নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\n

মা.হাসান

মা.হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কিরপিনের থাইল্যান্ড ভ্রমন (পঞ্চম পর্ব)

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

আগের পর্বঃ কিরপিনের থাইল্যান্ড ভ্রমন ( চতুর্থ পর্ব)
কিরপিনের থাইল্যান্ড ভ্রমন (প্রথম পর্ব)



আজ সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার বিশেষ কোনো তাড়া ছিল না; কিন্তু পেটের দায়ে সকালে ওঠা অভ্যাস হয়ে গিয়েছে বলে সূর্য ওঠার অনেক আগেই ঘুম ভাঙলো। ফজরের পর অল্প একটু হেঁটে আসলাম আশেপাশে। উদ্দেশ্য- ফ্রি ব্রেকফাস্টের যতটা পারা যায় গিলে হোটেল ভাড়া উসুল করা।

ছোট ডাইনিং এরিয়ায় খাবার সাজানো আছে, লাইনে দাড়িয়ে বোর্ডাররা প্লেট ভরছে। দু-একটা বাঁকা চোখ উপেক্ষা করে ৮০০ গ্রাম সাইজের একটা পাউরুটি বগলদাবা করে চিলেকোঠার খাবার ঘরে চলে গেলাম, সাথে বেশি চিনি দেয়া লাল চা আর হলের ডালের বাটির মতো সাইজের একটা বাটিতে মাখন আর জ্যাম। নিচে একটা টু স্লাইস টোস্টার আছে কিন্তু ওটার পিছনে লাইন দেয়ার ধৈর্য বা আগ্রহ আমার নেই।

নাস্তা খেতে খেতে ব্লগে চোখ বুলিয়ে আসলাম। ব্লগের বিবেক হাসান কালবৈশাখী ভাই ডেঙ্গুর গুজবে কান না দেয়ার বিষয়ে একটা পোস্ট দিয়েছেন। আর মোজাচোর আনমোনা আপু 'তিনদিনে ড্রাইভিং শিখুন' শিরোনামে একটা পোস্ট দিয়েছেন। আর সব ম্যাওপ্যাও পোস্ট । আমার স্বভাব না পড়ে লাইক দেওয়ার, এখন পড়েও লাইক দিতে পারলাম না বলে মনটা একটু ছটফট করছিল। মোবাইলে বেশি অভ্যস্ত নয় , অতীতে কখনো কখনো এ লাইক এ চাপ দিয়ে যেয়ে এমনও হয়েছে যে রিপোর্ট বাটনে চাপ দিয়ে ফেলেছি। কাজেই লগ ইন না করেই পড়ছিলাম।

পাউরুটি চার-পাঁচ টুকরা বাকি থাকতেই মাখন শেষ। আমার অত খাই খাই স্বভাব নেই যে মাখন ছাড়াই রুটি খেয়ে নেব। বেঁচে যাওয়া রুটিগুলো নিচে নিয়ে নিচে নেমে রিসেপশনিস্টের মেয়েকে বললাম,- এগুলো সাথে নিচ্ছি। সাথে জ্যাম নেওয়ার মতো কোনো বৈয়াম দিতে পারবে কি? ওরা পুরাতন বৈয়াম ফেলে দেয়, টেবিলে কোন খালি বৈয়াম থাকলে নিতে পারি বলে দিল। টেবিল খালি বৈয়াম পেলাম না। আমার বাপু অত আদেখলেপনা নেই যে জ্যাম লাগবেই, শুধু রুটি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকলাম। 'জনাব কিছু ফেলে গেলেন কি? আবার আসতে ভুলবেন না। টাটা, বাই বাই।' রিসিপশনিস্টের সাথে এসব আলাপ সেরে বেরিয়ে পড়লাম ট্রাটের উদ্দেশ্যে।







ট্রাট পরিচিতিঃ প্রশাসনিক কারণে থাইল্যান্ডকে ৭৬টা প্রভিন্সে ভাগ করা হয়েছে (ব্যাংকক কোনো প্রভিন্সের মধ্যে পড়ে না, এটা বিশেষ প্রশাসনিক এলাকা )। প্রতিটা প্রভিন্সে একজন গভর্নর থাকেন। প্রভিন্স গুলো আবার ডিস্ট্রিক্ট বা জেলায় ভাগ করা যায়। থাইল্যান্ডের সাথে যদি বাংলাদেশের তুলনা করি ( রামোঃ তুলনা করলে সানফ্রান্সিসকো, শিকাগো বা প্যারিসের সঙ্গে তুলনা করা উচিত, থাইল্যান্ডের সাথে কেন; তবে আমার এই তুলনা শুধু জিওগ্রাফিক লোকেশন অনুসারে, উপমার ত্রুটি নিজ গুনে ক্ষমা করবেন) তবে ট্রাটের লোকেশনকে কক্সবাজারের সাথে তুলনা করা যায়।

ট্রাট থাইল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায়। এর পূর্বদিকে কম্বোডিয়া, দক্ষিণে গালফ অফ থাইল্যান্ড। এই সাগরে পঞ্চাশটার বেশি দ্বীপ আছে যেগুলো টুরিস্টদের মূল আকর্ষণ, এমনিতে ট্রাট শহরে দেখার মতো খুব বেশি কিছু নেই। এর মধ্যে তিন থেকে চারটা দ্বীপ বেশ বড়, বাকি গুলো ছোট ছোট, কয়েকটায় মনুষ্য বসতি নেই।



ব্যাংকক থেকে ট্রাট দূরত্ব ৩২০-৪০০ কিলোমিটারের মতো (রুট অনুসারে)। কোন ট্রেন যোগাযোগ নেই, যেতে গেলে বা ভরসা প্লেন বা বাস। কিন্তু ব্যাংক শহর থেকে এয়ারপোর্টে যেয়ে সিকিউরিটি চেক সেরে প্লেনে উঠে ট্রাট এয়ারপোর্টে নেমে ট্রাট শহর আসতে যে সময় লাগবে তার কাছাকাছি সময়ে বাসে করে ট্রাটে পৌছে যাওয়া সম্ভব। আগে থেকে টিকিট কাটলে প্লেন ভাড়া আটশ বাথের মতো। বাস ভাড়া ৩০০-৩৫০ বাথের মতো (বাস কোম্পানিভেদে মূল্য আলাদা)। কিরপিন কোন পথে যাবে তা সহজেই অনুমান করা যায়।



ট্রাটের বাস ধরতে গেলে আমাকে ম চিৎ অথবা একামাই বাস স্ট্যান্ড যেতে হবে। দু জায়গা থেকেই ভাড়া এক। তবে ম চিৎ থেকে যে বাস ছাড়ে সেগুলো শহরের ভিতর হয়ে যায় বলে সময় বেশি লাগে। গুগুলের হিসাব অনুসারে ম চিৎ থেকে ট্রাট সময় লাগবে সাড়ে পাঁচ ঘন্টার মতো, আর একামাই থেকে সাড়ে চার ঘন্টার মতো। কাজেই একামাই হয়েই যাওয়া স্থির করলাম।


একামাই বাস স্ট্যান্ড

হোটেল থেকে একটু হেঁটে লোকাল বাসস্ট্যান্ডে এসে একামাই এর বাসে চড়ে একামাই পৌছালাম, সময় লাগলো এক ঘন্টার কিছু বেশি। ভাড়া ১৫ বাথ, ভুল করে এসি বাসে উঠে পড়ে ছিলাম বলে সাত বাথ আক্কেল সেলামি দিতে হলো। একামাই খুব বড় আকারের বাস স্ট্যান্ড না, আকারে আমাদের মহাখালি টাঙ্গাইল বাস স্ট্যান্ড কাছাকাছি, তবে অনেক বেশী গোছানো ।


মিনি ভ্যান

একামাই থেকে অনেকগুলো কোম্পানির বাস মোটামুটি দুপুর দুইটা পর্যন্ত ট্রাটের পথে চলে, এরপরে বাস পাওয়ার সম্ভাবনা কম। এই মুহূর্তে বাজে সাড়ে দশটার মত। ঠিক এখন কোনো বাস নেই, পরের বাস এগারোটা দশে। তবে এখন মিনিভ্যান আছে। মিনিভ্যান গুলো অনেকটা বাংলাদেশের মাইক্রোবাসের মতো। সিটগুলো দুই সারিতে ভাগ করা, তবে কিছুটা অপ্রসস্থ। এ কারণে আমি মিনিভ্যানের বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহী ছিলাম না, বড় বাসের জন্য অপেক্ষা করা শ্রেয় মনে করলাম। কয়েক কাউন্টার ঘুরে তিনশ বাথ দিয়ে টিকেট কিনলাম । বলে দিল প্ল্যাটফর্ম ১৫ থেকে বাস ছাড়বে।


