নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমড়া কাঠের ঢেকিঘর

বাংলাদেশ ব্লগারস এসোসিয়েশন সদস্য নং: ১০ । facebook.com/milton3d

মিলটন

আনুমানিক ৩৫ বছর ধরে বহন করে চলছি এই রক্ত মাংসের ক্ষয়িষ্ণু দেহটাকে। পিছনে তাকিয়ে দেখি কোন পাথেয় সংগ্রহ হয়নি। তাই ভয় হয়। খুব ভালোবাসি মা আর সন্তানকে আর তার সমান্তরালেই আছে আমার দেশ, বাংলাদেশ। সালাম মা তোমাকে, সালাম বাংলাদেশ তোমাকে। ধন্য করেছ তোমরা আমাকে জন্ম দিয়ে। ঘৃণা করি তাদের, যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে আর সর্বদা অন্যের কুৎসা রটনা করে।

মিলটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও..............

০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:০১

যখন জন্মেছি তখন একদিন মরতে হবেই। হয়ত এভাবেই হঠাৎ কোনদিন হারিয়ে যাবো। বন্ধু হারা হবো। কেউ মনে রাখবে কয়েকদিন। কেউবা কথায় কথায় আমাকে স্বরণ করবে আরো কিছু দিন। তারপর সৃত্মির চাপায় চাপা পড়ে সেই সৃত্মিরও মৃত্যু ঘটবে। বাহ্ কি সুন্দর নিয়ম। এরকম যুগে যুগে মানুষ আসে আর পৃথিবীর আলো বাতাস কিছুদিন ব্যাবহার করে কিছু সৃত্মি রেখে হারিয়ে যায়।



জীবনে অনেক ধাপ পার হয়ে এসেছি। প্রতি ধাপেই পেয়েছি অনেক বন্ধু। কখনও খারাপ আবার কখনও ভাল। এই ভালো খারাপ আর মাঝামাঝি মিশিয়েই জীবনের টুকরো টুকরো সৃত্মিগুলো টক ঝাল মিষ্টি। সেক্ষেত্রে সব বন্ধুই আমার আমার আপন। সবাই আমার প্রিয়।



আমি যখন একা থাকি। মাঝে মাঝে সৃত্মি রোমন্হন করি। ঠিক সেই সময় গুলো কারো সাথে শেয়ার করি না বা আসে পাশে কেউ থাকে না। সৃত্মিগুলো যখন মনে পড়ে তখন আমার চোখের পাতা, চোয়াল, ঠোঁট, গালের পেশী কখনও শক্ত হয় আবার কখনও নরম হয়। মনের অজান্তেই একটু হেসে উঠি। আসলে এগুলো ঠিক সেই মূহুর্তের ভাবনাগুলোর বহিঃপ্রকাশ। যেহেতু নিজেই নিজের সাথে সৃত্মিগুলো শেয়ার করি, তাই এমনটা হয়। আমি কখনও আমার মনের সাথে কথা বলি। কোন সৃত্মি হাসায় আবার কোন সৃত্মি কাঁদায়, কোন সৃত্মি আবার ক্ষোভের জন্ম দেয়। তবে আমার স্বভাববশতঃ দিনের একটা সময় আমি আগের সৃত্মিগুলো রোমন্হন করি। যে মূহুর্তগুলো একান্তই আমার।



যখন স্কুলে যেতাম না তখন কিছু অবুঝ বন্ধু পেয়েছিলাম। তারপর যখন স্কুল গেলাম। সেই দীর্ঘ স্কুলের ১০টি বছর অনেক চড়াই উৎরাই। কত বন্ধু, কত মান অভিমান। তখন বুঝতাম না। জীবনের এই বয়সে এসে ওদের কথা খুব মনে পড়ে। নষ্টালজিয়ায় পড়ে যাই। যেদিন স্কুলে আমাদের বিদায় অনুষ্ঠান হয়েছিল সেদিন মনে আছে খুব কেঁদেছিলাম। আজ মনে পড়লে বুঝি সেদিনের চোখের পানির কারণটি কি ছিল?



এরপর কলেজ আর ভার্সিটির জীবন। সেখানেও অনেক বন্ধু। তারপর কিছুদিন বেকার জীবন। সেখানেও আড্ডার আসরের কিছু বন্ধু। তারপরে কর্পোরেটের মেকি জীবন। সেখানেও অজস্র বন্ধু। আর এই ব্লগে যে কত বন্ধু আছে আমার তা অগুনতি।



আসলে এই 'বন্ধু' এমন একটা টপিক যেখানে পাতার পর পাতা লিখে ফেলা যায় অনায়াসে। ছোট কথায় বোঝানো খুবই অসম্ভব।



আমার একটি জন্মগত স্বভাব হলো মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া। আমার একটা নেশা মানুষের সাথে বন্ধুত্ব পাতানো। সেই বন্ধুত্বের সূত্র ধরে যে অনেক সময় ক্ষতির সম্মুখীন হইনি, তা নয়। কিন্তু লাভের পাল্লাটাই ভারি সবচেয়ে।



