| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্থান : মীরপুর রোড ধানমন্ডি সংলগ্ন
মটর সাইকেল চালক বনাম পুলিশ কর্মকর্তা + কনেষ্টবল
পুলিশ কর্মকর্তা ঃ গাড়ি সাইড করুন ।
মটর সাইকেল চালক ঃ মটর সাইকেল ব্রেক করে স্লামালেকুম কি ব্যাপার স্যার?
পুলিশ কর্তা ঃ আর একটু হলে তো কার টার সাথে মেরে দিতেন। ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখান।
মটর সাইকেল চালক ঃ কাছে নাই।
পুলিশ কনেষ্টবল (ট্রাফিক) ঃ তাহলে অন্যান্য কাগজ দেখান।
মটর সাইকেল চালক ঃ এই দু-দিন আগে গাড়ির কেস হয়েছে সব সিজ করে নিয়েছে।
পুলিশ কনেষ্টবল ঃ তাহলে কেস স্লিপ দেখান তাহলে বুঝবো যে আপনার কাগজপত্র জব্দ হয়েছে।
মটর সাইকেল চালক ঃ তা-ও কাছে নাই।
পুলিশ কনেষ্টবল ঃ তাহলে বুঝবো কি ভাবে গাড়ীর মালিক আপনি না গাড়িটি চোরাই। ঠিক আছে আাপনাকে ১৫ মিঃ সময় দেওয়া হলো কাগজ নিয়ে আসুন তা না হলে আপনাকে সহ মোপর সাইকেল থানাই নিয়ে যাবো।
অতঃপর ওরা দুজনেই চু্প-চাপ আর আমি পার্শ্বেই দাড়িয়ে এদিক ওদিক তাকাচ্ছি আর ভাবছি যাক দেশে তাহলে সুশাসনের হাওয়া বইছে (যদিও কনেষ্টবল কর্তৃক এখতিয়ার বর্হিভূত) দেখিনা শেষ পর্যন্ত কি হয়। আমাকে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলো না এক জন লুঙ্গি পরা লোক (পরে বুঝলাম সে দালাল) এসে মটর সাইকেল চালককে যেন ফিস ফিসিয়ে কি বললো এর পর পুলিশ কনেষ্টবল এবং মটর সাইকেল চালক দু-কদম সরে গিয়ে কানে-মুখে কথা বললো তার পর মটর সাইকেল চালক পকেটে হাত দিলেন এবং একটু লেন-দেন। এর পর কনেষ্টবল বললো স্যার সব ঠিক আছে উনাকে ছেড়ে দিলাম। স্যার বললেন ঠিক আছে।
অবশ্য কিছু দিন আগে দেশ কর্তা বলেছিলেন রাস্তা ঘাটে এরকম একটু আধটু সব দেশে হয়েই থাকে অতএব, পুলিশতো এখানে নিরুপাই। তাকে এটা করতেই হবে যে হুজুরের মতে অমত কার এরকম অবস্থা।
ভেবে দেখুন কনেষ্টবল গাড়ির কগজ দেখছে আবার ছেড়েও দিচ্ছে যা সম্পুর্ন এখতিয়ার বিহীন। এখানে আর চাকরী বর্হিভুত বা আচরন / নিয়ম বর্হিভুত বলে কিছু নাই যত নিয়ম ঐ ও.এস.ডি হওয়া বি.সি.এস কর্মকর্তা দের বেলায় যেখানে এক জন সাধারন নাগরিকের অধিকারও তারা হারিয়েছেন।
ভেবে দেখুন মগের মুল্লুকে এর থেকে বেশি কিছু কি আশা করা যায় ? ![]()
©somewhere in net ltd.