প্লাটফর্মে বাস

এখানে যাত্রিকে বাস খুঁজে বেড়াতে হয় না। বাস স্ট্যান্ডে অনেক গুলো প্লাটফর্ম থাকে, নির্ধারিত জায়গা থেকে বাস ছাড়বে। প্ল্যাটফর্মে পর্যাপ্ত বসার জায়গা আছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখেছি (সবসময় না), যে, বাস প্লাটফর্মে আসার আগেই ইউনিফর্ম পরা বাস কোম্পানির একজন কর্মচারী প্লাটফর্মে এসে দাঁড়ায় এবং যাত্রিদের উঠতে সাহায্য করে। প্লাটফর্মে বাস দেখে আমার প্লাটফর্মে দাঁড়ানো ভদ্রমহিলা কে জিজ্ঞাসা করলাম- দুবার- এটাই আমার বাস কি না। বলল -একটু পরে আসছে। তৃতীয়বার বাস আসতে আমি যাওয়ার আগেই আমাকে ইশারা করলে আমি বাসে উঠে পড়লাম। মাত্র দু-তিন মিনিটের মধ্যেই বাস ছেড়ে দিলো। টিকেটে নম্বর দেয়া আছে, আমি নির্ধারিত আসনে গিয়ে বসলাম।

বাস ছাড়ার পরপরই একজন কন্ডাকটার টিকিট চেক করা শুরু করলো। সবাইকে জিজ্ঞাসা করছে কোথায় যাবে। আমার সামনে সবাই বলল চ্যানথাবুরি! আমি যাব ট্রাট। গুলিস্তানে দেখেছি মাওয়ার প্যাসেঞ্জারকে চ্যাংদোলা করে মুন্সীগঞ্জের গাড়িতে তুলে নিতে। এখানেও এরকম কিছু হলো কি না ভয় লাগছে X(( । আমার কাছে আসলে বললাম ট্রাট। আমাকে পাল্টা জিজ্ঞাসা করলো ট্রাট না চ্যানথাবুরি? আমার আতঙ্ক একটু বেড়ে গেল। বললাম এটা ট্রাট যাবে না ? বেটি মনে হয় আমার কথা বুঝলো না। বললো -বসে থাকো। আমি মোটামুটি আতঙ্ক নিয়ে বসে থাকলাম।

অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাংকক শহরের জ্যাম ছাড়িয়ে বাস শহরের বাহিরে এসে পড়লো। রাস্তার দু'ধারে খালি সবুজ আর সবুজ, আর কিছুক্ষণ পরপর জলাভূমি। দেখতে দেখতে চোখ জুড়িয়ে যায় তবে; খানিকক্ষণ পর বোরিং লাগতে থাকে। বেলা দুইটার দিকে রাস্তার ধারের রেস্টুরেন্টের মতো জায়গায় বাস থামল। এখানে জোহরের নামাজের পরে খুজলাম খাবার কি পাওয়া যায় । ডাব খেলাম ৫০ বাথ দিয়ে। সুন্দর লাল তরমুজ আছে, ভাবলাম খেয়ে দেখি। কাউন্টারের পাশে দাড়িয়ে এদিক ওদিক তাকাতেই দেখি, এক বেটি শুয়োর কাটছে। আমাকে দেখে কাজ ফেলে এগিয়ে এসে হাতে গ্লাভস পরে তরমুজ গুলো টুকরো করার পাঁয়তারা করতেই থামিয়ে দিলাম। আমার তরমুজ খাওয়া লাগবেনা। চিনা বাদাম ভাজা আর সকালের পাউরুটিই সই।

সাড়ে চার ঘন্টার রাস্তা আর শেষ হয়না। বিকেল পাঁচটা বাজে। গুগল ম্যাপে দেখাচ্ছে এটা চ্যানথাবরির কাছে। আরও দেড় ঘন্টা লাগবে। এর মধ্যে এসে থামল এক জায়গায়। সবাই নেমে গেল । বুঝলাম বাটুর পাল্লায় পড়েছি। এখন আর ট্রাটের বাস পাবোনা, রাতে এখানেই থাকতে হবে । ভাগ্যকে মেনে নিয়ে কাছাকাছি কম খরচে কোন হোটেল আছে কিনা তা booking.comএ খোঁজা শুরু করলাম । বাসে আমার মত আরো দুজন মদন বসে, আছে তবে ওদের চেহারা আমার মত উদ্বিগ্ন না। এখান থেকে চারজন নতুন যাত্রি উঠলো। বাস আবার যাত্রা শুরু করলো। এবারের গন্তব্য আসলেই ট্রাট। বেশ কয়েকটা কোম্পানির বাস চ্যানথাবুরি হয়ে ট্রাট যায়, আগে জানা ছিলো না বলেই এই টেনশন।


কোহ চ্যাঙ ম্যাপ

আগেই বলেছি আমার ট্রাটে থাকার ইচ্ছে নেই। আমার ইচ্ছে কোহ চ্যাঙ দ্বীপ যাওয়া। ট্রাট শহর থেকে ফেরি জেটি, সেখান থেকে ফেরিতে কোহ চ্যাং যেতে হবে।গুগুল বলছে, শেষ ফেরি ছাড়ে সন্ধ্যা ছটায়। আমার শহরে পৌছাতে সাড়ে ছটা পার হয়ে যাবে, জেটিতে যেতে আরো আধা ঘন্টা। কাজেই আজ ট্রাটেই থাকতে হবে। বাসেই আসর পড়ে নিলাম।

সাড়ে ছটায় ট্রাট বাস স্ট্যান্ড পৌছালাম। থাইল্যান্ডে দেখেছি বাস স্ট্যান্ডগুলো শহর থেকে একটু দূরে, শহরের সাইজ অনুসারে ১ থেকে ৫ কিলোমিটার মতো দূরে। ট্রাটও এর ব্যতিক্রম না। এখান থেকে টেম্পোতে করে দু-কিলোমিটার দূরে শহরে চলে এলাম, ভাড়া ৫০ বাথ। আমি একাই যাত্রী বলে মনে হয় এত ভাড়া লাগলো। এখান থেকে ফেরি জেটি আরও আধা ঘন্টার রাস্তা, গুগুল অনুসারে কাল সকালের আগে কোন ফেরি নেই। কাজেই আজ রাতে ট্রাটেই থাকতে হবে ।


ডাল সিজন, কাজেই হোটেল পাওয়া কোন সমস্যা না। একই কারণে কোহ চাঙেয় কোন হোটেল বুকিং দেইনি। booking.com এ সবচেয়ে সস্তা হোটেল ২৫০ বাথ। পপ গেস্ট হাউস ঠিক সিটি সেন্টারের মেইন রোডের সাথে, রিভিউ স্কোর ৮.১, বান জাইদে গেস্ট হাউজ সিটি সেন্টার থেকে তিন মিনিটের হাঁটা পথ, রিভিউ স্কোর ৯.২।তবে booking.com এটাও বলছে যে প্রথম গেস্ট হাউজের পাশে একটা বার থাকায় একটু নয়জি। আমার রাতে ঘুম দরকার, কাজেই একটু হেঁটে দ্বিতীয় টায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।











হোটেল- আমার রাতে তোলা ছবি ভালো ওঠে নি, এখানের ছবি হোটেলের ওয়েব পেজ থেকে নেয়া।

যেয়ে দেখি রিসিপশনে কেউ নেই, কিন্তু একটা কাগজে বড় করে লেখা আছে- রিসিপশনে কেউ না থাকলে রেজিস্ট্রি খাতায় এন্ট্রি করে চাবি নিয়ে রুমে চলে যেতে। হবে খাতায় নাম এন্ট্রি করতে করতেই দেখি ঋজু, মিলিটারি চেহারার একজন ভদ্রমহিলা চলে আসলেন । সাথে তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে। আমার জন্য কোন রুম এপ্রোপ্রিয়েট দেখিয়ে বললেন আড়াইশো বাথ । আমি বললাম সকালেই চলে যাব কিছু ডিসকাউন্ট দাও। ভদ্রলোকের এক কথা (বা ভদ্রমহিলার এক বয়স), আড়াইশো। স্কুল পড়ুয়া মেয়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম- খুকি তোমার নাম কি? কোন ক্লাসে পড়ো? বাহ, খুব সুন্দর ইংরেজি বলতো !
-ঠিক আছে ২৩০ দিও
-লেবেঞ্চুস খাবে খুকি ? এই নাও ।
পকেটে থাকা তিনটা লেবেঞ্চুস থেকে একটা বের করে ২২০ বাথ দিয়ে খাতায় সই করে চাবি নিয়ে রুমে চলে গেলাম। খুব পরিচ্ছন্ন, চমৎকার রুম।


