ করবেন বলে আশা করছি।
..................................................................................................................................................................................
টিকা ১) ১৩৩৪ সালে সুলতান মুহাম্মদ তুঘলকের আমলে ইবনে বতুতা দিল্লি আসেন। অনেক জায়গা ঘুরে অবশেষে চাটগা হয়ে সেই সময়ের বাঙলায় প্রবেশ করেন ১৩৪৬ সালে । তিনি দুই মাসের কাছাকাছি বাংলায় ছিলেন। সেই সময়ে বাংলার শাসক ছিলেন ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ। ঐ সময়ে বাংলার রাজধানি ছিল সোনারগাঁ। ইবনে বতুতা বাঙলা থেকে জাভা হয়ে ১৩৫২ সালে জন্মস্থান মরক্কোয় ফিরে যান। মরক্কোর সুলতান তখন আবু ইনান ফারিস। তার নির্দেশ ও অর্থায়নে সুলতানের কর্মচারি ইবনে জুজাই ইবনে বতুতার ২৯ বছরের পর্যটনের কাহিনী লিপিবদ্ধ করেন যার কাজ ১৩৫২ তে শুরু হয়ে ১৩৫৫তে শেষ হয়। ১৮২৯ সালে ডঃ স্যামুয়েল লী এর আংশিক অনুবাদ প্রকাশ করলে তা পশ্চিমা জগতের নজরে আসে। বাংলাদেশে যা অনুবাদ পাওয়া যায় আমার জানা মতে তা সব ১৯২৯ সালে এইচ এ আর গিব এর অনুবাদের অনুবাদ। অনেক ইতিহাস বিদ তার বর্ননা নিয়ে বিভিন্ন তামাশা করলেও অধিকাংশ ইতিহাসবিদের মতে তার বর্ননা নিরপেক্ষ যা ঐ সময়ে দূর্লভ ছিল।

টিকা ২) ইবনে বতুতার বর্ননায় এসেছে আরবি দিরহাম (স্বর্নমুদ্রা) ও দিনার (রৌপ্যমুদ্রা)র কথা। ১ দিনার সমান দিল্লির ১ রুপার টাকা ছিল (প্রায়) বাংলার রুপার টাকা আর দিল্লির রূপার টাকার মান সমান ছিল। ঐ রোপার টাকার বর্তমান মুল্য নিরূপন করা সম্ভব না। আমরা মেটাল ভ্যালু ধরতে পারি। রূপার টাকায় ঐ সময়ে ১১.২-১১.৪ গ্রাম অশোধিত রূপা থাকতো। শায়েস্ত খাঁর আমলের টাকায়ও তাই ছিল। বর্তমান বাজারে সমপরিমান ৯৯% পিওর রূপার দাম ৪৮০ টাকার কাছাকাছি (অশোধিত রূপার দাম কিছু কম হবে)। তবে মেটাল ভ্যালু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলায়। যেমন জাকাতের নিসাব হিসাবে ধরা হয় সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা, কারন সে সময়ে সাড়ে সাত তোলা সোনা এবং সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার দাম সমান ছিল, যা একন নেই । কাজেই এই ভাবে বের করা দাম প্রামান্য হিসাবে ধরা ঠিক হবে না। তবে আরো জটিল ভাবে হিসাব করলেও তা সর্বজন গ্রাহ্য হবে না। কাজেই আপাতত এটাই থাক।



মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট পুরোটা পড়ার পরও আপনার মূল্য বক্তব্য ধরতে পারিনি।

তবে গানটা জোশ হয়েছে।
অতীতে আমাদের দেশটা সোনার দেশ ছিল। এটা সত্য।
সব শালারা লুটেপুটে খেয়ে শেষ করে দিয়েছে।

