নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ন্যায় পিপাসু

আমি একজন অলস মানুষ। কথা বেশি বলি।কাজ করি কম। তবে নিজের পায়ে হাটি।

মির্জা৯৯৯

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আ-সে, তবে একলা চলরে

মির্জা৯৯৯ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কুসুম কুসুম প্রেম

১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৭:৪২

চট্টগ্রাম নগরের ইস্পাহানি মোড়ে গত সোমবার হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের ওপর গুলি চালান যুবলীগ নেতা দিদারুল।

এব্যাপারে তার গ্রেফতারের ব্যাপারে জানতে চাইলে খুলশি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ বলেন, ‘অস্ত্র তাক করার ছবি পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে। এতে গুলি করেছে কি না, তা প্রমাণিত হয় না। তবে এ ঘটনায় আরও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’ দিদারুল গুলি ছোড়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি তিনি গুলি করেছেন প্রমাণিত হয়, তাহলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে।’।



এটি আজকের পত্রিকাগুলোর একটা আলোচিত খবর। পুলিশের এমন দায়িত্বহীন কথা দেশের একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে আমাকে হতাস করে। পাশাপাশি আমি লজ্জিত, যে এটা আমার দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে। আমি দেশের এমন কেউনা যে, দেশের এমন অবস্থায়ও বলব সব কিছু ঠিক আছে - এধরনের পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দিতে হয় আমার জানা আছে।



তবে মনে হচ্ছে দিদারুল কাউকে গুলি করছে এমন দৃশ্য দেখালে পুলিশ বলত, কারো গায়ে গুলি লেগেছে প্রমানিত হলে মহোদয়কে গ্রেফতার করা হবে। হ্যাঁ ,অই দিন আসলেই তার গুলিতে অনেকে আহত হয়েছেন । এখন সেই সত্যটা যদি পুলিশকে বলা হয়, অনেকের গায়ে গুলি লেগেছে- তখন পুলিশ হয়ত বলবে অন্য কারো গুলিও তো লাগতে পারে। যদি প্রমানিত হয় আসলেই মহোদয়ের গুলিই লেগেছে তাহলে গ্রেফতার করা হবে।



এ হচ্ছে আমাদের দেশের পুলিশের চেহারা। এই পুলিশ বাহিনিতে এত বেশি দলীয় করন করা হয়েছে যে, সংঘর্ষে কোনও পুলিশ মারা গেলেও আমাদের দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়, আসলে কি সে পুলিশ নাকি সরকার দলীয় সন্ত্রাসি? সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করলে পাটকেল খেতেই পারেন।



এরকম অনেক উদাহরন আমাদের দেশে আছে। এমনও আছে আগের বছর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, পরের বছর পুলিশের মার খাচ্ছেন। এটা আসলে নিজেদের ব্যর্থতারই ফল। যদিও বিষয়টি দুঃখজনক।



আমি এখানে দিদারুল কে দোষী বলব না। তাকে অন্যায় করতে যারা সাহায্য করছে তাঁরা হচ্ছেন বড় অপরাধী। এর মধ্যে উল্যেখ যোগ্য তার দলের বড় নেতারা। আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতো আছেই। তাঁরা আইনের রক্ষক হয়ে যদি আইন ভাংতে পারেন, তাহলে দিদারুলদের অধিকার আছে এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করার।



আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আর সরকার দলের মধ্যে এধরনের কুসুম কুসুম প্রেম যতদিন এই বাংলায় থাকবে, ততদিন অপরাধ কমবে তো না, বরং অনেক দ্রুত গতিতে বাড়বে।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৮:০০

মোমের মানুষ বলেছেন: জোকস অব দ্যা ডে

১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৮:৪০

মির্জা৯৯৯ বলেছেন: এই দেশে একটা দিন ভালো করে পার করাটা সবচেয়ে বড় জোকস।

২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৮:০২

সাউন্ডবক্স বলেছেন: Joytu digital awamileague

১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৮:৪০

মির্জা৯৯৯ বলেছেন: জয় হো।।

৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৮:৩১

জীবনকেসি বলেছেন: দিদারুল আলমের এই শর্টগান দিয়া একদিন পুলিশরেই গুলি করবে দেইখেন।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৮:৪১

মির্জা৯৯৯ বলেছেন: আমার তো মনে হয়, তাদের দলের বড় কোনও নেতারে করব। - "নমিনেসান দিবি কিনা বল?"

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.