প্রায় সাতটা বাজে। মাগরিবের সময় শেষের দিকে। দ্রুত নামাজ পড়ে শহর দেখার জন্য বের হয়ে গেলাম। বের হবার মুখেই মিলিটারি মালিকের সাথে দেখা। হাতে একটা ম্যাপ ধরিয়ে দিলো, সাথে মূল গেটের চাবি। বললো বাইর থেকে ফেরার সময়ে দরজা লাগিয়ে দিতে, সকালে কোন জায়গা থেকে ফেরি জেটি যাবার টেম্পু ধরবো ম্যাপে তাও দেখিয়ে দিলো। বললো সকালে দরজা খুলে রিসিপশনে চাবি রেখে বেরিয়ে যেতে।

মূল সড়কের পাশেই একটা নাইট মার্কেট থাকার কথা। এই নাইট মার্কেটের বিষয়টা আমার কাছে অনেকটা ভাঁওতাবাজির মতো মনে হয়, তবে ওভারঅল টুরিস্টরা বেশ পছন্দ করে। ঢাকা শহরের ফুটপাথে, বা মূল সড়কে সারাদিন যে রকম হকার রা বসে কেনাবেচা করে, তার একটা অন্য ভার্সন হলো নাইট মার্কেট। টাউন কাউন্সিল কিছু জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছে, এই জায়গায় নির্ধারিত সময়ে দোকানিরা পসরা সাজিয়ে বসে পড়ে। খাবার আর কাপড়ের দোকানই বেশি। আর আছে বিউটি সেলুন। বিউটিশিয়ানরা বসে আছে একটা টেবিল নিয়ে। ম্যানিকিউরের কাস্টোমার বেশি, চুল বা আরো কিছু কাজও করে দ্খেছি। খাবারের দোকানের বৈচিত্র অনেক বেশি ।









নাইট মার্কেট- সব ছবি টাউন কাউন্সিল বা এরকম ওয়েব পেজ থেকে নেয়া। রাতের আলোয় আমার ফোনে ছোলা ছবি খুব খারাপ এসেছিল।

ডাল সিজন, তার উপর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। থাইল্যান্ডের অন্যান্য জায়গার মতো এখানে গোটা মার্কেটে বিক্রেতার ১০ শতাংশের কম পুরুষ, প্রায় সবাই ই মেয়ে। সাড়ে সাতটার মধ্যে বেশির ভাগ দোকানই বন্ধ করে ফেলছে। একটা খাবারের দোকানে হালাল লেখা দেখে এগিয়ে গেলাম। মহিলা পরিস্কার ইংরেজিতে বলল ক্লোজড। আজ রাতে মনে হয় হরি বাসর হবে।

সিটি সেন্টার এলাকায় বিশেষ কিছু দেখার নেই। আমি উদ্দেশ্যহীনভাবে এ গলি ও গলিতে হাঁটতে থাকলাম। পরিষ্কার বোঝা গেল রাত নটার মধ্যে এই এলাকাটা প্রায় ভুতুড়ে হয়ে যাবে। মূল সড়কের পাশে পপ গেস্ট হাউজের নিচে একটা বার। বারে দূর থেকে তিনজন সাদা চামড়ার লোক বসে, আছে স্থানীয় কোন কাস্টমার দেখলাম না। আমার হোটেলের দিকে হাঁটতে হাঁটতে রাস্তার দু'ধারে লক্ষ্য করলাম বেশ কিছু দোকান, কোনোটাতেই কাস্টমার নেই। দু-একটা এখনই বন্ধ করছে, অনেকগুলো বন্ধই ছিলো।

গুগল ম্যাপ অনুসারে আমার হোটেল পেরিয়ে আর ৩-৪ মিনিট হাটলে একটা সেভেন ইলেভেন । ওটাতে পৌছে গেলাম। হাতে অখন্ড সময়। দেখা যাক খাবার কিছু মেলে কি না। একটা শপিং বাস্কেট নিয়ে তাতে জলের বোতল আর বাদাম ভরে এগিয়ে গেলাম ফ্রোজেন ফুড এর কাউন্টারের দিকে। একই কপাল খুব ভালো, একটা প্যাকেটে দেখি কিছু ভাত আর মাছের তরকারি, লেখা আছে হালাল, দাম ৪৫ বাথ। ভাতের যা পরিমান তাতে অন্নপ্রাশনের সময়ে বাচ্চার হয়ে যেতে পারে। আমার এরকম অন্তত চারটা ভাত লাগবে। খুঁজে দেখি একই কোম্পানির ভাতের কৌটো আছে, ১৫ বাথ করে। একটা মাছ-ভাত আর তিন প্যাকেট ভাত নিলাম। দেখি রসগোল্লা আর সেমাইয়ের মতো একটা ডেজার্ট, ওটাও নিলাম।

পানি, বাদাম, কলা সহ দাম পড়লো ১৬০ বাথ। কলার খুব দাম, একেকটা ৯ বাথ, বাংলাদেশের টাকায় ২৫ টাকার বেশি। সেভেন ইলেভেন বা টেসকোতে ফ্রোজেন খাবার নিলে ওদেরকে বললে অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই ওরা খাবার গরম করে দেয়। গরম খাবার সহ হোটেলে চলে এলাম। খাবার আগে চান সেরে নিতে চাই।

হোটেলে বাথ রুম গন। তবে আমিই এক মাত্র বোর্ডার। কাজেই বাথরুম আসলে শেয়ার করতে হবে না। আমি হোটেলের টাওয়েল সাধারণত ব্যবহার করতে সাচ্ছন্দ বোধ করি না, তবে এই হোটেল এত পরিচ্ছন্ন যে কোন দ্বিধা ছাড়াই হোটেলের টাওয়েল ব্যবহার করলাম। খুব আরামের সাথে চান সেরে নিয়ে খাবারের উপর হামলে পড়লাম।


রসগোল্লা

মাছ ভাত

আজ তিন দিন পরে পেটে ভাত ঢুকছে (স্টিকি রাইস গোনায় ধরি না)। মাছের ঝোলে বুঝলাম লেমন গ্রাস দিয়েছে, কিছুটা চিনিও আছে। মাছটা ফেলে দিয়ে ঝোল দিয়ে ভাত খেয়ে ফেললাম। সাথে একটা কলা। ঝোল খুব সুস্বাদু ছিলো। আরেকটু ভাত হলে ভালো হতো, কিন্তু আগেই বলেছি, আমার অত খাই খাই নেই। রসগোল্লা টাইপের খাবারটা জঘন্য, তবে সেমাইটা সুস্বাদু না হলেও খাওয়া যায়। কাল কোহ চ্যাঙে থাকার হোটেল বুক করে ফেললাম। এশার নামাজের পর শুয়ে পরের দিনের প্ল্যান করতে করতে কখন ঘুমিয়ে গেলাম জানি না।


ট্রাট শহর

সকালবেলা উঠে তৈরি হয়ে, তালা খুলে চাবি নির্ধারিত জায়গায় ঝুলিয়ে রেখে বেরিয়ে পড়লাম। চার মিনিট হাঁটতেই টেম্পু স্ট্যান্ড। দালাল দাড়িয়ে আছে। বললো যে হ্যাঁ, জেটিতে যাবে, ৫০ বাথ ভাড়া , দাড়াও টেম্পো ভর্তি হলে ছাড়বে। বসে আছি, আর কেউ আশে পাশে নেই, টেম্পু ভরে না। একটু পরে একটা খালি টেম্পো চলে আসলো। আমাকে দালাল এটাতে উঠে পড়তে ইশারা করলো, এর পর বললো ভাড়া দিয়ে দাও। থাইল্যান্ডে দেখেছি অনেক ক্ষেত্রে দালালই ভাড়া নিয়ে নেয়। আমি বললাম -না, ড্রাইভারকে ভাড়া দেবো। বললো- না , আমাকে ভাড়া দাও। ড্রাইভারকে জানিয়ে রেখে আমি ভাড়া দিয়ে দিলাম। খুচরা না থাকায় ষাট বাথ দিয়ে দশ বাথ ফেরৎ চাইলাম। দালাল বললো, এটার ভাড়া ৬০ বাথ। তুমি যদি ৫০ বাথে যেতে চাও তাহলে বসে লাইনে অপেক্ষা করো, টেম্পু ভরলে যেতে পারবে।