০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ৮:২২

মা.হাসান বলেছেন: মূল বক্তব্য স্যান্ডেলের পর শেষ লাইনে আছে।
সুরভী আপাকে ভালোমানুষ পাই, কাজেই আপনাকে মাঝে মাঝে দুলাভাই ডাকি। খাওয়া দাওয়ার উপর এই শালার অবদান আছে স্বীকার করায় ধন্যবাদ, দুলাভাইরা শালাদের স্বীকৃতি দিতে চায়না আজকাল । গানের গীতিকার, সুরকার বা গায়ক কে কিছুই জানা নেই। গান ভালো লেগেছে জেনে আমার ও ভালো লাগলো।

২| ০১ লা জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

বলেছেন: ও মদন তুই বল না --
এখন তো মদন নাই কে কাকে বলবে সবই হালার ডিজিটাল।।

০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩০

মা.হাসান বলেছেন: সেই আমলে ১০০ টাকায় ব্যাগ না ভরলেও এখন ১০০ টাকায় ছোট খাট ট্রাক ভরে যায়, কাজেই মদনাদের দায় আর নেই। সব ডিজিটাল । আপনার বক্তব্যে বুঝলাম শালারাও ডিজিটাল । আমার মতো প্রাচীন এনালগ লোকদের নিয়ে বড় সমস্যা ।
পোস্টে লাইক দেয়ায় কৃতজ্ঞতা।

৩| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ৮:০০

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে ছাত্রলীগের ছবির চেয়ে স্যান্ডেলের ছবিটা বেশি ভালো।

০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

মা.হাসান বলেছেন: এত দামি স্যান্ডেল অামি পরি না, গুলিস্তান পাতাল মার্কেটের পাশের রিডাকশন দোকান থেকে কিনি। ওখানের স্যান্ডেলের ছবি এত সুন্দর না। ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা রোদের মধ্যে পরিশ্রম করছে, ঘাম বেয়ে পড়ছে, মেক অাপ নেই এজন্য হয়তো সুন্দর লাগছে না, হেলমেট পরলে ভালো লাগতো নিশ্চয়ই। বন্যেরা বনে সুন্দর...

৪| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১০:২৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের দেখে তো গামছা পার্টির সদস্য মনে হচ্ছে। অবশ্য ঠগীরাও শুনেছি গামছা ব্যবহার করতো। যাকগে, মূল কথায় আসি। আপনার ধৃষ্টতা দেখে আমি সত্যিই অবাক হচ্ছি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের কোন জায়গায় যেতে কিংবা কোন গেট দিয়ে প্রবেশ করতে কোন কন্ডিশানের প্রয়োজন নাই। উনি যখন যেখানে যেতে চান, যেতে পারেন। যখন যা করতে চান, করতে পারেন। যখন যতোখুশী স্যাটেলাইট উড়াতে চান উড়াতে পারেন। আপনি বলার কে?

আর শোনেন, টাকায় ৮ মন চাল কোন ব্যাপার না। এটা অনেক আগেই হতো। শুধুমাত্র দেশী কিছু বেইমানদের সাথে কিছু বিদেশী ক্রিমিনাল মিলে যোগসাজশ করার ফলে এটা নজরে আসছে না। সব দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র!

০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১১:১৫

মা.হাসান বলেছেন: মফিজ ভাই, যদি কারো কাছে মনে হয় পোস্টধৃষ্টতামূলক তবে তার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর পিতার বদন্যতায় এই দেশ পেয়েছি কাজেই দেশের কোথাও তার চলাচলে কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে এমন কিছু মিন করা অথবা মধ্যযুগীয় রাজার সঙ্গে শতকরা ৯৮ ভাগ লোকের ভোট পেয়ে নির্বাচিত হওয়া প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করা পোস্টের অভিপ্রায় না। লেজে (অবঃ)হোমো এরশাদের পালক পুত্র প্রাক্তন মেয়র মোহাম্মদ হানিফ এর ছেলে অর্থাৎ লেজে হোমো এরশাদের পালক নাতি জনাব সাঈদ খোকন সম্প্রতি পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় আসীন হয়েছেন। তোরণ পুনর্নির্মাণ করলে ভবিষ্যতে লেজে হোমো এরশাদের পদ অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হওয়ার সম্ভাবনা তার আছে বলে মনে করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডাকসুর আজীবন সদস্য হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের কিছুটা অবসর বের হয়েছে। গামছা পরে তারা আপাতত এই অবসর উদযাপন করছে। হেলমেট পরলে আবার আগের মত সুন্দর লাগবে। ২০২১ সালের মধ্যেই ষড়যন্ত্রকারিদের শাস্তি দাবি করি।