আজও আমি সেই আমার ছোট্টবেলার অবুঝ বন্ধু থেকে শুরু করে এই আজকের বয়সের বন্ধুদের সাথে সমান ভাবে যোগাযোগ রেখে চলেছি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে। কে কোথায় আছে, কে কি করছে সবই খবর রাখি। তবে অনেকের সাথে শত চেষ্টা সত্বেও যোগাযোগ করতে পারি না। খারাপ লাগে ওদের জন্য।



আমি সবসময় বন্ধুত্বের পক্ষে। আমার কোন শত্রু নাই কারণ শত্রুও আমার কাছে বন্ধুতুল্য। আজ এই বন্ধু দিবসে আমার সকল বন্ধুদের জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ভালবাসা। আমার সব বন্ধুরা ভাল থাক, সুস্থ্য থাক।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১৫

জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় মিল্টন, গতকাল আমিও বন্ধুত্ব নিয়ে আমিও একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। যদিও আমার লেখাটি তোমার লেখার মত এতো সুপাঠ্য এবং সুন্দর হয়নি, কিন্তু আমার ঐ লেখাতে বন্ধুত্ব সম্পর্কে কিছু উধৃতি দিয়েছিলাম। তোমার লেখাটি অসাধারন সুন্দর হয়েছে। এই সুন্দর লেখার সাথে আমি একটি ইংরেজী কবিতার বাংলা তর্জ্জমা করছি। যা একজন কবি তার বন্ধুর উদ্দেশ্যে লিখছিলেনঃ -

“আমার অনেক কিছু আছে,
আমার ভাগ্যকে যা সুশোভিত করেছে,
সবার মধ্যে যেটি উত্তম হচ্ছে
তোমার মতো বন্ধুকে কাছে পেয়েছি।
যে কোন সমস্যা দেখলে
আমি কি সাহায্য করব
এ কথা না বলেই তুমি তা সমাধান কর।
আমি আর ভাবতে পারি না,
একজন বন্ধু হওয়া
এবং তোমার মতো একজন বন্ধুকে
আমার কাছে পাওয়া"।

বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবসে আমাদের ভাবনা হবে মানুষ মানুষের বন্ধু হবে। আনন্দ ঘন মুহূর্তে তার অংশীদার হবে। দুঃখের দিনে কাছে থেকে সাহায্য করবে। হিংসা, বিদ্বেষ ও দুর্বৃত্তায়ন থেকে নিবৃত্ত থেকে বন্ধুত্বের বাতাবরণের মাঝে সুন্দর পৃথিবী গড়বে। বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস বার বার আসবে। মানুষ মানুষের জন্য, মানুষ সকল প্রাণীর জন্য, বন্ধুত্বের হাত বাড়াবে, এ হবে বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবসের অঙ্গীকার।

নিরন্তর শুভ কামনা।

+

০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:২৯

মিলটন বলেছেন: বঙ্গানুবাদটি চমৎকার হয়েছে। হ্যা সব বন্ধুদেরকেই নিরন্তর শুভেচ্ছা।

২| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১৫

উরনচণ্ডী বলেছেন: আপনাকেও জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ভালবাসা

০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৪

মিলটন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:২০

রাজসোহান বলেছেন: সুন্দর আর শুভেচ্ছা ! +

০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৪০

মিলটন বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৪| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:২৯

গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম বলেছেন: আমার কপাল মন্দ। :(
জীবনের সবচে বড় গোয়া মারাটা খাইছিলাম বন্ধুর কাছ থেকে। :( :(

গার্লফ্রেন্ডএর লগে বন্ধুর ঠিকই যোগাযোগ ছিলো তলে তলে। সব খবরই পাইতো গার্লফ্রেন্ড কার লগে কি করত, তবে আমারে কিছুই জানাইতো না। যেটা আমারে জানানু উচিৎ ছিলো।
ফলাফল যা হবার তাই হইল।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০২

মিলটন বলেছেন: :)

৫| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩১

িমতু এক্স এক্স এক্স বলেছেন: সুন্দর দিনে সুন্দর বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা................

০১ লা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০৮

মিলটন বলেছেন: আপনাকেও বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা।

৬| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৫

কালপুরুষ বলেছেন: ভাল লাগলো কথাগুলো।

বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা রইলো।

০১ লা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:১৮

মিলটন বলেছেন: কালপুরুষ'দাকেও অনেক শুভেচ্ছা।

৭| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৪১

সকাল রয় বলেছেন:

খুব সুন্দর লেখা

০১ লা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:৩০

মিলটন বলেছেন: ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা।

৮| ০১ লা আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৫৪

বড় বিলাই বলেছেন: শুভেচ্ছা রইল।

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:১১

মিলটন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯| ০৬ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:২২

শোশমিতা বলেছেন: আসলে এই 'বন্ধু' এমন একটা টপিক যেখানে পাতার পর পাতা লিখে ফেলা যায় অনায়াসে। ছোট কথায় বোঝানো খুবই অসম্ভব।
চমৎকার কথাগুলো ভাল লাগলো +

০৬ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫০

মিলটন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১০| ০৮ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:২৫

মুহিব বলেছেন: আপনার বন্ধুভাগ্যে আমি সবসময় ঈর্ষা করি।

১১| ০৮ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:২২

মুখ ও মুখোশ বলেছেন:

মিল্টন ভাই ঈদ মোবারক

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.