থাইল্যান্ডে টেম্পু নিয়ে অনেক রকমের দুই নম্বরি আছে। আমার ফেরি ধরতে হবে। দশ বাথের জন্য চেঁচামেচি না করে নিয়তি মেনে নিয়ে রওনা দিয়ে দিলাম। শহর থেকে প্রায় কুড়ি কিলোমিটার দূরে জেটি (পরে জেনেছি, কয়েকটা জেটি, দূরের টা ত্রিশ কিলো মিটার দূরে)। টেম্পু ড্রাইভার এত জোরে চালাচ্ছে, মনে হলো বউ তাড়া করেছে। ফোনের অ্যাপ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখলাম, কোন কোন জায়গায় ঘন্টায় অষ্টআশি কিলোমিটার বেগে পর্যন্ত টেম্পো চালাচ্ছিল।

যাহোক খানিকক্ষণের মধ্যে জেটিতে এসে পৌছালাম। গুগুল বলছে টিকেট কাউন্টার থেকে রিটার্ন টিকিট কাটার জন্য চাপাচাপি করে। তবে আমার ক্ষেত্রে এরকম দেখলাম না । ওয়ান ওয়ে টিকেট কিনে নিলাম আশি বাথ দিয়ে। যদি কেউ গাড়ি নিয়ে যেতে চায়, গাড়ির জন্য আলাদা টিকেট কিনতে হয় অতিরিক্ত একশ বাথ দিয়ে। টিকিট কাউন্টার থেকে ফেরি জেটি বেশ কয়েকশো গজ রাস্তা, ছোট গাড়িতে করে যেতে হয়। তবে ফেরি ভাড়া আশি বাথের মধ্যে এই ট্রান্সফার ইনক্লুড করা আছে।


ফেরি জেটি



ফাঁকা ফেরি

ফেরি নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে দিল। ফেরিতে মাত্র সাত জন যাত্রী। আমি আর একটা টুরিস্ট পরিবার। স্বামী-স্ত্রী, দুজন বাচ্চা, একজন ন্যানি। স্বামী আমেরিকান, মহিলা থাই , ন্যানিও থাই। এর বাহিরে আছে একটা ট্রাক আর তার ড্রাইভার। সিজন ডাল, কিন্তু এতোখানি ডাল ভাবি নি। ৪৫-৫০ মিনিটের মধ্যে কোহ চ্যাঙ চলে আসলাম।




ফেরি থেকে দেখা কোহ চ্যাঙ



পরে জেনেছি এরকম আরো দুটো ফেরি জেটি আছে। ব্যাংকক থেকে আমি টিকিট কাটতে ভুল করেছি। বাসের টিকিট কাটার সময় যদি সরাসরি ফেরি জেটি পর্যন্ত মিনি ভ্যানের টিকেট কাটতাম, তাহলে গতকালকে বিকেলেই এখানে পৌঁছে যেতে পারতাম। বাসগুলো অনেক ঘুরে আসে বলে অনেক বেশী সময় লাগে। মিনিভ্যানে অনেক কম সময় লাগে। আর যথারীতি গুগুল ভুল তথ্য দিয়েছে, ফেরি চলে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত (শেষ ফেরির শিডিউল আগে জানলেও কাজে লাগাতে পারতাম না, সাড়ে ছটায় শহরে নেমে সাড়ে সাতটার ফেরি ধরা কঠিন হতো)।




ফেরি টাইম টেবল

ফেরি থেকে নামার পরেই ফিরতি ফেরির সিডিউল দেখতে লাগলাম। কাউন্টারের লোককে জিজ্ঞাসা করে নিলাম, বোর্ডে প্রিন্ট করা টাইম টেবল আপডেটেড কি না। কোহ চ্যাঙ বেশ বড় দ্বীপ, থাইল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম, ২০০ বর্গ কিলোমিটারের চেয়ে একটু বড়। আমাদের কক্সবাজারের মতো একটানা বিচ নেই, তবে ছোট ছোট অনেকগুলো বিচ আছে। বিচ গুলোর আলাদা আলাদ নাম আছে, ঐ নামেই আশপাশের এলাকা পরিচিত। আমার হোটেল লোনলি বিচ এলাকায়। কাউন্টারে দ্বীপের ফ্রি ম্যাপ রাখা আছে, কিরপিন অবশই ফ্রি ম্যাপের একটা নেবে।

হোটেল যাবার সহজ উপায় হলো টেম্পু। আর আছে মোটর সাইকেল। থাইল্যান্ডের বিভিন্ন জায়গায় দেখেছি খুব সস্তায় সারাদিনের জন্য মোটরসাইকেল ভাড়া পাওয়া যায়। ভাড়া ১৫০ বাথ থেকে শুরু (তেল নিজের)। মোটরসাইকেল সম্পর্কে আমার ধারণা কম। পরে ছবি দেখে আমার সহকর্মী বলেছিলেন- এগুলো মোটরসাইকেল না, স্কুটি। পার্থক্য কি আমার জানা নেই। আমার মোটরসাইকেল চালানোর জ্ঞান নেই টেম্পুই ভরসা।

টেম্পু ওয়ালার সাথে দরাদরি করলাম। সে বলে ১০০ বাথ, আমি ৮০। অবশেষে সে চার্ট বের করে দেখালো লোনলি বিচের ভাড়া ১০০ বাথ। আমি টেম্পুতে উঠে বসলাম। টুরিস্ট ফ্যামিলিও উঠে বসলো। সবমিলিয়ে ৬ জন লোক। ১২ জন না হলে টেম্পু ছাড়বে না। আধা ঘন্টা বসে থাকার পর দেখি পরের ফেরিতে কোন লোক নেই। টেম্পু আলা বলল আরেক জেটিতে যেয়ে দেখি, ওখানে যদি লোক পাওয়া যায়। ওখানে যাওয়ার পরেও কোন লোক পাওয়া গেল না।

টেম্পু ওআলা বলল, আমাদের সে নিয়ে যেতে পারে, তবে ডাবল ভাড়া দিতে হবে। আমেরিকায় ব্যাটা আমার দিকে ভয়ে ভয়ে তাকাল। একশো বাথ নিয়েই আমি দরদাম করেছি, দুশো বাথে কি যাবো? আমি রাজি না হলে টেম্পু যাবে না। উপায় নাই, আমি রাজি হয়ে গেলাম।



কোহ চ্যাঙে স্বাগতম। মে থেকে অক্টোবর আবহাওয়া খারাপ বলে টুরিস্ট কম। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মাঝে তোলা ছবি।

দ্বিতীয় জেটির খুব কাছেই মূল শহর। অনেকগুলো হোটেল ইন্ডিয়ান খাবারের দোকান দেখলাম, কিছু হালাল খাবারের দোকানও আছে। এই এলাকাটা জমজমাট। তবে যারা নির্জনতা পছন্দ করেন তারা একটু ভেতরের দিকে চলে যাবেন। আমার এত কিছু জানা ছিলনা । দাম দেখে হোটেল ঠিক করেছি। হোস্টেল ভাড়ার চেয়ে যে সেখানে যাওয়ার খরচ বেশি হবে বুঝি নি । টুরিস্ট দম্পতি একটা মাঝারি মানের রিসোর্টে নেমে গেল।


বি বি লোনলি বিচ হোস্টেল

লোনলি বিচে নেমে পনেরো সেকেন্ড হেঁটে আমার হোস্টেলে চলে এলাম। হোস্টেল/ হোটেলের নাম বি বি লোনলি বিচ। ভাড়া ৮০ বাথ, বাংলাদেশের টাকায় আড়াই শ টাকার কিছু কম (গতকাল চেক করলাম, পিক সিজনে এই ভাড়া তিন গুন বেশি)। রিসপশন বলতে কিছু নেই, একটা বার আছে, বারম্যানই রিসিপশনিস্টের কাজ করে। হোটেলের চেক ইন টাইম দুপুর একটা হলেও এরা সকাল দশটায় চেক ইন করতে দিলো। ছেলেটাকে বলতেই খাতা বের করে আমার নাম এন্ট্রি করে নিল । তবে চাবির জন্য অতিরিক্ত ১০০ বাথ ডিপোজিট করতে হলো, থাইল্যান্ডে এটা প্রায় সব জায়গায়ই দিতে হয়। হোটেলে ব্যাগ রেখে খুব দ্রুত বেরিয়ে পড়লাম । আমার সর্বোচ্চ দুই দিন থাকার ইচ্ছে। এর মধ্যে যা দেখার দেখে নিতে হবে।

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

জুন বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়ে গেলাম আপনার কোহ চাং ভ্রমন পর্ব । এরপর থেকে থাইল্যান্ডে ভ্যান করে সব যায়গায় যাবেন । আমরা কোহ সামুই যাবার জন্য ব্যংকক থেকে আভ্যন্ত্রীন ফ্লাইটে সুরাট থানি গিয়েছিলাম । সুরাট থানিতে আমাদের আগে থেকেই ভাড়া করা ভ্যান রকেটের গতিতে চালিয়ে এয়ারপোর্ট থেকে জেটিতে নিয়েছিল দুই ঘন্টায়। বাসে গেলে কতক্ষন লাগতো আল্লাহ জানে । কারন জেটি আর এয়ারপোর্ট শহরটির দুই প্রান্তে :(
আপনার লেখায় ট্রাট অর্থাৎ কোহ চাং ঘুরে দেখি মা হাসান :)
+