৫| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১১:০৬

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: অনেক কিছু বলেছেন,আপনার পোস্ট অনুযায়ী অর্থনীতি বইয়ে আমি একটি বাক্য পড়েছিলাম,যে দ্রব্য পণ্যের দাম যত বাড়বে,টাকার মাণ তত কমবে। আর দ্রব্য পণ্যের দাম কমানোর জন্য চিরুনি পরিকল্পনা করতে হবে,কিভাবে পণ্যের দাম কমিয়ে টাকার মান বাড়নো যায়।

০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৩২

মা.হাসান বলেছেন: জি মেঘ ভাই, অনেক কিছুরই দাম কমেছে কিন্তু এগুলোর দাম কমলেও টাকার দাম বাড়ছে না। দেখা যাক সামনে কি হয়।

৬| ০২ রা জুন, ২০১৯ ভোর ৫:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় মা. হাসান ভাই,


অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং তথ্যবহুল পোস্ট। ব্যঙ্গাত্মকভাবে যে বিষয়টি পরিবেশিত হয়েছে সেটাও বেশ উপভোগ্য। সঙ্গত কারণেই আর কিছু বলা সমীচীন বলে মনে হলো না। আপনার আবেগকে সম্মান জানাই।

অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালবাসা জানবেন।

০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৪১

মা.হাসান বলেছেন: শুভ গেরুয়া সকাল পদাতিক ভাই। চালের দাম কমে যাওয়ায় ভাত খাওয়া বেশি হয়ে যাচ্ছে। ফলে ওজন বেড়ে যাচ্ছে। ওজন কমানোর জন্যই কিছুটা পরিশ্রম আরকি। । আপনারাও তো দু টাকা কিলো চাল খাচ্ছেন শুনি । পোস্টে আপনার উপস্থিতি অন্যরকম আনন্দ দেয়। লাইক দেয়ার অনেক কৃতজ্ঞতা। অনেক অনেক শুভকামনা।

৭| ০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ৮:৫৪

হাবিব স্যার বলেছেন: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম গেট দিয়ে প্রবেশ করলে কি টাকায় আট মন চাল পাওয়া যাবে?

০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৪৪

মা.হাসান বলেছেন: জি না হাবিব স্যার, উল্টা ক্রমে ঘটবে।

৮| ০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৩৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ২১ সাল তো এলো বলেই.... দেখা যাক ডিজিটের কি হয় !!

১০ টাকায় ষোড়শী :|| নতুন তথ্য জানলাম।

আর একচেঞ্জ রেটের জন্য টিকা দেওয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। নাহলে বোঝা কঠিন হতো।

সবশেষে বলবো, সুন্দর একটা পোস্ট দিয়েছেন।

০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ১১:০০

মা.হাসান বলেছেন: আপনি একজন পরিশ্রমি পাঠক। আপনার কাছ থেকে ভালো লেখা হিসেবে সার্টিফিকেট পাওয়া এবং পোস্টে লাইক পাওয়া বড় ব্যাপার। এ জন্য অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। মূল লেখায় ১ স্বর্ণমুদ্রায় একটি ক্রীতদাসের কথা বলা হয়েছে। ওই সময় এক স্বর্ণমুদ্রা ১০ রূপার টাকার সমান ছিল। ইবনে বতুতার নিজে আশুরা নামের একটি অতুলনীয় সৌন্দর্যের অধিকারী দাসি কিনেছিলেন। পুরুষ দাস এর দাম ছিল বিশ রূপার টাকা। অনেক প্রাচীনকাল থেকেই বাংলায় দাস প্রথা চালু ছিল। এখনো রাস্তার মোড়ে মোড়ে কোদাল আর ঝুড়ি হাতে দাড়িয়ে থাকা একদিনের জন্য বিক্রি হতে চাওয়া মানুষের ভিড় দেখি । বাংলা সব সময়ই সমৃদ্ধ ছিল, তবে সবার জন্য নয়।

৯| ০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ১০:১২

নীলপরি বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ ও পরিশ্রমী পোষ্ট । ভালো লাগলো ।

০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ১১:০৬

মা.হাসান বলেছেন: পরীরা তো শুনি চাঁদের আলো আর ফুলের রেণু খায়। আশাকরি পরীরাজ্যে এসবের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। কেউ পোস্ট ভাল লেগেছে বললে লেখা সার্থক মনে হয়। সুন্দর মন্তব্যটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১০| ০২ রা জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: বাংলা সব সময়ই সমৃদ্ধ ছিল, তবে সবার জন্য নয় - একদম সঠিক বলেছেন। তবে এটা সমগ্র পৃথিবীর জন্যই খাটে।

"কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই "

যুগযুগান্তরে মৎস্যন্যায় থাকবেই। বর্তমানে পৃথিবীর বেশিরভাগ সম্পদই ধনীদের দখলে।

০৩ রা জুন, ২০১৯ রাত ১১:৫৪

মা.হাসান বলেছেন: আপনি সত্য বলেছেন, সমস্ত পৃথিবী জুড়ে এই অবস্থা -অধিকাংশ ধন-সম্পদ মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে আবদ্ধ। । তবে এরপরেও দু একটি কথা বলতে হয়। ইবনে বতুতা তার বর্ণনায় বাংলা সম্পর্কে বলেছেন পৃথিবীতে আর কোথাও তিনি এত সস্তায় জিনিস পত্র দেখেন নি। ঠিক এর পরের লাইনেই বলেছেন বাংলা হলো ভালো জিনিসে (commodity) পূর্ণ একটি নরক । দ্রব্যমূল্যের দাম অস্বাভাবিক কম থাকার অর্থ শ্রমিক তার পরিপূর্ণ মজুরি পায় না। । ইউ এস এ তে মিনিমাম মজুরি প্রতি ঘন্টায় ৭.২৫ ডলার। ইউকে তে এই মজুরি ৮.২০ পাউন্ড ( পূর্ণ বয়স্কদের জন্য)। । বাংলাদেশ একজন আধাদক্ষ গার্মেন্টস শ্রমিকের মজুরি মাসে ৮০০০ টাকা ধরলে, মাসে ২৫ দিন ধরলে ( যদিও খুব কম ক্ষেত্রেই সপ্তাহে একদিন তারা ছুটি পায়) এবং দিনে ৮ ঘণ্টা ধরলে ঘন্টা প্রতি মজুরি দাঁড়ায় ৪০ টাকার কাছাকাছি। যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রের একজন শ্রমিক ১ ঘন্টা কাজ করলে তাতে যা মজুরি আসে তা দিয়ে সারাদিনের খাওয়া-দাওয়া চালানো সম্ভব ( রেস্তোরাতে না)। । বাংলাদেশ এক ঘন্টার মজুরি দিয়ে কি করা সম্ভব নিজেই ভাবুন। কাগজে কলমে আমাদের দেশের শিক্ষা ফ্রী। বাস্তব হলো এই যে এমন কি গ্রামের স্কুলেও সেশন চার্জ পরীক্ষার ফি হাবিজাবি সহ বছরে কয়েক হাজার টাকা প্রতি ছাত্রের কাছে নেওয়া হয় (এই স্কুল শিক্ষকরা আবার মাথায় কাফন বেঁধে এমপিওভুক্তির আন্দোলন করে) । কতজন শ্রমিকের পক্ষে তার বাচ্চাকে স্কুলের গণ্ডি পার করানো সম্ভব? এমন কি অনেক গরীব দেশেও শিক্ষা শুধু ফ্রি না বাচ্চাদের স্কুলে মিলও দেওয়া হয়। । ধনী দেশগুলোকে একজন ধনী লোক মার্সিডিজ বা বিএমডব্লিউ চড়লে একজন শ্রমিক অন্ততপক্ষে সেকেন্ড হ্যান্ড ফোর্ড গাড়ি চালাতে পারে। রাস্তার ঝাড়ুদারও সামারে দেশের বাহিরে হলিডে করতে যায়। বাংলাদেশের কোন শ্রমিক হলিডে কাকে বলে জানে বলে আমার মনে হয় না। মন্তব্যের জবাবে অতি আবেগ দেখিয়ে থাকলে দুঃখিত। ভালো থাকবেন।