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

মা.হাসান বলেছেন: বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে ছোট গাড়ি অ্যাভয়েড করতে চেয়েছিলাম। থাইল্যান্ডের প্রেক্ষাপটে যে ওটাই বেটার জানা থাকলে এই সমস্যা হতো না। তবে ঐ বিপত্তির কারনে ট্রাট শহরে এক রাত থাকা হলো, এটা বাড়তি পাওনা ।
সুন্দর মন্তব্য ও লাইকের জন্য অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

২| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভ্রমন সুন্দর তবে, হোটোল টোটেল এর ঠিকানা পরিপূর্ণ ভাবে দেয়া থাকলে অন্যর ভ্রমন
সহজ হতো। আর আমার জানা মতে সবাই ইংরেজী জানে না, যোগাযোগ কি ভাবে চল্ল ???
তবে আমার ধারনা ভারতীয় হোটেল থেকে এদের ব্যবহার ভালো,
ভারতে তো সব প্রতারনার পাল্লায় পড়ে ছিলাম ।
...................................................................................................................
শুভ ব্লগিং , চলতে থাকুক আপনার ভ্রমন ।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

মা.হাসান বলেছেন: আমি হোটেল বুকিং এর জন্য booking.com ওয়েব সাইট ব্যবহার করি। থাইল্যান্ডে বহিরাগতের জন্য ঠিকানা খোঁজা কঠিন মনে হয়েছে, গুগুল ম্যাপ ইংরেজি ও থাইয়ের মিশ্রনে দেখায়। booking.com থেকে লোকেশন বের করা যায়, এজন্য আর ঠিকানা দেই নি।

থাইল্যান্ডের টুরিস্ট প্লেসগুলোর প্রায় সব জায়গায়তেই বেশির ভাগ লোক কাজ চলার মতো ইংরেজি জানে, ভাষা নিয়ে কোনো সমস্যা হয় নি।
ভারতে হোটেল নিয়ে কিছু সমস্যা আছে, কোথাও কোথাও বেশ প্রকট। তবে booking.comএ যেহেতু রেটিঙের বিষয়টা আছে, আমি ভারতে কখনো বলার মতো সমস্যায় পড়ি নি।

শুভ ব্লগিং , চলতে থাকুক আপনার ভ্রমন ।
অনেক ধন্যবাদ । লাইকের জন্য কৃতজ্ঞতা।

৩| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমি অষ্ট্রেলিয়া ভ্রমনে আছি ,
..............................................................
আপনার লেখা শেষ হলে আমি লেখা পাঠাব,
থাইল্যান্ড আমি বিভিন্ন কাজে ৫/৬ বার গিয়েছি , কিন্ত
বেশি ঘুরার সময় পাইনি ।
ভারতে আমি ২০ বার এর উপর গিয়েছি কিন্ত তাদের স্বভাব পাল্টায় নাই,
আমি কলকাতার বাহিরে OYO ব্যবহার করি , তারপরও শান্তি নিকেতনে গিয়ে
প্রতারনায় পড়েছি ।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১১

মা.হাসান বলেছেন: অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কে খুবই কম জানি। আপনার ভ্রমণ কাহিনী পড়তে পারলে ভালো লাগবে।

আমার পছন্দের এক নম্বর ডেস্টিনেশন ভারত। তবে পোড় খাওয়া ভারতীয় ট্রাভেলারদেরও ওখানে হোটেল নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। পদাতিক চৌধুরী ভাইয়ের শেষ পোস্টটি দেখতে পারেন।
আমি OYO একবারই ব্যবহার করেছি, অভিযোগ করার মতো না, তবে পুনরায় ব্যবহারের আগ্রহ নেই। cleartrip আর goibibo ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো। makemytrip ভালো শুনেছি, ব্যবহার করা হয় নি। আমার অভিজ্ঞতায় booking.com সবচেয়ে রিলায়েবল।
ভারতে ভ্রমনের ক্ষেত্রে বড় শহর হলে আমি হোস্টেলে থাকা শ্রেয় মনে করি। রিভিউ দেখার সময়ে লোকাল ট্রাভেলারদের চেয়ে বাইরের ট্রাভেলারদের রিভিউকে বেশি ওজন দেই। booking.com-এ রিভিউ দেখার সময় দেখিয়ে দেয় কোন দেশের ট্রাভেলার রিভিউ লিখছে।
ছোট শহরের ক্ষেত্রে আমি সম্ভব হলে রেলওয়ের রিটায়ারিং রুম ব্যবহার করি। কখনো ভালো পাই, কখনো অত ভালো না। তবে খরচ খুব কম। আর ভারত ভ্রমনের সময়ে আমি সাথে নিজের বিছানার চাদর আর বালিশের কভার নেই। অনেক দামি হোটেলেও এই দুই নম্বরি করে, ব্যবহার করা চাদর দিয়ে দেয়। রেলওয়ের রিটায়ারিং রুমে সাধারণত পরিস্কার বেডশিট পাওয়া যায়। বোলপুরে আমি রেলওয়ের রিটায়ারিঙ রুমই ব্যবহার করেছিলাম। আমার কাছে মান ভালো মনে হয়েছে।

৪| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মা.হাসান ভাই,

অবশেষে বহুপ্রতীক্ষিত পঞ্চম পর্ব পেয়ে আনন্দ পেলাম।
১-হলের ডালটি ঠিক কোন ডাল? এটাকি অড়হড়ের ডাল জাতীয় কিছু?
২- হাসান কালবোশেখী ভাইয়ের ডেঙ্গুর গুজবে কান না দিলেও যথার্থ চোখ দেওয়ার জন্য খুশি হলাম। বাস্তব হোক বা গুজব হোক সব ক্ষেত্রেই যে কান দিতে হবে তার কোনো ব্যাপার নেই। ছোট থেকে শুনে আসছি চোখ-কান খোলা রেখেই চলতে হয়। কাজেই আপনি কান না দিয়ে যথার্থ চোঁখের কাজটি করেছেন।
৩-800 গ্রাম সাইজের পাউরুটি!! এটা কি আপনার ঐ সময়কার গোটা সফরের খাবার? জানতে ইচ্ছে করছে তা যদি না হয় তাহলে ঠিক কত দিনে আপনি এই পাউরুটিটি খেয়েছিলেন?
৪-একাই বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষারত আধুনিক বাসের ছবি দেখে পুলকিত হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ছবিটি শেয়ার করার জন্য।
৫-আপনি জানতে চ্যানথাবরির বাসে উঠে বসলেন। যদিও যাবেন যাবেন ট্রাটে। তারপরে লাল তরমুজের কাহিনী আল্লেন। ওখানে কি বামপন্থীদের আধিক্য আছে। আমাদের এখানে ডানপন্থীদের জন্য তরমুজের সব রং সবুজ হয়। যাইহোক চ্যানথাবরি থেকে ট্রাকে যাওয়ার পথে আপনার সঙ্গী আরো দুজন মদনকে দেখে পাঠক হিসেবে খুশি হলাম যে আপনার নিঃসঙ্গতা অবসান ঘটবে ভেবে।হাহা হা..
৬- ব্যতিক্রমী লোনলি বিচের গাছের শিকড়গুলো পার্শ্ববর্তী স্থানকে আঁকড়ে ধরে যেভাবে সামঞ্জস্য বজায় রেখেছে তা এক কথায় অভূতপূর্ব। ওই গাছের ফলটি দেখেও অবাক হলাম। লেজওয়ালা ধূসর বর্ণের দুটি ফলকে দেখতে ভারি চমৎকার লাগছে।