১১| ০২ রা জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৫৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
১ স্বর্ণমুদ্রায় বা ১০ ভারতীয় রৌপমুদ্রায় একটি ক্রীতদাস। এখনো রাস্তার মোড়ে মোড়ে কোদাল আর ঝুড়ি হাতে দাড়িয়ে থাকা একদিনের জন্য বিক্রি হতে চাওয়া মানুষের ভিড় দেখি ।

তবে মুল ব্যাপারটি এড়িয়ে গেলেন।
আপনার সেই একদিনের জন্য বিক্রি হওয়া সেই প্রান্তিক হতদরিদ্র লোকগুলোর মুল্যই এখন সবচেয়ে বেশী।

প্রকৃত কৃষক কে?
যে লাংগল টানে খ্যাত নিড়ায় ফসল কাটে, প্রান্তিক শ্রমজীবি। সে?
নাকি যে জমির মালিক, জমিদারই কৃষক?

হলুদ মিডিয়াগুলো অব্স্য সবাই মিলে জমিদারকেই কৃষক বলছে। আর বেশী শ্রমের মুল্য চাওয়া মুল কৃষককে ভিলেন বানালো
অল্পকিছুদিন আগেও কৃষিশ্রমিকেরা সারা দিন ধান কেটে ৫-৬ কেজি ধান পারিশ্রমিক হিসেবে নিতো।
মালিকের হাতে এ সময় নগদ টাকা থাকতো না। তাই ধান বা চাল দিয়ে মজুরি শোধের রেওয়াজ ছিল।
৯৬ সালেও একজন কৃষি শ্রমিকের মজুরি ছিল ৯০ টাকা। এখন ১০০০ টাকা

অল্পকিছুদিন আগেও কৃষিশ্রমিকেরা সারা দিন ধান কেটে পেত ৫-৬ কেজি ধান।
আর এখন একদিনের শ্রমের মুল্য দুই আড়াই মণ ধান + ২ বেলা খাবার।

চালের কেজি ৩০ টাকা থেকে দ্বীগুন বেড়ে ৬০ টাকা হয়েছে।
কিন্তু একসময় হত দরিদ্র প্রান্তিক শ্রমিকদের শ্রমের মুল্য বহুগুন (প্রায় ১৫ গুন) বেড়েছে।
আর সিপিডি হলুদআলোরা বলছে 'যে ধরনের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে তা জবলেস প্রবৃদ্ধি, দারিদ্রের প্রবৃদ্ধি'।



০৪ ঠা জুন, ২০১৯ রাত ১২:৫৭

মা.হাসান বলেছেন: এক ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্রকে দারিদ্র্য সম্পর্কে রচনা লিখতে বলা হয়েছে। সে লিখেছে - লোকটি খুব গরিব। তার বাসার সবাই গরিব। এমনকি তার বাসার দারোয়ান গরিব, তার বাসার ড্রাইভার গরিব, তার বাগানের মালি পর্যন্ত গরিব । কেন যেন এই গল্পটা মনে পড়ে গেল।
গ্রামে যার দশ বিঘার উপরে জমি আছে সে মোটামুটি জমিদার। একটা গ্রামে এই ধরনের জমির মালিকের সংখ্যা খুব সামান্য। অধিকাংশ চাষী বর্গা চাষ করে। এখন আর আগের মতো আধি বা তেভাগার প্রচলন নেই। সবাই চুক্তিতে চলে গেছে। জমির মালিকের সঙ্গে বর্গাচাষীর চুক্তি থাকে, ফসল হোক বা না হোক বিঘাপ্রতি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফসল জমির মালিককে দিতে হবে। সার, বীজ, সেচ -সবকিছু বর্গাচাষীর পকেট থেকে আসবে। । আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্য সারের দুর্নীতি বন্ধ করা গেছে। এখন আর কাউকে সারের জন্য গুলি খেতে হয় না। তবে বীজ কৃষককে চড়া মূল্যেই কিনতে হয়। সেচ পাম্প গুলো এখন ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের দখলে । তাদের পছন্দমতো রেটে পানি কিনতে হয়। সেচের ভর্তুকির টাকা এই কৃষকরা পায় না। ব্যাংক এই বর্গাচাষীদের লোনও দেয় না। লোনের জন্য তাদের নির্ভর করতে হয় এনজিওগুলোর উপরে অথবা স্থানীয় মহাজনদের উপরে। এনজিওদের সুদের হার বুঝতে পারে এমন গণিতবিদ এখনো জন্মায় নাই। অতি ভদ্র মহাজনেরা চড়া সুদে ধার দেয়। সাধারণ মহাজনরা সুদ নেয় না তবে অগ্রিম ফসল কিনে নেয় । প্রান্তিক কৃষক বীজতলা তৈরি, সার দেওয়া, আগাছা মারা- সবকিছু নিজের হাতে করার চেষ্টা করলেও ধান কাটার সময় একা একা এই কাজ করা সম্ভব হয় না। চড়া মজুরি দিয়ে ধান কাটার শ্রমিক রাখতে হয়। এরপরেও কৃষকের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব ছিল যদি ধানের ন্যায্য মূল্য থাকতো। । দেশের কৃষি মন্ত্রী যখন বলেন উন্নয়নের কারণে ধানের দাম কমে গেছে, তখন তা কৃষকের জন্য কি রকমের নির্মম তামাশা তা আমাদের পক্ষে বোঝা সম্ভব না। আপনি যে দেশে থাকেন সেই দেশের সরকার কৃষকদের অনেক ভর্তুকি দেয়। ফসল বেশি দামে কিনে নিয়ে বাজারে কম দামে বিক্রি করে। যখন দেশের কৃষক ধানের ন্যায্যমূল্য পায়না তখন যখন সরকার ভারত থেকে চাল আমদানি করে তখন এই দেশের সরকার কোন দেশের কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করছে তা সহজেই বোঝা যায়। এটা যে করতেই হবে, কারণ গদিতে টিকে থাকতে হলে ভারতের সাহায্য ছাড়া তা সম্ভব নয় এই সত্য আওয়ামীলীগ ভালো করে বুঝে গিয়েছে।



১৯৯৬ সালে নবম গ্রেডের একজন অফিসারের অর্থাৎ বি সি এস এর মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগ পত্র প্রাপ্ত একজন অফিসারের ইনিশিয়াল বেতন স্কেল ছিল২৮৫০ টাকা। এখন তা প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ওই সময় আমাদের জমিতে শ্রমিক কাজ করেছে প্রতিদিন ৮০ টাকা থেকে ১২০টাকা রেটে । এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৫০ টাকা। শ্রমিকের মজুরি কত গুণ বেড়েছে আপনি নিজে হিসাব করে দেখুন। বাংলাদেশে কোন শ্রমিক দিনে ১০০০ মজুরী পায় আমি দেখিনি। ধান কাটার মৌসুমে সর্বোচ্চ দিনে ৮০০ টাকা মজুরি পেতে দেখেছি। ধান কাটার মৌসুম থাকে তিন সপ্তাহ। বছরে তিনটি ফসলের হিসাব ধরলে বছরে মোট ৯ সপ্তাহ থেকে ১০ সপ্তাহ একজন কৃষক/শ্রমিক এই মজুরি পায়। বীজ রোপণের সময় মজুরি বেড়ে দিনে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। মাটি কাটা জাতীয় বিভিন্ন দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচির অধিকাংশ টাকাই টাউট-বাটপার -স্থানীয় নেতারা লুটপাট করে খাচ্ছে। বড় প্রজেক্ট এর কনস্ট্রাকশন কাজ গুলো বর্ষায় প্রায় বন্ধ থাকে বলে বর্ষায় শ্রমিকের প্রায় না খেয়ে থাকার অবস্থা। দেশের অর্থনৈতির আকার বাড়ছে, তাহলে এই বাড়তি টাকা কোথায় যাচ্ছে? জিনি কোইফিশিয়েন্ট এর দিকে তাকালেই বোঝা যায়। ১৯৮৩ সালে এর ভ্যালু ছিল ২৬, ২০১০ এ ৩২.১ আর ২০১৬তে ৩২.৪। সম্পদ ধনীদের হাতে ঘনীভূত হচ্ছে। সরকারের দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি আমার লেখার উদ্দেশ্য না। বিদেশী প্রভুদের খুশি রাখতে যেয়ে দেশের কৃষকদের পেটে সরকার যে লাথি মারলো তাই বলার চেষ্টা করেছি।