১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০৭

মা.হাসান বলেছেন: আপনাকে আনন্দ দিতে পেরে আমিও বিমলানন্দ অনুভব করছি B-))
১) এখানে হল আসলে উপাদান না, স্থান। বাংলাদেশে সরকার ভারত সরকারের মতো কিরপিন না, অনেক বেশি ছাত্র বান্ধব। ছাত্রদের হলে থাকা প্রায় ফ্রি। পুষ্টিকর খাবার সাবসিডাইসড দামে পাওয়া যায়। হলে নির্ধারিত দামে কুপন দিয়ে এক বাটি তরকারি কিনতে হয়। আমি যখন ছাত্র তখন এই কুপন ছিলো মাত্র পাঁচ টাকা পঞ্চাশ পয়সা। তরকারির সাথে সরু চালের ভাত এবং ঘন ডাল ফ্রি। তরকারিতে বড় এক টুকরো মাছ বা মাংস থাকতো। আমরা ভাত খাবার পরে ঐ বাটিতে করে ডাল খেতাম। আনুমানিক ৩০০-৪০০ মিলি লিটার সাইজের বাটি হবে।
২) এজন্যই আমি ওনাকে ব্লগের বিবেক বলেছি :-B
৩)খাবার উপর নজর দিবেন না পিলিজ। প্যাজ-রসুন ছেড়েছি, খাই তো ঐ একটু ভাত আর অল্প কটা রুটি। ৮০০ গ্রামের পাউরুটির অর্ধেকটাই তো জল। বাকি ৪০০ গ্রামের ১০০ গ্রাম তো বাতাস। থাকে আর কি? ওটুকু না খেলে চলবে কি করে?
৪) এর চেয়ে সুন্দর বাস কোলকাতায় কত আছে... হুহ।
৫)বাসে লেখা ছিলো ট্রাট। সময় এবং প্লাটফর্ম নম্বর মিলে গিয়েছিলো। এর উপর ঐ বেটি ডাক দিয়ে বললো আয়া পড়ো। ওঠার পর যখন শুনি চ্যানথাবুরি, তখন বাস ছেড়ে দিয়েছে, নামলে টিকেটের ৩০০ বাথা ফেরৎ পেতাম না। তা ছাড়া গোটা থাইল্যান্ডই এত কিছু দেখার আছে যে ভুল বাসে উঠে পড়লেও ঠকবেন না। আর আমিতো জানতাম ডানপন্থী তরমুজ সবুজ না, নীল। এজন্যও না রূপম লিখেছিলো আজ নীল রঙে মিশে গেছে লাল ... ?
আমার দু এক বার মনে হয়েছিলো ও দুজন মদন না, বাটু, নির্জনে যেয়ে লুটপাট করবে। কিন্তু বাসের টয়লেটের আয়নায় নিজের চেহারা দেখে ঐ দুশ্চিন্তা দূর হয়েছিলো। ওখানকার বেশিরভাগ বাসের পিছনে ছোট একটা টয়লেট থাকে।
৬) ও ব্যাটারা কপিরাইট ভঙ্গ করেছে। আমরা ভালো করেই জানি, ভারতের এ বিষয়ে পেটেন্ট-কপিরাইট দুই ই আছে।

এত খুঁটিয়ে পড়ার জন্য অনে ধন্যবাদ।

৫| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কিরপিনের থাইল্যান্ড ভ্রমন উপভোগ করছি---

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০৮

মা.হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ লিটন ভাই।
কোলাকুলির ইমো নাই কেন? মডুদের অনিয়ম মানি না, মানবো না।

৬| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমার নেট স্লো। ছবি গুলো দেখা যাচ্ছে না।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১১

মা.হাসান বলেছেন: মোবাইলে তোলা ছবি গুলো এডিট করে সাইজ ছোট করে এর পর ইমেজার দিয়ে আপলোড করেছি। এর পরেও যদি ছবি লোড হতে সমস্যা হয় তাহলে কোথাও কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে মনে হয়। মডারেটর সার কে তদন্ত করে দেখার অনুরোধ করছি।

৭| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৬

ইসিয়াক বলেছেন: এতোদিন কোথায় ছিলেন ভাইয়া?
কিরপিনের থাইল্যান্ড ভ্রমন ভালো লাগছে।
শুভকামনা রইলো্

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৫

মা.হাসান বলেছেন: রফিক ভাই , কিছুটা কাজে, কিছুটা অপকর্মে ব্যস্ত আছি। জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এরকম বা আরো খারাপ চলবে।

এই ভ্রমন কাহিনী পড়তে যে সময় লাগলো সে সময়ে কিন্তু কম করেও দশ টা কবিতা পড়া যায় B-)) । তার পরেও আপনি পড়েছেন, অনেক ধন্যবাদ। জানুয়ারীতে তৈরি থেকেন কিন্তু, দশ তারিখ থেকেই কবিদের সাইজ করা শুরু হবে। :#)

৮| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৯

ওমেরা বলেছেন: অাপনার লিখা পড়ে থাইল্যান্ড দেশটাকে তো উন্নতই মনে হল, কিন্ত আমাদের এখানে প্রচুর থ্যাইল্যন্ডি আছে তাদের আচার আচরন চেহারা দেখে মনে হয় না তাদের এত উন্নতা একটা দেশ আছে। লিখা পড়ে টেষ্ট পেলাম।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২৭

মা.হাসান বলেছেন: আপু, একটা দেশ উন্নত কি না এটা মাপার অবিতর্কিত ইনডেক্স মনে হয় নেই। থাইল্যান্ডে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো, শিক্ষার হার ৯০% এর বেশি, বেকারত্ব অস্বাভাবিক কম। কিন্তু করাপশন অনেক। এদের জিডিপির ২০% এর কাছাকাছি আসে টুরিজম থেকে। এদের টার্গেট ২০৩০ এর মধ্যে জিডিপির ৩০% টুরিজম থেকে আনা। এজন্য এরা ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভালো হোটেল এসব তৈরি করেছে। কিন্তু হিউম্যান ট্রাফিকিং, হিউম্যান অর্গানের ব্ল্যাকমার্কেটিঙ, এক্সটরশন এসব অনেক খারাপ জিনিস এখানে আছে। পুলিশের অনেক দুর্নাম আছে, বিপদে পড়লে টুরিস্টদের টুরিস্ট পুলিশের সাহায্য নিতে বলা হয়, সাধারণ পুলিশের না। আমার দশ-এগারো দিনের টুরে বাটপার দেখেছি, খুব সত্যবাদি দেখেছি, খুব সরল দেখেছি, বদমাসও দেখেছি। মনে হয় ভালোয় মন্দয় মিলেই আমরা মানুষ।
টেস্ট পেয়েছেন যেনে আমি আনন্দিত। সুন্দর কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৯| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৬

নীল আকাশ বলেছেন: বিরাট বড় পোস্ট। এত রাতে পড়বো না। কালকে ভালো করে পড়ে তারপর মন্তব্য করবো।
শুভ রাত্রী।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২২

মা.হাসান বলেছেন: কবিদের নিকট ২৫০০ শব্দের পোস্টকে বড় মনে হতেই পারে B-)) । কষ্ট করে গুতো মেরে যাওয়ায় ধন্যবাদ। শুভ দিন, রাত, সপ্তাহ ।

১০| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


থাইল্যান্ড গেছেন, উহা দেখেছেন, ফেরত এসেছেন, এই তো? নাকি পেছনে আরো কিছু আছে? ইতিমধ্যে ৫ পর্ব প্রকাশিত হয়েছে, আরো আছে নাকি?

ট্রুূডোর থাইল্যান্ড ভ্রমণ নিয়ে বেই বের হয়ে যাবে নাকি?

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

মা.হাসান বলেছেন:

সার আপনি মনে হয় কোনো কারণে আমার উপর মাইন্ড করিয়াছেন, কোন ইমেইল করেন নাই, আপনার সাহায্য তথা ইমেইল না পাইলে কি করিয়া ম্যাপপ্যাওয়ের বদলে উন্নত লিখা দিতে পারিবো?

১১| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


এটা কি এই দশকের সবচেয়ে বড় ঘটনা? মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের সরকারী কর্মচারী বিজনেস ভ্রমণ রিপোর্ট পেশ করছেন!

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৬

মা.হাসান বলেছেন: সার এই দশকের সবচেয়ে বড় ঘটনা শুনিলাম জিন থেরাপির মাধ্যমে কোন ডোডোপাখি ভাদুরে কুকুরে পরিনত হইয়াছে, তাহার পর ডানো ট্রাম্প তাহাকে কি সব ট্রফি দিয়াছে। আপনার কিছু জানা আছে কি? আমার পড়ালেখার পরিধি বড়ই কম, আপনার মতো জ্ঞানীদের বাণী হইতেই যা কিছু দু একটা শিখি।
আবার আসিতে ভুলিবেন না।

১২| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:০২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
যা বুঝলাম, থাইল্যান্ড দেশটা, কাচা বাজার, চলাফেরা অনেকটা আমাদের দেশের মতই।
শুধু তফাত দেশটি টুরিষ্ট বান্ধব।

কাচা বাজারের ছবিগুলো প্রাণবন্ত। আপনারই তোলা?