১২| ০২ রা জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: লোকে বলে গাজার নৌকা নাকি পাহাড় বেয়ে যায় ;)

উন্নয়নের যে ষ্টীম রোলার চলছে - তাতে কোন গেটই শেষে খূঁজে পান কিনা সন্দেহ!
আর কল্পনায় উড়লে নীচে কেন? এক্কেবারে আঁকাশ ছুঁয়েই ওড়া উচিত!
তাইতো উড়ছে সোনার স্বদেশ!

উড়ছেনা কে বলেরে?
বলে রে রে করে ছুটে আসতে থাকে দালাল, পাইক পেয়াদা..

সেই গল্পের কৃষ্ণ দর্শনের মতো জারজ না হবার ভয়েই বলে-হা হা ঐতো কৃষ্ণ! আমিও দেখৈছি ! আমিও দেখেছি !
অবোধ বাঙালী তেমনি জান বলে - হা উন্নয়নে ভাসছে স্ব-দেশ! ভাসেছ সব! নীতি নৈতিকতা! বোধ!

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ রাত ১:২৬

মা.হাসান বলেছেন: ভৃগু ভাই, পোস্টে লাইক দেয়ায় কৃতজ্ঞতা।
এই লিঙকটি দেখার অনুরোধ রইলো
https://www.prothomalo.com/opinion/article/1596032/কৃষকের-ধান-ও-‘রোল-মডেল’-রাষ্ট্রের-নির্লিপ্ততাবিদেশি যে প্রভুদের সাহায্যে আজ সরকার ক্ষমতায়, তাদের কৃষকদের সুবিধা দিতেই ভারত থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত। কেউ বুলেট দিয়ে কৃষকের বুক ঝাঁঝরা করে দেয় আর কেউ কৃষককে না খাইয়ে মরতে চায়।

১৩| ০৪ ঠা জুন, ২০১৯ রাত ২:১২

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন:

০৪ ঠা জুন, ২০১৯ রাত ৩:৫৭

মা.হাসান বলেছেন: ভাই আপনাকেও ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

১৪| ০৬ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যা বুঝেন না, সেটা নিয়ে লিলিপুটিয়ানগিরি কম করেন।
আপনার পোষ্টগুলো সব সময় গরুর রচনা।

...........................................................................
এমন একটা লেখা পড়লাম অন্য একটা পোষ্টে,
আপনার প্রতিক্রিয়া কি ???

০৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৪১

মা.হাসান বলেছেন: ব্লগে দু-চারিটি পাঁঠা আছে উনি তাদের সম্রাট। মডারেটররা ব্লগের ভিউ বাড়ানোর জন্য এই সমস্ত পাঁঠা প্রতিপালন করেন । পাঁঠার ব্যাব্যা করায় কোন প্রতিক্রিয়া দেখানো আবশ্যক মনে করি না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.