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪২

মা.হাসান বলেছেন: কাঁচাবাজার, ট্রান্সপোর্টেশন অনেকটাই আমাদের মতো, তবে ওদের জনসংখ্যার চাপ আমাদের চেয়ে কম, ফাঁকা জায়গা বেশি, ফলে চওড়া রাস্তা তৈরি করা সহজ।
অনেক বেশি টুরিস্ট বান্ধব, ভিক্ষুক কম, যা আছে কখনো কাপড় ধরে টান দেবে না, ভিনদেশি লোকদের দিকে হা করে তাকিয়ে তাদের অস্বস্তিতে ফেলবে না।

আমার ফোন অনেক কম দামি, রাতের আলোয় ছবি ভালো ওঠে না, বাজারের ছবির সব গুলোই সংগ্রহ করা, বেশির ভাগই টাউন কাউন্সিলের বা টুরিজম বিভাগের ওয়েব পেজ থেকে নেয়া।

১৩| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: ছবি গুলো এখন দেখতে পেলাম।
ভালো তুলেছেন।
আগামী বছর থাইল্যান্ড যাওয়ার ইচ্ছা আছে।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪৪

মা.হাসান বলেছেন: আর মাত্র তিন সপ্তাহ পর আগামী বছর শুরু হচ্ছে। গেলে আগাম অনুরোধ থাকলো ভালো ছবি সহ ভ্রমণ কাহিনী দেয়ার।

১৪| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩১

নীল আকাশ বলেছেন: ভালো পাঠকের সমাগম হয়েছে দেখি!
হোটেলের খরচ তো একদম কম। দুধভাত দেখি!
আমি নিশ্চিত সকালবেলা যেই হোটেলে ছিলেন এর পরেরবার গেলে আপনাকে ভাড়া দিবে না। দিলেও ৩ গুন ভাড়া চাইবে!
ট্রান্সপোর্টেশনের বিবরন দিয়ে ভালো করেছেন, যারা ন তুন যাবে তাদের খুব উপকার হবে।
থাইল্যান্ড মনে হলো বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।
সিরিজের সাথেই থাকলাম।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫১

মা.হাসান বলেছেন: ওটা আসলে হোস্টেল, এক রুমে ছয় জন। তিন সারি বেড, আমি মাঝের সারির নিচের বাঙ্কে। রুমে বেশির ভাগ সময় লোক ছিলো বলে ছবি তুলতে পারি নি। এখন পিক মৌসুম, ঐ রুমের ভাড়া এখন তিন গুন। চিয়াং রাইতে আমি ৬০ বাথ বা ১৭৫ টাকার রুমও দেখেছি। তবে ছিলাম আরেকটু বেশি দামের হোস্টেলে। একবার রাজস্থানে ৪০ রুপীর হোটেলে ছিলাম, টেলিভিশন, বড় বাথরুম সহ রুম- সে আলাদা কাহিনী, সুযোগ পেলে অন্য দিন বলা যাবে।
থাইল্যান্ড আসলেই বেশ পরিচ্ছন্ন।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। শুভকামনা।

১৫| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৬

হাবিব স্যার বলেছেন: বাপরে.......... আপনি তো দারুণ কিরপিন!

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫২

মা.হাসান বলেছেন: হে হে হে, আপনাদের দোয়া :`>

১৬| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির ছবিটা ভাল লাগলো।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫৩

মা.হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৭| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

এমজেডএফ বলেছেন: থাইল্যান্ডের মূল ভূখন্ড ছেড়ে এবার দ্বীপে উঠেছেন জেনে ভালো লাগলো। থাইল্যান্ডের বর্ষাকালটা মনে হয় বেশ দীর্ঘ। আর আপনার ভ্রমণের ছবি দেখে মনে হয় আপনার ভ্রমণটা বর্ষাকালীন সময়েই ছিল। যে কোনো জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় পিক সিজনে গেলে সমস্যা - সব কিছুর দাম বেশি, হোটেলে সিট পাওয়া যায় না, যাত্রী বেশি গাড়ি কম, সব জায়গায় ভিড় ইত্যাদি। তাই আমিও ভ্রমণের জন্য ডাল সিজন পছন্দ করি। এখন তো দেখি সেখানেও সমস্যা! "যাত্রীর অভাবে টেম্পু ছাড়ে না! :) ছাড়লেও ভাড়া বেশি। "

এক সময় শুধু যৌন পর্যটকের দেশ হিসাবে থাইল্যান্ডের সুনাম/বদনাম ছিল। এখন থাইল্যান্ডে পরিবার-পরিজনসহ সব ধরনের পর্যটক যায়। ইদানিং এমন কি ইউরোপ-আমেরিকা থেকে সপরিবারে মানুষ থাইল্যান্ডে বেড়াতে আসে। তাছাড়া এখন পর্যটকরা থাইল্যান্ডেের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ভ্রমণ করে। যাই হোক, আগামী (কোহ চ্যাঙ) পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৪

মা.হাসান বলেছেন: অফ পিক সিজনে ভ্রমনের বড় কিছু সুবিধা আছে। তবে কোহ চ্যাঙে ট্রান্সপোর্টেশন নিয়ে কিছু সমস্যা ছিলো যা পরের পর্বে আসবে। মটর সাইকেল চালাতে জানলে এর কিছু সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া, তবে কিছু সমস্যা রয়েই যায়।

থাইল্যান্ডের উত্তর, দক্ষিণ, পশ্চিম আর সেন্ট্রাল রিজিয়নের আবহাওয়ায় কিছু ভিন্নতা আছে, তবে মোটের উপর বলা যায় প্রায় সারা বছরই বৃষ্টি হয়। কোহ চ্যাঙ এলাকাটা নভেম্বর-ফেব্রুয়ারিতে বেশ শুষ্ক থাকে। আবার ঐ সময়ে কোহ সামুইএ খুব বৃষ্টি। আগস্ট ভরা বৃষ্টির সময়। তবে থাই বৃষ্টি মনে হয় আমাদের দেশের মতো না, মুষল ধারে বৃষ্টি হতে দেখি নি। কিছুক্ষন বৃষ্টি, কিছুক্ষন মেঘ, আবার রোদ এরকমই দেখেছি ।

১৮| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আপনেরে ব্লগে না দেইখাই ভাবছি কোনোহানে বেড়াইতে গেছেন

ইয়া বড় পোস্ট পড়তে সময় লাগিবেক

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৮

মা.হাসান বলেছেন: আসলে বেড়াইতে যাই নাই, কবিতা লেখার কেলাসে ভর্তি হইছি, টাইম পাই না। সামুতে যে পরিমান কবিতা আইতেছে, অ-কবিগো কুনু ভেল নাইক্কা। B-))
ভাগিনার পরীক্ষা শেষ পর্যন্ত কি রকম হইলো?

এই বড় পুস্ট পইড়া আপনের কাম নাই, সেই সময়ে দুই ডজন কবিতা পড়া হইয়া যাইবো, এক ডজন লিখাও হইয়া যাইবো

১৯| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

জাহিদ হাসান বলেছেন: উফ, উফ,উফ!

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৯

মা.হাসান বলেছেন: ইস ইস ইস!

২০| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

জুন বলেছেন: তরমুজের পাশে রাম্বুতান তার অদুরে লংকর্ন তিনটি ফলই আমার খুব প্রিয় মা হাসান। এর সাথে সুস্বাদু পেপে আমার বাসায় সবসময় থাকে। অত্যন্ত বিস্তারিত লিখেছেন আপনি। সামনে কোহ চাং এর রূপের আরো বর্ননা থাকবে আশাকরি। ক্রুজে যান নাই? স্নর্কেলিং, প্যারাগ্লাইডিং কায়াকিং এর ছবিও আশা করি থাকবে। নাকি আমার মত সাতার জানেন না বলে একাকি জাহাজে বসে থাকবেন? শেষে সবচেয়ে দক্ষ কায়াক চালক আমার দুক্ষের কথা শুনে আমাকে ঘুরিয়ে এনেছিল ফুকেটের সেই নীলাভ জলরাশির মাঝে :)
সাথে আছি। চলুক।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৪

মা.হাসান বলেছেন: ক্রুজের জন্য ৮০০ বাথ বুকিং দিছিলাম। তার পর কি হইলো পরের পর্বেই থাকবে। রাম্বুতান খাওয়া হয় নি, তবে চিয়াং রাইতে থাই লটকন এবং ম্যাংগোস্টিন খাবার সুযোগ পইছিলাম, পেপে খাওয়া হয় নি।
আমিও সাতার জানি না, জীবনের কত আনা মিছা হইয়া গেলো। :(

ঐ রসগোল্লা আর সেমাইয়ের মতো খাবারের নাম কি আপনার জানা আছে?

২১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৬

জুন বলেছেন: রসগোল্লা আর সেমাই এর ছবিটা মন্তব্যের ঘরে দিন তারপর আমি জানাবো এর নাম। তবে আমার ধারনা এটা আলু দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডেজার্ট। ছবিটা দিন মা হাসান। পোস্ট থেকে কপি করা যায় না :(

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:১০

মা.হাসান বলেছেন:


রসগোল্লার ছবি।
সেমাইয়ে গোলাপজলের ঘ্রান ছিলো, দুটা পোরশান ছিলো, আমি একটা পোরশান শেষ করতে পেরেছিলাম। রসগোল্লা অনেক গুলো ছিলো, একটার আধখানা খেয়ে বাকিটা ফেলে দিয়েছি।

সীমিত নেটওয়ার্কএ আছি, পিসি পাওয়াও দুরূহ, জবাব দিতে বিলম্ব হওয়ায় আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

২২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ৮০০ গ্রাম সাইজের পাউরুটি! একবেলায়!! ওয়াও!!! তবে বগলদাবা করা ঠিক হয় নাই। স্বাদ বদলে যাবার সম্ভাবনা প্রবল। তার উপরে আবার প্রাতঃভ্রমনেও গিয়েছিলেন শুনলাম!! :(

কিরপিন মাছ ফেলে দিয়ে শুধু ঝোল দিয়ে ভাত খেল কেন বুঝলাম না। সমারসেট মমের দ্য লান্চিয়ন লেডির মতো আপনার অত খাই খাই নাই, এটা বারে বারে না বললেও পারেন, এমনিতেই বুঝতে পারছি!

মোটরসাইকেলে গীয়ার থাকে, স্কুটিতে থাকে না, এটাই পার্থক্য। সাইকেল চালাতে পারলেই স্কুটি চালানো যায়। আর টেম্পুর আমেরিকান ব্যাটা কিরপিনকে চিনলো কিভাবে…এটাই ভাবছি। ভয়ে ভয়ে কেন তাকালো?? :P

প্রথম ছবিটা কোথাকার? নিজের তোলা, নাকি চুরি করেছেন?

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

মা.হাসান বলেছেন: আপনি অনুপস্থিত দেখে প্রথমে অনুমান করেছিলাম আপনার শাশুড়ি আম্মার পুনরায় শুভাগমনের কারণে আপনি ব্লগ থেকে দূরে ছিলেন। মুরুব্বিদের পদধূলি লাভ করা বিশাল সৌভাগ্যের ব্যাপার। আমার শাশুড়ি আমার বাসায় আসেন না (এক ঘর মে দো পীরের বিষয়টা আমার স্ত্রীর পছন্দের না) বলে আমি এই সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত, ব্লগের মুরুব্বিরা দয়া করে পদধূলি দিলেই যা কিছু নেকি কামাইতে পারি। ইদানিং মুরুব্বিরাও আমার উপরে নাখোশ, আগে দশ বারো বার করিয়া আসিতেন, এখন সে রকম আসেন না।
যা হোক আপনার ব্লগের অ্যাকটিভিটি দেখে বুঝতে পারলাম শাশুড়ি আম্মা না, আপনি বোজো দাদার ইলেকশন ক্যাম্পেইন নিয়ে ব্যস্ত আছিলেন। এখন মনে হয় ক্যাবিনেটে দায়িত্ব বন্টন এবং ব্রেক্সিট নিয়ে ব্যস্ত। এজন্য ব্লগে কম আসছেন। ইলেকশনে বিশাল সাফল্যের জন্য অভিনন্দন। রেজাল্টের পর একদিনেই কিন্তু পাউন্ডের দাম ১১০ টাকা থেকে ১১৪ টাকা হয়ে গেছিলো।

৮০০ গ্রাম সাইজের পাউরুটি!
পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমির কারণে চাল কিনতে হয় না, বাকি সব কিনতে হয়। তরিতরকারি যা দাম, আমি ভাত দিয়েই পেট ভরানোর চেষ্টা করি। আমার একার এক বেলায় আনুমানিক ৩০০-৩৫০ গ্রাম চালের ভাত লাগে। কোনো কারণে বাইরে খেলে ১০ টাকা প্লেট ভাতের ছয় প্লেট নেই, চক্ষু লজ্জ্বার কারণে এর বেশি খাই না। ৮০০ গ্রাম পাউরুটির অর্ধেকটাই পানি। কিছু বাতাস। আটার পরিমান আমার হিসাবে ৩৫০ গ্রামের মতো। দুপুর হলে পুরা ৮০০ গ্রামের রুটিই লাগতো, হয়তো আরো বেশি।

তবে বগলদাবা করা ঠিক হয় নাই। স্বাদ বদলে যাবার সম্ভাবনা প্রবল।
আমি মিস্টার বিনের মতো বগলের ঠিক নিচে রাখি নি (উহা পুরা বিলাতি কায়দা, বিলাতের লোকেরা নাকি এই ভাবেই পছন্দ করে), বগলের নিচে জামা ছিলো, রুটির উপরে পলিথিনের প্যাকেট ছিলো।

কিরপিন মাছ ফেলে দিয়ে শুধু ঝোল দিয়ে ভাত খেল কেন
আমি PETAর সমর্থক, মাছ-মাংস চলে না (কোরবানি ঈদের ৩ দিন ছাড়া), বিপদে পড়ে মাছের ঝোল চালিয়েছি।

মোটরসাইকেলে গীয়ার থাকে, স্কুটিতে থাকে না,
গীয়ার কি জিনিস? আলাদা করে কিনে বাইসাইকেলে লাগালে কি সাইকেল মোটর সাইকেলের মতো চলবে? আর আম্রিকান ব্যাটা আমার টেম্পু ভাড়া নিয়ে দরাদরি দেখেই অনুমান করছিলো আমি সুবিধার লোক না।

প্রথম ছবিটা কোথাকার?
ইলেকশনের আগে আপনারা যে ভাবে দেখাইলেন জিতলে কিভাবে বিলাতকে বাংলাদেশের মতো উন্নত বানাইবেন, আমিও ক্যাম্পেইন কইরা গেলাম পোস্ট পড়লে কি কি জায়গা দেখতে পাবেন। এটা কো চ্যাঙের একটা জলপ্রপাতের ছবি, পরের পর্বে আসবে।

নিজের তোলা, নাকি চুরি করেছেন?

বঙ্গবন্ধু সবাইকে কম্বল দিতে দিতে নিজেরটাই বাদ পড়ে গেছিলো। শেখ হাসিনাও সেই রকম সবাইরেই মোবাইল দিছে, কিন্তু নিজের কাছের লোকেরাই বাদ পইড়া গ্যাছে। আমি ওনার কাছের লোক বলে ভালো মোবাইল পাই নাই। আমার মোবাইল খুব কম দামের, ছবি ভালো ওঠে না। এত সুন্দর ছবি ওঠার প্রশ্নই ওঠে না। এইটা চুরি করা। বলবেন এই কথা পোস্টে কই নাই ক্যান? একই কারণ। বার বার খাই খাই এর কথা কইতে ভালো লাগে না, একই ভাবে বার বার চুরিদারির কথা কইতে ভালো লাগে না।



২৩| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আপনার লেখা পড়তে পড়তেতো থাইল্যান্ডের না জানা সৌন্দর্যটা ভালোই জানতে পারছি । আমি দেরিতে পড়ছি কিন্তু এক্সপ্রেস গতির লেখা ভালো হচ্ছে খুব ।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৯

মা.হাসান বলেছেন: থাইল্যান্ড আসলেই খুব সুন্দর। তবে আমার লেখায় বিষয়টা তুলে ধরতে পারবো না। আমি শুধু চেষ্টা করছি দেশটা সম্পর্কে পাঠকের আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে। বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে ব্লগে সময় কম দিতে পারছি। নতুন পর্ব দিতে অনেক বেশি সময় লাগছে, পোস্ট পড়তেও পারছি কম। এজন্য আন্তরিক দুঃখিত।

২৪| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৭

জুন বলেছেন: মা হাসান রসগোল্লা টির নাম থম ইয়দ আর নুডুলসের মত ওটার নাম ফই থাং। এদুটোই অত্যন্ত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী থাই ডেজার্ট। এগুলো মুলত ডিমের কুসুম, ময়দা, চালের গুড়ো এবং রিফাইন্ড চিনি দিয়ে তৈরী। থাই ভাষায় থম অর্থ স্বর্ন যা স্বর্নরংগা খাবারটিকে থাইরা সৌভাগ্যময় বলে মনে করে।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৩

মা.হাসান বলেছেন: সুস্বাদু না হলেও নিঃসন্দেহে খাবারটা আমার জন্য সৌভাগ্য বয়ে এনেছিলো। এই খাবারের দোকানেই প্রথাম হালাল মাছ-ভাতের প্যাকেট দেখেছিলাম। পরবর্তিতে ভাতের ইচ্ছা হলেই এই ভাত -মাছ প্রয়োজন মিটিয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ খাবারের নাম এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো জানানোর জন্য :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.